১২:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ০১ জুন ২০২৬
ফেরারির বৈদ্যুতিক গাড়ি ‘লুচে’ ঘিরে বিতর্ক, ভক্তদের ক্ষোভে চাপে কিংবদন্তি ব্র্যান্ড ইলন মাস্কের রাজনীতি নিয়ে বিতর্ক, প্রযুক্তির নায়ক নাকি বিভাজনের মুখ? ট্রাম্পের শরণার্থী নীতিতে অগ্রাধিকার আফ্রিকানারদের, বাদ পড়ছেন অন্যরা ম্যানাম্বেরি সেতু: মাদাগাস্কারের ভ্যানিলা অর্থনীতির নীরব জীবনরেখা কানাডার নতুন নাগরিকত্ব আইনে আগ্রহ বাড়ছে মার্কিনদের, আবেদন অনুমোদনে বড় উল্লম্ফন শাংরি-লা সংলাপে চীনের অনুপস্থিতি ঘিরে প্রশ্ন, এশিয়ার নিরাপত্তা আলোচনায় নতুন বিতর্ক চীনের ‘নতুন সামরিকীকরণ’ অভিযোগ উড়িয়ে দিল জাপান, পাল্টা দ্রুত অস্ত্র সম্প্রসারণের অভিযোগ বেইজিংয়ের বিরুদ্ধে দক্ষিণ কোরিয়ায় ট্যাটুশিল্পীদের দীর্ঘ লড়াইয়ের জয়, তিন দশকের নিষেধাজ্ঞার অবসান অকাস জোটের নতুন পদক্ষেপ: সমুদ্রতলের ড্রোন প্রযুক্তি আনছে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়া ডিজিটাল যুগে ভারতের জনশুমারি: ডাকটিকিট থেকে স্মার্টফোনে দীর্ঘ যাত্রা

সরকারি টাকার ছয় কোটি একত্রিশ লাখ আত্মসাৎ, গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সাময়িক বরখাস্ত

সরকারি অর্থ আত্মসাৎ, ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির অভিযোগে গণপূর্ত বিভাগের একজন নির্বাহী প্রকৌশলীকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। অভিযুক্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুজ্জামান বর্তমানে লালমনিরহাট গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর চলতি দায়িত্বে কর্মরত ছিলেন। এর আগে তিনি ঢাকা গণপূর্ত বিভাগের চার নম্বর বিভাগে দায়িত্ব পালন করেন।

মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত ও বরখাস্তাদেশ
মঙ্গলবার মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। সরকারি চাকরি আইন ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়। বরখাস্তকালীন সময়ে প্রচলিত বিধি অনুযায়ী তিনি জীবিকা ভাতা পাবেন।

তদন্তে আত্মসাতের প্রমাণ
তদন্তে উঠে আসে, ঢাকা গণপূর্ত বিভাগের চার নম্বর বিভাগে দায়িত্ব পালনকালে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালতের রেকর্ড ভবন নির্মাণ প্রকল্পে অনিয়ম সংঘটিত হয়। অনুমোদন ছাড়া একটি একক বেসামরিক কাজের প্যাকেজকে ইলেকট্রনিক সরকারি ক্রয় ব্যবস্থার মাধ্যমে আটটি পৃথক প্যাকেজে বিভক্ত করা হয়। উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব, সংশোধিত প্রস্তাব বা প্রকল্প পরিচালন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নেওয়া হয়নি।

২০২৩–২৪ অর্থবছরে এসব প্যাকেজের মাধ্যমে ছয় কোটি একত্রিশ লাখ সাতানব্বই হাজার টাকা ব্যয় দেখানো হলেও পরিদর্শনে সংশ্লিষ্ট কোনো বাস্তব কাজের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। মূল প্যাকেজের অনুমোদিত ঠিকাদার ছিল ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেড, কিন্তু কাজ না করেই আটটি ভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামে বিল পরিশোধ করা হয়। বিষয়টি সরকারি অর্থ আত্মসাৎ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রশাসনিক বার্তা
এই পদক্ষেপকে সরকারি অর্থের সুরক্ষা ও প্রশাসনিক জবাবদিহি নিশ্চিত করার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, তদন্তের অগ্রগতির ওপর নির্ভর করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ফেরারির বৈদ্যুতিক গাড়ি ‘লুচে’ ঘিরে বিতর্ক, ভক্তদের ক্ষোভে চাপে কিংবদন্তি ব্র্যান্ড

সরকারি টাকার ছয় কোটি একত্রিশ লাখ আত্মসাৎ, গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সাময়িক বরখাস্ত

০৯:১২:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সরকারি অর্থ আত্মসাৎ, ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির অভিযোগে গণপূর্ত বিভাগের একজন নির্বাহী প্রকৌশলীকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। অভিযুক্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুজ্জামান বর্তমানে লালমনিরহাট গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর চলতি দায়িত্বে কর্মরত ছিলেন। এর আগে তিনি ঢাকা গণপূর্ত বিভাগের চার নম্বর বিভাগে দায়িত্ব পালন করেন।

মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত ও বরখাস্তাদেশ
মঙ্গলবার মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। সরকারি চাকরি আইন ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়। বরখাস্তকালীন সময়ে প্রচলিত বিধি অনুযায়ী তিনি জীবিকা ভাতা পাবেন।

তদন্তে আত্মসাতের প্রমাণ
তদন্তে উঠে আসে, ঢাকা গণপূর্ত বিভাগের চার নম্বর বিভাগে দায়িত্ব পালনকালে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালতের রেকর্ড ভবন নির্মাণ প্রকল্পে অনিয়ম সংঘটিত হয়। অনুমোদন ছাড়া একটি একক বেসামরিক কাজের প্যাকেজকে ইলেকট্রনিক সরকারি ক্রয় ব্যবস্থার মাধ্যমে আটটি পৃথক প্যাকেজে বিভক্ত করা হয়। উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব, সংশোধিত প্রস্তাব বা প্রকল্প পরিচালন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নেওয়া হয়নি।

২০২৩–২৪ অর্থবছরে এসব প্যাকেজের মাধ্যমে ছয় কোটি একত্রিশ লাখ সাতানব্বই হাজার টাকা ব্যয় দেখানো হলেও পরিদর্শনে সংশ্লিষ্ট কোনো বাস্তব কাজের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। মূল প্যাকেজের অনুমোদিত ঠিকাদার ছিল ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেড, কিন্তু কাজ না করেই আটটি ভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামে বিল পরিশোধ করা হয়। বিষয়টি সরকারি অর্থ আত্মসাৎ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রশাসনিক বার্তা
এই পদক্ষেপকে সরকারি অর্থের সুরক্ষা ও প্রশাসনিক জবাবদিহি নিশ্চিত করার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, তদন্তের অগ্রগতির ওপর নির্ভর করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।