শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলায় জামায়াতে ইসলামীর নেতা হত্যার ঘটনায় রাজনীতিতে নতুন করে উত্তাপ ছড়িয়েছে। এ ঘটনায় বিএনপির এক প্রার্থীসহ তিন শতাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

ঘটনার প্রেক্ষাপট
পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ঝিনাইগাতী থানায় নিহত রেজাউল করিমের স্ত্রী বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলায় আসামি করা হয়েছে শেরপুর তিন আসনের বিএনপি প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেলসহ মোট দুই শত নব্বইয়ের বেশি ব্যক্তিকে। বুধবার ঝিনাইগাতী এলাকায় নির্বাচনী ইশতেহার বিতরণকে কেন্দ্র করে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়।
সংঘর্ষ ও প্রাণহানি
ঘটনার দিন বিএনপি ও জামায়াত সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে সহিংসতার একপর্যায়ে গুরুতর আহত হন জামায়াত নেতা রেজাউল করিম। পরে তিনি মারা যান। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, সংঘর্ষের সময় এলাকায় চরম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়।

মামলা ও তদন্তের অগ্রগতি
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পরপরই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। দায়ের করা মামলার ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে প্রমাণ সংগ্রহ করা হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া
এই ঘটনায় এলাকায় রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ও জামায়াতে ইসলামি-সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি শান্ত রাখতে প্রশাসন সবাইকে সংযম বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















