১২:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬
পৃথিবীর প্রথম ভাসমান মদশিল্পী মিশেল রোলাঁর মৃত্যু: বিশ্ব মদশিল্পে অম্লান প্রভাব ইরানের যুদ্ধ: পণ্যের মূল্য বাড়তে পারে ও মুদ্রাস্ফীতি দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে—জেপি মরগান সিইও কেরালায় কংগ্রেস এগিয়ে, বড় জয় নাও হতে পারে: শশী থারুর অসম মুখ্যমন্ত্রী: খেরার অভিযোগের পেছনে পাকিস্তানের সম্পর্ক রাহুল গান্ধী জ্বালানির দামে আতঙ্ক সৃষ্টি করছেন, বললেন অমিত শাহ মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার প্রার্থিতা বাতিলের দাবি, নির্বাচন কমিশনে কংগ্রেসের আবেদন ঢাকায় প্রাক্তন স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী আটক ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ, পুনর্বহালের দাবিতে ট্রাইব্যুনালে দীর্ঘ লাইন, উত্তেজনা বেড়েই চলেছে পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকা স্থগিতের আবেদন খারিজ, পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে স্বস্তি দিল না সুপ্রিম কোর্ট আমিরাতে সংকটে প্রবাসী বাংলাদেশিরা: আয় কমে তলানিতে, রেমিট্যান্সে শঙ্কা

সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি নাইমা হায়দারের পদত্যাগ

সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি নাইমা হায়দার ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন। সোমবার সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, প্রধান বিচারপতির মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানোর জন্য গত ৫ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি নাইমা হায়দার তাঁর পদত্যাগপত্র রেজিস্ট্রার জেনারেলের কাছে জমা দেন।

একই সময়ে আরেক বিচারপতির পদত্যাগ
এর আগে ২ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মামনুন রহমানও পদত্যাগ করেন। সুপ্রিম কোর্ট থেকে উভয় বিচারপতির পদত্যাগপত্র রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

বিচারপতি নাইমা হায়দারের পেশাগত জীবন
নাইমা হায়দার ১৯৮৯ সালে জজ কোর্টে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। পরে ১৯৯৩ সালে হাইকোর্ট বিভাগে এবং ২০০৪ সালে আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন। ২০০৯ সালে তিনি হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান এবং ২০১১ সালে স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

শিক্ষাজীবন ও পারিবারিক পরিচয়
সাবেক প্রধান বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরীর কন্যা নাইমা হায়দার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি ও এলএলএম ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর তিনি কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলএম ও পিএইচডি সম্পন্ন করেন। পাশাপাশি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়, ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া বার্কলি এবং লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়েও তিনি উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেন।

সাম্প্রতিক বিচার বিভাগীয় প্রেক্ষাপট
এর আগে দায়িত্ব পালনে অযোগ্য ঘোষিত হওয়ায় গত বছরের ৫ নভেম্বর হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারকে অপসারণ করা হয়। সংবিধানের পুনর্বহালকৃত অনুচ্ছেদ ৯৬(৬) অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি তাকে অপসারণ করেন। আইন সচিব মো. লিয়াকত আলী মোল্লার সই করা প্রজ্ঞাপনে বিষয়টি জানানো হয়। বর্তমানে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে আরও কয়েকজন বিচারপতির বিষয়ে তদন্ত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পৃথিবীর প্রথম ভাসমান মদশিল্পী মিশেল রোলাঁর মৃত্যু: বিশ্ব মদশিল্পে অম্লান প্রভাব

সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি নাইমা হায়দারের পদত্যাগ

০৭:৪০:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি নাইমা হায়দার ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন। সোমবার সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, প্রধান বিচারপতির মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানোর জন্য গত ৫ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি নাইমা হায়দার তাঁর পদত্যাগপত্র রেজিস্ট্রার জেনারেলের কাছে জমা দেন।

একই সময়ে আরেক বিচারপতির পদত্যাগ
এর আগে ২ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মামনুন রহমানও পদত্যাগ করেন। সুপ্রিম কোর্ট থেকে উভয় বিচারপতির পদত্যাগপত্র রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

বিচারপতি নাইমা হায়দারের পেশাগত জীবন
নাইমা হায়দার ১৯৮৯ সালে জজ কোর্টে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। পরে ১৯৯৩ সালে হাইকোর্ট বিভাগে এবং ২০০৪ সালে আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন। ২০০৯ সালে তিনি হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান এবং ২০১১ সালে স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

শিক্ষাজীবন ও পারিবারিক পরিচয়
সাবেক প্রধান বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরীর কন্যা নাইমা হায়দার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি ও এলএলএম ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর তিনি কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলএম ও পিএইচডি সম্পন্ন করেন। পাশাপাশি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়, ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া বার্কলি এবং লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়েও তিনি উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেন।

সাম্প্রতিক বিচার বিভাগীয় প্রেক্ষাপট
এর আগে দায়িত্ব পালনে অযোগ্য ঘোষিত হওয়ায় গত বছরের ৫ নভেম্বর হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারকে অপসারণ করা হয়। সংবিধানের পুনর্বহালকৃত অনুচ্ছেদ ৯৬(৬) অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি তাকে অপসারণ করেন। আইন সচিব মো. লিয়াকত আলী মোল্লার সই করা প্রজ্ঞাপনে বিষয়টি জানানো হয়। বর্তমানে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে আরও কয়েকজন বিচারপতির বিষয়ে তদন্ত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।