০৯:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
ডলারের অবমূল্যায়ন কতটা গভীর—আসলে যতটা ভাবা হচ্ছে, ততটা নয় দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা ও সঠিক পরিচর্যায় মাদকাসক্তি থেকে মুক্তি সম্ভব শরীর ও মনকে শান্ত করা এক বাটি স্যুপ চিনি আর মদের ফাঁদ এড়িয়ে সুস্থ জীবন: পানীয় বদলালেই বদলায় শরীর পিয়ানোর ইতিহাসে এক নিঃশব্দ বিপ্লব ড্রোনের যুগে ট্যাংকের শেষ অধ্যায়? নতুন এম ওয়ান ই থ্রি উন্মোচনের সঙ্গে যুদ্ধক্ষেত্রের বড় প্রশ্ন অনিশ্চয়তা, মুখ স্ক্যান আর ক্ষুদ্র ভ্রমণ—দুই হাজার ছাব্বিশে বদলে যাচ্ছে ভ্রমণের ভাষা প্রবেশনারিতে চাকরি বাতিল হলে কী নিয়ম মানতে হবে নির্বাসিত সরকারের প্রভাব হারানোর গল্প মেইদান কাঁপাল আন্তর্জাতিক ঘোড়দৌড়, চমকে দিল বিদেশিরা

দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা ও সঠিক পরিচর্যায় মাদকাসক্তি থেকে মুক্তি সম্ভব

মাদকাসক্তি একটি দীর্ঘমেয়াদি রোগ। সঠিক চিকিৎসা, নিয়মিত থেরাপি ও নিবিড় সেবার মাধ্যমে এ রোগ থেকে কার্যকরভাবে মুক্তি পাওয়া সম্ভব বলে জানিয়েছেন ইকবাল মাসুদ। তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন জাতীয় মাদকবিরোধী কমিটির সদস্য এবং ঢাকা আহছানিয়া মিশন-এর স্বাস্থ্য ও ওয়াশ সেক্টরের পরিচালক।

রাজধানীর শ্যামলীতে ঢাকা আহছানিয়া মিশনের স্বাস্থ্য সেক্টরের সম্মেলনকক্ষে সোমবার আয়োজিত এক পারিবারিক সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভার আয়োজন করে আহছানিয়া মিশন নারী মাদক চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কেন্দ্র।

মাদকাসক্তি ও চিকিৎসার বাস্তবতা
ইকবাল মাসুদ বলেন, মাদকাসক্তি বিশ্বজুড়ে একটি বড় সামাজিক সমস্যা হলেও নির্দিষ্ট সময়ের জন্য প্রমাণভিত্তিক চিকিৎসা ও সঠিক নির্দেশনা মেনে চললে সুস্থ হয়ে ওঠা সম্ভব। তিনি জোর দিয়ে বলেন, চিকিৎসা শেষ হওয়ার পরও নিয়মিত পরবর্তী পরিচর্যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এতে রোগীর দীর্ঘমেয়াদি শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করা যায়।

পরিবারের ভূমিকা ও মানসিক সহায়তা
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট-এর মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. আনিকা বাসারাত। তিনি বলেন, বকাঝকা বা রাগ দেখিয়ে কাউকে মাদকাসক্তি থেকে ফেরানো যায় না। পরিবারকে ধৈর্যশীল ও সহনশীল থাকার আহ্বান জানান তিনি।

ডা. আনিকা বাসারাত আরও বলেন, ভালোবাসা, যত্ন ও সহমর্মিতা একজন মানুষকে মাদকমুক্ত জীবনে ফিরিয়ে আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। মাদকাসক্ত ব্যক্তিদের অপরাধী হিসেবে নয়, বরং সহানুভূতি ও যথাযথ চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ করে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

সভা পরিচালনা ও অন্যান্য বক্তব্য
এই পারিবারিক সভা পরিচালনা করেন আহছানিয়া মিশন নারী মাদক চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কেন্দ্রের কাউন্সেলর সুমাইয়া তিথি। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন স্বাস্থ্য সেক্টরের সিনিয়র সাইকোলজিস্ট রাখী গাঙ্গুলি, সেন্টার ম্যানেজার লায়লা ইয়াসমিন এবং কেস ম্যানেজার রোজিনা খাতুন।

জনপ্রিয় সংবাদ

ডলারের অবমূল্যায়ন কতটা গভীর—আসলে যতটা ভাবা হচ্ছে, ততটা নয়

দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা ও সঠিক পরিচর্যায় মাদকাসক্তি থেকে মুক্তি সম্ভব

০৭:২২:৪০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মাদকাসক্তি একটি দীর্ঘমেয়াদি রোগ। সঠিক চিকিৎসা, নিয়মিত থেরাপি ও নিবিড় সেবার মাধ্যমে এ রোগ থেকে কার্যকরভাবে মুক্তি পাওয়া সম্ভব বলে জানিয়েছেন ইকবাল মাসুদ। তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন জাতীয় মাদকবিরোধী কমিটির সদস্য এবং ঢাকা আহছানিয়া মিশন-এর স্বাস্থ্য ও ওয়াশ সেক্টরের পরিচালক।

রাজধানীর শ্যামলীতে ঢাকা আহছানিয়া মিশনের স্বাস্থ্য সেক্টরের সম্মেলনকক্ষে সোমবার আয়োজিত এক পারিবারিক সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভার আয়োজন করে আহছানিয়া মিশন নারী মাদক চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কেন্দ্র।

মাদকাসক্তি ও চিকিৎসার বাস্তবতা
ইকবাল মাসুদ বলেন, মাদকাসক্তি বিশ্বজুড়ে একটি বড় সামাজিক সমস্যা হলেও নির্দিষ্ট সময়ের জন্য প্রমাণভিত্তিক চিকিৎসা ও সঠিক নির্দেশনা মেনে চললে সুস্থ হয়ে ওঠা সম্ভব। তিনি জোর দিয়ে বলেন, চিকিৎসা শেষ হওয়ার পরও নিয়মিত পরবর্তী পরিচর্যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এতে রোগীর দীর্ঘমেয়াদি শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করা যায়।

পরিবারের ভূমিকা ও মানসিক সহায়তা
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট-এর মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. আনিকা বাসারাত। তিনি বলেন, বকাঝকা বা রাগ দেখিয়ে কাউকে মাদকাসক্তি থেকে ফেরানো যায় না। পরিবারকে ধৈর্যশীল ও সহনশীল থাকার আহ্বান জানান তিনি।

ডা. আনিকা বাসারাত আরও বলেন, ভালোবাসা, যত্ন ও সহমর্মিতা একজন মানুষকে মাদকমুক্ত জীবনে ফিরিয়ে আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। মাদকাসক্ত ব্যক্তিদের অপরাধী হিসেবে নয়, বরং সহানুভূতি ও যথাযথ চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ করে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

সভা পরিচালনা ও অন্যান্য বক্তব্য
এই পারিবারিক সভা পরিচালনা করেন আহছানিয়া মিশন নারী মাদক চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কেন্দ্রের কাউন্সেলর সুমাইয়া তিথি। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন স্বাস্থ্য সেক্টরের সিনিয়র সাইকোলজিস্ট রাখী গাঙ্গুলি, সেন্টার ম্যানেজার লায়লা ইয়াসমিন এবং কেস ম্যানেজার রোজিনা খাতুন।