০৯:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
আমেরিকা ফার্স্ট বৈশ্বিক স্বাস্থ্য কৌশলের মাধ্যমে বুরুন্ডিতে স্বাস্থ্য সহনশীলতা জোরদার টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারত–পাকিস্তান ম্যাচ প্রায় নিশ্চিত সংখ্যালঘু, আদিবাসী ও নারী ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জোরালো ইরান পরমাণু আলোচনা ঘিরে ধৈর্যের পরীক্ষা, সমঝোতা না সংঘাতের পথে বিশ্ব রাজনীতি ভোটের কাউন্টডাউন: মঙ্গলবার সকালে শেষ হচ্ছে নির্বাচনী প্রচার সিলেট-১ আসনে জামায়াত প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিলের দাবি বিএনপির ইসলামাবাদে মসজিদে আত্মঘাতী বিস্ফোরণ, নিরাপত্তা অগ্রগতির মাঝেও নতুন শঙ্কা মুজিব ও জিয়া হত্যাকাণ্ডে জড়িত বহু সেনা কর্মকর্তা মৃত্যুদণ্ড পেয়েছেন: সাবেক সেনাপ্রধান গাইবান্ধার ৬৮০ ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি স্থাপন, উচ্চঝুঁকিপূর্ণ চরে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে ঊর্ধ্বমুখী সমাপ্তি, ডিএসই ও সিএসই সূচকে শক্তিশালী উত্থান

পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার বিশেষ পুনর্বিবেচনা সম্পন্নে এক সপ্তাহ সময় বাড়াল সুপ্রিম কোর্ট

পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় পুনর্বিবেচনা কার্যক্রম সম্পন্নের সময়সীমা আরও এক সপ্তাহ বাড়িয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। সোমবার দেওয়া অন্তর্বর্তী আদেশে আদালত নির্দেশ দিয়েছে, ১৪ ফেব্রুয়ারির পর আরও এক সপ্তাহ সময় দিয়ে নির্বাচনী নিবন্ধন কর্মকর্তাকে যাচাই-বাছাই শেষ করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। রাজ্যে এই পুনর্বিবেচনা প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের করা আবেদনের প্রেক্ষিতেই আদালত এই নির্দেশনা দেয়।

প্রধান বিচারপতির মন্তব্য
ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত জানিয়েছেন, বিশেষ নিবিড় পুনর্বিবেচনা প্রক্রিয়া সম্পন্নে শীর্ষ আদালত কোনো বাধা সৃষ্টি করবে না। একই সঙ্গে ভোটার তালিকা সংশোধনের সময় যেসব প্রতিবন্ধকতা দেখা দেবে, সেগুলো দূর করতে আদালত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।

কর্মকর্তা নিয়োগ ও প্রশাসনিক নির্দেশনা
প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি ও এন ভি অঞ্জারিয়া উপস্থিত ছিলেন। আদালত পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে নির্দেশ দিয়েছে, আদালতে জমা দেওয়া গ্রুপ-বি পর্যায়ের ৮ হাজার ৫৫৫ জন কর্মকর্তার তালিকাভুক্ত ব্যক্তিদের বিকেল পাঁচটার মধ্যে নিজ নিজ জেলার নির্বাচনী কর্মকর্তার কাছে রিপোর্ট করতে হবে। নির্বাচন কমিশনের অভিযোগ ছিল, রাজ্য সরকার পর্যাপ্ত জনবল সরবরাহ করছে না—এই প্রেক্ষাপটেই আদালতের এই নির্দেশনা আসে।

আদালত আরও জানিয়েছে, প্রয়োজনে নির্বাচনী নিবন্ধন কর্মকর্তা ও সহকারী কর্মকর্তাদের বদল করার স্বাধীনতা নির্বাচন কমিশনের থাকবে এবং যোগ্য বিবেচিত হলে বর্তমান কর্মকর্তাদের সেবাও ব্যবহার করা যাবে।

মাইক্রো অবজারভারদের ভূমিকা
রাজ্য সরকারের কর্মকর্তাদের জীবনবৃত্তান্ত যাচাইয়ের পর এক বা দুই দিনের সংক্ষিপ্ত প্রশিক্ষণ দিয়ে মাইক্রো অবজারভার হিসেবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ দেওয়ার কথাও বলেছে আদালত। তবে তাদের দায়িত্ব হবে কেবল নির্বাচনী নিবন্ধন কর্মকর্তাদের সহায়তা করা; চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা থাকবে নিবন্ধন কর্মকর্তার হাতেই।

সময়সীমা বৃদ্ধির কারণ
নতুন কর্মকর্তাদের অন্তর্ভুক্তির ফলে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের জমা দেওয়া নথিপত্র যাচাইয়ে অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে পর্যবেক্ষণ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। এই বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়েই সময়সীমা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

আমেরিকা ফার্স্ট বৈশ্বিক স্বাস্থ্য কৌশলের মাধ্যমে বুরুন্ডিতে স্বাস্থ্য সহনশীলতা জোরদার

পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার বিশেষ পুনর্বিবেচনা সম্পন্নে এক সপ্তাহ সময় বাড়াল সুপ্রিম কোর্ট

০৭:৪৭:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় পুনর্বিবেচনা কার্যক্রম সম্পন্নের সময়সীমা আরও এক সপ্তাহ বাড়িয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। সোমবার দেওয়া অন্তর্বর্তী আদেশে আদালত নির্দেশ দিয়েছে, ১৪ ফেব্রুয়ারির পর আরও এক সপ্তাহ সময় দিয়ে নির্বাচনী নিবন্ধন কর্মকর্তাকে যাচাই-বাছাই শেষ করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। রাজ্যে এই পুনর্বিবেচনা প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের করা আবেদনের প্রেক্ষিতেই আদালত এই নির্দেশনা দেয়।

প্রধান বিচারপতির মন্তব্য
ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত জানিয়েছেন, বিশেষ নিবিড় পুনর্বিবেচনা প্রক্রিয়া সম্পন্নে শীর্ষ আদালত কোনো বাধা সৃষ্টি করবে না। একই সঙ্গে ভোটার তালিকা সংশোধনের সময় যেসব প্রতিবন্ধকতা দেখা দেবে, সেগুলো দূর করতে আদালত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।

কর্মকর্তা নিয়োগ ও প্রশাসনিক নির্দেশনা
প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি ও এন ভি অঞ্জারিয়া উপস্থিত ছিলেন। আদালত পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে নির্দেশ দিয়েছে, আদালতে জমা দেওয়া গ্রুপ-বি পর্যায়ের ৮ হাজার ৫৫৫ জন কর্মকর্তার তালিকাভুক্ত ব্যক্তিদের বিকেল পাঁচটার মধ্যে নিজ নিজ জেলার নির্বাচনী কর্মকর্তার কাছে রিপোর্ট করতে হবে। নির্বাচন কমিশনের অভিযোগ ছিল, রাজ্য সরকার পর্যাপ্ত জনবল সরবরাহ করছে না—এই প্রেক্ষাপটেই আদালতের এই নির্দেশনা আসে।

আদালত আরও জানিয়েছে, প্রয়োজনে নির্বাচনী নিবন্ধন কর্মকর্তা ও সহকারী কর্মকর্তাদের বদল করার স্বাধীনতা নির্বাচন কমিশনের থাকবে এবং যোগ্য বিবেচিত হলে বর্তমান কর্মকর্তাদের সেবাও ব্যবহার করা যাবে।

মাইক্রো অবজারভারদের ভূমিকা
রাজ্য সরকারের কর্মকর্তাদের জীবনবৃত্তান্ত যাচাইয়ের পর এক বা দুই দিনের সংক্ষিপ্ত প্রশিক্ষণ দিয়ে মাইক্রো অবজারভার হিসেবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ দেওয়ার কথাও বলেছে আদালত। তবে তাদের দায়িত্ব হবে কেবল নির্বাচনী নিবন্ধন কর্মকর্তাদের সহায়তা করা; চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা থাকবে নিবন্ধন কর্মকর্তার হাতেই।

সময়সীমা বৃদ্ধির কারণ
নতুন কর্মকর্তাদের অন্তর্ভুক্তির ফলে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের জমা দেওয়া নথিপত্র যাচাইয়ে অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে পর্যবেক্ষণ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। এই বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়েই সময়সীমা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।