০১:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬
খুলনায় দৈনিক প্রবাহ কার্যালয়ে হামলা, কর্মীকে মারধরের অভিযোগ মাদ্রাসাছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করার প্রতিবাদে সংঘর্ষ, ফরিদপুরে নিহত ১ পরিবার কার্ডের জনবল নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ, দক্ষিণ সুরমায় ইউএনও কার্যালয়ে তালা ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার নিবন্ধনের দাবি, রাজস্ব বাড়ার সম্ভাবনা ৫ পরীক্ষার্থী, শিক্ষক ১১ জন—তবু এসএসসিতে কেউ পাস করেনি লালমনিরহাটে বোমা বিস্ফোরণে উত্তপ্ত জাজিরা, সংঘর্ষে বৃদ্ধ নিহত, আহত ১০ ১০টি আইসিইউ বেডে ১ কোটি ৮০ লাখ মানুষের চিকিৎসা, রংপুরে সংকটে মুমূর্ষু রোগীরা লন্ডনকে অপরাধের অর্থের রাজধানী হতে দেওয়া যাবে না বিশ্বকাপ নিয়ে ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে ‘বিশ্বাসভঙ্গের’ অভিযোগ, ফিফায় বাড়ছে বিরোধ ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কে নতুন বার্তা, সেপ্টেম্বরে তারেক রহমানের দিল্লি সফরে খুলছে সম্ভাবনার দুয়ার

সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি নাইমা হায়দারের পদত্যাগ

সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি নাইমা হায়দার পদত্যাগ করেছেন। সোমবার সুপ্রিম কোর্টের গনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, প্রধান বিচারপতির মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানোর জন্য তিনি গত ৫ ফেব্রুয়ারি পদত্যাগপত্র রেজিস্ট্রার জেনারেলের কাছে পাঠান। পদত্যাগপত্রে তিনি ব্যক্তিগত কারণ উল্লেখ করেছেন। এর আগে ২ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি মামনুন রহমান পদত্যাগ করেন। বাংলাদেশ সুপ্রীমকোর্ট হতে উভয়ের পদত্যাগপত্র রাষ্ট্রপতির নিকট প্রেরণ করা হয়েছে। ১৯৮৯ সালে জজ কোর্টে আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন নাইমা হায়দার। ১৯৯৩ সালে হাইকোর্ট বিভাগ ও ২০০৪ সালে আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন তিনি। পরে ২০০৯ সালে হাইকোর্ট বিভাগে অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান। ২০১১ সালের স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান তিনি। সাবেক প্রধান বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরীর মেয়ে বিচারপতি নাইমা হায়দার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি ও এলএলএম ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও এলএলএম এবং পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। এ ছাড়া তিনি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়, ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, বার্কলি, লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়েও পড়াশোনা করেন। এর আগে দায়িত্ব পালনে অযোগ্য হওয়ায় গত বছরের ৫ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারকে অপসারণ করা হয়। সংবিধানের পুনর্বহালকৃত অনুচ্ছেদ ৯৬ (৬) অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি তাকে হাইকোর্টের বিচারপতির পদ থেকে অপসারণ করেন। আইন সচিব মো. লিয়াকত আলী মোল্লার সই করা প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। বর্তমানে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে আরও কয়েকজন বিচারপতির বিষয়ে তদন্ত চলছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

খুলনায় দৈনিক প্রবাহ কার্যালয়ে হামলা, কর্মীকে মারধরের অভিযোগ

সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি নাইমা হায়দারের পদত্যাগ

০৬:৩৮:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি নাইমা হায়দার পদত্যাগ করেছেন। সোমবার সুপ্রিম কোর্টের গনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, প্রধান বিচারপতির মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানোর জন্য তিনি গত ৫ ফেব্রুয়ারি পদত্যাগপত্র রেজিস্ট্রার জেনারেলের কাছে পাঠান। পদত্যাগপত্রে তিনি ব্যক্তিগত কারণ উল্লেখ করেছেন। এর আগে ২ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি মামনুন রহমান পদত্যাগ করেন। বাংলাদেশ সুপ্রীমকোর্ট হতে উভয়ের পদত্যাগপত্র রাষ্ট্রপতির নিকট প্রেরণ করা হয়েছে। ১৯৮৯ সালে জজ কোর্টে আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন নাইমা হায়দার। ১৯৯৩ সালে হাইকোর্ট বিভাগ ও ২০০৪ সালে আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন তিনি। পরে ২০০৯ সালে হাইকোর্ট বিভাগে অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান। ২০১১ সালের স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান তিনি। সাবেক প্রধান বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরীর মেয়ে বিচারপতি নাইমা হায়দার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি ও এলএলএম ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও এলএলএম এবং পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। এ ছাড়া তিনি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়, ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, বার্কলি, লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়েও পড়াশোনা করেন। এর আগে দায়িত্ব পালনে অযোগ্য হওয়ায় গত বছরের ৫ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারকে অপসারণ করা হয়। সংবিধানের পুনর্বহালকৃত অনুচ্ছেদ ৯৬ (৬) অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি তাকে হাইকোর্টের বিচারপতির পদ থেকে অপসারণ করেন। আইন সচিব মো. লিয়াকত আলী মোল্লার সই করা প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। বর্তমানে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে আরও কয়েকজন বিচারপতির বিষয়ে তদন্ত চলছে।