১২:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
কানাডার বিশ্বকাপ ইতিহাসে নতুন অধ্যায়, লারিনের গোলে বসনিয়ার বিপক্ষে মূল্যবান এক পয়েন্ট মাছের বাজারে আগুন: সাধারণ মানুষ কিনতে পারছে না  ফ্লোরিডার নতুন কংগ্রেস মানচিত্র বহাল, রিপাবলিকানদের জন্য বড় স্বস্তি দিল্লি বৈঠকে সীমান্ত হত্যা ও চোরাচালান রোধে জোর, যৌথ টহল বাড়াতে একমত বিজিবি-বিএসএফ ইটন দাবানলের উৎস নিয়ে নতুন ভিডিও, বিদ্যুৎ লাইনের ঝলক ঘিরে বিতর্ক বাংলাদেশের ঐতিহাসিক সিরিজ জয়, অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে নতুন মাইলফলক ইরানের কাছে বিধ্বস্ত অ্যাপাচি: বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী যুদ্ধ হেলিকপ্টার কতটা সক্ষম? আলবেনিয়ায় কুশনারের বিলাসবহুল দ্বীপ প্রকল্প ঘিরে বিক্ষোভ তুঙ্গে, সরকারের ওপর বাড়ছে চাপ মাইকেল জ্যাকসনকে ঘিরে নতুন বিতর্ক, দর্শক রেটিংয়ে নেটফ্লিক্সে রেকর্ড গড়ল প্রামাণ্যচিত্র বিশ্বকাপ উন্মাদনা শুরু, কোটি দর্শকের চোখ মাঠে ও পর্দায়

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফর: ড. খলিলুর রহমান সৌদি আরব যাচ্ছেন

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বুধবার সৌদি আরবের উদ্দেশ্যে রওনা হবেন। এটি তাঁর পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পদে নিয়োগপ্রাপ্তির পর প্রথম বিদেশ সফর, যেখানে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ওআইসি বৈঠকে অংশগ্রহণ করবেন।


ওআইসি বৈঠকে অংশগ্রহণ

পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেদ্দায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে অংশ নেবেন। বৈঠকের মূল আলোচ্য বিষয় হবে অবৈধ ইস্রায়েলি অধিবাসন সম্পর্কিত সিদ্ধান্ত, যা বস্তি স্থাপন, ভূখণ্ড দখল এবং পশ্চিম তীরে ইস্রায়েলের স্বৈরাচারী সার্বভৌমত্ব আরোপের প্রচেষ্টাকে প্ররোচিত করছে।

ওআইসি (ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা) সাধারণ সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত জরুরি বৈঠকটি ওপেন-এন্ডেড এক্সিকিউটিভ কমিটির পর্যায়ে অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রী উপদেষ্টা পার্শ্ব বৈঠকেও অংশগ্রহণের সম্ভাবনা রয়েছে।


বৈঠকের উদ্দেশ্য

ওআইসি বৈঠকের মূল লক্ষ্য হল ইস্রায়েলি দখলকারী কর্তৃপক্ষের অবৈধ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সমন্বয়মূলক পদক্ষেপ গ্রহণ এবং কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ করা। সর্বশেষ সিদ্ধান্তটি ছিল দখলকৃত পশ্চিম তীরের ভূমি ‘রাষ্ট্রসম্পত্তি’ হিসেবে নিয়মিত করার প্রক্রিয়া শুরু করা। এটি ইস্রায়েলের অবৈধ নীতি অনুযায়ী দখলকৃত ফিলিস্তিনী ভূখণ্ডের আইনগত, রাজনৈতিক ও জনসংখ্যাগত পরিস্থিতি পরিবর্তনের প্রচেষ্টার অংশ। পাশাপাশি এটি দুই-রাষ্ট্র সমাধানকে দুর্বল করার উদ্দেশ্যেও নেওয়া হয়েছে।


বাংলাদেশের সৌদি আরব সম্পর্ক

বাংলাদেশ সৌদি আরবকে দীর্ঘমেয়াদী এবং বিশ্বাসযোগ্য অংশীদার হিসেবে বর্ণনা করেছে। বাংলাদেশের সঙ্গে সৌদি আরবের কূটনৈতিক সম্পর্ক ১৯৭৬ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের প্রেসিডেন্সির সময় স্থাপিত বাংলাদেশের দূতাবাস প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে শুরু হয়। পরে ১৯৭৭ সালে প্রেসিডেন্ট জিয়া সৌদি আরবে একটি ঐতিহাসিক সফরও করেন।

দুই পক্ষই মুসলিম ঐক্য উন্নয়নে তাঁর ঐতিহাসিক অবদানকে স্বীকৃতি দিয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

কানাডার বিশ্বকাপ ইতিহাসে নতুন অধ্যায়, লারিনের গোলে বসনিয়ার বিপক্ষে মূল্যবান এক পয়েন্ট

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফর: ড. খলিলুর রহমান সৌদি আরব যাচ্ছেন

০৫:৪৮:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বুধবার সৌদি আরবের উদ্দেশ্যে রওনা হবেন। এটি তাঁর পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পদে নিয়োগপ্রাপ্তির পর প্রথম বিদেশ সফর, যেখানে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ওআইসি বৈঠকে অংশগ্রহণ করবেন।


ওআইসি বৈঠকে অংশগ্রহণ

পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেদ্দায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে অংশ নেবেন। বৈঠকের মূল আলোচ্য বিষয় হবে অবৈধ ইস্রায়েলি অধিবাসন সম্পর্কিত সিদ্ধান্ত, যা বস্তি স্থাপন, ভূখণ্ড দখল এবং পশ্চিম তীরে ইস্রায়েলের স্বৈরাচারী সার্বভৌমত্ব আরোপের প্রচেষ্টাকে প্ররোচিত করছে।

ওআইসি (ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা) সাধারণ সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত জরুরি বৈঠকটি ওপেন-এন্ডেড এক্সিকিউটিভ কমিটির পর্যায়ে অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রী উপদেষ্টা পার্শ্ব বৈঠকেও অংশগ্রহণের সম্ভাবনা রয়েছে।


বৈঠকের উদ্দেশ্য

ওআইসি বৈঠকের মূল লক্ষ্য হল ইস্রায়েলি দখলকারী কর্তৃপক্ষের অবৈধ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সমন্বয়মূলক পদক্ষেপ গ্রহণ এবং কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ করা। সর্বশেষ সিদ্ধান্তটি ছিল দখলকৃত পশ্চিম তীরের ভূমি ‘রাষ্ট্রসম্পত্তি’ হিসেবে নিয়মিত করার প্রক্রিয়া শুরু করা। এটি ইস্রায়েলের অবৈধ নীতি অনুযায়ী দখলকৃত ফিলিস্তিনী ভূখণ্ডের আইনগত, রাজনৈতিক ও জনসংখ্যাগত পরিস্থিতি পরিবর্তনের প্রচেষ্টার অংশ। পাশাপাশি এটি দুই-রাষ্ট্র সমাধানকে দুর্বল করার উদ্দেশ্যেও নেওয়া হয়েছে।


বাংলাদেশের সৌদি আরব সম্পর্ক

বাংলাদেশ সৌদি আরবকে দীর্ঘমেয়াদী এবং বিশ্বাসযোগ্য অংশীদার হিসেবে বর্ণনা করেছে। বাংলাদেশের সঙ্গে সৌদি আরবের কূটনৈতিক সম্পর্ক ১৯৭৬ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের প্রেসিডেন্সির সময় স্থাপিত বাংলাদেশের দূতাবাস প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে শুরু হয়। পরে ১৯৭৭ সালে প্রেসিডেন্ট জিয়া সৌদি আরবে একটি ঐতিহাসিক সফরও করেন।

দুই পক্ষই মুসলিম ঐক্য উন্নয়নে তাঁর ঐতিহাসিক অবদানকে স্বীকৃতি দিয়েছে।