০৭:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক ক্যানসারে আক্রান্ত ‘ইভিল ডেড’ তারকা ব্রুস ক্যাম্পবেল, বললেন বাঁচার সময় পাঁচ বছর

মায়ানমারে ৩০ মিনিটের ব্যবধানে দুইটি ৩.২ মাত্রার ভূমিকম্প

মায়ানমারে রবিবার ভোরে ৩০ মিনিটের মধ্যে দুইটি করে ভূমিকম্প ধরা পড়েছে, যা স্থানীয় মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। জাতীয় ভূকম্পন কেন্দ্র (এনসিএস) জানিয়েছে, প্রথম ভূমিকম্পটি রাত ১২:২৬ মিনিটে ৮০ কিলোমিটার গভীরে ঘটেছে। মাত্র কিছু সময় পরে, রাত ১২:৫২ মিনিটে একই মাত্রার দ্বিতীয় ভূমিকম্প লক্ষ্য করা গেছে, তবে এটি অনেক কম গভীরে, মাত্র ২৫ কিলোমিটার, ঘটেছে।

ভূমিকম্পের গভীরতা ও প্রভাব

শুধুমাত্র মাত্রার দিক থেকে নয়, ভূমিকম্পের গভীরতা ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ। কম গভীর ভূমিকম্প সাধারণত বেশি বিপজ্জনক, কারণ ভূমিকম্পের তরঙ্গ কম দূরত্ব অতিক্রম করে পৃথিবীর পৃষ্ঠে পৌঁছায়, ফলে ঝাঁকুনির তীব্রতা বেড়ে যায় এবং কাঠামোগত ক্ষতির ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।

Myanmar records earthquake of magnitude 3.3 in Sagaing Fault region | World  News - Business Standard

এটি নতুন নয়। মায়ানমারে শুক্রবারও একটি ২.৮ মাত্রার ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়েছিল, যা ৩৫ কিলোমিটার গভীরে ঘটেছিল। এনসিএস তখন জানিয়েছে, ভূমিকম্পটি স্থানীয় সময় ভোর ৪:৪৪ মিনিটে সংঘটিত হয়েছিল।

মায়ানমারের ভূমিকম্প ঝুঁকি

মায়ানমার ভূমিকম্পের জন্য অত্যন্ত সংবেদনশীল। দেশটি চারটি টেকটনিক প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত — ভারতীয়, ইউরেশিয়ান, সুন্ডা এবং বার্মা প্লেট, যা সক্রিয় ভূতাত্ত্বিক প্রক্রিয়ায় যুক্ত। প্রায় ১,৪০০ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি ট্রান্সফর্ম ফল্ট দেশটি অতিক্রম করছে, যা আন্দামান স্প্রেডিং সেন্টারকে উত্তরবর্তী সংঘর্ষ অঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত করে। বিশেষ করে সাগাইং ফল্ট শহরগুলোকে বিপজ্জনক করে তোলে, যেখানে সাগাইং, মান্ডালেয়, বাগো এবং ইয়াংগুনের মতো বড় শহর রয়েছে। এই শহরগুলো মায়ানমারের প্রায় ৪৬ শতাংশ মানুষের আবাসস্থল।

মায়ানমারের এই ভূমিকম্প প্রবণতা এবং ঘনবসতিপূর্ণ শহরগুলোকে লক্ষ্য করে স্থানীয় প্রশাসন ও নাগরিকদের আরও সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব

মায়ানমারে ৩০ মিনিটের ব্যবধানে দুইটি ৩.২ মাত্রার ভূমিকম্প

০২:০১:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
মায়ানমারে রবিবার ভোরে ৩০ মিনিটের মধ্যে দুইটি করে ভূমিকম্প ধরা পড়েছে, যা স্থানীয় মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। জাতীয় ভূকম্পন কেন্দ্র (এনসিএস) জানিয়েছে, প্রথম ভূমিকম্পটি রাত ১২:২৬ মিনিটে ৮০ কিলোমিটার গভীরে ঘটেছে। মাত্র কিছু সময় পরে, রাত ১২:৫২ মিনিটে একই মাত্রার দ্বিতীয় ভূমিকম্প লক্ষ্য করা গেছে, তবে এটি অনেক কম গভীরে, মাত্র ২৫ কিলোমিটার, ঘটেছে।

ভূমিকম্পের গভীরতা ও প্রভাব

শুধুমাত্র মাত্রার দিক থেকে নয়, ভূমিকম্পের গভীরতা ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ। কম গভীর ভূমিকম্প সাধারণত বেশি বিপজ্জনক, কারণ ভূমিকম্পের তরঙ্গ কম দূরত্ব অতিক্রম করে পৃথিবীর পৃষ্ঠে পৌঁছায়, ফলে ঝাঁকুনির তীব্রতা বেড়ে যায় এবং কাঠামোগত ক্ষতির ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।

Myanmar records earthquake of magnitude 3.3 in Sagaing Fault region | World  News - Business Standard

এটি নতুন নয়। মায়ানমারে শুক্রবারও একটি ২.৮ মাত্রার ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়েছিল, যা ৩৫ কিলোমিটার গভীরে ঘটেছিল। এনসিএস তখন জানিয়েছে, ভূমিকম্পটি স্থানীয় সময় ভোর ৪:৪৪ মিনিটে সংঘটিত হয়েছিল।

মায়ানমারের ভূমিকম্প ঝুঁকি

মায়ানমার ভূমিকম্পের জন্য অত্যন্ত সংবেদনশীল। দেশটি চারটি টেকটনিক প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত — ভারতীয়, ইউরেশিয়ান, সুন্ডা এবং বার্মা প্লেট, যা সক্রিয় ভূতাত্ত্বিক প্রক্রিয়ায় যুক্ত। প্রায় ১,৪০০ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি ট্রান্সফর্ম ফল্ট দেশটি অতিক্রম করছে, যা আন্দামান স্প্রেডিং সেন্টারকে উত্তরবর্তী সংঘর্ষ অঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত করে। বিশেষ করে সাগাইং ফল্ট শহরগুলোকে বিপজ্জনক করে তোলে, যেখানে সাগাইং, মান্ডালেয়, বাগো এবং ইয়াংগুনের মতো বড় শহর রয়েছে। এই শহরগুলো মায়ানমারের প্রায় ৪৬ শতাংশ মানুষের আবাসস্থল।

মায়ানমারের এই ভূমিকম্প প্রবণতা এবং ঘনবসতিপূর্ণ শহরগুলোকে লক্ষ্য করে স্থানীয় প্রশাসন ও নাগরিকদের আরও সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।