১২:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
পাইপলাইন হামলার পর উপসাগরীয় পথে সৌদির তেল রপ্তানি বাড়ছে গ্রিনল্যান্ডে নতুন দুই সামরিক ঘাঁটি গড়ছে যুক্তরাষ্ট্র, ডেনমার্কের সঙ্গে চুক্তি আজ ইসলামাবাদ ঘিরে কড়া নিরাপত্তা, পিটিআইয়ের মিছিলে যাচ্ছে ২০ হাজারের বেশি পুলিশ পিংক বাসে যাত্রী নেই, প্রতিদিন ৫০-৬০ হাজার টাকা লোকসান জাতিসংঘে তারেক রহমানের সংক্ষিপ্ত সফর, ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক নয়: হুমায়ূন কবির নেতানিয়াহুর নজিরবিহীন সংক্ষিপ্ত যুক্তরাষ্ট্র সফর, ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক নেই ৯৮ বছরে ইন্তেকাল গ্র্যান্ড আয়াতুল্লাহ শোবেইরি জাঞ্জানি, শোকে ইরান ও শিয়া বিশ্ব ইরানের হুঁশিয়ারি: নতুন হামলা হলে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলকে আরও কঠোর জবাব টাটা ট্রাস্ট–টাটা সন্স দ্বন্দ্বে মালিকানার অধিকার নিয়ে বড় প্রশ্ন ১২২ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের মাত্র ১১টি আর্থিকভাবে স্বচ্ছল

মুগদা হাসপাতালের সামনে অপহরণ, গাইবান্ধা থেকে উদ্ধার তিন বছরের শিশু

রাজধানীর মুগদা হাসপাতালের গেইটের সামনে থেকে অপহৃত তিন বছরের শিশুটিকে গাইবান্ধা জেলা থেকে উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। শিশুটিকে সুস্থ অবস্থায় পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

উদ্ধারের তথ্য নিশ্চিতকরণ
বৃহস্পতিবার রাতে সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার বদরুল আলম মোল্লা জানান, অপহরণের শিকার শিশুটিকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে। বর্তমানে সে শারীরিকভাবে ভালো আছে এবং প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রস্তুতি চলছে।

মুগদা থেকে অপহৃত শিশুটি গাইবান্ধায় উদ্ধার

যেভাবে অপহরণ ঘটে
এর আগে বুধবার দুপুর একটার দিকে মুগদা হাসপাতালের গেইটের বাইরে থেকে শিশুটিকে নিয়ে পালিয়ে যায় এক ব্যাটারিচালিত রিকশাচালক। ঘটনার পরপরই শিশুটির মা মুগদা থানায় মামলা দায়ের করেন।

পরিবারের পটভূমি
শিশুটির বাবা পেশাগত কারণে সুইজারল্যান্ডে বসবাস করেন। পরিবারসহ তারা সেখানেই থাকতেন। তবে প্রায় এক বছর আগে শিশুটির মা ও ছেলে দেশে ফিরে ঢাকার সবুজবাগ এলাকায় বসবাস শুরু করেন।

পুলিশের বর্ণনায় ঘটনার বিবরণ
মুগদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম জানান, শিশুটির মা চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে মুগদা হাসপাতালে যান। হাসপাতালের সামনে একটি অটোরিকশা ভাড়া করে শিশুটিকে রিকশায় বসিয়ে রেখে তিনি কাছের দোকান থেকে পানি কিনতে যান। সেই সুযোগে রিকশাচালক শিশুটিকে নিয়ে দ্রুত সরে পড়ে।

মুগদা থেকে অপহৃত শিশুটি গাইবান্ধায় উদ্ধার - Jathasomoy.com || যথাসময় ডটকম

মায়ের চোখে বিভীষিকাময় মুহূর্ত
শিশুটির মা, ফিজিওথেরাপিস্ট সুমাইয়া আক্তার মিলি বলেন, তিনি রিকশা থেকে নেমে পানি কিনছিলেন। তার ছেলে তখন রিকশার ভেতর দাঁড়িয়ে খেলছিল। নামাতে চাইলে শিশু রাজি হয়নি। রিকশাচালকও তাকে আশ্বস্ত করে বিল মিটিয়ে আসতে বলেন। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই তিনি ফিরে তাকিয়ে দেখেন, রিকশা ও শিশুটি আর সেখানে নেই। সঙ্গে সঙ্গে তিনি দৌড়াতে শুরু করেন এবং আশপাশের সবাইকে জিজ্ঞেস করেন, কিন্তু তখন শিশুটির কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। পরে বিভিন্ন জেলার পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার সমন্বিত অভিযানে শেষ পর্যন্ত গাইবান্ধা থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

পাইপলাইন হামলার পর উপসাগরীয় পথে সৌদির তেল রপ্তানি বাড়ছে

মুগদা হাসপাতালের সামনে অপহরণ, গাইবান্ধা থেকে উদ্ধার তিন বছরের শিশু

০৩:২২:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

রাজধানীর মুগদা হাসপাতালের গেইটের সামনে থেকে অপহৃত তিন বছরের শিশুটিকে গাইবান্ধা জেলা থেকে উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। শিশুটিকে সুস্থ অবস্থায় পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

উদ্ধারের তথ্য নিশ্চিতকরণ
বৃহস্পতিবার রাতে সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার বদরুল আলম মোল্লা জানান, অপহরণের শিকার শিশুটিকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে। বর্তমানে সে শারীরিকভাবে ভালো আছে এবং প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রস্তুতি চলছে।

মুগদা থেকে অপহৃত শিশুটি গাইবান্ধায় উদ্ধার

যেভাবে অপহরণ ঘটে
এর আগে বুধবার দুপুর একটার দিকে মুগদা হাসপাতালের গেইটের বাইরে থেকে শিশুটিকে নিয়ে পালিয়ে যায় এক ব্যাটারিচালিত রিকশাচালক। ঘটনার পরপরই শিশুটির মা মুগদা থানায় মামলা দায়ের করেন।

পরিবারের পটভূমি
শিশুটির বাবা পেশাগত কারণে সুইজারল্যান্ডে বসবাস করেন। পরিবারসহ তারা সেখানেই থাকতেন। তবে প্রায় এক বছর আগে শিশুটির মা ও ছেলে দেশে ফিরে ঢাকার সবুজবাগ এলাকায় বসবাস শুরু করেন।

পুলিশের বর্ণনায় ঘটনার বিবরণ
মুগদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম জানান, শিশুটির মা চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে মুগদা হাসপাতালে যান। হাসপাতালের সামনে একটি অটোরিকশা ভাড়া করে শিশুটিকে রিকশায় বসিয়ে রেখে তিনি কাছের দোকান থেকে পানি কিনতে যান। সেই সুযোগে রিকশাচালক শিশুটিকে নিয়ে দ্রুত সরে পড়ে।

মুগদা থেকে অপহৃত শিশুটি গাইবান্ধায় উদ্ধার - Jathasomoy.com || যথাসময় ডটকম

মায়ের চোখে বিভীষিকাময় মুহূর্ত
শিশুটির মা, ফিজিওথেরাপিস্ট সুমাইয়া আক্তার মিলি বলেন, তিনি রিকশা থেকে নেমে পানি কিনছিলেন। তার ছেলে তখন রিকশার ভেতর দাঁড়িয়ে খেলছিল। নামাতে চাইলে শিশু রাজি হয়নি। রিকশাচালকও তাকে আশ্বস্ত করে বিল মিটিয়ে আসতে বলেন। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই তিনি ফিরে তাকিয়ে দেখেন, রিকশা ও শিশুটি আর সেখানে নেই। সঙ্গে সঙ্গে তিনি দৌড়াতে শুরু করেন এবং আশপাশের সবাইকে জিজ্ঞেস করেন, কিন্তু তখন শিশুটির কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। পরে বিভিন্ন জেলার পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার সমন্বিত অভিযানে শেষ পর্যন্ত গাইবান্ধা থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়।