০৬:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬
লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জ থেকে বাদ পড়ার শঙ্কার মধ্যেও বেক্সিমকো ফার্মার শেয়ারে ঊর্ধ্বগতি হরমুজ প্রণালি ঘিরে নতুন উত্তেজনা, সুইজারল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি আলোচনা শুরু ১৫ বছর বয়সেই ইতিহাস, লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে দ্রুততম ফিফটির নতুন রেকর্ড সূর্যবংশীর নেটফ্লিক্সের ‘ব্রিজারটন’-এর পেছনের বাস্তব ইতিহাস: কেন রিজেন্সি যুগে ফ্যাশন ছিল সবকিছু ফরিদপুরে বাজারে আগুন নেভাতে গিয়ে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে নিহত এক চট্টগ্রামে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, আটক চার টি-টোয়েন্টি সিরিজে বাংলাদেশকে হোয়াইটওয়াশ করল অস্ট্রেলিয়া ধানমন্ডিতে গৃহকর্মী শিশুর মৃত্যু, প্রকৌশলী দম্পতি রিমান্ডে নারী বীরদের অজানা ইতিহাস: ড্রাগনের বিরুদ্ধে লড়াই করা কিংবদন্তি যোদ্ধাদের গল্প আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধ: কীভাবে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের ভেতরেই জন্ম নিয়েছিল বিদ্রোহের বীজ

আয়কর রিটার্ন জমায় আবার সময় বাড়াল এনবিআর, শেষ তারিখ ফেব্রুয়ারির শেষ দিন

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড আবারও ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের আয়কর রিটার্ন জমার সময় বাড়িয়েছে। জনস্বার্থে নেওয়া এ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দুই হাজার পঁচিশ–দুই হাজার ছাব্বিশ করবর্ষের জন্য আয়কর রিটার্ন জমার নতুন শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে আটাশে ফেব্রুয়ারি দুই হাজার ছাব্বিশ।

সরকারি অনুমোদনের সিদ্ধান্ত

এনবিআরের এক আদেশে জানানো হয়, আয়কর আইন দুই হাজার তেইশের সংশ্লিষ্ট ধারার ক্ষমতা প্রয়োগ করে এবং সরকারের পূর্বানুমোদন নিয়ে সময় বাড়ানো হয়েছে। এর আগে এই শ্রেণির করদাতাদের জন্য রিটার্ন জমার শেষ সময় ছিল একত্রিশে জানুয়ারি দুই হাজার ছাব্বিশ।

অনলাইনে রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক

চলতি করবর্ষে প্রথমবারের মতো সব ব্যক্তিশ্রেণির করদাতার জন্য অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করেছে এনবিআর। নির্ধারিত ই-রিটার্ন ব্যবস্থার মাধ্যমে রিটার্ন জমা দিতে বলা হয়েছে, যাতে কর প্রশাসনকে আরও ডিজিটাল ও স্বচ্ছ করা যায়।

প্রযুক্তিগত জটিলতায় শর্তসাপেক্ষ ছাড়

তবে অনলাইনে নিবন্ধন বা প্রযুক্তিগত সমস্যার কথা বিবেচনায় রেখে সীমিত পরিসরে ছাড় দিয়েছে সংস্থাটি। যেসব করদাতা যৌক্তিক কারণে অনলাইনে রিটার্ন জমা দিতে পারছেন না, তারা কাগজে রিটার্ন জমার অনুমতির জন্য আবেদন করতে পারবেন।

আবেদন ও অনুমোদনের নিয়ম

এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট করদাতাকে পনেরোই ফেব্রুয়ারি দুই হাজার ছাব্বিশের মধ্যে ডেপুটি কমিশনারের কাছে লিখিত আবেদন দিতে হবে। আবেদনে যুক্তিসংগত কারণ উল্লেখ করতে হবে। সংশ্লিষ্ট অতিরিক্ত বা যুগ্ম কমিশনারের অনুমোদন মিললে কাগজে আয়কর রিটার্ন জমার সুযোগ পাবেন আবেদনকারী।

ডিজিটাল কর ব্যবস্থার দিকে এনবিআরের লক্ষ্য

এনবিআর বলছে, এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য কর ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও ডিজিটাল করা, পাশাপাশি প্রকৃত প্রযুক্তিগত সমস্যায় পড়া করদাতাদের জন্য সীমিত নমনীয়তা রাখা।

জনপ্রিয় সংবাদ

লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জ থেকে বাদ পড়ার শঙ্কার মধ্যেও বেক্সিমকো ফার্মার শেয়ারে ঊর্ধ্বগতি

আয়কর রিটার্ন জমায় আবার সময় বাড়াল এনবিআর, শেষ তারিখ ফেব্রুয়ারির শেষ দিন

০৮:০৯:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড আবারও ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের আয়কর রিটার্ন জমার সময় বাড়িয়েছে। জনস্বার্থে নেওয়া এ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দুই হাজার পঁচিশ–দুই হাজার ছাব্বিশ করবর্ষের জন্য আয়কর রিটার্ন জমার নতুন শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে আটাশে ফেব্রুয়ারি দুই হাজার ছাব্বিশ।

সরকারি অনুমোদনের সিদ্ধান্ত

এনবিআরের এক আদেশে জানানো হয়, আয়কর আইন দুই হাজার তেইশের সংশ্লিষ্ট ধারার ক্ষমতা প্রয়োগ করে এবং সরকারের পূর্বানুমোদন নিয়ে সময় বাড়ানো হয়েছে। এর আগে এই শ্রেণির করদাতাদের জন্য রিটার্ন জমার শেষ সময় ছিল একত্রিশে জানুয়ারি দুই হাজার ছাব্বিশ।

অনলাইনে রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক

চলতি করবর্ষে প্রথমবারের মতো সব ব্যক্তিশ্রেণির করদাতার জন্য অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করেছে এনবিআর। নির্ধারিত ই-রিটার্ন ব্যবস্থার মাধ্যমে রিটার্ন জমা দিতে বলা হয়েছে, যাতে কর প্রশাসনকে আরও ডিজিটাল ও স্বচ্ছ করা যায়।

প্রযুক্তিগত জটিলতায় শর্তসাপেক্ষ ছাড়

তবে অনলাইনে নিবন্ধন বা প্রযুক্তিগত সমস্যার কথা বিবেচনায় রেখে সীমিত পরিসরে ছাড় দিয়েছে সংস্থাটি। যেসব করদাতা যৌক্তিক কারণে অনলাইনে রিটার্ন জমা দিতে পারছেন না, তারা কাগজে রিটার্ন জমার অনুমতির জন্য আবেদন করতে পারবেন।

আবেদন ও অনুমোদনের নিয়ম

এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট করদাতাকে পনেরোই ফেব্রুয়ারি দুই হাজার ছাব্বিশের মধ্যে ডেপুটি কমিশনারের কাছে লিখিত আবেদন দিতে হবে। আবেদনে যুক্তিসংগত কারণ উল্লেখ করতে হবে। সংশ্লিষ্ট অতিরিক্ত বা যুগ্ম কমিশনারের অনুমোদন মিললে কাগজে আয়কর রিটার্ন জমার সুযোগ পাবেন আবেদনকারী।

ডিজিটাল কর ব্যবস্থার দিকে এনবিআরের লক্ষ্য

এনবিআর বলছে, এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য কর ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও ডিজিটাল করা, পাশাপাশি প্রকৃত প্রযুক্তিগত সমস্যায় পড়া করদাতাদের জন্য সীমিত নমনীয়তা রাখা।