ভূমিকম্পের গভীরতা ও প্রভাব
শুধুমাত্র মাত্রার দিক থেকে নয়, ভূমিকম্পের গভীরতা ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ। কম গভীর ভূমিকম্প সাধারণত বেশি বিপজ্জনক, কারণ ভূমিকম্পের তরঙ্গ কম দূরত্ব অতিক্রম করে পৃথিবীর পৃষ্ঠে পৌঁছায়, ফলে ঝাঁকুনির তীব্রতা বেড়ে যায় এবং কাঠামোগত ক্ষতির ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।
এটি নতুন নয়। মায়ানমারে শুক্রবারও একটি ২.৮ মাত্রার ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়েছিল, যা ৩৫ কিলোমিটার গভীরে ঘটেছিল। এনসিএস তখন জানিয়েছে, ভূমিকম্পটি স্থানীয় সময় ভোর ৪:৪৪ মিনিটে সংঘটিত হয়েছিল।
মায়ানমারের ভূমিকম্প ঝুঁকি
মায়ানমার ভূমিকম্পের জন্য অত্যন্ত সংবেদনশীল। দেশটি চারটি টেকটনিক প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত — ভারতীয়, ইউরেশিয়ান, সুন্ডা এবং বার্মা প্লেট, যা সক্রিয় ভূতাত্ত্বিক প্রক্রিয়ায় যুক্ত। প্রায় ১,৪০০ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি ট্রান্সফর্ম ফল্ট দেশটি অতিক্রম করছে, যা আন্দামান স্প্রেডিং সেন্টারকে উত্তরবর্তী সংঘর্ষ অঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত করে। বিশেষ করে সাগাইং ফল্ট শহরগুলোকে বিপজ্জনক করে তোলে, যেখানে সাগাইং, মান্ডালেয়, বাগো এবং ইয়াংগুনের মতো বড় শহর রয়েছে। এই শহরগুলো মায়ানমারের প্রায় ৪৬ শতাংশ মানুষের আবাসস্থল।
মায়ানমারের এই ভূমিকম্প প্রবণতা এবং ঘনবসতিপূর্ণ শহরগুলোকে লক্ষ্য করে স্থানীয় প্রশাসন ও নাগরিকদের আরও সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















