দেশের পুঁজিবাজারে মঙ্গলবার চলতি বছরের সবচেয়ে বড় পতন দেখা গেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)—উভয় বাজারেই প্রধান সূচকে তীব্র ধস নেমেছে, অধিকাংশ তালিকাভুক্ত কোম্পানির শেয়ারের দাম কমেছে।
সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবস শেষে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ২০৮ পয়েন্ট কমে যায়। শরিয়াহভিত্তিক ডিএসইএস সূচক হারায় ৩৬ পয়েন্ট এবং ব্লু-চিপ সূচক ডিএস৩০ কমে ৮৫ পয়েন্ট।
৩৪৯ শেয়ারের দরপতন
ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ৩৯১টি শেয়ারের মধ্যে ৩৪৯টির দাম কমেছে। বেড়েছে মাত্র ৩১টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ১১টি।
দিন শেষে ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৮৮৫ কোটি টাকা, যা আগের কার্যদিবসে ছিল ৭৭৯ কোটি টাকা। ব্লক মার্কেটে ২৫টি কোম্পানির প্রায় ২৩ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে জিকিউ বলপেন ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের প্রায় ৩ কোটি টাকার শেয়ার ব্লক লেনদেনে হাতবদল হয়।
দরবৃদ্ধিতে শীর্ষে ছিল স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংক পিএলসি, যার শেয়ারদর প্রায় ৯ শতাংশ বেড়েছে। বিপরীতে নর্দার্ন জুট ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানি লিমিটেড ৯ শতাংশের বেশি দর হারিয়ে তালিকার নিচে অবস্থান করেছে।
সিএসইতে কাসপি ৪১৪ পয়েন্ট নিম্নমুখী
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও বড় ধরনের পতন হয়েছে। সিএসইর প্রধান সূচক কাসপি ৪১৪ পয়েন্ট কমেছে।
সিএসইতে লেনদেন হওয়া ২১৪টি শেয়ারের মধ্যে ১৫৩টির দর কমেছে, ৪৫টির বেড়েছে এবং ১৬টি অপরিবর্তিত ছিল। দিন শেষে লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৩ কোটি টাকা, যা আগের দিন ছিল ১৯ কোটি টাকা।
দরবৃদ্ধিতে শীর্ষে ছিল বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি লিমিটেড, যার শেয়ার ১০ শতাংশ বেড়েছে। বিপরীতে এশিয়া ইন্স্যুরেন্স পিএলসি ১০ শতাংশ দর হারিয়ে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত কোম্পানি হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছে।
পুঁজিবাজারে এই বড় পতন বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















