০৪:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
প্রতিদিন গড়ে খুন হচ্ছে ১০ জন, সহিংসতা ও হত্যাকাণ্ড কেন নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না? ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং বা অন্তর্বর্তী উপবাসের উপকারিতা কি অতিরঞ্জিত? রাশিয়া-যুক্তরাজ্য কি যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে? কূটনীতি সরে গেলে যে বিপদ বাড়ে বাংলাদেশে আবারও বাড়ল সোনার দাম, ভরিতে নতুন দর ২ লাখ ৪৭ হাজার ৭৪৩ টাকা ব্যক্তিগত আমানতকারীদের টাকা তোলার সীমা তুলে দিচ্ছে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক যুক্তরাষ্ট্রের ‘অর্থনৈতিক সর্বাত্মক চাপ’ ইরানের বিরুদ্ধে, মিত্র দেশগুলোকেও নিষেধাজ্ঞার হুমকি চালক থেকে রোবোট্যাক্সি কর্মী, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নতুন কর্মজীবনের চিত্র কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উত্থানেই কি আরও গভীর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক ঘাটতি? ইরানের সঙ্গে ব্যবসা বন্ধে দেশগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রের হুঁশিয়ারি, আপাতত নিষেধাজ্ঞা নয় দীর্ঘমেয়াদি ইয়েনের দুর্বলতায় নতুন কৌশল খুঁজছে জাপানের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো

দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা ও সঠিক পরিচর্যায় মাদকাসক্তি থেকে মুক্তি সম্ভব

মাদকাসক্তি একটি দীর্ঘমেয়াদি রোগ। সঠিক চিকিৎসা, নিয়মিত থেরাপি ও নিবিড় সেবার মাধ্যমে এ রোগ থেকে কার্যকরভাবে মুক্তি পাওয়া সম্ভব বলে জানিয়েছেন ইকবাল মাসুদ। তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন জাতীয় মাদকবিরোধী কমিটির সদস্য এবং ঢাকা আহছানিয়া মিশন-এর স্বাস্থ্য ও ওয়াশ সেক্টরের পরিচালক।

রাজধানীর শ্যামলীতে ঢাকা আহছানিয়া মিশনের স্বাস্থ্য সেক্টরের সম্মেলনকক্ষে সোমবার আয়োজিত এক পারিবারিক সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভার আয়োজন করে আহছানিয়া মিশন নারী মাদক চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কেন্দ্র।

মাদকাসক্তি ও চিকিৎসার বাস্তবতা
ইকবাল মাসুদ বলেন, মাদকাসক্তি বিশ্বজুড়ে একটি বড় সামাজিক সমস্যা হলেও নির্দিষ্ট সময়ের জন্য প্রমাণভিত্তিক চিকিৎসা ও সঠিক নির্দেশনা মেনে চললে সুস্থ হয়ে ওঠা সম্ভব। তিনি জোর দিয়ে বলেন, চিকিৎসা শেষ হওয়ার পরও নিয়মিত পরবর্তী পরিচর্যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এতে রোগীর দীর্ঘমেয়াদি শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করা যায়।

পরিবারের ভূমিকা ও মানসিক সহায়তা
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট-এর মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. আনিকা বাসারাত। তিনি বলেন, বকাঝকা বা রাগ দেখিয়ে কাউকে মাদকাসক্তি থেকে ফেরানো যায় না। পরিবারকে ধৈর্যশীল ও সহনশীল থাকার আহ্বান জানান তিনি।

ডা. আনিকা বাসারাত আরও বলেন, ভালোবাসা, যত্ন ও সহমর্মিতা একজন মানুষকে মাদকমুক্ত জীবনে ফিরিয়ে আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। মাদকাসক্ত ব্যক্তিদের অপরাধী হিসেবে নয়, বরং সহানুভূতি ও যথাযথ চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ করে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

সভা পরিচালনা ও অন্যান্য বক্তব্য
এই পারিবারিক সভা পরিচালনা করেন আহছানিয়া মিশন নারী মাদক চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কেন্দ্রের কাউন্সেলর সুমাইয়া তিথি। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন স্বাস্থ্য সেক্টরের সিনিয়র সাইকোলজিস্ট রাখী গাঙ্গুলি, সেন্টার ম্যানেজার লায়লা ইয়াসমিন এবং কেস ম্যানেজার রোজিনা খাতুন।

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রতিদিন গড়ে খুন হচ্ছে ১০ জন, সহিংসতা ও হত্যাকাণ্ড কেন নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না?

দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা ও সঠিক পরিচর্যায় মাদকাসক্তি থেকে মুক্তি সম্ভব

০৭:২২:৪০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মাদকাসক্তি একটি দীর্ঘমেয়াদি রোগ। সঠিক চিকিৎসা, নিয়মিত থেরাপি ও নিবিড় সেবার মাধ্যমে এ রোগ থেকে কার্যকরভাবে মুক্তি পাওয়া সম্ভব বলে জানিয়েছেন ইকবাল মাসুদ। তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন জাতীয় মাদকবিরোধী কমিটির সদস্য এবং ঢাকা আহছানিয়া মিশন-এর স্বাস্থ্য ও ওয়াশ সেক্টরের পরিচালক।

রাজধানীর শ্যামলীতে ঢাকা আহছানিয়া মিশনের স্বাস্থ্য সেক্টরের সম্মেলনকক্ষে সোমবার আয়োজিত এক পারিবারিক সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভার আয়োজন করে আহছানিয়া মিশন নারী মাদক চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কেন্দ্র।

মাদকাসক্তি ও চিকিৎসার বাস্তবতা
ইকবাল মাসুদ বলেন, মাদকাসক্তি বিশ্বজুড়ে একটি বড় সামাজিক সমস্যা হলেও নির্দিষ্ট সময়ের জন্য প্রমাণভিত্তিক চিকিৎসা ও সঠিক নির্দেশনা মেনে চললে সুস্থ হয়ে ওঠা সম্ভব। তিনি জোর দিয়ে বলেন, চিকিৎসা শেষ হওয়ার পরও নিয়মিত পরবর্তী পরিচর্যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এতে রোগীর দীর্ঘমেয়াদি শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করা যায়।

পরিবারের ভূমিকা ও মানসিক সহায়তা
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট-এর মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. আনিকা বাসারাত। তিনি বলেন, বকাঝকা বা রাগ দেখিয়ে কাউকে মাদকাসক্তি থেকে ফেরানো যায় না। পরিবারকে ধৈর্যশীল ও সহনশীল থাকার আহ্বান জানান তিনি।

ডা. আনিকা বাসারাত আরও বলেন, ভালোবাসা, যত্ন ও সহমর্মিতা একজন মানুষকে মাদকমুক্ত জীবনে ফিরিয়ে আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। মাদকাসক্ত ব্যক্তিদের অপরাধী হিসেবে নয়, বরং সহানুভূতি ও যথাযথ চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ করে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

সভা পরিচালনা ও অন্যান্য বক্তব্য
এই পারিবারিক সভা পরিচালনা করেন আহছানিয়া মিশন নারী মাদক চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কেন্দ্রের কাউন্সেলর সুমাইয়া তিথি। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন স্বাস্থ্য সেক্টরের সিনিয়র সাইকোলজিস্ট রাখী গাঙ্গুলি, সেন্টার ম্যানেজার লায়লা ইয়াসমিন এবং কেস ম্যানেজার রোজিনা খাতুন।