০২:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
মিশরজুড়ে বিশ্বকাপ নায়কদের বীরের সংবর্ধনা, ইতিহাস গড়া দলকে ঘিরে উচ্ছ্বাস আপত্তির মুখে ভারতের নাগরিকত্ব যাচাই অভিযান, দেশে ফিরল সোনালি বিবির পরিবার চ্যাটজিপিটি ওয়ার্ক উন্মোচন, কর্মক্ষেত্রের এআইয়ের দৌড়ে নতুন অধ্যায় দক্ষিণ আফ্রিকায় অভিবাসীবিরোধী বিক্ষোভে অর্থনীতিতে নতুন ঝুঁকি ধ্বংসস্তূপের খার্তুমে ফিরেছে ২০ লাখ মানুষ, সংকট বিদ্যুৎ-পানি ও কর্মসংস্থানে গাজায় বিশ্বকাপ দেখানোর আয়োজন করা ত্রাণকর্মী বিমান হামলায় নিহত স্পেনে ভয়াবহ দাবানল, নিহত ১২ ও নিখোঁজ ২৩ ইউক্রেনকে ৭০ বিলিয়ন ইউরো সহায়তার অঙ্গীকার ন্যাটোর, ক্ষুব্ধ রাশিয়া সিরাজগঞ্জে নিখোঁজের দুই দিন পর মিলল যুবকের মরদেহ, হত্যার আলামত বাগেরহাটে টানা বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা, বিপাকে নিম্নআয়ের মানুষের জীবন-জীবিকা

আমি না থাকলে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী মারা যেতেন: ট্রাম্পের দাবি

মার্কিন কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে দেওয়া ভাষণে আবারও ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনার প্রসঙ্গ তুলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের দ্বিতীয় মেয়াদের প্রথম বছরের কর্মকাণ্ড তুলে ধরতে গিয়ে তিনি দাবি করেন, তাঁর হস্তক্ষেপ না থাকলে বিপুল প্রাণহানি ঘটতে পারত, এমনকি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীও নিহত হতে পারতেন।

কংগ্রেসে ট্রাম্পের ভাষণ

ওয়াশিংটনের ক্যাপিটলে কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে দেওয়া ভাষণের শুরুতেই ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক অগ্রগতির কথা তুলে ধরেন। তাঁর ভাষায়, আমেরিকা আবারও নিজের শক্ত অবস্থানে ফিরে এসেছে।

এরপর আন্তর্জাতিক কূটনীতি ও সংঘাত নিরসনে নিজের ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন তিনি। ট্রাম্প দাবি করেন, দ্বিতীয়বার প্রেসিডেন্ট হওয়ার দশ মাসের মধ্যেই তিনি আটটি যুদ্ধ বন্ধ করতে সক্ষম হয়েছেন।

Donald Trump claims victory

ভারত-পাকিস্তান প্রসঙ্গ ও বিস্ফোরক দাবি

ভাষণের এক পর্যায়ে ট্রাম্প বলেন, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে পারমাণবিক সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, তিনি না থাকলে ৩৫ মিলিয়ন মানুষের প্রাণহানি ঘটতে পারত।

ট্রাম্প আরও দাবি করেন, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ তাঁকে ব্যক্তিগতভাবে বলেছেন— তাঁর উদ্যোগ না থাকলে পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিত। এমনকি তিনি না থাকলে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীও প্রাণ হারাতে পারতেন বলে উল্লেখ করেন ট্রাম্প।

বাণিজ্য শুল্ক ও সুপ্রিম কোর্টের রায়

ভাষণে বাণিজ্য নীতির বিষয়টিও উঠে আসে। গত বছর বিভিন্ন দেশের ওপর আরোপিত শুল্কের প্রসঙ্গ টেনে ট্রাম্প বলেন, সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট তাঁর শুল্কনীতির অনেক অংশ বাতিল করেছে। তিনি আদালতের এই রায়কে দুর্ভাগ্যজনক বলে মন্তব্য করেন।

Trump administration asks Supreme Court to fast-track tariff case

তবে একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, অধিকাংশ দেশ নতুন চুক্তির ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চালিয়ে যেতে আগ্রহী।

মধ্যবর্তী নির্বাচন সামনে

চলতি বছরের শেষেই যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। এই প্রেক্ষাপটে কংগ্রেসে দেওয়া ভাষণকে রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

ট্রাম্প ভাষণে আরও বলেন, তাঁর দ্বিতীয় মেয়াদের প্রথম বছর আসলে তৃতীয় মেয়াদ হওয়ার কথা ছিল। তবে পৃথিবীতে অপ্রত্যাশিত ঘটনাও ঘটে— এমন মন্তব্য করে বক্তব্য শেষ করেন তিনি।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

মিশরজুড়ে বিশ্বকাপ নায়কদের বীরের সংবর্ধনা, ইতিহাস গড়া দলকে ঘিরে উচ্ছ্বাস

আমি না থাকলে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী মারা যেতেন: ট্রাম্পের দাবি

০৫:৫৬:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মার্কিন কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে দেওয়া ভাষণে আবারও ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনার প্রসঙ্গ তুলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের দ্বিতীয় মেয়াদের প্রথম বছরের কর্মকাণ্ড তুলে ধরতে গিয়ে তিনি দাবি করেন, তাঁর হস্তক্ষেপ না থাকলে বিপুল প্রাণহানি ঘটতে পারত, এমনকি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীও নিহত হতে পারতেন।

কংগ্রেসে ট্রাম্পের ভাষণ

ওয়াশিংটনের ক্যাপিটলে কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে দেওয়া ভাষণের শুরুতেই ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক অগ্রগতির কথা তুলে ধরেন। তাঁর ভাষায়, আমেরিকা আবারও নিজের শক্ত অবস্থানে ফিরে এসেছে।

এরপর আন্তর্জাতিক কূটনীতি ও সংঘাত নিরসনে নিজের ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন তিনি। ট্রাম্প দাবি করেন, দ্বিতীয়বার প্রেসিডেন্ট হওয়ার দশ মাসের মধ্যেই তিনি আটটি যুদ্ধ বন্ধ করতে সক্ষম হয়েছেন।

Donald Trump claims victory

ভারত-পাকিস্তান প্রসঙ্গ ও বিস্ফোরক দাবি

ভাষণের এক পর্যায়ে ট্রাম্প বলেন, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে পারমাণবিক সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, তিনি না থাকলে ৩৫ মিলিয়ন মানুষের প্রাণহানি ঘটতে পারত।

ট্রাম্প আরও দাবি করেন, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ তাঁকে ব্যক্তিগতভাবে বলেছেন— তাঁর উদ্যোগ না থাকলে পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিত। এমনকি তিনি না থাকলে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীও প্রাণ হারাতে পারতেন বলে উল্লেখ করেন ট্রাম্প।

বাণিজ্য শুল্ক ও সুপ্রিম কোর্টের রায়

ভাষণে বাণিজ্য নীতির বিষয়টিও উঠে আসে। গত বছর বিভিন্ন দেশের ওপর আরোপিত শুল্কের প্রসঙ্গ টেনে ট্রাম্প বলেন, সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট তাঁর শুল্কনীতির অনেক অংশ বাতিল করেছে। তিনি আদালতের এই রায়কে দুর্ভাগ্যজনক বলে মন্তব্য করেন।

Trump administration asks Supreme Court to fast-track tariff case

তবে একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, অধিকাংশ দেশ নতুন চুক্তির ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চালিয়ে যেতে আগ্রহী।

মধ্যবর্তী নির্বাচন সামনে

চলতি বছরের শেষেই যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। এই প্রেক্ষাপটে কংগ্রেসে দেওয়া ভাষণকে রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

ট্রাম্প ভাষণে আরও বলেন, তাঁর দ্বিতীয় মেয়াদের প্রথম বছর আসলে তৃতীয় মেয়াদ হওয়ার কথা ছিল। তবে পৃথিবীতে অপ্রত্যাশিত ঘটনাও ঘটে— এমন মন্তব্য করে বক্তব্য শেষ করেন তিনি।