চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে জানুয়ারি সময়ে দেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় কমেছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর সর্বশেষ দেশভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, এই সাত মাসে মোট রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে ২২ দশমিক ৯৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা বছরওয়ারি হিসেবে ২ দশমিক ৪৩ শতাংশ হ্রাস নির্দেশ করে।
ইউরোপীয় ইউনিয়নেই সবচেয়ে বড় বাজার
দেশের তৈরি পোশাকের প্রধান গন্তব্য হিসেবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এখনও শীর্ষে রয়েছে। মোট রপ্তানির ৪৯ দশমিক ৩৫ শতাংশ এসেছে এই অঞ্চল থেকে। এ বাজারে রপ্তানি আয় হয়েছে ১১ দশমিক ৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় ৩ দশমিক ৯৮ শতাংশ কম। সাবেক বিজিএমইএ পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল এ তথ্য তুলে ধরেন।

দ্বিতীয় বৃহত্তম বাজার যুক্তরাষ্ট্র
যুক্তরাষ্ট্র আগের মতোই দ্বিতীয় বৃহত্তম বাজার হিসেবে অবস্থান ধরে রেখেছে। দেশটিতে রপ্তানি হয়েছে ৪ দশমিক ৪৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা মোট রপ্তানির ১৯ দশমিক ৪৬ শতাংশ। বছরওয়ারি হিসাবে এখানে সামান্য ০ দশমিক ০৩ শতাংশ হ্রাস দেখা গেছে। ফেব্রুয়ারি ২০২৫ থেকে জানুয়ারি ২০২৬ সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে মোট রপ্তানি দাঁড়ায় ৭ হাজার ৫৪৪ দশমিক ৩৪ মিলিয়ন ডলার, যখন একই সময়ে জাতীয় মোট তৈরি পোশাক রপ্তানি ছিল ৩৮ হাজার ৭৭৫ দশমিক ১৫ মিলিয়ন ডলার।
কানাডা ও যুক্তরাজ্যে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি
উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপের কিছু বাজারে ইতিবাচক ধারা লক্ষ্য করা গেছে। কানাডায় রপ্তানি হয়েছে ৭৮৪ দশমিক ১৭ মিলিয়ন ডলার, যা ৪ দশমিক ৪২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নির্দেশ করে এবং মোট অংশীদারিত্ব ৩ দশমিক ৪১ শতাংশ। যুক্তরাজ্যে রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে ২ দশমিক ৬২ বিলিয়ন ডলার, যেখানে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২ দশমিক ৫৫ শতাংশ এবং অংশীদারিত্ব ১১ দশমিক ৩৮ শতাংশ।

অপ্রচলিত বাজারে পতন
অপ্রচলিত বাজারগুলো থেকে রপ্তানি আয় হয়েছে ৩ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন ডলার, যা মোটের ১৬ দশমিক ৪০ শতাংশ হলেও বছরওয়ারি হিসেবে ৪ দশমিক ৯৯ শতাংশ কমেছে।
পণ্যের ধরনভেদে চিত্র
পণ্যের শ্রেণিভিত্তিক হিসাবে নিট পোশাক রপ্তানি কমেছে ৩ দশমিক ১৩ শতাংশ এবং ওভেন পোশাক কমেছে ১ দশমিক ৬০ শতাংশ।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















