০৮:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬
আগের ধস কাটিয়ে শুরুতেই ঘুরে দাঁড়াল ডিএসই ও সিএসই সাতক্ষীরার শ্যামনগরে প্রেস ক্লাব সভাপতির ওপর হামলা, আটক ২ সিরাজগঞ্জে সেচ নিয়ে সংঘর্ষে আহত ১৯ রাজশাহীতে গণপিটুনিতে নিহত এক, আহত ৭ ইরানের ক্ষমতা হস্তান্তরে বিশৃঙ্খলা ও যুদ্ধের বিস্তার রোধ করতে হবে ইরানে হামলার আগে মোদির ইসরায়েল সফর নিয়ে বিরোধীদের তীব্র সমালোচনা ইরানের পর ট্রাম্প, তেল ও তাইওয়ান নিয়ে কঠিন হিসাবের মুখে চীন পাকিস্তানের হামলার লক্ষ্য বাগরাম ঘাঁটি, দাবি আফগানিস্তানের রফতানিতে বড় ধাক্কা: ফেব্রুয়ারিতে তৈরি পোশাকে পতন ১৩ শতাংশের বেশি, চাপে অর্থনীতি মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত বিস্তৃত, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম প্রায় ১০ শতাংশ বৃদ্ধি

সৌদির বিখ্যাত তেল কোম্পানি আরামকোর শোধনাগারে ইরানের হামলা

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। সৌদির বিখ্যাত তেল কোম্পানি আরামকোর রাস তানুরা শোধনাগারে ইরানের হামলার দাবি ঘিরে উপসাগরীয় অঞ্চলে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল রপ্তানি কেন্দ্র লক্ষ্যবস্তু হওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

রাস তানুরা স্থাপনা কেন গুরুত্বপূর্ণ

রাস তানুরা সৌদি আরামকোর প্রধান শোধনাগার ও তেল রপ্তানি কেন্দ্রগুলোর একটি। এটি বৈশ্বিক অপরিশোধিত তেল সরবরাহ ব্যবস্থায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ফলে এখানে যেকোনো হামলা আন্তর্জাতিক বাজারে সরাসরি প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে সক্ষম।

Iran Israel War, Ras Tanura: Iran's Drones Hit Aramco Oil Refinery In Saudi  Arabia

হামলার দাবি ও আগুনের ঘটনা

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানায়, শোধনাগারটিতে ড্রোন হামলা হয়েছে। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস দাবি করেছে, তারা ব্যাপক আকারে সামরিক অভিযান চালিয়েছে এবং পরিস্থিতিকে ‘আগুনের বিশাল দরজা’ খুলে দেওয়ার সঙ্গে তুলনা করেছে।

অন্যদিকে একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থাপনায় ছোট ও বিচ্ছিন্ন একটি আগুনের ঘটনা ঘটেছিল, যা পরে নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। বড় ধরনের বিস্ফোরণ বা ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

বাহরাইনের সালমান বন্দরে হামলার অভিযোগ

Iranian attack targets naval facility in Bahrain

ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম আরও দাবি করেছে, বাহরাইনের সালমান বন্দরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। তাদের অভিযোগ, ওই বন্দর ব্যবহার করে ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য অভিযানের জন্য মার্কিন লজিস্টিক সরঞ্জাম পরিবহন করা হচ্ছিল। তবে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

আঞ্চলিক স্থিতিশীলতায় প্রভাব

বিশ্লেষকদের মতে, উপসাগরীয় অঞ্চলের জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলার ঘটনা আঞ্চলিক নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক তেলবাজারেও অস্থিরতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতি মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনাকে আরও জটিল করে তুলেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

আগের ধস কাটিয়ে শুরুতেই ঘুরে দাঁড়াল ডিএসই ও সিএসই

সৌদির বিখ্যাত তেল কোম্পানি আরামকোর শোধনাগারে ইরানের হামলা

০৬:১৬:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। সৌদির বিখ্যাত তেল কোম্পানি আরামকোর রাস তানুরা শোধনাগারে ইরানের হামলার দাবি ঘিরে উপসাগরীয় অঞ্চলে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল রপ্তানি কেন্দ্র লক্ষ্যবস্তু হওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

রাস তানুরা স্থাপনা কেন গুরুত্বপূর্ণ

রাস তানুরা সৌদি আরামকোর প্রধান শোধনাগার ও তেল রপ্তানি কেন্দ্রগুলোর একটি। এটি বৈশ্বিক অপরিশোধিত তেল সরবরাহ ব্যবস্থায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ফলে এখানে যেকোনো হামলা আন্তর্জাতিক বাজারে সরাসরি প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে সক্ষম।

Iran Israel War, Ras Tanura: Iran's Drones Hit Aramco Oil Refinery In Saudi  Arabia

হামলার দাবি ও আগুনের ঘটনা

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানায়, শোধনাগারটিতে ড্রোন হামলা হয়েছে। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস দাবি করেছে, তারা ব্যাপক আকারে সামরিক অভিযান চালিয়েছে এবং পরিস্থিতিকে ‘আগুনের বিশাল দরজা’ খুলে দেওয়ার সঙ্গে তুলনা করেছে।

অন্যদিকে একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থাপনায় ছোট ও বিচ্ছিন্ন একটি আগুনের ঘটনা ঘটেছিল, যা পরে নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। বড় ধরনের বিস্ফোরণ বা ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

বাহরাইনের সালমান বন্দরে হামলার অভিযোগ

Iranian attack targets naval facility in Bahrain

ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম আরও দাবি করেছে, বাহরাইনের সালমান বন্দরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। তাদের অভিযোগ, ওই বন্দর ব্যবহার করে ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য অভিযানের জন্য মার্কিন লজিস্টিক সরঞ্জাম পরিবহন করা হচ্ছিল। তবে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

আঞ্চলিক স্থিতিশীলতায় প্রভাব

বিশ্লেষকদের মতে, উপসাগরীয় অঞ্চলের জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলার ঘটনা আঞ্চলিক নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক তেলবাজারেও অস্থিরতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতি মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনাকে আরও জটিল করে তুলেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।