০১:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬
কলকাতাজুড়ে মিশ্র জনমত, গণনার দিনে এগিয়ে বিজেপি—তবু এলাকায় এলাকায় ভিন্ন চিত্র ইরানের হুশিয়ারি, হরমুজ প্রণালীতে কোন বিদেশী বাহিনী এলেই হামলা চালানো হবে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে উৎপাদনে ধস, এপ্রিলেই সংকোচনে শিল্পখাত আল কাদসিয়ার ধাক্কায় থামল আল নাসরের জয়ের ধারা, শিরোপা দৌড়ে অনিশ্চয়তা রোনালদোর দুঃসাহসিক অভিযাত্রীদের জন্য এক দ্বীপ: সেন্ট হেলেনা আবিষ্কার পাঁচ রাজ্যের ভোটে নাটকীয় পালাবদল: বাংলায় বিজেপির ঝড়, তামিলনাড়ুতে বিজয়ের চমক, কেরালায় কংগ্রেসের প্রত্যাবর্তন টোকিওর লক্ষ্য: এআইকে কাজে লাগিয়ে স্টার্টআপ শক্তিতে বিশ্বনেতা হওয়ার দৌড় ১০০ কেন্দ্রে ভোট গণনা বন্ধের অভিযোগ, কর্মীদের কেন্দ্রে থাকার আহ্বান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আসছে মূল্যস্ফীতির নতুন ঢেউ গ্রামীণ ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্তদের অবস্থান কর্মসূচী: পেনশন পুনঃস্থাপনসহ ভাতার দাবিতে ঢাকায় সমাবেশ

বিদ্যুৎ–জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারি দপ্তরে কঠোর নির্দেশনা, ১১ দফা নির্দেশ জারি

দেশে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ পরিস্থিতি চাপের মুখে থাকায় সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত সব দপ্তরে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহারে কৃচ্ছ্রসাধনের নির্দেশ দিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে ১১ দফা নির্দেশনা জারি করে সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ, সংস্থা ও করপোরেট প্রতিষ্ঠানে তা কার্যকর করার কথা বলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে পাঠানো এক চিঠিতে কর্মকর্তাদের আরও দায়িত্বশীল ও সাশ্রয়ী আচরণের আহ্বান জানানো হয়। সেখানে বলা হয়েছে, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহারে অপ্রয়োজনীয় অপচয় বন্ধ করতে হবে এবং সরকারি দপ্তরগুলোকে আরও সচেতনভাবে কাজ করতে হবে।

দিনের আলো থাকলে বাতি বন্ধ রাখার নির্দেশ

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, দিনের বেলায় পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আলো থাকলে বিদ্যুৎবাতি ব্যবহার না করার জন্য দপ্তরগুলোকে বলা হয়েছে। কক্ষের জানালা, দরজা বা পর্দা খোলা রেখে যেন ভেতরে প্রাকৃতিক আলো প্রবেশ করতে পারে সে বিষয়েও গুরুত্ব দিতে বলা হয়েছে।

প্রয়োজন অনুযায়ী অর্ধেক বাতি ব্যবহার করা এবং অপ্রয়োজনীয় আলোর ব্যবহার বন্ধ রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অপ্রয়োজনীয় বৈদ্যুতিক যন্ত্র বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে

দপ্তরের কাজের সময় প্রয়োজনের অতিরিক্ত বাতি, পাখা, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রসহ অন্য সব বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র চালু করলে তাপমাত্রা কমপক্ষে ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে রাখার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিজ নিজ কক্ষ ছাড়ার আগে বাতি, পাখা ও শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রসহ সব বৈদ্যুতিক যন্ত্র বন্ধ করে যাওয়ার বিষয়েও নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে।

করিডর ও সিঁড়িতে অপ্রয়োজনীয় আলো বন্ধ

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, করিডর, সিঁড়ি ও ধোয়ার ঘরের মতো স্থানে অপ্রয়োজনীয় আলো ব্যবহার বন্ধ রাখতে হবে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী যন্ত্রপাতি ব্যবহারে উৎসাহ দেওয়া হয়েছে।

দপ্তরের কাজ শেষ হওয়ার পর কম্পিউটার, প্রিন্টার, স্ক্যানার, বাতি, পাখা ও শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রসহ সব বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে।

যানবাহন ব্যবহারে সংযম

সরকারি নির্দেশনায় বলা হয়েছে, অপ্রয়োজনীয় সাজসজ্জার আলোকসজ্জা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রাখতে হবে। পাশাপাশি সরকারি যানবাহনের ব্যবহার সীমিত রেখে জ্বালানি খরচ কমানোর ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে।

এই নির্দেশনাগুলো কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করলে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

কলকাতাজুড়ে মিশ্র জনমত, গণনার দিনে এগিয়ে বিজেপি—তবু এলাকায় এলাকায় ভিন্ন চিত্র

বিদ্যুৎ–জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারি দপ্তরে কঠোর নির্দেশনা, ১১ দফা নির্দেশ জারি

০৭:৫৫:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬

দেশে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ পরিস্থিতি চাপের মুখে থাকায় সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত সব দপ্তরে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহারে কৃচ্ছ্রসাধনের নির্দেশ দিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে ১১ দফা নির্দেশনা জারি করে সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ, সংস্থা ও করপোরেট প্রতিষ্ঠানে তা কার্যকর করার কথা বলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে পাঠানো এক চিঠিতে কর্মকর্তাদের আরও দায়িত্বশীল ও সাশ্রয়ী আচরণের আহ্বান জানানো হয়। সেখানে বলা হয়েছে, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহারে অপ্রয়োজনীয় অপচয় বন্ধ করতে হবে এবং সরকারি দপ্তরগুলোকে আরও সচেতনভাবে কাজ করতে হবে।

দিনের আলো থাকলে বাতি বন্ধ রাখার নির্দেশ

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, দিনের বেলায় পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আলো থাকলে বিদ্যুৎবাতি ব্যবহার না করার জন্য দপ্তরগুলোকে বলা হয়েছে। কক্ষের জানালা, দরজা বা পর্দা খোলা রেখে যেন ভেতরে প্রাকৃতিক আলো প্রবেশ করতে পারে সে বিষয়েও গুরুত্ব দিতে বলা হয়েছে।

প্রয়োজন অনুযায়ী অর্ধেক বাতি ব্যবহার করা এবং অপ্রয়োজনীয় আলোর ব্যবহার বন্ধ রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অপ্রয়োজনীয় বৈদ্যুতিক যন্ত্র বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে

দপ্তরের কাজের সময় প্রয়োজনের অতিরিক্ত বাতি, পাখা, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রসহ অন্য সব বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র চালু করলে তাপমাত্রা কমপক্ষে ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে রাখার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিজ নিজ কক্ষ ছাড়ার আগে বাতি, পাখা ও শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রসহ সব বৈদ্যুতিক যন্ত্র বন্ধ করে যাওয়ার বিষয়েও নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে।

করিডর ও সিঁড়িতে অপ্রয়োজনীয় আলো বন্ধ

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, করিডর, সিঁড়ি ও ধোয়ার ঘরের মতো স্থানে অপ্রয়োজনীয় আলো ব্যবহার বন্ধ রাখতে হবে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী যন্ত্রপাতি ব্যবহারে উৎসাহ দেওয়া হয়েছে।

দপ্তরের কাজ শেষ হওয়ার পর কম্পিউটার, প্রিন্টার, স্ক্যানার, বাতি, পাখা ও শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রসহ সব বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে।

যানবাহন ব্যবহারে সংযম

সরকারি নির্দেশনায় বলা হয়েছে, অপ্রয়োজনীয় সাজসজ্জার আলোকসজ্জা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রাখতে হবে। পাশাপাশি সরকারি যানবাহনের ব্যবহার সীমিত রেখে জ্বালানি খরচ কমানোর ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে।

এই নির্দেশনাগুলো কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করলে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।