টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বয়কটের সিদ্ধান্তের কারণে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল। একই সঙ্গে মিলনের বার্তা দিয়ে জানানো হয়েছে, ২০৩১ সালের একদিনের বিশ্বকাপের আগেই বাংলাদেশকে আরেকটি বৈশ্বিক টুর্নামেন্ট আয়োজনের সুযোগ দেওয়া হবে।

লাহোরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত বৈঠকের পর প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়। সেখানে স্পষ্ট করা হয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে বিশ্বকাপ এড়িয়ে যাওয়ার কারণে বাংলাদেশের ওপর আর্থিক, ক্রীড়া কিংবা প্রশাসনিক কোনো শাস্তি আরোপ করা হবে না। প্রয়োজনে বিরোধ নিষ্পত্তি কমিটির দ্বারস্থ হওয়ার অধিকার ও বাংলাদেশ ধরে রাখছে।
সমঝোতার অংশ হিসেবে আগে থেকেই ভারতকে সঙ্গে নিয়ে ২০৩১ সালের একদিনের বিশ্বকাপ আয়োজনের সূচি থাকলেও তার আগেই আরেকটি আন্তর্জাতিক আসর আয়োজনের সুযোগ পাবে বাংলাদেশ। তবে স্বাভাবিক আয়োজক নির্বাচনের প্রক্রিয়া ও পরিচালনাগত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে এই সুযোগ কার্যকর হবে।
এই সমাধানের প্রেক্ষাপট তৈরি হয় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি আমিনুল ইসলামের এক বিবৃতির পর, যেখানে তিনি পাকিস্তানকে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ চালিয়ে যাওয়ার অনুরোধ জানান। লাহোর বৈঠকে দক্ষিণ এশিয়ার ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ নিয়ে ও বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

বাংলাদেশের অংশগ্রহণ না থাকাকে দুঃখজনক বলে উল্লেখ করলেও দেশটির প্রতি নিজেদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল। দুই শতাধিক মিলিয়ন সমর্থকের বিশাল বাজার হিসেবে বাংলাদেশকে গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেট শক্তি হিসেবে ই দেখছে সংস্থাটি।
সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী সঞ্জোগ গুপ্ত বলেছেন, বাংলাদেশের অনুপস্থিতি হতাশাজনক হলেও এতে বাংলাদেশের প্রতি দীর্ঘদিনের প্রতিশ্রুতি বদলে যায় না। খেলোয়াড় ও সমর্থকদের টেকসই উন্নয়নে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার কথাও জানান তিনি।
নিরাপত্তা উদ্বেগ এবং ভারতীয় লিগ থেকে পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় সরানোর প্রস্তাব প্রত্যাখ্যাত হওয়ার পরই মূলত টুর্নামেন্ট থেকে সরে দাঁড়িয়েছিল বাংলাদেশ।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















