গাইবান্ধা জেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ৬৮০টি ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে উচ্চঝুঁকিপূর্ণ চরাঞ্চলের কেন্দ্রগুলোও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।
উচ্চঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র ও নজরদারি ব্যবস্থা
প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, মোট ৬৮০টি কেন্দ্রের মধ্যে ৩৭৯টি কেন্দ্রকে উচ্চঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং সব কেন্দ্রেই সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। সম্ভাব্য যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বিজিবি, র্যাব, পুলিশ ও আনসার সদস্যদের প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পাশাপাশি দায়িত্বে থাকবেন ৪০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
দ্রুত নিরাপত্তা সহায়তার প্রস্তুতি
গাইবান্ধার জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা জানান, সব ভোটকেন্দ্রকে সিসিটিভি নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। চরাঞ্চলে নির্মিত হেলিপ্যাডগুলো ব্যবহার করে প্রয়োজন হলে দ্রুত সেনা মোতায়েন করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা সম্ভব হবে। জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সব ধরনের প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
দুর্গম চরাঞ্চলের চ্যালেঞ্জ
জেলার সাতটি উপজেলায় তিস্তা, যমুনা ও ব্রহ্মপুত্র নদসংলগ্ন দুর্গম এলাকায় অবস্থিত ১৬৫টি ভোটকেন্দ্র বিশেষভাবে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত। এসব চরাঞ্চলের অনেক ভোটার অপরিচিত লোকজনের উপস্থিতি, ডাকাতির আশঙ্কা এবং দুর্গম ভৌগোলিক অবস্থার কারণে ভোটকেন্দ্রে যেতে দ্বিধা বোধ করেন। অনেক স্থানে সড়ক যোগাযোগ সীমিত, বাড়িঘরের সঙ্গে ভোটকেন্দ্রের মাঝে বিস্তৃত ফাঁকা মাঠ রয়েছে এবং সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাও তুলনামূলক দুর্বল।
টহল ও হেলিপ্যাড নির্মাণ
আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে ফুলছড়ির জিগাবাড়ী চর ও কুড়িগ্রামের চিলমারী চরে সেনাবাহিনীর টহল জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি তিস্তা, যমুনা ও ব্রহ্মপুত্র নদসংলগ্ন দুর্গম চরাঞ্চলে চারটি হেলিপ্যাড নির্মাণ করা হয়েছে, যাতে প্রয়োজন হলে দ্রুত বাহিনী মোতায়েন করা যায়।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















