১২:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬
শান্তৌ কেন ব্যর্থ, শেনঝেনের সাফল্যের গল্পে চীনের অর্থনীতির বড় শিক্ষা সারনাথ এখন বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায়, ভারতের ৪৫তম ঐতিহাসিক স্থাপনা পোষ্যবান্ধব বাসার খোঁজ কমেছে ৫৪ শতাংশ, আইন বদলের পর বদলেছে ভাড়াটিয়াদের আচরণ ক্যালিফোর্নিয়ার সৈকতে সি লায়নকে লাথি, তদন্তে মার্কিন ফেডারেল কর্তৃপক্ষ ভারতের মাটিতে পিরেলির ২০২৭ দিনপঞ্জি, এক ফ্রেমে ভারতীয় নারীর বহুরূপী সৌন্দর্য সানস্ক্রিনে ক্যানসার হয়—ভুয়া দাবিতে বাড়ছে উদ্বেগ বার্লিনে সমকামী অধিকার উৎসবের কাছে গাড়িচাপা, নিহত ১ আহত ১৬ এক সপ্তাহের কাজেই বদলে গেল শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ ভাবনা পদ্মা ব্যারাজ নিয়ে ১৪ প্রশ্ন, পুরোনো সমীক্ষায় ৫০০০০ কোটি টাকার প্রকল্পে বড় শঙ্কা জুলাইয়ের পূর্ণিমায় আকাশজুড়ে ‘বাক মুন’, ২৯ জুলাই দেখা যাবে দারুণ চাঁদের দৃশ্য

সমুদ্রঘেঁষা কক্সবাজার বিমানবন্দরের রানওয়ে সরানোর সুযোগ নেই: বেবিচক

সমুদ্রের বুকে নির্মিত কক্সবাজার বিমানবন্দরের সম্প্রসারিত রানওয়ে থেকে কোনো অংশই সরানো সম্ভব নয় বলে স্পষ্ট করে জানিয়েছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ। সংস্থাটির সদস্য এয়ার কমোডোর নুর ই আলম বলেছেন, এই রানওয়ে নির্মাণের পেছনে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তাই নতুন করে কিছু পরিবর্তনের প্রশ্নই আসে না।

রানওয়ে নিয়ে আপত্তি ও বাস্তবতা
তিনি বলেন, কক্সবাজার বিমানবন্দরের সম্প্রসারিত রানওয়ে নিয়ে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ যে সুপারিশ দিয়েছে, তা বাস্তবায়নযোগ্য নয়। কারণ রানওয়ে নির্মাণের সময়ই নৌ চলাচলসহ সব দিক বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। এর ফলে বর্তমানে নৌযানে চলাচলে কোনো ধরনের সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে না।

গণশুনানিতে বেবিচকের অবস্থান
বৃহস্পতিবার সকালে কক্সবাজার বিমানবন্দরের কনফারেন্স হলে আয়োজিত এক গণশুনানিতে এসব কথা বলেন এয়ার কমোডোর নুর ই আলম। তিনি জানান, কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে বেবিচকের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে। এখন সরকার চাইলে যেকোনো সময় এই বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানের হিসেবে ঘোষণা দিতে পারে।

সেবার মান উন্নয়নকে অগ্রাধিকার
গণশুনানিতে বিমানবন্দর ব্যবহারকারীদের সেবার মান আরও উন্নত করার বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়। যাত্রীসেবা, ব্যবস্থাপনা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে সেখানে বিভিন্ন মতামত উঠে আসে।

উপস্থিত ছিলেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত সচিব ও বেবিচকের সদস্য (প্রশাসন) এস এম লাবলুর রহমান, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মো. নুরুল হুদা এবং বেবিচকের পরিচালক (সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা) ও উপ-সচিব সানিউল ফেরদৌস। এ ছাড়া সাধারণ যাত্রী ও বিমান পরিবহন খাতের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরাও গণশুনানিতে অংশ নেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

শান্তৌ কেন ব্যর্থ, শেনঝেনের সাফল্যের গল্পে চীনের অর্থনীতির বড় শিক্ষা

সমুদ্রঘেঁষা কক্সবাজার বিমানবন্দরের রানওয়ে সরানোর সুযোগ নেই: বেবিচক

০৭:৫১:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

সমুদ্রের বুকে নির্মিত কক্সবাজার বিমানবন্দরের সম্প্রসারিত রানওয়ে থেকে কোনো অংশই সরানো সম্ভব নয় বলে স্পষ্ট করে জানিয়েছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ। সংস্থাটির সদস্য এয়ার কমোডোর নুর ই আলম বলেছেন, এই রানওয়ে নির্মাণের পেছনে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তাই নতুন করে কিছু পরিবর্তনের প্রশ্নই আসে না।

রানওয়ে নিয়ে আপত্তি ও বাস্তবতা
তিনি বলেন, কক্সবাজার বিমানবন্দরের সম্প্রসারিত রানওয়ে নিয়ে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ যে সুপারিশ দিয়েছে, তা বাস্তবায়নযোগ্য নয়। কারণ রানওয়ে নির্মাণের সময়ই নৌ চলাচলসহ সব দিক বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। এর ফলে বর্তমানে নৌযানে চলাচলে কোনো ধরনের সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে না।

গণশুনানিতে বেবিচকের অবস্থান
বৃহস্পতিবার সকালে কক্সবাজার বিমানবন্দরের কনফারেন্স হলে আয়োজিত এক গণশুনানিতে এসব কথা বলেন এয়ার কমোডোর নুর ই আলম। তিনি জানান, কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে বেবিচকের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে। এখন সরকার চাইলে যেকোনো সময় এই বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানের হিসেবে ঘোষণা দিতে পারে।

সেবার মান উন্নয়নকে অগ্রাধিকার
গণশুনানিতে বিমানবন্দর ব্যবহারকারীদের সেবার মান আরও উন্নত করার বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়। যাত্রীসেবা, ব্যবস্থাপনা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে সেখানে বিভিন্ন মতামত উঠে আসে।

উপস্থিত ছিলেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত সচিব ও বেবিচকের সদস্য (প্রশাসন) এস এম লাবলুর রহমান, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মো. নুরুল হুদা এবং বেবিচকের পরিচালক (সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা) ও উপ-সচিব সানিউল ফেরদৌস। এ ছাড়া সাধারণ যাত্রী ও বিমান পরিবহন খাতের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরাও গণশুনানিতে অংশ নেন।