০৬:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ০১ জুন ২০২৬
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের নায়ক ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক তোফায়েল আহমেদ আর নেই শহর শুধু ঘুমানোর জায়গা নয়: মানুষের দৈনন্দিন জীবনকে কেন্দ্র করেই নগর পরিকল্পনা হওয়া উচিত মালয়েশিয়ায় ১৬ বছরের নিচে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অ্যাকাউন্ট নিষিদ্ধ, বাধ্যতামূলক হচ্ছে বয়স যাচাই পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকারের মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণ, শপথ নিলেন ৩৫ নতুন মন্ত্রী কোরিয়ার অর্থনৈতিক সাফল্যের আড়ালে বাড়ছে বৈষম্যের নতুন রেখা পাকিস্তানে কৌশলগত তেল মজুতের পরিকল্পনা, ইরান সংকটে জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে নতুন উদ্যোগ পাকিস্তানের ব্যাংক জাতীয়করণের অন্যতম কারণ ছিল বাংলাদেশ সৃষ্টির ফলে সম্পদের উৎস হারানো কুয়েতে ইরানের হামলা ইরানে নতুন মার্কিন হামলা, পাল্টা জবাব তেহরানের চট্টগ্রামের হোটেলে রহস্যজনক মৃত্যু, কক্ষে মিলল দম্পতির মরদেহ

গাইবান্ধার ৬৮০ ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি স্থাপন, উচ্চঝুঁকিপূর্ণ চরে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা

গাইবান্ধা জেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ৬৮০টি ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে উচ্চঝুঁকিপূর্ণ চরাঞ্চলের কেন্দ্রগুলোও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

উচ্চঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র ও নজরদারি ব্যবস্থা
প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, মোট ৬৮০টি কেন্দ্রের মধ্যে ৩৭৯টি কেন্দ্রকে উচ্চঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং সব কেন্দ্রেই সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। সম্ভাব্য যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বিজিবি, র‍্যাব, পুলিশ ও আনসার সদস্যদের প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পাশাপাশি দায়িত্বে থাকবেন ৪০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

দ্রুত নিরাপত্তা সহায়তার প্রস্তুতি
গাইবান্ধার জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা জানান, সব ভোটকেন্দ্রকে সিসিটিভি নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। চরাঞ্চলে নির্মিত হেলিপ্যাডগুলো ব্যবহার করে প্রয়োজন হলে দ্রুত সেনা মোতায়েন করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা সম্ভব হবে। জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সব ধরনের প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

দুর্গম চরাঞ্চলের চ্যালেঞ্জ
জেলার সাতটি উপজেলায় তিস্তা, যমুনা ও ব্রহ্মপুত্র নদসংলগ্ন দুর্গম এলাকায় অবস্থিত ১৬৫টি ভোটকেন্দ্র বিশেষভাবে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত। এসব চরাঞ্চলের অনেক ভোটার অপরিচিত লোকজনের উপস্থিতি, ডাকাতির আশঙ্কা এবং দুর্গম ভৌগোলিক অবস্থার কারণে ভোটকেন্দ্রে যেতে দ্বিধা বোধ করেন। অনেক স্থানে সড়ক যোগাযোগ সীমিত, বাড়িঘরের সঙ্গে ভোটকেন্দ্রের মাঝে বিস্তৃত ফাঁকা মাঠ রয়েছে এবং সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাও তুলনামূলক দুর্বল।

টহল ও হেলিপ্যাড নির্মাণ
আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে ফুলছড়ির জিগাবাড়ী চর ও কুড়িগ্রামের চিলমারী চরে সেনাবাহিনীর টহল জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি তিস্তা, যমুনা ও ব্রহ্মপুত্র নদসংলগ্ন দুর্গম চরাঞ্চলে চারটি হেলিপ্যাড নির্মাণ করা হয়েছে, যাতে প্রয়োজন হলে দ্রুত বাহিনী মোতায়েন করা যায়।

জনপ্রিয় সংবাদ

ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের নায়ক ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক তোফায়েল আহমেদ আর নেই

গাইবান্ধার ৬৮০ ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি স্থাপন, উচ্চঝুঁকিপূর্ণ চরে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা

০৮:৪৬:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

গাইবান্ধা জেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ৬৮০টি ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে উচ্চঝুঁকিপূর্ণ চরাঞ্চলের কেন্দ্রগুলোও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

উচ্চঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র ও নজরদারি ব্যবস্থা
প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, মোট ৬৮০টি কেন্দ্রের মধ্যে ৩৭৯টি কেন্দ্রকে উচ্চঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং সব কেন্দ্রেই সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। সম্ভাব্য যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বিজিবি, র‍্যাব, পুলিশ ও আনসার সদস্যদের প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পাশাপাশি দায়িত্বে থাকবেন ৪০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

দ্রুত নিরাপত্তা সহায়তার প্রস্তুতি
গাইবান্ধার জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা জানান, সব ভোটকেন্দ্রকে সিসিটিভি নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। চরাঞ্চলে নির্মিত হেলিপ্যাডগুলো ব্যবহার করে প্রয়োজন হলে দ্রুত সেনা মোতায়েন করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা সম্ভব হবে। জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সব ধরনের প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

দুর্গম চরাঞ্চলের চ্যালেঞ্জ
জেলার সাতটি উপজেলায় তিস্তা, যমুনা ও ব্রহ্মপুত্র নদসংলগ্ন দুর্গম এলাকায় অবস্থিত ১৬৫টি ভোটকেন্দ্র বিশেষভাবে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত। এসব চরাঞ্চলের অনেক ভোটার অপরিচিত লোকজনের উপস্থিতি, ডাকাতির আশঙ্কা এবং দুর্গম ভৌগোলিক অবস্থার কারণে ভোটকেন্দ্রে যেতে দ্বিধা বোধ করেন। অনেক স্থানে সড়ক যোগাযোগ সীমিত, বাড়িঘরের সঙ্গে ভোটকেন্দ্রের মাঝে বিস্তৃত ফাঁকা মাঠ রয়েছে এবং সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাও তুলনামূলক দুর্বল।

টহল ও হেলিপ্যাড নির্মাণ
আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে ফুলছড়ির জিগাবাড়ী চর ও কুড়িগ্রামের চিলমারী চরে সেনাবাহিনীর টহল জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি তিস্তা, যমুনা ও ব্রহ্মপুত্র নদসংলগ্ন দুর্গম চরাঞ্চলে চারটি হেলিপ্যাড নির্মাণ করা হয়েছে, যাতে প্রয়োজন হলে দ্রুত বাহিনী মোতায়েন করা যায়।