বেলুচিস্তানের বিভিন্ন এলাকায় রাতভর একযোগে চালানো সন্ত্রাসী হামলা কঠোর হাতে প্রতিহত করেছে নিরাপত্তা বাহিনী। ভারত-সমর্থিত সন্ত্রাসীরা একসঙ্গে বারোটা স্থানে হামলার চেষ্টা চালালেও দ্রুত ও সমন্বিত অভিযানে আটান্ন জন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে। অভিযানে পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর অন্তত দশ সদস্য শহীদ হয়েছেন বলে নিরাপত্তা সূত্র নিশ্চিত করেছে।

একযোগে হামলা ও পাল্টা অভিযান
নিরাপত্তা সূত্র জানায়, বেলুচিস্তানের বিভিন্ন স্থানে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়। তবে আগাম সতর্কতা ও কার্যকর প্রতিরোধের ফলে বড় ধরনের ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় এখনো সন্ত্রাসীদের ধাওয়া চলছে এবং আরও হতাহতের খবর আসতে পারে বলে জানানো হয়েছে।
নিরীহ পরিবারের ওপর হামলা
হামলার সময় গওয়াদারে খুজদার থেকে আসা এক বেলুচ শ্রমিক পরিবারের পাঁচ সদস্য শহীদ হন। নিহতদের মধ্যে একজন নারী ও তিনটি শিশু রয়েছে। এই ঘটনায় পুরো এলাকায় শোক ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।
রাষ্ট্রের শীর্ষ নেতৃত্বের প্রতিক্রিয়া
প্রধানমন্ত্রী নিরাপত্তা বাহিনীর সাহসিকতার প্রশংসা করে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। তিনি বলেন, সন্ত্রাসবাদ সম্পূর্ণ নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত এই লড়াই চলবে এবং দেশবাসী সশস্ত্র বাহিনীর পাশে আছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেন, নিরাপত্তা বাহিনীর ত্যাগ জাতি কখনো ভুলবে না।
বেলুচিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী জানান, পুলিশ ও সীমান্তরক্ষী বাহিনীর যৌথ প্রচেষ্টায় হামলা ব্যর্থ হয়েছে। শান্তির প্রশ্নে কোনো আপস করা হবে না বলে তিনি স্পষ্ট করে দেন। তিনি কোয়েটায় বিস্ফোরণস্থল পরিদর্শন করে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন।
এর আগের দিনও বেলুচিস্তানে পৃথক অভিযানে একচল্লিশ জন ভারত-সমর্থিত সন্ত্রাসী নিহত হয়। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সীমান্তবর্তী অঞ্চলে সন্ত্রাসী তৎপরতা বেড়েছে এবং গত বছর দেশজুড়ে হাজার হাজার গোয়েন্দা তথ্যভিত্তিক অভিযান চালানো হয়েছে বলে সামরিক সূত্র জানায়।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















