০৭:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬
নারায়ণগঞ্জে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দলে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা নিহত হজ ভিসার আবেদন শুরু ৮ ফেব্রুয়ারি একদিনেই স্বর্ণের দামে বড় ধস, ভরিতে কমল ১৫ হাজার ৭৪৬ টাকা রানা প্লাজা ক্ষতিপূরণ নিয়ে নতুন অভিযোগ: বিদেশি অনুদানের টাকা পাচ্ছেন না প্রকৃত ভুক্তভোগীরা চ্যাটবট এর উত্তরে ব্যবসার অদৃশ্য হাত, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সুপারিশ কতটা বিশ্বাসযোগ্য কেন সোনার দাম ইতিহাসের সর্বোচ্চে উঠেছিল, আর কী কারণে হঠাৎ বড় পতন বিষাদ বিশ্ব অস্থিরতায় সোনার দামে রেকর্ড, তারপর হঠাৎ পতন কেন ভেনেজুয়েলার গণতন্ত্রের পথে নতুন বাঁক, অর্থনীতি খুললেও রাজনীতিতে অনাস্থা ঢাকার সঙ্গে উত্তরাঞ্চলের রেল যোগাযোগ তিন ঘণ্টা পর স্বাভাবিক

২০২৮ নির্বাচনের পথে ডেমোক্র্যাটদের নতুন শুরু, প্রাথমিক ভোটের মানচিত্র বদলের মুখে

দীর্ঘদিন আগেই প্রার্থীদের নাম সামনে আসার কথা থাকলেও, যুক্তরাষ্ট্রের ২০২৮ সালের ডেমোক্রেটিক প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দৌড় কার্যত শুরু হয়ে যাচ্ছে এই সপ্তাহান্তে। পুয়ের্তো রিকোতে বৈঠকে বসছে দলের নিয়ম ও উপবিধি কমিটি। সেখান থেকেই নির্ধারিত হবে কোন কোন রাজ্য দিয়ে শুরু হবে পরবর্তী প্রাথমিক ভোটের সূচি। বছরের শেষের দিকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসার কথা থাকলেও, এই প্রাথমিক ধাপই ভবিষ্যৎ প্রতিযোগিতার দিকনির্দেশ ঠিক করে দেবে বলে মনে করছেন দলের ভেতরের নেতারা।

প্রাথমিক রাজ্য নির্বাচন সব সময়ই ডেমোক্র্যাট রাজনীতির গতিপথ নির্ধারণে বড় ভূমিকা রেখেছে। কোন রাজ্য আগে ভোট দেবে, তার ওপর নির্ভর করে কে আলোচনায় আসবে, কে পিছিয়ে পড়বে। এবার সেই সিদ্ধান্ত আরও অনিশ্চিত ও তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। কারণ দীর্ঘদিন ধরে নির্দিষ্ট কোনো রাজ্যকে প্রথম রাখার রীতি আর অবিচল নেই, পাশাপাশি দলের ভেতরে এমন কোনো একক নেতৃত্বও নেই যিনি একাই সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিতে পারেন।

ডেমোক্র্যাট কৌশলবিদ ডোনা ব্রাজিল বলছেন, এবার শুরুটা হচ্ছে একেবারে খোলা মানসিকতা নিয়ে। আগের অভিজ্ঞতা জানা থাকলেও ভবিষ্যতের জন্য কোন পথ কার্যকর হবে, সেটাই খুঁজে বের করতে হবে। তাঁর মতে, আগাম কোনো প্রিয় রাজ্য নেই, প্রক্রিয়াটাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

ট্রাম্প-পরবর্তী চ্যালেঞ্জ ও নির্বাচনী কৌশল

এই সিদ্ধান্তের গুরুত্ব আরও বেড়েছে কারণ রিপাবলিকান রাজনীতিতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রভাব ডেমোক্র্যাটদের কাছে বড় হুমকি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। দলের নেতারা চাইছেন এমন একটি মনোনয়ন ব্যবস্থা, যা থেকে এমন প্রার্থী উঠে আসবেন, যিনি জাতীয় নির্বাচনে জয়ী হওয়ার সর্বোচ্চ সম্ভাবনা রাখেন। এই দায়িত্বের ভার সবাই অনুভব করছেন বলে জানিয়েছেন কৌশলবিদ মারিয়া কার্দোনা।

উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এখনো পর্যন্ত সম্ভাব্য প্রার্থীদের পক্ষ থেকে খুব বেশি তদবির দেখা যাচ্ছে না। অনেকের কাছে এই প্রক্রিয়া যেন এক ধরনের অচেনা বাক্স, ভেতরে কী হচ্ছে তা বাইরের মানুষ খুব একটা জানছেন না। এমনকি দলের নতুন চেয়ারম্যান ও প্রকাশ্যে কোনো দিক নির্দেশ দিচ্ছেন না। ফলে আসন্ন মাসগুলোতে কমিটির সদস্যদের পারস্পরিক আলোচনা ও বোঝাপড়াই চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের মূল চালিকাশক্তি হবে বলে ধারণা।

Image

আইওয়া ও নিউ হ্যাম্পশায়ারের প্রাধান্য কমছে

ডেমোক্র্যাটদের মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন নতুন কিছু নয়। অতীতে নির্বাচনে পরাজয়ের পর বারবার নিয়ম বদলেছে দলটি। তবে বহু বছর ধরে একটি বিষয় প্রায় অপরিবর্তিত ছিল, সেটি হলো প্রথমে আইওয়া ও তারপর নিউ হ্যাম্পশায়ারে ভোট। ছোট ও তুলনামূলকভাবে শ্বেতাঙ্গ-প্রধান এই রাজ্য দুটির অতিরিক্ত প্রভাব নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই দলের ভেতরে অসন্তোষ ছিল।

দুই হাজার চার সালের পর এই প্রভাব কিছুটা কমাতে যুক্ত হয় নেভাডা ও দক্ষিণ ক্যারোলাইনা। বিশেষ করে দক্ষিণ ক্যারোলাইনায় আফ্রিকান আমেরিকান ভোটারদের জোরালো সমর্থন বারাক ওবামা ও জো বাইডেনের মনোনয়নে বড় ভূমিকা রেখেছিল। তবুও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে প্রশ্ন উঠেছে, এই রাজ্যগুলো কি আজকের বৈচিত্র্যময় ডেমোক্র্যাট ভোটব্যাংকের সঠিক প্রতিফলন ঘটাচ্ছে।

দুই হাজার বিশ সালের নির্বাচনের পর পরিস্থিতি বদলে যায়। আইওয়ায় ভোট গণনায় জটিলতা ও বিলম্ব দলটির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। পরের নির্বাচনে সূচির শীর্ষে আনা হয় দক্ষিণ ক্যারোলাইনাকে। তবে এবার সেই সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।

নতুন রাজ্য, নতুন সম্ভাবনা

দলীয় নিয়ম অনুযায়ী, নির্দিষ্ট সময়ের আগে প্রাথমিক ভোট নিতে হলে বিশেষ অনুমতি প্রয়োজন। ইতিমধ্যে একাধিক রাজ্য সেই অনুমতির জন্য আবেদন করেছে। লক্ষ্য হচ্ছে এমন একটি রাজ্যসমূহের ধারাবাহিকতা তৈরি করা, যা আধুনিক ডেমোক্র্যাট জোটের সামাজিক, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক বৈচিত্র্যকে তুলে ধরবে।

কমিটির সদস্যদের মতে, প্রার্থীদের এমন পরীক্ষার মুখোমুখি করা জরুরি যেখানে শহুরে ও গ্রামীণ ভোটার, বিভিন্ন বর্ণ ও পেশার মানুষ, সংগঠিত শ্রমিক থেকে শুরু করে তরুণ শিক্ষার্থীদের সমর্থন যাচাই করা যাবে। একই সঙ্গে দোদুল্যমান রাজ্য গুলোর গুরুত্ব ও বিবেচনায় আনা হচ্ছে, কারণ শেষ পর্যন্ত সেখানেই সাধারণ নির্বাচনের ভাগ্য নির্ধারিত হয়।

Image

দক্ষিণের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে আলোচনা সবচেয়ে জটিল। দক্ষিণ ক্যারোলাইনার বিকল্প হিসেবে জর্জিয়া বা উত্তর ক্যারোলাইনার নাম আসছে, কারণ সেগুলোতে কৃষ্ণাঙ্গ ভোটারদের উপস্থিতি বেশি এবং সাধারণ নির্বাচনে লড়াই হাড্ডাহাড্ডি হয়। তবে সেসব রাজ্যে রিপাবলিকানদের নিয়ন্ত্রণ থাকায় প্রাথমিক ভোটের সময় বদলানো সহজ নয়।

অনিশ্চয়তার মধ্যেই সিদ্ধান্তের অপেক্ষা

সব আলোচনার মাঝেও একটি বিষয় পরিষ্কার, যেভাবেই সূচি নির্ধারণ হোক না কেন, তার প্রভাব দলটির প্রত্যাশা অনুযায়ী নাও হতে পারে। অতীতে নিয়ম পরিবর্তনের ফলে অনাকাঙ্ক্ষিত ফল দেখা গেছে। তাই অভিজ্ঞ রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই সিদ্ধান্তকে পুরোপুরি হিসাব করে নেওয়া কঠিন।

তবুও এটুকু নিশ্চিত, সত্তরের দশকের পর এই প্রথম ডেমোক্র্যাটরা এতটা খোলা মাঠে দাঁড়িয়ে নিজেদের মনোনয়ন প্রক্রিয়া নতুন করে সাজাতে যাচ্ছে। এমন এক সময়ে, যখন তাদের মতে, শক্তিশালী ও গ্রহণযোগ্য প্রার্থী বেছে নেওয়া ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক লড়াইয়ের জন্য সবচেয়ে জরুরি।

জনপ্রিয় সংবাদ

নারায়ণগঞ্জে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দলে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা নিহত

২০২৮ নির্বাচনের পথে ডেমোক্র্যাটদের নতুন শুরু, প্রাথমিক ভোটের মানচিত্র বদলের মুখে

০৫:৩১:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

দীর্ঘদিন আগেই প্রার্থীদের নাম সামনে আসার কথা থাকলেও, যুক্তরাষ্ট্রের ২০২৮ সালের ডেমোক্রেটিক প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দৌড় কার্যত শুরু হয়ে যাচ্ছে এই সপ্তাহান্তে। পুয়ের্তো রিকোতে বৈঠকে বসছে দলের নিয়ম ও উপবিধি কমিটি। সেখান থেকেই নির্ধারিত হবে কোন কোন রাজ্য দিয়ে শুরু হবে পরবর্তী প্রাথমিক ভোটের সূচি। বছরের শেষের দিকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসার কথা থাকলেও, এই প্রাথমিক ধাপই ভবিষ্যৎ প্রতিযোগিতার দিকনির্দেশ ঠিক করে দেবে বলে মনে করছেন দলের ভেতরের নেতারা।

প্রাথমিক রাজ্য নির্বাচন সব সময়ই ডেমোক্র্যাট রাজনীতির গতিপথ নির্ধারণে বড় ভূমিকা রেখেছে। কোন রাজ্য আগে ভোট দেবে, তার ওপর নির্ভর করে কে আলোচনায় আসবে, কে পিছিয়ে পড়বে। এবার সেই সিদ্ধান্ত আরও অনিশ্চিত ও তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। কারণ দীর্ঘদিন ধরে নির্দিষ্ট কোনো রাজ্যকে প্রথম রাখার রীতি আর অবিচল নেই, পাশাপাশি দলের ভেতরে এমন কোনো একক নেতৃত্বও নেই যিনি একাই সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিতে পারেন।

ডেমোক্র্যাট কৌশলবিদ ডোনা ব্রাজিল বলছেন, এবার শুরুটা হচ্ছে একেবারে খোলা মানসিকতা নিয়ে। আগের অভিজ্ঞতা জানা থাকলেও ভবিষ্যতের জন্য কোন পথ কার্যকর হবে, সেটাই খুঁজে বের করতে হবে। তাঁর মতে, আগাম কোনো প্রিয় রাজ্য নেই, প্রক্রিয়াটাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

ট্রাম্প-পরবর্তী চ্যালেঞ্জ ও নির্বাচনী কৌশল

এই সিদ্ধান্তের গুরুত্ব আরও বেড়েছে কারণ রিপাবলিকান রাজনীতিতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রভাব ডেমোক্র্যাটদের কাছে বড় হুমকি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। দলের নেতারা চাইছেন এমন একটি মনোনয়ন ব্যবস্থা, যা থেকে এমন প্রার্থী উঠে আসবেন, যিনি জাতীয় নির্বাচনে জয়ী হওয়ার সর্বোচ্চ সম্ভাবনা রাখেন। এই দায়িত্বের ভার সবাই অনুভব করছেন বলে জানিয়েছেন কৌশলবিদ মারিয়া কার্দোনা।

উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এখনো পর্যন্ত সম্ভাব্য প্রার্থীদের পক্ষ থেকে খুব বেশি তদবির দেখা যাচ্ছে না। অনেকের কাছে এই প্রক্রিয়া যেন এক ধরনের অচেনা বাক্স, ভেতরে কী হচ্ছে তা বাইরের মানুষ খুব একটা জানছেন না। এমনকি দলের নতুন চেয়ারম্যান ও প্রকাশ্যে কোনো দিক নির্দেশ দিচ্ছেন না। ফলে আসন্ন মাসগুলোতে কমিটির সদস্যদের পারস্পরিক আলোচনা ও বোঝাপড়াই চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের মূল চালিকাশক্তি হবে বলে ধারণা।

Image

আইওয়া ও নিউ হ্যাম্পশায়ারের প্রাধান্য কমছে

ডেমোক্র্যাটদের মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন নতুন কিছু নয়। অতীতে নির্বাচনে পরাজয়ের পর বারবার নিয়ম বদলেছে দলটি। তবে বহু বছর ধরে একটি বিষয় প্রায় অপরিবর্তিত ছিল, সেটি হলো প্রথমে আইওয়া ও তারপর নিউ হ্যাম্পশায়ারে ভোট। ছোট ও তুলনামূলকভাবে শ্বেতাঙ্গ-প্রধান এই রাজ্য দুটির অতিরিক্ত প্রভাব নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই দলের ভেতরে অসন্তোষ ছিল।

দুই হাজার চার সালের পর এই প্রভাব কিছুটা কমাতে যুক্ত হয় নেভাডা ও দক্ষিণ ক্যারোলাইনা। বিশেষ করে দক্ষিণ ক্যারোলাইনায় আফ্রিকান আমেরিকান ভোটারদের জোরালো সমর্থন বারাক ওবামা ও জো বাইডেনের মনোনয়নে বড় ভূমিকা রেখেছিল। তবুও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে প্রশ্ন উঠেছে, এই রাজ্যগুলো কি আজকের বৈচিত্র্যময় ডেমোক্র্যাট ভোটব্যাংকের সঠিক প্রতিফলন ঘটাচ্ছে।

দুই হাজার বিশ সালের নির্বাচনের পর পরিস্থিতি বদলে যায়। আইওয়ায় ভোট গণনায় জটিলতা ও বিলম্ব দলটির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। পরের নির্বাচনে সূচির শীর্ষে আনা হয় দক্ষিণ ক্যারোলাইনাকে। তবে এবার সেই সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।

নতুন রাজ্য, নতুন সম্ভাবনা

দলীয় নিয়ম অনুযায়ী, নির্দিষ্ট সময়ের আগে প্রাথমিক ভোট নিতে হলে বিশেষ অনুমতি প্রয়োজন। ইতিমধ্যে একাধিক রাজ্য সেই অনুমতির জন্য আবেদন করেছে। লক্ষ্য হচ্ছে এমন একটি রাজ্যসমূহের ধারাবাহিকতা তৈরি করা, যা আধুনিক ডেমোক্র্যাট জোটের সামাজিক, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক বৈচিত্র্যকে তুলে ধরবে।

কমিটির সদস্যদের মতে, প্রার্থীদের এমন পরীক্ষার মুখোমুখি করা জরুরি যেখানে শহুরে ও গ্রামীণ ভোটার, বিভিন্ন বর্ণ ও পেশার মানুষ, সংগঠিত শ্রমিক থেকে শুরু করে তরুণ শিক্ষার্থীদের সমর্থন যাচাই করা যাবে। একই সঙ্গে দোদুল্যমান রাজ্য গুলোর গুরুত্ব ও বিবেচনায় আনা হচ্ছে, কারণ শেষ পর্যন্ত সেখানেই সাধারণ নির্বাচনের ভাগ্য নির্ধারিত হয়।

Image

দক্ষিণের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে আলোচনা সবচেয়ে জটিল। দক্ষিণ ক্যারোলাইনার বিকল্প হিসেবে জর্জিয়া বা উত্তর ক্যারোলাইনার নাম আসছে, কারণ সেগুলোতে কৃষ্ণাঙ্গ ভোটারদের উপস্থিতি বেশি এবং সাধারণ নির্বাচনে লড়াই হাড্ডাহাড্ডি হয়। তবে সেসব রাজ্যে রিপাবলিকানদের নিয়ন্ত্রণ থাকায় প্রাথমিক ভোটের সময় বদলানো সহজ নয়।

অনিশ্চয়তার মধ্যেই সিদ্ধান্তের অপেক্ষা

সব আলোচনার মাঝেও একটি বিষয় পরিষ্কার, যেভাবেই সূচি নির্ধারণ হোক না কেন, তার প্রভাব দলটির প্রত্যাশা অনুযায়ী নাও হতে পারে। অতীতে নিয়ম পরিবর্তনের ফলে অনাকাঙ্ক্ষিত ফল দেখা গেছে। তাই অভিজ্ঞ রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই সিদ্ধান্তকে পুরোপুরি হিসাব করে নেওয়া কঠিন।

তবুও এটুকু নিশ্চিত, সত্তরের দশকের পর এই প্রথম ডেমোক্র্যাটরা এতটা খোলা মাঠে দাঁড়িয়ে নিজেদের মনোনয়ন প্রক্রিয়া নতুন করে সাজাতে যাচ্ছে। এমন এক সময়ে, যখন তাদের মতে, শক্তিশালী ও গ্রহণযোগ্য প্রার্থী বেছে নেওয়া ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক লড়াইয়ের জন্য সবচেয়ে জরুরি।