শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে নির্বাচনী সহিংসতার ঘটনাকে ঘিরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। বুধবারের সহিংসতায় এক জামায়াত নেতা নিহত হওয়ার পর বৃহস্পতিবার এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীতে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে নির্বাচন কমিশনের জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ বলেন, ঝিনাইগাতী উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করা হবে।
নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ
ঘটনাটিকে অত্যন্ত নিন্দনীয় উল্লেখ করে নির্বাচন কমিশনের জ্যেষ্ঠ সচিব বলেন, বুধবার শেরপুরে যে সহিংস ঘটনা ঘটেছে তা নির্বাচনী আচরণবিধির পরিপন্থী। আচরণবিধিতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচনী ইশতেহার পাঠ ও প্রচারণা চালানোর স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে সেখানে একটি মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে।

সংঘর্ষে প্রাণ হারান জামায়াত নেতা
বুধবার সন্ধ্যায় ঝিনাইগাতী বাজার এলাকায় জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপি সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের সময় গুরুতর আহত হন শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান। এ ঘটনায় এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
ঘটনার পর প্রশাসনিক ভূমিকা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিষয়ে প্রশ্ন উঠলে নির্বাচন কমিশন দ্রুত পদক্ষেপ নেয় বলে জানানো হয়। কমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নির্বাচনকে ঘিরে সহিংসতা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় এবং নিরপেক্ষ পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















