০৯:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬
রাজনীতি দায়িত্ব, ব্যবসা নয়: মির্জা ফখরুল স্কটল্যান্ড ম্যাচের আগে সতর্কবার্তা রাবেয়ার, চতুর্থ শিরোপার পথে বাংলাদেশ নারী দল ইইউ দূতের সঙ্গে জামায়াত আমিরের বৈঠক, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তরে সমর্থনের পুনর্ব্যক্তি সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের আমানতকারীদের জন্য সুখবর, সর্বোচ্চ সাড়ে নয় শতাংশ মুনাফা ঘোষণা বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের জমি ছাড়ে কড়া নির্দেশ, পশ্চিমবঙ্গকে সময়সীমা বেঁধে দিল হাইকোর্ট আয়কর রিটার্ন জমায় আবার সময় বাড়াল এনবিআর, শেষ তারিখ ফেব্রুয়ারির শেষ দিন সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংককে ঘিরে অপপ্রচার, নেপথ্যে অর্থ দিয়ে উসকানি: গভর্নর চট্টগ্রাম কাস্টমসের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ ই-নিলাম, বিক্রি হলো ২ হাজার ৮০০ টন অনাবাদি পণ্য সমুদ্রঘেঁষা কক্সবাজার বিমানবন্দরের রানওয়ে সরানোর সুযোগ নেই: বেবিচক শেরপুরে নির্বাচনী সহিংসতার জেরে ঝিনাইগাতীর ইউএনও ও ওসিকে প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত

আয়কর রিটার্ন জমায় আবার সময় বাড়াল এনবিআর, শেষ তারিখ ফেব্রুয়ারির শেষ দিন

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড আবারও ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের আয়কর রিটার্ন জমার সময় বাড়িয়েছে। জনস্বার্থে নেওয়া এ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দুই হাজার পঁচিশ–দুই হাজার ছাব্বিশ করবর্ষের জন্য আয়কর রিটার্ন জমার নতুন শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে আটাশে ফেব্রুয়ারি দুই হাজার ছাব্বিশ।

সরকারি অনুমোদনের সিদ্ধান্ত

এনবিআরের এক আদেশে জানানো হয়, আয়কর আইন দুই হাজার তেইশের সংশ্লিষ্ট ধারার ক্ষমতা প্রয়োগ করে এবং সরকারের পূর্বানুমোদন নিয়ে সময় বাড়ানো হয়েছে। এর আগে এই শ্রেণির করদাতাদের জন্য রিটার্ন জমার শেষ সময় ছিল একত্রিশে জানুয়ারি দুই হাজার ছাব্বিশ।

অনলাইনে রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক

চলতি করবর্ষে প্রথমবারের মতো সব ব্যক্তিশ্রেণির করদাতার জন্য অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করেছে এনবিআর। নির্ধারিত ই-রিটার্ন ব্যবস্থার মাধ্যমে রিটার্ন জমা দিতে বলা হয়েছে, যাতে কর প্রশাসনকে আরও ডিজিটাল ও স্বচ্ছ করা যায়।

প্রযুক্তিগত জটিলতায় শর্তসাপেক্ষ ছাড়

তবে অনলাইনে নিবন্ধন বা প্রযুক্তিগত সমস্যার কথা বিবেচনায় রেখে সীমিত পরিসরে ছাড় দিয়েছে সংস্থাটি। যেসব করদাতা যৌক্তিক কারণে অনলাইনে রিটার্ন জমা দিতে পারছেন না, তারা কাগজে রিটার্ন জমার অনুমতির জন্য আবেদন করতে পারবেন।

আবেদন ও অনুমোদনের নিয়ম

এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট করদাতাকে পনেরোই ফেব্রুয়ারি দুই হাজার ছাব্বিশের মধ্যে ডেপুটি কমিশনারের কাছে লিখিত আবেদন দিতে হবে। আবেদনে যুক্তিসংগত কারণ উল্লেখ করতে হবে। সংশ্লিষ্ট অতিরিক্ত বা যুগ্ম কমিশনারের অনুমোদন মিললে কাগজে আয়কর রিটার্ন জমার সুযোগ পাবেন আবেদনকারী।

ডিজিটাল কর ব্যবস্থার দিকে এনবিআরের লক্ষ্য

এনবিআর বলছে, এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য কর ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও ডিজিটাল করা, পাশাপাশি প্রকৃত প্রযুক্তিগত সমস্যায় পড়া করদাতাদের জন্য সীমিত নমনীয়তা রাখা।

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজনীতি দায়িত্ব, ব্যবসা নয়: মির্জা ফখরুল

আয়কর রিটার্ন জমায় আবার সময় বাড়াল এনবিআর, শেষ তারিখ ফেব্রুয়ারির শেষ দিন

০৮:০৯:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড আবারও ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের আয়কর রিটার্ন জমার সময় বাড়িয়েছে। জনস্বার্থে নেওয়া এ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দুই হাজার পঁচিশ–দুই হাজার ছাব্বিশ করবর্ষের জন্য আয়কর রিটার্ন জমার নতুন শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে আটাশে ফেব্রুয়ারি দুই হাজার ছাব্বিশ।

সরকারি অনুমোদনের সিদ্ধান্ত

এনবিআরের এক আদেশে জানানো হয়, আয়কর আইন দুই হাজার তেইশের সংশ্লিষ্ট ধারার ক্ষমতা প্রয়োগ করে এবং সরকারের পূর্বানুমোদন নিয়ে সময় বাড়ানো হয়েছে। এর আগে এই শ্রেণির করদাতাদের জন্য রিটার্ন জমার শেষ সময় ছিল একত্রিশে জানুয়ারি দুই হাজার ছাব্বিশ।

অনলাইনে রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক

চলতি করবর্ষে প্রথমবারের মতো সব ব্যক্তিশ্রেণির করদাতার জন্য অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করেছে এনবিআর। নির্ধারিত ই-রিটার্ন ব্যবস্থার মাধ্যমে রিটার্ন জমা দিতে বলা হয়েছে, যাতে কর প্রশাসনকে আরও ডিজিটাল ও স্বচ্ছ করা যায়।

প্রযুক্তিগত জটিলতায় শর্তসাপেক্ষ ছাড়

তবে অনলাইনে নিবন্ধন বা প্রযুক্তিগত সমস্যার কথা বিবেচনায় রেখে সীমিত পরিসরে ছাড় দিয়েছে সংস্থাটি। যেসব করদাতা যৌক্তিক কারণে অনলাইনে রিটার্ন জমা দিতে পারছেন না, তারা কাগজে রিটার্ন জমার অনুমতির জন্য আবেদন করতে পারবেন।

আবেদন ও অনুমোদনের নিয়ম

এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট করদাতাকে পনেরোই ফেব্রুয়ারি দুই হাজার ছাব্বিশের মধ্যে ডেপুটি কমিশনারের কাছে লিখিত আবেদন দিতে হবে। আবেদনে যুক্তিসংগত কারণ উল্লেখ করতে হবে। সংশ্লিষ্ট অতিরিক্ত বা যুগ্ম কমিশনারের অনুমোদন মিললে কাগজে আয়কর রিটার্ন জমার সুযোগ পাবেন আবেদনকারী।

ডিজিটাল কর ব্যবস্থার দিকে এনবিআরের লক্ষ্য

এনবিআর বলছে, এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য কর ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও ডিজিটাল করা, পাশাপাশি প্রকৃত প্রযুক্তিগত সমস্যায় পড়া করদাতাদের জন্য সীমিত নমনীয়তা রাখা।