০৯:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন অবরোধ মানার আহ্বান, জয়শঙ্করকে কড়া বার্তা রুবিওর ব্রিটেনে ছুরি হামলার পর উত্তেজনা, উসকে দিচ্ছে কট্টর ডানপন্থী রাজনীতি ভারতে পাচার হওয়া ১৪ বাংলাদেশির দেশে ফেরা, বেনাপোল দিয়ে হস্তান্তর পাকিস্তানের উত্তর ওয়াজিরিস্তানে ৭২ ঘণ্টায় নিহত ২১ জঙ্গি, মোট নিহত ৪৮ লস অ্যাঞ্জেলেসে বিশ্বকাপের মঞ্চ মাতালেন লিসা, কেপপ ইতিহাসে নতুন অধ্যায় ইউটিউব থেকে হলিউড: নতুন প্রজন্মের পরিচালকরা কি বদলে দিচ্ছেন সিনেমার ভবিষ্যৎ? গুগলের নতুন এআই চিপে স্যামসাং? ‘আইসফিশ’ প্রকল্পে বড় চুক্তির আলোচনায় দুই প্রযুক্তি জায়ান্ট ইরান যুদ্ধের পর বদলে যাওয়া বাস্তবতা: চুক্তির দ্বারপ্রান্তে থেকেও কেন কঠিন অবস্থানে তেহরান পশ্চিমবঙ্গে তল্লাশি বিতর্ক: অভিষেকের কালীঘাটের বাড়িতে পুলিশি অভিযানে মমতার অভিযোগ পশ্চিমবঙ্গের নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্রকে ঘিরে ইডির তল্লাশি

মায়ানমারে ৩০ মিনিটের ব্যবধানে দুইটি ৩.২ মাত্রার ভূমিকম্প

মায়ানমারে রবিবার ভোরে ৩০ মিনিটের মধ্যে দুইটি করে ভূমিকম্প ধরা পড়েছে, যা স্থানীয় মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। জাতীয় ভূকম্পন কেন্দ্র (এনসিএস) জানিয়েছে, প্রথম ভূমিকম্পটি রাত ১২:২৬ মিনিটে ৮০ কিলোমিটার গভীরে ঘটেছে। মাত্র কিছু সময় পরে, রাত ১২:৫২ মিনিটে একই মাত্রার দ্বিতীয় ভূমিকম্প লক্ষ্য করা গেছে, তবে এটি অনেক কম গভীরে, মাত্র ২৫ কিলোমিটার, ঘটেছে।

ভূমিকম্পের গভীরতা ও প্রভাব

শুধুমাত্র মাত্রার দিক থেকে নয়, ভূমিকম্পের গভীরতা ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ। কম গভীর ভূমিকম্প সাধারণত বেশি বিপজ্জনক, কারণ ভূমিকম্পের তরঙ্গ কম দূরত্ব অতিক্রম করে পৃথিবীর পৃষ্ঠে পৌঁছায়, ফলে ঝাঁকুনির তীব্রতা বেড়ে যায় এবং কাঠামোগত ক্ষতির ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।

Myanmar records earthquake of magnitude 3.3 in Sagaing Fault region | World  News - Business Standard

এটি নতুন নয়। মায়ানমারে শুক্রবারও একটি ২.৮ মাত্রার ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়েছিল, যা ৩৫ কিলোমিটার গভীরে ঘটেছিল। এনসিএস তখন জানিয়েছে, ভূমিকম্পটি স্থানীয় সময় ভোর ৪:৪৪ মিনিটে সংঘটিত হয়েছিল।

মায়ানমারের ভূমিকম্প ঝুঁকি

মায়ানমার ভূমিকম্পের জন্য অত্যন্ত সংবেদনশীল। দেশটি চারটি টেকটনিক প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত — ভারতীয়, ইউরেশিয়ান, সুন্ডা এবং বার্মা প্লেট, যা সক্রিয় ভূতাত্ত্বিক প্রক্রিয়ায় যুক্ত। প্রায় ১,৪০০ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি ট্রান্সফর্ম ফল্ট দেশটি অতিক্রম করছে, যা আন্দামান স্প্রেডিং সেন্টারকে উত্তরবর্তী সংঘর্ষ অঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত করে। বিশেষ করে সাগাইং ফল্ট শহরগুলোকে বিপজ্জনক করে তোলে, যেখানে সাগাইং, মান্ডালেয়, বাগো এবং ইয়াংগুনের মতো বড় শহর রয়েছে। এই শহরগুলো মায়ানমারের প্রায় ৪৬ শতাংশ মানুষের আবাসস্থল।

মায়ানমারের এই ভূমিকম্প প্রবণতা এবং ঘনবসতিপূর্ণ শহরগুলোকে লক্ষ্য করে স্থানীয় প্রশাসন ও নাগরিকদের আরও সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন অবরোধ মানার আহ্বান, জয়শঙ্করকে কড়া বার্তা রুবিওর

মায়ানমারে ৩০ মিনিটের ব্যবধানে দুইটি ৩.২ মাত্রার ভূমিকম্প

০২:০১:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
মায়ানমারে রবিবার ভোরে ৩০ মিনিটের মধ্যে দুইটি করে ভূমিকম্প ধরা পড়েছে, যা স্থানীয় মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। জাতীয় ভূকম্পন কেন্দ্র (এনসিএস) জানিয়েছে, প্রথম ভূমিকম্পটি রাত ১২:২৬ মিনিটে ৮০ কিলোমিটার গভীরে ঘটেছে। মাত্র কিছু সময় পরে, রাত ১২:৫২ মিনিটে একই মাত্রার দ্বিতীয় ভূমিকম্প লক্ষ্য করা গেছে, তবে এটি অনেক কম গভীরে, মাত্র ২৫ কিলোমিটার, ঘটেছে।

ভূমিকম্পের গভীরতা ও প্রভাব

শুধুমাত্র মাত্রার দিক থেকে নয়, ভূমিকম্পের গভীরতা ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ। কম গভীর ভূমিকম্প সাধারণত বেশি বিপজ্জনক, কারণ ভূমিকম্পের তরঙ্গ কম দূরত্ব অতিক্রম করে পৃথিবীর পৃষ্ঠে পৌঁছায়, ফলে ঝাঁকুনির তীব্রতা বেড়ে যায় এবং কাঠামোগত ক্ষতির ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।

Myanmar records earthquake of magnitude 3.3 in Sagaing Fault region | World  News - Business Standard

এটি নতুন নয়। মায়ানমারে শুক্রবারও একটি ২.৮ মাত্রার ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়েছিল, যা ৩৫ কিলোমিটার গভীরে ঘটেছিল। এনসিএস তখন জানিয়েছে, ভূমিকম্পটি স্থানীয় সময় ভোর ৪:৪৪ মিনিটে সংঘটিত হয়েছিল।

মায়ানমারের ভূমিকম্প ঝুঁকি

মায়ানমার ভূমিকম্পের জন্য অত্যন্ত সংবেদনশীল। দেশটি চারটি টেকটনিক প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত — ভারতীয়, ইউরেশিয়ান, সুন্ডা এবং বার্মা প্লেট, যা সক্রিয় ভূতাত্ত্বিক প্রক্রিয়ায় যুক্ত। প্রায় ১,৪০০ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি ট্রান্সফর্ম ফল্ট দেশটি অতিক্রম করছে, যা আন্দামান স্প্রেডিং সেন্টারকে উত্তরবর্তী সংঘর্ষ অঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত করে। বিশেষ করে সাগাইং ফল্ট শহরগুলোকে বিপজ্জনক করে তোলে, যেখানে সাগাইং, মান্ডালেয়, বাগো এবং ইয়াংগুনের মতো বড় শহর রয়েছে। এই শহরগুলো মায়ানমারের প্রায় ৪৬ শতাংশ মানুষের আবাসস্থল।

মায়ানমারের এই ভূমিকম্প প্রবণতা এবং ঘনবসতিপূর্ণ শহরগুলোকে লক্ষ্য করে স্থানীয় প্রশাসন ও নাগরিকদের আরও সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।