০৮:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬
আগের ধস কাটিয়ে শুরুতেই ঘুরে দাঁড়াল ডিএসই ও সিএসই সাতক্ষীরার শ্যামনগরে প্রেস ক্লাব সভাপতির ওপর হামলা, আটক ২ সিরাজগঞ্জে সেচ নিয়ে সংঘর্ষে আহত ১৯ রাজশাহীতে গণপিটুনিতে নিহত এক, আহত ৭ ইরানের ক্ষমতা হস্তান্তরে বিশৃঙ্খলা ও যুদ্ধের বিস্তার রোধ করতে হবে ইরানে হামলার আগে মোদির ইসরায়েল সফর নিয়ে বিরোধীদের তীব্র সমালোচনা ইরানের পর ট্রাম্প, তেল ও তাইওয়ান নিয়ে কঠিন হিসাবের মুখে চীন পাকিস্তানের হামলার লক্ষ্য বাগরাম ঘাঁটি, দাবি আফগানিস্তানের রফতানিতে বড় ধাক্কা: ফেব্রুয়ারিতে তৈরি পোশাকে পতন ১৩ শতাংশের বেশি, চাপে অর্থনীতি মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত বিস্তৃত, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম প্রায় ১০ শতাংশ বৃদ্ধি

যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল যুদ্ধের প্রথম দুই দিন: পাঁচ বড় বার্তা

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানের দ্বিতীয় দিনে ইরানকে ঘিরে সংঘাত নতুন ও আরও অস্থির পর্যায়ে পৌঁছেছে। ওয়াশিংটন প্রথমবারের মতো নিজেদের সেনা নিহতের খবর নিশ্চিত করেছে। তেহরান পাল্টা হামলার পরিসর পুরো অঞ্চলে ছড়িয়ে দিয়েছে। একই সময়ে হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় ধাক্কার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা ও শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিহত করার পর যে হামলা শুরু হয়েছিল, তা এখন মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা হিসাব-নিকাশ এবং বৈশ্বিক অর্থনীতির ভবিষ্যৎকে নতুন করে গড়ে দিচ্ছে। প্রথম দুই দিনে পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ দিক সামনে এসেছে।

প্রথমবার মার্কিন সেনা নিহত, ট্রাম্পের আরও ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা

যুক্তরাষ্ট্র নিশ্চিত করেছে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় তিনজন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন। এতে সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার ঝুঁকি স্পষ্ট হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিহতদের বিষয়টি স্বীকার করে বলেছেন, সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং আরও প্রাণহানির আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, বড় আকারের সামরিক অভিযান এখনো চলমান।

ইরান ইসরায়েলের জনবসতিপূর্ণ এলাকা ও উপসাগরীয় অঞ্চলে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছুড়েছে। এতে সংঘাত কেবল শীর্ষ নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে চালানো হামলায় সীমাবদ্ধ না থেকে সরাসরি আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ নিচ্ছে।

ব্রিটেনের সীমিত সহায়তা, ইউরোপের কড়া প্রতিক্রিয়া

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার জানিয়েছেন, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ঠেকাতে নির্দিষ্ট ও সীমিত প্রতিরক্ষামূলক উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রকে ব্রিটিশ ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে তিনি স্পষ্ট করেছেন, ব্রিটেন কোনো আক্রমণাত্মক অভিযানে অংশ নিচ্ছে না।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে ইরানের হামলার নিন্দা জানিয়েছে। ইউরোপীয় কমিশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট কাজা কালাস এসব হামলাকে অমার্জনীয় বলে উল্লেখ করে সতর্ক করেছেন, পরিস্থিতি আরও জটিল হলে ইউরোপসহ বিশ্বজুড়ে অনির্দেশ্য পরিণতি দেখা দিতে পারে।

রাজধানী, মার্কিন ঘাঁটি ও উপসাগরীয় অবকাঠামোয় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিস্তৃত হামলার পর তেহরানের আকাশে ঘন ধোঁয়া দেখা গেছে। ইসরায়েল দাবি করেছে, সর্বশেষ হামলা আগের অভিযানের ধারাবাহিকতা, যেখানে সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ বহু শীর্ষ কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন।

পাল্টা হামলায় ইরান ইসরায়েলের বেসামরিক এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ করেছে। এতে অন্তত নয়জন নিহত এবং আরও বহু মানুষ আহত হয়েছেন। জেরুজালেমে সাইরেন বেজে ওঠে।

ইরান কাতার, বাহরাইন, কুয়েত ও জর্ডানে থাকা মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোকেও লক্ষ্যবস্তু করেছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতে হামলায় হতাহতের ঘটনা ঘটেছে এবং দুবাইয়ের জেবেল আলি বন্দর, যা অঞ্চলের বৃহৎ বাণিজ্যিক কেন্দ্রগুলোর একটি, সেখানে কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে।

হরমুজ প্রণালী বন্ধ, তেলের দামে বড় উল্লম্ফনের শঙ্কা

ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কার্যত হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিয়েছে। এই সরু জলপথ দিয়ে বিশ্বে সরবরাহ হওয়া মোট তেলের প্রায় পাঁচ ভাগের এক ভাগ পরিবাহিত হয়।

রোববার ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম প্রায় ১০ শতাংশ বেড়েছে। বিশ্লেষকেরা আশঙ্কা করছেন, বাজার পুরোপুরি খোলার পর তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে। শুক্রবার যেখানে দাম ছিল প্রায় ৭২ ডলার।

সংঘাতের আগে ইরান প্রতিদিন প্রায় ৩৪ লাখ ব্যারেল তেল উৎপাদন করত। এর বড় অংশ ছাড়মূল্যে চীন ও ভারতে বিক্রি হতো। চীন একাই ৮০ শতাংশের বেশি চালান গ্রহণ করত এবং তাদের কৌশলগত মজুত ও বিকল্প সরবরাহ ব্যবস্থা ছিল শক্তিশালী।

তবে এশিয়ার আমদানিনির্ভর অর্থনীতিগুলোর জন্য দীর্ঘমেয়াদি অচলাবস্থা মূল্যস্ফীতি, পরিবহন খরচ ও জ্বালানি নিরাপত্তায় বড় ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রে মতভেদ, কংগ্রেসে যুদ্ধক্ষমতা নিয়ে ভোটের প্রস্তুতি

রয়টার্স ও ইপসোসের জরিপে দেখা গেছে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতাকে লক্ষ্য করে চালানো হামলার পক্ষে ২৭ শতাংশ মার্কিন নাগরিক সমর্থন জানিয়েছেন। ৪৩ শতাংশ এর বিরোধিতা করেছেন এবং ২৯ শতাংশ অনিশ্চিত অবস্থানে রয়েছেন।

প্রায় অর্ধেক উত্তরদাতা মনে করেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সামরিক শক্তি ব্যবহারে অতিরিক্ত আগ্রহী। এমনকি প্রতি চারজন রিপাবলিকানের একজনও একই মত প্রকাশ করেছেন।

ডেমোক্র্যাট ও কিছু রিপাবলিকান সদস্য দ্রুত যুদ্ধক্ষমতা সংক্রান্ত প্রস্তাবে ভোট চাচ্ছেন, যা হোয়াইট হাউস ও কংগ্রেসের মধ্যে নতুন সংঘাতের সূচনা করতে পারে। যদিও রিপাবলিকান নেতৃত্ব প্রেসিডেন্টের সিদ্ধান্তকে সমর্থন দিয়েছে, তবু তাঁর সমর্থক শিবিরের ভেতরেই মধ্যপ্রাচ্যে আরও গভীরভাবে জড়ানোর প্রশ্নে অস্বস্তি দেখা যাচ্ছে।

এই সংঘাত এখন শুধু দুই দেশের সামরিক লড়াই নয়; এটি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা, বৈশ্বিক জ্বালানি নিরাপত্তা এবং যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির ওপরও গভীর প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

আগের ধস কাটিয়ে শুরুতেই ঘুরে দাঁড়াল ডিএসই ও সিএসই

যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল যুদ্ধের প্রথম দুই দিন: পাঁচ বড় বার্তা

০৬:৪০:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানের দ্বিতীয় দিনে ইরানকে ঘিরে সংঘাত নতুন ও আরও অস্থির পর্যায়ে পৌঁছেছে। ওয়াশিংটন প্রথমবারের মতো নিজেদের সেনা নিহতের খবর নিশ্চিত করেছে। তেহরান পাল্টা হামলার পরিসর পুরো অঞ্চলে ছড়িয়ে দিয়েছে। একই সময়ে হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় ধাক্কার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা ও শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিহত করার পর যে হামলা শুরু হয়েছিল, তা এখন মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা হিসাব-নিকাশ এবং বৈশ্বিক অর্থনীতির ভবিষ্যৎকে নতুন করে গড়ে দিচ্ছে। প্রথম দুই দিনে পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ দিক সামনে এসেছে।

প্রথমবার মার্কিন সেনা নিহত, ট্রাম্পের আরও ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা

যুক্তরাষ্ট্র নিশ্চিত করেছে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় তিনজন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন। এতে সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার ঝুঁকি স্পষ্ট হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিহতদের বিষয়টি স্বীকার করে বলেছেন, সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং আরও প্রাণহানির আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, বড় আকারের সামরিক অভিযান এখনো চলমান।

ইরান ইসরায়েলের জনবসতিপূর্ণ এলাকা ও উপসাগরীয় অঞ্চলে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছুড়েছে। এতে সংঘাত কেবল শীর্ষ নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে চালানো হামলায় সীমাবদ্ধ না থেকে সরাসরি আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ নিচ্ছে।

ব্রিটেনের সীমিত সহায়তা, ইউরোপের কড়া প্রতিক্রিয়া

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার জানিয়েছেন, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ঠেকাতে নির্দিষ্ট ও সীমিত প্রতিরক্ষামূলক উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রকে ব্রিটিশ ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে তিনি স্পষ্ট করেছেন, ব্রিটেন কোনো আক্রমণাত্মক অভিযানে অংশ নিচ্ছে না।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে ইরানের হামলার নিন্দা জানিয়েছে। ইউরোপীয় কমিশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট কাজা কালাস এসব হামলাকে অমার্জনীয় বলে উল্লেখ করে সতর্ক করেছেন, পরিস্থিতি আরও জটিল হলে ইউরোপসহ বিশ্বজুড়ে অনির্দেশ্য পরিণতি দেখা দিতে পারে।

রাজধানী, মার্কিন ঘাঁটি ও উপসাগরীয় অবকাঠামোয় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিস্তৃত হামলার পর তেহরানের আকাশে ঘন ধোঁয়া দেখা গেছে। ইসরায়েল দাবি করেছে, সর্বশেষ হামলা আগের অভিযানের ধারাবাহিকতা, যেখানে সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ বহু শীর্ষ কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন।

পাল্টা হামলায় ইরান ইসরায়েলের বেসামরিক এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ করেছে। এতে অন্তত নয়জন নিহত এবং আরও বহু মানুষ আহত হয়েছেন। জেরুজালেমে সাইরেন বেজে ওঠে।

ইরান কাতার, বাহরাইন, কুয়েত ও জর্ডানে থাকা মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোকেও লক্ষ্যবস্তু করেছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতে হামলায় হতাহতের ঘটনা ঘটেছে এবং দুবাইয়ের জেবেল আলি বন্দর, যা অঞ্চলের বৃহৎ বাণিজ্যিক কেন্দ্রগুলোর একটি, সেখানে কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে।

হরমুজ প্রণালী বন্ধ, তেলের দামে বড় উল্লম্ফনের শঙ্কা

ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কার্যত হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিয়েছে। এই সরু জলপথ দিয়ে বিশ্বে সরবরাহ হওয়া মোট তেলের প্রায় পাঁচ ভাগের এক ভাগ পরিবাহিত হয়।

রোববার ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম প্রায় ১০ শতাংশ বেড়েছে। বিশ্লেষকেরা আশঙ্কা করছেন, বাজার পুরোপুরি খোলার পর তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে। শুক্রবার যেখানে দাম ছিল প্রায় ৭২ ডলার।

সংঘাতের আগে ইরান প্রতিদিন প্রায় ৩৪ লাখ ব্যারেল তেল উৎপাদন করত। এর বড় অংশ ছাড়মূল্যে চীন ও ভারতে বিক্রি হতো। চীন একাই ৮০ শতাংশের বেশি চালান গ্রহণ করত এবং তাদের কৌশলগত মজুত ও বিকল্প সরবরাহ ব্যবস্থা ছিল শক্তিশালী।

তবে এশিয়ার আমদানিনির্ভর অর্থনীতিগুলোর জন্য দীর্ঘমেয়াদি অচলাবস্থা মূল্যস্ফীতি, পরিবহন খরচ ও জ্বালানি নিরাপত্তায় বড় ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রে মতভেদ, কংগ্রেসে যুদ্ধক্ষমতা নিয়ে ভোটের প্রস্তুতি

রয়টার্স ও ইপসোসের জরিপে দেখা গেছে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতাকে লক্ষ্য করে চালানো হামলার পক্ষে ২৭ শতাংশ মার্কিন নাগরিক সমর্থন জানিয়েছেন। ৪৩ শতাংশ এর বিরোধিতা করেছেন এবং ২৯ শতাংশ অনিশ্চিত অবস্থানে রয়েছেন।

প্রায় অর্ধেক উত্তরদাতা মনে করেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সামরিক শক্তি ব্যবহারে অতিরিক্ত আগ্রহী। এমনকি প্রতি চারজন রিপাবলিকানের একজনও একই মত প্রকাশ করেছেন।

ডেমোক্র্যাট ও কিছু রিপাবলিকান সদস্য দ্রুত যুদ্ধক্ষমতা সংক্রান্ত প্রস্তাবে ভোট চাচ্ছেন, যা হোয়াইট হাউস ও কংগ্রেসের মধ্যে নতুন সংঘাতের সূচনা করতে পারে। যদিও রিপাবলিকান নেতৃত্ব প্রেসিডেন্টের সিদ্ধান্তকে সমর্থন দিয়েছে, তবু তাঁর সমর্থক শিবিরের ভেতরেই মধ্যপ্রাচ্যে আরও গভীরভাবে জড়ানোর প্রশ্নে অস্বস্তি দেখা যাচ্ছে।

এই সংঘাত এখন শুধু দুই দেশের সামরিক লড়াই নয়; এটি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা, বৈশ্বিক জ্বালানি নিরাপত্তা এবং যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির ওপরও গভীর প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে।