০৮:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
মমতা–নির্বাচন কমিশন মুখোমুখি সংঘাত, অপমানের অভিযোগে বৈঠক বয়কট মুখ্যমন্ত্রীর ভারতের মহারাষ্ট্রের রাজনীতিকে নতুনভাবে গড়ে তোলা এক কৌশলী নেতা চোরাইপথে আর কোনও নির্বাচন হবে না, করতে দেব না: জামায়াত আমির ২০২৮ সালের মধ্যে দেশেই যাত্রীবাহী উড়োজাহাজ সংযোজনের লক্ষ্য ভারতের শক্তিশালী প্রযুক্তি এবং ব্যাংক আয়ে জাপানের নিক্কেই নতুন রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে কেন্ড্রিক ল্যামার ও ব্যাড বানি ঐতিহাসিক গ্র্যামি অনুষ্ঠানে আধিপত্য বিস্তার করেন এআই-তে মনোনিবেশের জন্য অ্যাডোবি অ্যানিমেট সফটওয়্যার বন্ধ করছে উদ্ধারের মুখোশে লুটপাটের নীলনকশা: কিউবা থেকে ইরান, একই আমেরিকান গল্প জেন জিকে চাকরি বদলের জন্য লজ্জা নয়, সময় বুঝে থিতু হওয়াই সাফল্যের চাবিকাঠি বিগ বসের পর নতুন আমাল মালিক, মানসিক স্বাস্থ্যের কথা, স্বাধীন সংগীত আর জীবনের ‘সুন্দর’ অধ্যায়

চোরাইপথে আর কোনও নির্বাচন হবে না, করতে দেব না: জামায়াত আমির

সমকালের একটি শিরোনাম “চোরাইপথে আর কোনও নির্বাচন হবে না, করতে দেব না: জামায়াত আমির”

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে নির্বাচনী জনসভায় জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, চোরাইপথে আর কোনও নির্বাচন হবে না, করতে দেবো না। সমস্ত চোরাগলি বন্ধ করে দেব।

মঙ্গলবার কটিয়াদী সরকারি কলেজ মাঠে নির্বাচনী জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় তিনি তার এক্স আইডি হ্যাকের ব্যাপারে বলেন, আইডি হ্যাকের বিষয়টি স্পষ্টভাবে নিষ্পত্তি হওয়ার পরও একটি রাজনৈতিক দল এটিকে পুঁজি করে ব্যবসা করছে। এ ধরনের নোংরা রাজনীতি দেশ ও জাতির জন্য ক্ষতিকর।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, পচা রাজনীতি নয়, ২৪-এর যুব সমাজ পরিবর্তন চায়। তারা আর বিভাজনের রাজনীতি দেখতে চায় না। নারী ইস্যুকে সামনে রেখে একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে জামায়াতের বিরুদ্ধে অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা চাই বাংলাদেশ একটি মানবিক মর্যাদাসম্পন্ন রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হোক। বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানো একটি স্বাধীন ও সম্মানজনক বাংলাদেশ গড়াই আমাদের লক্ষ্য। জুলাইয়ে যুবসমাজ বুকের রক্ত দিয়ে সব ধরনের ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিল। তাদের সেই আত্মত্যাগের প্রতি আমরা গভীর শ্রদ্ধা জানাই।

তিনি বলেন, দেশ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচার করা হয়েছে, সেই অর্থ ফেরত আনা হবে। এখন আর কোনো দুর্বৃত্ত কারো ভোটে হাত দিতে পারবে না। কেউ কোনো ক্ষতি করতে এলে তাকে ছাড় দেওয়া হবে না।

অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, ভোটাধিকার প্রয়োগে কোনো ধরনের বাধা বা অনিয়ম মেনে নেওয়া হবে না। জাতি পরিবর্তন চায় এবং সেই পরিবর্তনের পথেই দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। জামায়াতে ইসলামী সরকার গঠন করতে পারলে পিছিয়ে পড়া অঞ্চলগুলোকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

 

আজকের পত্রিকার একটি শিরোনাম”অন্তর্বর্তী সরকার দেশের অর্থনীতিকে ‘সন্তোষজনক’ অবস্থায় রেখে যাচ্ছে: ড. সালেহউদ্দিন”

অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকার পরবর্তী নির্বাচিত সরকারের জন্য দেশের অর্থনীতিকে ‘সন্তোষজনক ও স্থিতিশীল’ অবস্থায় রেখে যাচ্ছে। তিনি আরও বলেছেন, ‘আমি মনে করি, আমরা অর্থনীতিকে একটি সন্তোষজনক অবস্থায় রেখে যাচ্ছি। পরবর্তী সরকার দায়িত্ব নিলে বড় ধরনের অর্থনৈতিক সংকটে পড়তে হবে না। পরিস্থিতি এখন স্থিতিশীল, আগের মতো নড়বড়ে নয়।’ তবে সামনে অনেক চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে বলেও জানান ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।

আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলনকক্ষে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, অর্থনীতি আর আগের মতো ভঙ্গুর বা অস্থিতিশীল অবস্থায় নেই। ভবিষ্যৎ সরকারের জন্য অর্থনৈতিক ভিত্তি স্থিতিশীল করা হয়েছে।

সরকার রেকর্ড পরিমাণ ঋণ নিয়েছে কি না—এমন প্রশ্নে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, ঋণ গ্রহণ বেড়েছে ঠিকই, তবে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বৈদেশিক ঋণও পরিশোধ করা হয়েছে।

উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘হ্যাঁ, ঋণ গ্রহণ বেড়েছে, তবে আমরা প্রায় ছয় বিলিয়ন মার্কিন ডলার বৈদেশিক ঋণও পরিশোধ করেছি। ঋণ পরিশোধও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।’

অনেক বড় ও ব্যয়বহুল অবকাঠামো প্রকল্প এড়ানো হয়েছে বলেও জানান অর্থ উপদেষ্টা।

সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘আমরা টানেল বা হাজার হাজার কোটি টাকার ঋণনির্ভর ব্যয়বহুল মেগা প্রকল্পে যাইনি। এ কারণেই সরকারি ঋণের চাপ আর বাড়েনি।’

 

বণিকবার্তার একটি শিরোনাম “ক্ষমতায় গেলে তিস্তা মহাপরিকল্পনা পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে”

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘আমরা ক্ষমতায় গেলে তিস্তা মহাপরিকল্পনা পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে। কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে রংপুর অঞ্চলে কলকারখানা গড়ে তোলা হবে। এজন্য উদ্যোক্তাদের বিশেষ সুবিধা দেয়া হবে।’

গতকাল রাতে রংপুর নগরীর ঈদগাহ মাঠে অনুষ্ঠিত বিভাগীয় নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব প্রতিশ্রুতি দেন।

তারেক রহমান বলেন, ‘এতদিন জানতাম দিনাজপুরে কয়লার খনি আছে। আজকে এখানে এসে জানলাম আবু সাঈদের (জুলাই শহীদ) এলাকায় কয়লা খনি রয়েছে। এ কয়লা উত্তোলন করে অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ হওয়া সম্ভব।’

তিনি বলেন, ‘রংপুর হচ্ছে আবু সাঈদের রক্ত মেশানো পবিত্র মাটি। কাজেই এ ত্যাগ বৃথা যেতে পারে না। আবু সাঈদসহ ১ হাজার ৪০০ ব্যক্তি শহীদ হয়েছেন। তাদের মূল্যায়ন করতে হবে। এজন্য মানুষের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।’

তারেক রহমান বলেন, ‘রংপুর গরিব অঞ্চল হলেও সম্ভাবনাময়। আমরা সরকার গঠন করতে পারলে কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে কলকারখানা গড়ে তোলা হবে। কলকারখানা গড়ে তুলতে উদ্যোক্তাদের বিশেষ সুবিধা দেয়া হবে। রংপুর অঞ্চলের জন্য তিস্তা মহাপরিকল্পনা বলতে যা বোঝায় তা পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে।’

 

মানবজমিনের একটি শিরোন “ভারতে বসে বাংলাদেশের রাজনীতিতে ফেরার ছক কষছেন পলাতক আওয়ামী লীগ নেতারা”

বাংলাদেশে তারা অপরাধী ও পলাতক হিসেবে পরিচিত। তাদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ, হত্যা, রাষ্ট্রদ্রোহ ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। কিন্তু কলকাতার শপিং মলের ফুডকোর্টে, ব্ল্যাক কফি আর ভারতীয় ফাস্টফুড খেতে খেতে বাংলাদেশের রাজনীতিতে ফেরার ছক কষছেন পলাতক আওয়ামী লীগের নেতারা।

১৬ মাস আগে এক নাটকীয় গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশ ছাড়েন সাবেক স্বৈরাচারী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেসময় বাসভবনের দিকে বিক্ষুদ্ধ জনস্রোতের মুখে হেলিকপ্টারে চড়ে ভারত পালিয়ে যান তিনি। যে পথ ফেলে হাসিনা পালিয়ে যান তা ছিল রক্তাক্ত। জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গণঅভ্যুত্থানে বিক্ষোভকারীদের ওপর হাসিনা সরকারের দমন-পীড়নে প্রায় ১৪০০ মানুষ নিহত হন।

পরে আওয়ামী লীগের হাজারো নেতাকর্মীও দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান। বিগত শাসনামলে নানা অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে একদিকে যেমন জনতার সহিংসতার ঝুঁকি তৈরি হয়, তেমনি বাড়তে থাকে ফৌজদারি মামলার চাপ। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের ছয় শতাধিক নেতা বাংলাদেশের সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ভারতের কলকাতায় আশ্রয় নেন। তখন থেকেই এসব নেতাকর্মী সেখানে আত্মগোপনে রয়েছেন।

দলীয় কার্যক্রম ও সংগঠন টিকিয়ে রাখতে ভারতই তাদের জন্য এখন গুরুত্বপূর্ণ আশ্রয়স্থল হয়ে উঠেছে। গত বছরের মে মাসে জনগণের চাপের মুখে আওয়ামী লীগকে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করে এবং দলটির সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করে অন্তর্বর্তী সরকার। একইসঙ্গে হত্যা ও দুর্নীতিসহ বিভিন্ন অভিযোগে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয় এবং তাদের বিচারের আওতায় আনা হয়। শেখ হাসিনার পতনের পর প্রথম নির্বাচন হিসেবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ বা প্রচারণা চালানোর ক্ষেত্রেও আওয়ামী লীগের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

গত বছরের শেষ দিকে হাসিনার শাসনামলের শেষ পর্যায়ে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে তাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুন্যাল। তবে এতে নিজের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার শেষ হয়ে গেছে বলে মনে করেন না শেখ হাসিনা। বরং তিনি রায় প্রত্যাখ্যান করে ভারতে বসে নির্লজ্জভাবে বাংলাদেশে ফিরে আসার চক্রান্তে লিপ্ত রয়েছেন। এর অংশ হিসেবে আসন্ন নির্বাচন বানচালের লক্ষ্যে হাজার হাজার সমর্থককে সংগঠিত করার চেষ্টাও চালাচ্ছেন তিনি।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

মমতা–নির্বাচন কমিশন মুখোমুখি সংঘাত, অপমানের অভিযোগে বৈঠক বয়কট মুখ্যমন্ত্রীর

চোরাইপথে আর কোনও নির্বাচন হবে না, করতে দেব না: জামায়াত আমির

০৭:০৯:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সমকালের একটি শিরোনাম “চোরাইপথে আর কোনও নির্বাচন হবে না, করতে দেব না: জামায়াত আমির”

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে নির্বাচনী জনসভায় জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, চোরাইপথে আর কোনও নির্বাচন হবে না, করতে দেবো না। সমস্ত চোরাগলি বন্ধ করে দেব।

মঙ্গলবার কটিয়াদী সরকারি কলেজ মাঠে নির্বাচনী জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় তিনি তার এক্স আইডি হ্যাকের ব্যাপারে বলেন, আইডি হ্যাকের বিষয়টি স্পষ্টভাবে নিষ্পত্তি হওয়ার পরও একটি রাজনৈতিক দল এটিকে পুঁজি করে ব্যবসা করছে। এ ধরনের নোংরা রাজনীতি দেশ ও জাতির জন্য ক্ষতিকর।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, পচা রাজনীতি নয়, ২৪-এর যুব সমাজ পরিবর্তন চায়। তারা আর বিভাজনের রাজনীতি দেখতে চায় না। নারী ইস্যুকে সামনে রেখে একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে জামায়াতের বিরুদ্ধে অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা চাই বাংলাদেশ একটি মানবিক মর্যাদাসম্পন্ন রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হোক। বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানো একটি স্বাধীন ও সম্মানজনক বাংলাদেশ গড়াই আমাদের লক্ষ্য। জুলাইয়ে যুবসমাজ বুকের রক্ত দিয়ে সব ধরনের ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিল। তাদের সেই আত্মত্যাগের প্রতি আমরা গভীর শ্রদ্ধা জানাই।

তিনি বলেন, দেশ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচার করা হয়েছে, সেই অর্থ ফেরত আনা হবে। এখন আর কোনো দুর্বৃত্ত কারো ভোটে হাত দিতে পারবে না। কেউ কোনো ক্ষতি করতে এলে তাকে ছাড় দেওয়া হবে না।

অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, ভোটাধিকার প্রয়োগে কোনো ধরনের বাধা বা অনিয়ম মেনে নেওয়া হবে না। জাতি পরিবর্তন চায় এবং সেই পরিবর্তনের পথেই দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। জামায়াতে ইসলামী সরকার গঠন করতে পারলে পিছিয়ে পড়া অঞ্চলগুলোকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

 

আজকের পত্রিকার একটি শিরোনাম”অন্তর্বর্তী সরকার দেশের অর্থনীতিকে ‘সন্তোষজনক’ অবস্থায় রেখে যাচ্ছে: ড. সালেহউদ্দিন”

অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকার পরবর্তী নির্বাচিত সরকারের জন্য দেশের অর্থনীতিকে ‘সন্তোষজনক ও স্থিতিশীল’ অবস্থায় রেখে যাচ্ছে। তিনি আরও বলেছেন, ‘আমি মনে করি, আমরা অর্থনীতিকে একটি সন্তোষজনক অবস্থায় রেখে যাচ্ছি। পরবর্তী সরকার দায়িত্ব নিলে বড় ধরনের অর্থনৈতিক সংকটে পড়তে হবে না। পরিস্থিতি এখন স্থিতিশীল, আগের মতো নড়বড়ে নয়।’ তবে সামনে অনেক চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে বলেও জানান ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।

আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলনকক্ষে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, অর্থনীতি আর আগের মতো ভঙ্গুর বা অস্থিতিশীল অবস্থায় নেই। ভবিষ্যৎ সরকারের জন্য অর্থনৈতিক ভিত্তি স্থিতিশীল করা হয়েছে।

সরকার রেকর্ড পরিমাণ ঋণ নিয়েছে কি না—এমন প্রশ্নে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, ঋণ গ্রহণ বেড়েছে ঠিকই, তবে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বৈদেশিক ঋণও পরিশোধ করা হয়েছে।

উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘হ্যাঁ, ঋণ গ্রহণ বেড়েছে, তবে আমরা প্রায় ছয় বিলিয়ন মার্কিন ডলার বৈদেশিক ঋণও পরিশোধ করেছি। ঋণ পরিশোধও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।’

অনেক বড় ও ব্যয়বহুল অবকাঠামো প্রকল্প এড়ানো হয়েছে বলেও জানান অর্থ উপদেষ্টা।

সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘আমরা টানেল বা হাজার হাজার কোটি টাকার ঋণনির্ভর ব্যয়বহুল মেগা প্রকল্পে যাইনি। এ কারণেই সরকারি ঋণের চাপ আর বাড়েনি।’

 

বণিকবার্তার একটি শিরোনাম “ক্ষমতায় গেলে তিস্তা মহাপরিকল্পনা পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে”

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘আমরা ক্ষমতায় গেলে তিস্তা মহাপরিকল্পনা পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে। কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে রংপুর অঞ্চলে কলকারখানা গড়ে তোলা হবে। এজন্য উদ্যোক্তাদের বিশেষ সুবিধা দেয়া হবে।’

গতকাল রাতে রংপুর নগরীর ঈদগাহ মাঠে অনুষ্ঠিত বিভাগীয় নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব প্রতিশ্রুতি দেন।

তারেক রহমান বলেন, ‘এতদিন জানতাম দিনাজপুরে কয়লার খনি আছে। আজকে এখানে এসে জানলাম আবু সাঈদের (জুলাই শহীদ) এলাকায় কয়লা খনি রয়েছে। এ কয়লা উত্তোলন করে অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ হওয়া সম্ভব।’

তিনি বলেন, ‘রংপুর হচ্ছে আবু সাঈদের রক্ত মেশানো পবিত্র মাটি। কাজেই এ ত্যাগ বৃথা যেতে পারে না। আবু সাঈদসহ ১ হাজার ৪০০ ব্যক্তি শহীদ হয়েছেন। তাদের মূল্যায়ন করতে হবে। এজন্য মানুষের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।’

তারেক রহমান বলেন, ‘রংপুর গরিব অঞ্চল হলেও সম্ভাবনাময়। আমরা সরকার গঠন করতে পারলে কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে কলকারখানা গড়ে তোলা হবে। কলকারখানা গড়ে তুলতে উদ্যোক্তাদের বিশেষ সুবিধা দেয়া হবে। রংপুর অঞ্চলের জন্য তিস্তা মহাপরিকল্পনা বলতে যা বোঝায় তা পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে।’

 

মানবজমিনের একটি শিরোন “ভারতে বসে বাংলাদেশের রাজনীতিতে ফেরার ছক কষছেন পলাতক আওয়ামী লীগ নেতারা”

বাংলাদেশে তারা অপরাধী ও পলাতক হিসেবে পরিচিত। তাদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ, হত্যা, রাষ্ট্রদ্রোহ ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। কিন্তু কলকাতার শপিং মলের ফুডকোর্টে, ব্ল্যাক কফি আর ভারতীয় ফাস্টফুড খেতে খেতে বাংলাদেশের রাজনীতিতে ফেরার ছক কষছেন পলাতক আওয়ামী লীগের নেতারা।

১৬ মাস আগে এক নাটকীয় গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশ ছাড়েন সাবেক স্বৈরাচারী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেসময় বাসভবনের দিকে বিক্ষুদ্ধ জনস্রোতের মুখে হেলিকপ্টারে চড়ে ভারত পালিয়ে যান তিনি। যে পথ ফেলে হাসিনা পালিয়ে যান তা ছিল রক্তাক্ত। জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গণঅভ্যুত্থানে বিক্ষোভকারীদের ওপর হাসিনা সরকারের দমন-পীড়নে প্রায় ১৪০০ মানুষ নিহত হন।

পরে আওয়ামী লীগের হাজারো নেতাকর্মীও দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান। বিগত শাসনামলে নানা অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে একদিকে যেমন জনতার সহিংসতার ঝুঁকি তৈরি হয়, তেমনি বাড়তে থাকে ফৌজদারি মামলার চাপ। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের ছয় শতাধিক নেতা বাংলাদেশের সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ভারতের কলকাতায় আশ্রয় নেন। তখন থেকেই এসব নেতাকর্মী সেখানে আত্মগোপনে রয়েছেন।

দলীয় কার্যক্রম ও সংগঠন টিকিয়ে রাখতে ভারতই তাদের জন্য এখন গুরুত্বপূর্ণ আশ্রয়স্থল হয়ে উঠেছে। গত বছরের মে মাসে জনগণের চাপের মুখে আওয়ামী লীগকে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করে এবং দলটির সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করে অন্তর্বর্তী সরকার। একইসঙ্গে হত্যা ও দুর্নীতিসহ বিভিন্ন অভিযোগে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয় এবং তাদের বিচারের আওতায় আনা হয়। শেখ হাসিনার পতনের পর প্রথম নির্বাচন হিসেবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ বা প্রচারণা চালানোর ক্ষেত্রেও আওয়ামী লীগের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

গত বছরের শেষ দিকে হাসিনার শাসনামলের শেষ পর্যায়ে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে তাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুন্যাল। তবে এতে নিজের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার শেষ হয়ে গেছে বলে মনে করেন না শেখ হাসিনা। বরং তিনি রায় প্রত্যাখ্যান করে ভারতে বসে নির্লজ্জভাবে বাংলাদেশে ফিরে আসার চক্রান্তে লিপ্ত রয়েছেন। এর অংশ হিসেবে আসন্ন নির্বাচন বানচালের লক্ষ্যে হাজার হাজার সমর্থককে সংগঠিত করার চেষ্টাও চালাচ্ছেন তিনি।