০৩:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
চীনের রাষ্ট্র-সমর্থিত থ্রিলার কি অজানা গুপ্তচরবৃত্তি কেসের তথ্য উন্মোচন করবে? মার্কিন ডলারের প্রতি আস্থা কমলে বিশ্ব অর্থনীতি ঝুঁকিতে, সতর্ক করলেন আইএমএফের সাবেক কর্মকর্তা চিপ নয়, এখন লড়াই তাপ নিয়ন্ত্রণে: এআই ডেটা সেন্টারের তাপ চ্যালেঞ্জে চীনের নতুন কৌশল রমজানে বয়কটের হুমকি, তবু ২০ ফেব্রুয়ারি শুরু হচ্ছে অমর একুশে বইমেলা পবিত্র মাসে মুসলমানদের ইবাদত, সংযম ও সামষ্টিক জীবনের রূপ কুষ্টিয়ার চার আসনে জামায়াতের তিনটিতে জয়, ১৭ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত জাকার্তা: বিপদ আর সম্ভাবনার শহর মালয়েশিয়ার ই-আবর্জনা নিষেধাজ্ঞা: কি বিশ্বব্যাপী টক্সিক বর্জ্য প্রবাহ বন্ধ করতে পারবে? এবার কারাগারে মারা গেলো গাইবান্দা আওয়ামী লীগ সভাপতি অক্সিজেন ফিরে এসেছে বিশ্ব ক্রিকেটে পাকিস্তান ও ভারতের মহাযুদ্ধ সামনে

মায়ানমারে ৩০ মিনিটের ব্যবধানে দুইটি ৩.২ মাত্রার ভূমিকম্প

মায়ানমারে রবিবার ভোরে ৩০ মিনিটের মধ্যে দুইটি করে ভূমিকম্প ধরা পড়েছে, যা স্থানীয় মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। জাতীয় ভূকম্পন কেন্দ্র (এনসিএস) জানিয়েছে, প্রথম ভূমিকম্পটি রাত ১২:২৬ মিনিটে ৮০ কিলোমিটার গভীরে ঘটেছে। মাত্র কিছু সময় পরে, রাত ১২:৫২ মিনিটে একই মাত্রার দ্বিতীয় ভূমিকম্প লক্ষ্য করা গেছে, তবে এটি অনেক কম গভীরে, মাত্র ২৫ কিলোমিটার, ঘটেছে।

ভূমিকম্পের গভীরতা ও প্রভাব

শুধুমাত্র মাত্রার দিক থেকে নয়, ভূমিকম্পের গভীরতা ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ। কম গভীর ভূমিকম্প সাধারণত বেশি বিপজ্জনক, কারণ ভূমিকম্পের তরঙ্গ কম দূরত্ব অতিক্রম করে পৃথিবীর পৃষ্ঠে পৌঁছায়, ফলে ঝাঁকুনির তীব্রতা বেড়ে যায় এবং কাঠামোগত ক্ষতির ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।

Myanmar records earthquake of magnitude 3.3 in Sagaing Fault region | World  News - Business Standard

এটি নতুন নয়। মায়ানমারে শুক্রবারও একটি ২.৮ মাত্রার ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়েছিল, যা ৩৫ কিলোমিটার গভীরে ঘটেছিল। এনসিএস তখন জানিয়েছে, ভূমিকম্পটি স্থানীয় সময় ভোর ৪:৪৪ মিনিটে সংঘটিত হয়েছিল।

মায়ানমারের ভূমিকম্প ঝুঁকি

মায়ানমার ভূমিকম্পের জন্য অত্যন্ত সংবেদনশীল। দেশটি চারটি টেকটনিক প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত — ভারতীয়, ইউরেশিয়ান, সুন্ডা এবং বার্মা প্লেট, যা সক্রিয় ভূতাত্ত্বিক প্রক্রিয়ায় যুক্ত। প্রায় ১,৪০০ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি ট্রান্সফর্ম ফল্ট দেশটি অতিক্রম করছে, যা আন্দামান স্প্রেডিং সেন্টারকে উত্তরবর্তী সংঘর্ষ অঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত করে। বিশেষ করে সাগাইং ফল্ট শহরগুলোকে বিপজ্জনক করে তোলে, যেখানে সাগাইং, মান্ডালেয়, বাগো এবং ইয়াংগুনের মতো বড় শহর রয়েছে। এই শহরগুলো মায়ানমারের প্রায় ৪৬ শতাংশ মানুষের আবাসস্থল।

মায়ানমারের এই ভূমিকম্প প্রবণতা এবং ঘনবসতিপূর্ণ শহরগুলোকে লক্ষ্য করে স্থানীয় প্রশাসন ও নাগরিকদের আরও সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

চীনের রাষ্ট্র-সমর্থিত থ্রিলার কি অজানা গুপ্তচরবৃত্তি কেসের তথ্য উন্মোচন করবে?

মায়ানমারে ৩০ মিনিটের ব্যবধানে দুইটি ৩.২ মাত্রার ভূমিকম্প

০২:০১:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
মায়ানমারে রবিবার ভোরে ৩০ মিনিটের মধ্যে দুইটি করে ভূমিকম্প ধরা পড়েছে, যা স্থানীয় মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। জাতীয় ভূকম্পন কেন্দ্র (এনসিএস) জানিয়েছে, প্রথম ভূমিকম্পটি রাত ১২:২৬ মিনিটে ৮০ কিলোমিটার গভীরে ঘটেছে। মাত্র কিছু সময় পরে, রাত ১২:৫২ মিনিটে একই মাত্রার দ্বিতীয় ভূমিকম্প লক্ষ্য করা গেছে, তবে এটি অনেক কম গভীরে, মাত্র ২৫ কিলোমিটার, ঘটেছে।

ভূমিকম্পের গভীরতা ও প্রভাব

শুধুমাত্র মাত্রার দিক থেকে নয়, ভূমিকম্পের গভীরতা ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ। কম গভীর ভূমিকম্প সাধারণত বেশি বিপজ্জনক, কারণ ভূমিকম্পের তরঙ্গ কম দূরত্ব অতিক্রম করে পৃথিবীর পৃষ্ঠে পৌঁছায়, ফলে ঝাঁকুনির তীব্রতা বেড়ে যায় এবং কাঠামোগত ক্ষতির ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।

Myanmar records earthquake of magnitude 3.3 in Sagaing Fault region | World  News - Business Standard

এটি নতুন নয়। মায়ানমারে শুক্রবারও একটি ২.৮ মাত্রার ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়েছিল, যা ৩৫ কিলোমিটার গভীরে ঘটেছিল। এনসিএস তখন জানিয়েছে, ভূমিকম্পটি স্থানীয় সময় ভোর ৪:৪৪ মিনিটে সংঘটিত হয়েছিল।

মায়ানমারের ভূমিকম্প ঝুঁকি

মায়ানমার ভূমিকম্পের জন্য অত্যন্ত সংবেদনশীল। দেশটি চারটি টেকটনিক প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত — ভারতীয়, ইউরেশিয়ান, সুন্ডা এবং বার্মা প্লেট, যা সক্রিয় ভূতাত্ত্বিক প্রক্রিয়ায় যুক্ত। প্রায় ১,৪০০ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি ট্রান্সফর্ম ফল্ট দেশটি অতিক্রম করছে, যা আন্দামান স্প্রেডিং সেন্টারকে উত্তরবর্তী সংঘর্ষ অঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত করে। বিশেষ করে সাগাইং ফল্ট শহরগুলোকে বিপজ্জনক করে তোলে, যেখানে সাগাইং, মান্ডালেয়, বাগো এবং ইয়াংগুনের মতো বড় শহর রয়েছে। এই শহরগুলো মায়ানমারের প্রায় ৪৬ শতাংশ মানুষের আবাসস্থল।

মায়ানমারের এই ভূমিকম্প প্রবণতা এবং ঘনবসতিপূর্ণ শহরগুলোকে লক্ষ্য করে স্থানীয় প্রশাসন ও নাগরিকদের আরও সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।