০৬:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীকে ‘বন্দি করে নির্যাতন’, হাতে গরম পানি ঢেলে পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ আমি না থাকলে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী মারা যেতেন: ট্রাম্পের দাবি বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান ই-ভ্যাট সেবা সাময়িক বন্ধ রাখছে এনবিআর পিলখানা হত্যাকাণ্ডে নতুন তদন্ত কমিশন নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশের ঐতিহাসিক অস্ট্রেলিয়া সফর, ২৩ বছর পর টেস্ট ক্রিকেটে ফিরছে টাইগাররা ফিতরা সর্বনিম্ন ১১০ টাকা, সর্বোচ্চ ২,৮০৫ টাকা নির্ধারণ ইসরায়েলি বসতিস্থাপনকারীদের হামলায় পশ্চিম তীরে ঘরছাড়া ফিলিস্তিনি পরিবার মাদক সম্রাট এল মেনচো নিহত, অস্থিরতার মুখে জালিস্কো কার্টেল ও মেক্সিকো চাঁদপুরে গ্যাস লাইনের লিক থেকে বিস্ফোরণ, একই পরিবারের ৩ জন দগ্ধ

চরম দারিদ্র্য দূরীকরণে জয়ের ঘোষণা: ২০২১ সালে শি জিনপিংয়ের ঐতিহাসিক দাবি

চরম দারিদ্র্য নির্মূলে বিজয়ের ঘোষণা

চীন আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দিয়েছে যে দেশটি চরম দারিদ্র্য সম্পূর্ণভাবে দূর করতে সক্ষম হয়েছে। একে আধুনিক ইতিহাসে নজিরবিহীন সাফল্য বলে আখ্যা দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। তাঁর দাবি, মোট ৮৫ কোটি মানুষকে দারিদ্র্যের চরম অবস্থা থেকে বের করে আনা হয়েছে, যা কোনো দেশ এত স্বল্প সময়ে অর্জন করতে পারেনি।

বেইজিংয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে দারিদ্র্যবিরোধী কর্মসূচিতে যুক্ত ব্যক্তিদের সম্মান জানাতে দেওয়া ভাষণে শি এই ঘোষণা দেন। ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১ তারিখে অনুষ্ঠিত সেই অনুষ্ঠান রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।

আবারও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং

শির নেতৃত্বে দারিদ্র্যবিরোধী অভিযান

শি জিনপিং জানান, তাঁর আট বছরের শাসনামলে প্রায় ১০ কোটি মানুষকে চরম দারিদ্র্য থেকে মুক্ত করা হয়েছে। তিনি বলেন, জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে নেওয়া তাঁর স্বাক্ষর কর্মসূচি দেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জীবনে মৌলিক পরিবর্তন এনেছে।

তাঁর ভাষায়, এত অল্প সময়ে এত বড় পরিসরে দারিদ্র্য বিমোচনের অগ্রগতি অর্জন করা অন্য কোনো দেশের পক্ষে সম্ভব হয়নি। তিনি এটিকে রাষ্ট্রীয় উন্নয়ন কৌশলের একটি ঐতিহাসিক সাফল্য হিসেবে তুলে ধরেন।

Xi Jinping's Ambitious Agenda for Economic Reform in China | Brookings

অর্থনৈতিক সংস্কার ও বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট

চীনের এই সাফল্যের পেছনে উচ্চাভিলাষী অর্থনৈতিক সংস্কারকে বড় ভূমিকা হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং লক্ষ্যভিত্তিক সহায়তা কর্মসূচি দারিদ্র্য হ্রাসে কার্যকর ভূমিকা রেখেছে।

এ ঘোষণা এমন এক সময়ে আসে, যখন করোনা মহামারির অভিঘাত কাটিয়ে চীন দ্রুত অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের পথে এগোচ্ছিল। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উন্মুক্ত উত্তেজনার প্রেক্ষাপটেও এই সাফল্যকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একটি কৌশলগত বার্তা হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীকে ‘বন্দি করে নির্যাতন’, হাতে গরম পানি ঢেলে পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ

চরম দারিদ্র্য দূরীকরণে জয়ের ঘোষণা: ২০২১ সালে শি জিনপিংয়ের ঐতিহাসিক দাবি

০৪:২৩:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

চরম দারিদ্র্য নির্মূলে বিজয়ের ঘোষণা

চীন আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দিয়েছে যে দেশটি চরম দারিদ্র্য সম্পূর্ণভাবে দূর করতে সক্ষম হয়েছে। একে আধুনিক ইতিহাসে নজিরবিহীন সাফল্য বলে আখ্যা দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। তাঁর দাবি, মোট ৮৫ কোটি মানুষকে দারিদ্র্যের চরম অবস্থা থেকে বের করে আনা হয়েছে, যা কোনো দেশ এত স্বল্প সময়ে অর্জন করতে পারেনি।

বেইজিংয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে দারিদ্র্যবিরোধী কর্মসূচিতে যুক্ত ব্যক্তিদের সম্মান জানাতে দেওয়া ভাষণে শি এই ঘোষণা দেন। ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১ তারিখে অনুষ্ঠিত সেই অনুষ্ঠান রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।

আবারও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং

শির নেতৃত্বে দারিদ্র্যবিরোধী অভিযান

শি জিনপিং জানান, তাঁর আট বছরের শাসনামলে প্রায় ১০ কোটি মানুষকে চরম দারিদ্র্য থেকে মুক্ত করা হয়েছে। তিনি বলেন, জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে নেওয়া তাঁর স্বাক্ষর কর্মসূচি দেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জীবনে মৌলিক পরিবর্তন এনেছে।

তাঁর ভাষায়, এত অল্প সময়ে এত বড় পরিসরে দারিদ্র্য বিমোচনের অগ্রগতি অর্জন করা অন্য কোনো দেশের পক্ষে সম্ভব হয়নি। তিনি এটিকে রাষ্ট্রীয় উন্নয়ন কৌশলের একটি ঐতিহাসিক সাফল্য হিসেবে তুলে ধরেন।

Xi Jinping's Ambitious Agenda for Economic Reform in China | Brookings

অর্থনৈতিক সংস্কার ও বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট

চীনের এই সাফল্যের পেছনে উচ্চাভিলাষী অর্থনৈতিক সংস্কারকে বড় ভূমিকা হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং লক্ষ্যভিত্তিক সহায়তা কর্মসূচি দারিদ্র্য হ্রাসে কার্যকর ভূমিকা রেখেছে।

এ ঘোষণা এমন এক সময়ে আসে, যখন করোনা মহামারির অভিঘাত কাটিয়ে চীন দ্রুত অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের পথে এগোচ্ছিল। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উন্মুক্ত উত্তেজনার প্রেক্ষাপটেও এই সাফল্যকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একটি কৌশলগত বার্তা হিসেবে বিবেচনা করা হয়।