১২:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ডলি পার্টন: ভালোবাসা, গান আর মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এক অনন্য জীবন নরওয়ের রাজা হারাল্ড পঞ্চমের মৃত্যু, শোকে ওসলো বিতর্ক পেরিয়ে নতুন উচ্চতায় র‍্যাচেল জেগলার, এবার ব্রডওয়েতে ইভা পেরন শিল্পের নতুন প্রভাবশালীদের খোঁজে টাইম, ৫০ বছর পর প্রচ্ছদে জীবিত চিত্রশিল্পী ৯/১১-এর ২৫ বছর: যে ক্ষত আজও বয়ে বেড়াচ্ছে এক প্রজন্ম নিজের ঘরেও পরবাসী: ‘কারা আমাদের মানুষ’—এই প্রশ্নের রাজনীতি ট্রাম্প-শির নৈশভোজে জাঁকজমক, আড়ালে যুক্তরাষ্ট্র-চীনের গভীর টানাপোড়েন ব্রিকস সম্মেলনে না যাওয়ায় লাভবান তারেক রহমান, ক্ষতি বাংলাদেশের জানুয়ারিতে শুরু হতে পারে স্থানীয় সরকার নির্বাচন, পরীক্ষার সময় এড়িয়ে ইসির প্রস্তুতি ইতালির ব্যাংকিং খাতে নতুন শক্তি, আঞ্চলিক প্রতিষ্ঠান থেকে জাতীয় জায়ান্ট বিএপিইআর

সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি নাইমা হায়দারের পদত্যাগ

সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি নাইমা হায়দার পদত্যাগ করেছেন। সোমবার সুপ্রিম কোর্টের গনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, প্রধান বিচারপতির মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানোর জন্য তিনি গত ৫ ফেব্রুয়ারি পদত্যাগপত্র রেজিস্ট্রার জেনারেলের কাছে পাঠান। পদত্যাগপত্রে তিনি ব্যক্তিগত কারণ উল্লেখ করেছেন। এর আগে ২ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি মামনুন রহমান পদত্যাগ করেন। বাংলাদেশ সুপ্রীমকোর্ট হতে উভয়ের পদত্যাগপত্র রাষ্ট্রপতির নিকট প্রেরণ করা হয়েছে। ১৯৮৯ সালে জজ কোর্টে আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন নাইমা হায়দার। ১৯৯৩ সালে হাইকোর্ট বিভাগ ও ২০০৪ সালে আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন তিনি। পরে ২০০৯ সালে হাইকোর্ট বিভাগে অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান। ২০১১ সালের স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান তিনি। সাবেক প্রধান বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরীর মেয়ে বিচারপতি নাইমা হায়দার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি ও এলএলএম ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও এলএলএম এবং পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। এ ছাড়া তিনি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়, ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, বার্কলি, লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়েও পড়াশোনা করেন। এর আগে দায়িত্ব পালনে অযোগ্য হওয়ায় গত বছরের ৫ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারকে অপসারণ করা হয়। সংবিধানের পুনর্বহালকৃত অনুচ্ছেদ ৯৬ (৬) অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি তাকে হাইকোর্টের বিচারপতির পদ থেকে অপসারণ করেন। আইন সচিব মো. লিয়াকত আলী মোল্লার সই করা প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। বর্তমানে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে আরও কয়েকজন বিচারপতির বিষয়ে তদন্ত চলছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ডলি পার্টন: ভালোবাসা, গান আর মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এক অনন্য জীবন

সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি নাইমা হায়দারের পদত্যাগ

০৬:৩৮:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি নাইমা হায়দার পদত্যাগ করেছেন। সোমবার সুপ্রিম কোর্টের গনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, প্রধান বিচারপতির মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানোর জন্য তিনি গত ৫ ফেব্রুয়ারি পদত্যাগপত্র রেজিস্ট্রার জেনারেলের কাছে পাঠান। পদত্যাগপত্রে তিনি ব্যক্তিগত কারণ উল্লেখ করেছেন। এর আগে ২ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি মামনুন রহমান পদত্যাগ করেন। বাংলাদেশ সুপ্রীমকোর্ট হতে উভয়ের পদত্যাগপত্র রাষ্ট্রপতির নিকট প্রেরণ করা হয়েছে। ১৯৮৯ সালে জজ কোর্টে আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন নাইমা হায়দার। ১৯৯৩ সালে হাইকোর্ট বিভাগ ও ২০০৪ সালে আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন তিনি। পরে ২০০৯ সালে হাইকোর্ট বিভাগে অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান। ২০১১ সালের স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান তিনি। সাবেক প্রধান বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরীর মেয়ে বিচারপতি নাইমা হায়দার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি ও এলএলএম ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও এলএলএম এবং পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। এ ছাড়া তিনি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়, ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, বার্কলি, লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়েও পড়াশোনা করেন। এর আগে দায়িত্ব পালনে অযোগ্য হওয়ায় গত বছরের ৫ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারকে অপসারণ করা হয়। সংবিধানের পুনর্বহালকৃত অনুচ্ছেদ ৯৬ (৬) অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি তাকে হাইকোর্টের বিচারপতির পদ থেকে অপসারণ করেন। আইন সচিব মো. লিয়াকত আলী মোল্লার সই করা প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। বর্তমানে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে আরও কয়েকজন বিচারপতির বিষয়ে তদন্ত চলছে।