০৪:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬
বয়স্ক কর্মীদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জোরালো, প্রযুক্তিতে কাজ সহজ করছে হাসপাতাল ঐতিহাসিক উত্থানের পর দুবাইয়ের সোনার দামে সামান্য সংশোধন, বাজারে অনিশ্চয়তা অব্যাহত ক্রিকেটে টানাপোড়েনের মধ্যেও দিল্লিতে এশিয়ান শুটিংয়ে বাংলাদেশের দুই শুটার নরম শুরুতেই টেকসই সুস্থতা: ২০২৬-এ জনপ্রিয় হচ্ছে ‘৭৫ সফট’ ব্যায়াম ধারা আমেরিকার নিরাপত্তা সতর্কতা: বাংলাদেশে নির্বাচন ও গণভোট ঘিরে ঝুঁকির আশঙ্কা আমেরিকার আদিবাসী পাড়ায় নজরদারি, আইসিই তৎপরতার মুখে ফের রাস্তায় আন্দোলন নাতি-নাতনির জীবনে অতিরিক্ত হস্তক্ষেপ, পরিবারে বাড়ছে নতুন টানাপোড়েন ডিম ছোঁড়াকে কেন বিশ্ব রাজনীতিতে প্রতিবাদ হিসেবে দেখা হয়? মৃত্যু নিজের মতো করে বেছে নেওয়ার অধিকার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে তীব্র বিতর্ক, নিউইয়র্কে নতুন আইন ঘিরে আশার পাশাপাশি আশঙ্কা এআই চাপে চিপ সংকট তীব্র, স্মার্টফোন ও কম্পিউটার বাজারে ধাক্কার আশঙ্কা

কেউ দিতে চায় কার্ড, কেউ বেহেশত—আমি দেব বিয়ে

নির্বাচনি মাঠে যখন উন্নয়ন আর সংস্কারের বড় বড় প্রতিশ্রুতির ছড়াছড়ি, তখন একেবারে ভিন্ন সুরে ভোট চাইছেন ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আশা মণি। তাঁর বার্তা সোজাসাপটা—কেউ দিচ্ছে কার্ড, কেউ বেহেশত; আর তিনি দিতে চান বিয়ে। এই ব্যতিক্রমী প্রতিশ্রুতিই মুহূর্তে আলোচনার কেন্দ্রে এনে দিয়েছে তাঁকে।

নির্বাচনি মাঠে উন্নয়ন প্রকল্প নয়, বরং ভোটারদের জীবনের বাস্তব চাহিদার কথাই তুলে ধরছেন আশা মণি। ঠাকুরগাঁও-৩ (পীরগঞ্জ ও রাণীশংকৈল) আসনে গণসংযোগে তিনি বলছেন, তরুণ ভোটারদের কাছ থেকে পাওয়া অনুরোধ তাঁকে ভাবিয়েছে ভিন্নভাবে।

ভোট দিন, বিয়ে সহজ করে দেবো— প্রতিশ্রুতি স্বতন্ত্র প্রার্থী আশা মণির

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাণীশংকৈল উপজেলার নেকমরদ এলাকায় গণসংযোগকালে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আশা মণি জানান, অনেক তরুণই তাঁর কাছে বিয়ের ব্যবস্থা সহজ করার কথা বলছেন। তাঁদের উদ্দেশে তাঁর জবাবও স্পষ্ট—একটি করে ভোট দিন, বিজয়ী হলে বিয়ের ব্যবস্থা সহজ করে দেবেন তিনি।

তরুণদের মধ্যেই বিষয়টি সীমাবদ্ধ থাকেনি। গণসংযোগের সময় দাদা-দাদি, নানা-নানি থেকে শুরু করে চাচা-চাচিদের কাছেও মজার ছলে ‘বিয়ের উপহার’ হিসেবে ভোট চেয়েছেন বলে জানান এই স্বতন্ত্র প্রার্থী।

এই ব্যতিক্রমী বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই তৈরি হয় আলোচনার ঝড়। নেটিজেনদের মন্তব্যে ভেসে আসে হাস্যরস। একজন ফেসবুক ব্যবহারকারী লিখেছেন, কেউ দিতে চাচ্ছে বেহেশত, কেউ ফ্যামিলি কার্ড—আর আশা মণি আপা দিতে চাচ্ছেন বউ অথবা স্বামী।

ভিন্নধর্মী এই নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি ইতোমধ্যেই সাধারণ ভোটারদের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক আলোচনা তৈরি করেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

বয়স্ক কর্মীদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জোরালো, প্রযুক্তিতে কাজ সহজ করছে হাসপাতাল

কেউ দিতে চায় কার্ড, কেউ বেহেশত—আমি দেব বিয়ে

০৩:০১:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

নির্বাচনি মাঠে যখন উন্নয়ন আর সংস্কারের বড় বড় প্রতিশ্রুতির ছড়াছড়ি, তখন একেবারে ভিন্ন সুরে ভোট চাইছেন ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আশা মণি। তাঁর বার্তা সোজাসাপটা—কেউ দিচ্ছে কার্ড, কেউ বেহেশত; আর তিনি দিতে চান বিয়ে। এই ব্যতিক্রমী প্রতিশ্রুতিই মুহূর্তে আলোচনার কেন্দ্রে এনে দিয়েছে তাঁকে।

নির্বাচনি মাঠে উন্নয়ন প্রকল্প নয়, বরং ভোটারদের জীবনের বাস্তব চাহিদার কথাই তুলে ধরছেন আশা মণি। ঠাকুরগাঁও-৩ (পীরগঞ্জ ও রাণীশংকৈল) আসনে গণসংযোগে তিনি বলছেন, তরুণ ভোটারদের কাছ থেকে পাওয়া অনুরোধ তাঁকে ভাবিয়েছে ভিন্নভাবে।

ভোট দিন, বিয়ে সহজ করে দেবো— প্রতিশ্রুতি স্বতন্ত্র প্রার্থী আশা মণির

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাণীশংকৈল উপজেলার নেকমরদ এলাকায় গণসংযোগকালে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আশা মণি জানান, অনেক তরুণই তাঁর কাছে বিয়ের ব্যবস্থা সহজ করার কথা বলছেন। তাঁদের উদ্দেশে তাঁর জবাবও স্পষ্ট—একটি করে ভোট দিন, বিজয়ী হলে বিয়ের ব্যবস্থা সহজ করে দেবেন তিনি।

তরুণদের মধ্যেই বিষয়টি সীমাবদ্ধ থাকেনি। গণসংযোগের সময় দাদা-দাদি, নানা-নানি থেকে শুরু করে চাচা-চাচিদের কাছেও মজার ছলে ‘বিয়ের উপহার’ হিসেবে ভোট চেয়েছেন বলে জানান এই স্বতন্ত্র প্রার্থী।

এই ব্যতিক্রমী বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই তৈরি হয় আলোচনার ঝড়। নেটিজেনদের মন্তব্যে ভেসে আসে হাস্যরস। একজন ফেসবুক ব্যবহারকারী লিখেছেন, কেউ দিতে চাচ্ছে বেহেশত, কেউ ফ্যামিলি কার্ড—আর আশা মণি আপা দিতে চাচ্ছেন বউ অথবা স্বামী।

ভিন্নধর্মী এই নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি ইতোমধ্যেই সাধারণ ভোটারদের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক আলোচনা তৈরি করেছে।