০৭:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের উত্তেজনার সুর ‘ফিল দ্য থ্রিল’ উন্মোচন আইসিসির

আসন্ন পুরুষ টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে ঘিরে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল। শুক্রবার টুর্নামেন্টের সরকারি সংগীত প্রকাশ করেছে সংস্থাটি। ‘ফিল দ্য থ্রিল’ নামের এই গানটি বিশ্বকাপের আবেগ, রোমাঞ্চ আর বৈশ্বিক মিলনের বার্তাকে সামনে এনেছে। আগামী সাত ফেব্রুয়ারি থেকে আট মার্চ পর্যন্ত ভারত ও শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই আসরের প্রস্তুতিতে সংগীতটি নতুন মাত্রা যোগ করল।

সুরে সুরে ক্রিকেটের আবেগ

প্রায় দুই মিনিট দৈর্ঘ্যের এই সংগীতটির সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন ভারতের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী অনিরুদ্ধ রবিচন্দর। আইসিসির প্রকাশিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ক্রিকেট মানেই আবেগ, অনুভূতি আর একসঙ্গে স্পন্দিত হওয়া অসংখ্য হৃদয়। উল্লাস, নীরবতা আর প্রতিটি হৃদস্পন্দন এক সুরে মিলিত হয় ক্রিকেটে। ‘ফিল দ্য থ্রিল’ ক্যাম্পেইনের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে তিনি আনন্দিত বলেও জানান। তার ভাষায়, মাঠের ভেতরের তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঊর্ধ্বে উঠে বিশ্বজুড়ে ক্রিকেটপ্রেমীদের এক কাতারে আনার চেষ্টাই এই গান।

স্মরণীয় মুহূর্তে ভরা ভিডিও

গানটির সঙ্গে প্রকাশিত মিউজিক ভিডিওতে তুলে ধরা হয়েছে আগের আসরগুলোর স্মরণীয় দৃশ্য। এর মধ্যে রয়েছে দুই হাজার নয় সালে ইউনুস খানের নেতৃত্বে পাকিস্তানের শিরোপা জয়ের ঐতিহাসিক মুহূর্তও। এসব দৃশ্য বিশ্বকাপের ঐতিহ্য আর আবেগকে নতুন প্রজন্মের সামনে আবারও জীবন্ত করে তুলেছে।

আইসিসির দৃষ্টিতে বৈশ্বিক উৎসব

আইসিসির প্রধান নির্বাহী সঞ্জোগ গুপ্তা মনে করেন, সংস্থার বড় টুর্নামেন্টগুলো কেবল খেলার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এগুলো বৈশ্বিক সাংস্কৃতিক উৎসব। তার বক্তব্য অনুযায়ী, পুরুষ টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ সবচেয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ও রোমাঞ্চকর আসর, যেখানে মুহূর্তগুলো খেলোয়াড় ও সমর্থকদের জীবনের আজীবনের স্মৃতিতে পরিণত হয়। এই সরকারি সংগীত সেই চেতনাকে সুরের মাধ্যমে ছড়িয়ে দিতে চায়, বৈচিত্র্যকে উদ্‌যাপন করে গোটা টুর্নামেন্ট কে বিশ্বব্যাপী এক যৌথ আনন্দে রূপ দিতে চায়।

প্রত্যাশার বিশ্বকাপ

ভারত ও শ্রীলঙ্কার মাঠে হতে যাওয়া বিশ দলীয় এই বিশ্বকাপকে ঘিরে ইতিমধ্যেই ক্রিকেটবিশ্বে আলোচনা তুঙ্গে। ‘ফিল দ্য থ্রিল’ সেই উত্তেজনাকে আরও গভীর করে তুলবে বলে আশা করছে আইসিসি।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের উত্তেজনার সুর ‘ফিল দ্য থ্রিল’ উন্মোচন আইসিসির

০৫:৫০:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

আসন্ন পুরুষ টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে ঘিরে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল। শুক্রবার টুর্নামেন্টের সরকারি সংগীত প্রকাশ করেছে সংস্থাটি। ‘ফিল দ্য থ্রিল’ নামের এই গানটি বিশ্বকাপের আবেগ, রোমাঞ্চ আর বৈশ্বিক মিলনের বার্তাকে সামনে এনেছে। আগামী সাত ফেব্রুয়ারি থেকে আট মার্চ পর্যন্ত ভারত ও শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই আসরের প্রস্তুতিতে সংগীতটি নতুন মাত্রা যোগ করল।

সুরে সুরে ক্রিকেটের আবেগ

প্রায় দুই মিনিট দৈর্ঘ্যের এই সংগীতটির সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন ভারতের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী অনিরুদ্ধ রবিচন্দর। আইসিসির প্রকাশিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ক্রিকেট মানেই আবেগ, অনুভূতি আর একসঙ্গে স্পন্দিত হওয়া অসংখ্য হৃদয়। উল্লাস, নীরবতা আর প্রতিটি হৃদস্পন্দন এক সুরে মিলিত হয় ক্রিকেটে। ‘ফিল দ্য থ্রিল’ ক্যাম্পেইনের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে তিনি আনন্দিত বলেও জানান। তার ভাষায়, মাঠের ভেতরের তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঊর্ধ্বে উঠে বিশ্বজুড়ে ক্রিকেটপ্রেমীদের এক কাতারে আনার চেষ্টাই এই গান।

স্মরণীয় মুহূর্তে ভরা ভিডিও

গানটির সঙ্গে প্রকাশিত মিউজিক ভিডিওতে তুলে ধরা হয়েছে আগের আসরগুলোর স্মরণীয় দৃশ্য। এর মধ্যে রয়েছে দুই হাজার নয় সালে ইউনুস খানের নেতৃত্বে পাকিস্তানের শিরোপা জয়ের ঐতিহাসিক মুহূর্তও। এসব দৃশ্য বিশ্বকাপের ঐতিহ্য আর আবেগকে নতুন প্রজন্মের সামনে আবারও জীবন্ত করে তুলেছে।

আইসিসির দৃষ্টিতে বৈশ্বিক উৎসব

আইসিসির প্রধান নির্বাহী সঞ্জোগ গুপ্তা মনে করেন, সংস্থার বড় টুর্নামেন্টগুলো কেবল খেলার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এগুলো বৈশ্বিক সাংস্কৃতিক উৎসব। তার বক্তব্য অনুযায়ী, পুরুষ টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ সবচেয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ও রোমাঞ্চকর আসর, যেখানে মুহূর্তগুলো খেলোয়াড় ও সমর্থকদের জীবনের আজীবনের স্মৃতিতে পরিণত হয়। এই সরকারি সংগীত সেই চেতনাকে সুরের মাধ্যমে ছড়িয়ে দিতে চায়, বৈচিত্র্যকে উদ্‌যাপন করে গোটা টুর্নামেন্ট কে বিশ্বব্যাপী এক যৌথ আনন্দে রূপ দিতে চায়।

প্রত্যাশার বিশ্বকাপ

ভারত ও শ্রীলঙ্কার মাঠে হতে যাওয়া বিশ দলীয় এই বিশ্বকাপকে ঘিরে ইতিমধ্যেই ক্রিকেটবিশ্বে আলোচনা তুঙ্গে। ‘ফিল দ্য থ্রিল’ সেই উত্তেজনাকে আরও গভীর করে তুলবে বলে আশা করছে আইসিসি।