০২:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
ফিলিপাইনের রাজনীতিতে নতুন ঝড়, ভাইস প্রেসিডেন্ট সারা দুতার্তের বিরুদ্ধে অভিশংসন দিল্লিতে গ্রেপ্তার ‘দ্য স্কিন ডক্টর’, কপুর পরিবারের বিরুদ্ধে পোস্ট ঘিরে বিতর্ক নিট প্রশ্নফাঁস কাণ্ডে তোলপাড় ভারত, অনিশ্চয়তায় ২২ লাখ শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ দিল্লিতে চলন্ত বাসে নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার চালক-সহকারী চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল: গ্লোবাল টাইমসের সম্পাদকীয় চীন-যুক্তরাষ্ট্র শীর্ষ বৈঠক ‘ঐতিহাসিক’, তবে কি বদলাবে সম্পর্কের ভবিষ্যৎ? ইরান যুদ্ধ থামাতে চীনের আরও সক্রিয় ভূমিকা চায় যুক্তরাষ্ট্র শি-ট্রাম্প বৈঠকে নতুন বার্তা, বাণিজ্য থেকে তাইওয়ান—চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে ‘স্থিতিশীলতা’ খুঁজছেন দুই নেতা শি-ট্রাম্প বৈঠক: কূটনৈতিক হাসির আড়ালে প্রতিযোগিতার নতুন বাস্তবতা ভারতে স্বর্ণে রেকর্ড ছাড়, ভেঙে পড়ল বাজারের চাহিদা

পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার বিশেষ পুনর্বিবেচনা সম্পন্নে এক সপ্তাহ সময় বাড়াল সুপ্রিম কোর্ট

পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় পুনর্বিবেচনা কার্যক্রম সম্পন্নের সময়সীমা আরও এক সপ্তাহ বাড়িয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। সোমবার দেওয়া অন্তর্বর্তী আদেশে আদালত নির্দেশ দিয়েছে, ১৪ ফেব্রুয়ারির পর আরও এক সপ্তাহ সময় দিয়ে নির্বাচনী নিবন্ধন কর্মকর্তাকে যাচাই-বাছাই শেষ করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। রাজ্যে এই পুনর্বিবেচনা প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের করা আবেদনের প্রেক্ষিতেই আদালত এই নির্দেশনা দেয়।

প্রধান বিচারপতির মন্তব্য
ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত জানিয়েছেন, বিশেষ নিবিড় পুনর্বিবেচনা প্রক্রিয়া সম্পন্নে শীর্ষ আদালত কোনো বাধা সৃষ্টি করবে না। একই সঙ্গে ভোটার তালিকা সংশোধনের সময় যেসব প্রতিবন্ধকতা দেখা দেবে, সেগুলো দূর করতে আদালত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।

কর্মকর্তা নিয়োগ ও প্রশাসনিক নির্দেশনা
প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি ও এন ভি অঞ্জারিয়া উপস্থিত ছিলেন। আদালত পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে নির্দেশ দিয়েছে, আদালতে জমা দেওয়া গ্রুপ-বি পর্যায়ের ৮ হাজার ৫৫৫ জন কর্মকর্তার তালিকাভুক্ত ব্যক্তিদের বিকেল পাঁচটার মধ্যে নিজ নিজ জেলার নির্বাচনী কর্মকর্তার কাছে রিপোর্ট করতে হবে। নির্বাচন কমিশনের অভিযোগ ছিল, রাজ্য সরকার পর্যাপ্ত জনবল সরবরাহ করছে না—এই প্রেক্ষাপটেই আদালতের এই নির্দেশনা আসে।

আদালত আরও জানিয়েছে, প্রয়োজনে নির্বাচনী নিবন্ধন কর্মকর্তা ও সহকারী কর্মকর্তাদের বদল করার স্বাধীনতা নির্বাচন কমিশনের থাকবে এবং যোগ্য বিবেচিত হলে বর্তমান কর্মকর্তাদের সেবাও ব্যবহার করা যাবে।

মাইক্রো অবজারভারদের ভূমিকা
রাজ্য সরকারের কর্মকর্তাদের জীবনবৃত্তান্ত যাচাইয়ের পর এক বা দুই দিনের সংক্ষিপ্ত প্রশিক্ষণ দিয়ে মাইক্রো অবজারভার হিসেবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ দেওয়ার কথাও বলেছে আদালত। তবে তাদের দায়িত্ব হবে কেবল নির্বাচনী নিবন্ধন কর্মকর্তাদের সহায়তা করা; চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা থাকবে নিবন্ধন কর্মকর্তার হাতেই।

সময়সীমা বৃদ্ধির কারণ
নতুন কর্মকর্তাদের অন্তর্ভুক্তির ফলে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের জমা দেওয়া নথিপত্র যাচাইয়ে অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে পর্যবেক্ষণ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। এই বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়েই সময়সীমা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ফিলিপাইনের রাজনীতিতে নতুন ঝড়, ভাইস প্রেসিডেন্ট সারা দুতার্তের বিরুদ্ধে অভিশংসন

পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার বিশেষ পুনর্বিবেচনা সম্পন্নে এক সপ্তাহ সময় বাড়াল সুপ্রিম কোর্ট

০৭:৪৭:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় পুনর্বিবেচনা কার্যক্রম সম্পন্নের সময়সীমা আরও এক সপ্তাহ বাড়িয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। সোমবার দেওয়া অন্তর্বর্তী আদেশে আদালত নির্দেশ দিয়েছে, ১৪ ফেব্রুয়ারির পর আরও এক সপ্তাহ সময় দিয়ে নির্বাচনী নিবন্ধন কর্মকর্তাকে যাচাই-বাছাই শেষ করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। রাজ্যে এই পুনর্বিবেচনা প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের করা আবেদনের প্রেক্ষিতেই আদালত এই নির্দেশনা দেয়।

প্রধান বিচারপতির মন্তব্য
ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত জানিয়েছেন, বিশেষ নিবিড় পুনর্বিবেচনা প্রক্রিয়া সম্পন্নে শীর্ষ আদালত কোনো বাধা সৃষ্টি করবে না। একই সঙ্গে ভোটার তালিকা সংশোধনের সময় যেসব প্রতিবন্ধকতা দেখা দেবে, সেগুলো দূর করতে আদালত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।

কর্মকর্তা নিয়োগ ও প্রশাসনিক নির্দেশনা
প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি ও এন ভি অঞ্জারিয়া উপস্থিত ছিলেন। আদালত পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে নির্দেশ দিয়েছে, আদালতে জমা দেওয়া গ্রুপ-বি পর্যায়ের ৮ হাজার ৫৫৫ জন কর্মকর্তার তালিকাভুক্ত ব্যক্তিদের বিকেল পাঁচটার মধ্যে নিজ নিজ জেলার নির্বাচনী কর্মকর্তার কাছে রিপোর্ট করতে হবে। নির্বাচন কমিশনের অভিযোগ ছিল, রাজ্য সরকার পর্যাপ্ত জনবল সরবরাহ করছে না—এই প্রেক্ষাপটেই আদালতের এই নির্দেশনা আসে।

আদালত আরও জানিয়েছে, প্রয়োজনে নির্বাচনী নিবন্ধন কর্মকর্তা ও সহকারী কর্মকর্তাদের বদল করার স্বাধীনতা নির্বাচন কমিশনের থাকবে এবং যোগ্য বিবেচিত হলে বর্তমান কর্মকর্তাদের সেবাও ব্যবহার করা যাবে।

মাইক্রো অবজারভারদের ভূমিকা
রাজ্য সরকারের কর্মকর্তাদের জীবনবৃত্তান্ত যাচাইয়ের পর এক বা দুই দিনের সংক্ষিপ্ত প্রশিক্ষণ দিয়ে মাইক্রো অবজারভার হিসেবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ দেওয়ার কথাও বলেছে আদালত। তবে তাদের দায়িত্ব হবে কেবল নির্বাচনী নিবন্ধন কর্মকর্তাদের সহায়তা করা; চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা থাকবে নিবন্ধন কর্মকর্তার হাতেই।

সময়সীমা বৃদ্ধির কারণ
নতুন কর্মকর্তাদের অন্তর্ভুক্তির ফলে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের জমা দেওয়া নথিপত্র যাচাইয়ে অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে পর্যবেক্ষণ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। এই বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়েই সময়সীমা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।