আসন্ন জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে সারা দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ১,০৫১ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দিয়েছে সরকার। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে দায়িত্ব পালনের বিস্তারিত নির্দেশনা প্রকাশ করেছে।
দায়িত্ব পালনের সময়সীমা
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী নিয়োগপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নিজ নিজ এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করবেন। নির্বাচনকালীন সময়ে সম্ভাব্য অপরাধ প্রতিরোধ এবং সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই তাদের মূল দায়িত্ব হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয়
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্সের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করতে বলা হয়েছে। বিশেষ করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ও কোস্ট গার্ডের সহযোগিতায় মাঠপর্যায়ে নজরদারি জোরদার করা হবে, যাতে নির্বাচন ও গণভোট চলাকালে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়।
প্রশিক্ষণ ও যোগদানের নির্দেশনা
নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের জন্য বাধ্যতামূলক প্রশিক্ষণের সময়সূচিও নির্ধারণ করা হয়েছে। রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও ঢাকা বিভাগের কর্মকর্তারা ৫ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টায় প্রথম ধাপের প্রশিক্ষণে অংশ নেবেন। একই দিন দুপুর আড়াইটায় খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কর্মকর্তাদের জন্য দ্বিতীয় ধাপের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হবে। অনলাইন ভিডিও প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে এই প্রশিক্ষণ সম্পন্ন হবে এবং প্রয়োজনীয় তথ্য সংশ্লিষ্টদের মোবাইল ফোন ও ইমেইলে পাঠানো হবে।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের ৭ ফেব্রুয়ারি নিজ নিজ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অথবা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে যোগদান করতে হবে। ওই দিন রাত ৮টার মধ্যে যোগদানের প্রতিবেদন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেটরা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের এখতিয়ার নির্ধারণ ও দায়িত্ব বণ্টন করবেন এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম সম্পর্কে নিয়মিত অবহিত থাকতে হবে।
নির্বাচন ঘিরে প্রশাসনের এই প্রস্তুতি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















