চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে নির্বাচনী উত্তেজনাকে ঘিরে স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এ হান্নানের গাড়িবহরে হামলা ও দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ উভয় পক্ষের কমপক্ষে ২০ জন নেতা–কর্মী আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন স্থানে এই সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে, যা স্থানীয় রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও অস্থির করে তোলে।

সংঘর্ষের সূত্রপাত ও বিস্তার
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সন্ধ্যার পর গুপ্টি ইউনিয়নের ষোলধানা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সংলগ্ন খাজুরিয়া বাজার ও রূপসা বাজার এলাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এ হান্নান এবং বিএনপির প্রার্থী হারুনুর রশিদের সমর্থকদের মধ্যে চার দফা সংঘর্ষ হয়। এর আগে হোগলী এলাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর উঠান বৈঠকের সময় ধানের শীষ প্রতীকের সমর্থকেরা মিছিল নিয়ে গেলে উত্তেজনা তৈরি হয়, যা পরে সহিংস রূপ নেয়।
ভাঙচুর ও আহতদের অভিযোগ
রাতে স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এ হান্নান অভিযোগ করেন, তাঁর গাড়িতে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে ভাঙচুর করা হয়েছে। এতে তিনি নিজে, সাবেক পৌর মেয়র মঞ্জিল হোসেনসহ কয়েকজন আহত হন। অপরদিকে বিএনপির স্থানীয় নেতা রবিউল ইমাম বাবু দাবি করেন, গুপ্টি পশ্চিম ইউনিয়নের ঘটনার জেরে রূপসা বাজারে ধানের শীষের কর্মীদের ওপর এলোপাতাড়ি হামলা চালানো হয়। এতে ফারুক, অহিদুল্লাহ ও শাহাদাত হোসেনসহ কয়েকজন আহত হন। তিনি হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান।

প্রশাসনের পদক্ষেপ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি
ঘটনার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার নেতৃত্বে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও বিজিবি ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি, তবে ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে আটক করা হয়েছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















