রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের জন্য ব্যবহৃত একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় ধারাবাহিক হামলা চালানোর দাবি করেছে ইউক্রেনের সেনাবাহিনী। জানুয়ারিতে পরিচালিত এই হামলায় ঘাঁটির বিভিন্ন অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং কিছু সেনা সদস্যকে সেখান থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে কিয়েভ।
ক্ষেপণাস্ত্র প্রস্তুতি কেন্দ্র লক্ষ্যবস্তু
ইউক্রেনের জেনারেল স্টাফ জানিয়েছে, কাস্পিয়ান সাগরের কাছে অবস্থিত কাপুস্তিন ইয়ার পরীক্ষণ কেন্দ্রে থাকা হ্যাঙ্গারধরনের স্থাপনাগুলোতে আঘাত হানা হয়। এসব স্থাপনা মাঝারি ও আন্তমহাদেশীয় পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের আগে প্রস্তুতির কাজে ব্যবহৃত হতো। হামলায় কয়েকটি ভবন আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং একটি হ্যাঙ্গার গুরুতরভাবে নষ্ট হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে উত্তেজনা
জানুয়ারিতে রাশিয়া এই ঘাঁটি থেকেই হাইপারসনিক ‘ওরেশনিক’ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছিল বলে ইউক্রেনের বিমানবাহিনী জানিয়েছিল। পারমাণবিক ওয়ারহেড বহনে সক্ষম এই ক্ষেপণাস্ত্র পশ্চিম ইউক্রেনের একটি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে। মস্কোর দাবি ছিল, প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের একটি বাসভবনে ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলার চেষ্টার জবাব হিসেবে এই হামলা চালানো হয়। তবে ইউক্রেন ও পশ্চিমা দেশগুলো সেই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে।
দীর্ঘপাল্লার সক্ষমতার ব্যবহার
ইউক্রেনের সেনাবাহিনী বলেছে, তারা নিজস্ব দীর্ঘপাল্লার হামলা সক্ষমতা ব্যবহার করে এই আঘাত হেনেছে, যার মধ্যে দেশীয়ভাবে তৈরি ‘ফ্লামিঙ্গো’ ক্ষেপণাস্ত্রও রয়েছে। যদিও এই দাবির স্বাধীন যাচাই তাৎক্ষণিকভাবে সম্ভব হয়নি।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















