০৪:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
লক্ষ্মীপুরে একই পরিবারের তিনজনকে গলা কেটে হত্যা, আশঙ্কাজনক অবস্থায় আরেকজন  নিষেধাজ্ঞা শিথিলে  ইরানের তেল রপ্তানিতে আসতে পারে ৮৫০ কোটি ডলারের আয় চীনের পাল্লায় পৌঁছাতে দীর্ঘপাল্লার অস্ত্রে জোর, সামরিক আধুনিকীকরণে নতুন পর্যায়ে ভারত ট্রাম্পের শান্তি উদ্যোগে বদলাচ্ছে রিপাবলিকানদের ইরান-দৃষ্টিভঙ্গি পুড়ে যাওয়া বঙ্গবাজারে ১০ তলা ভবন, দোকান বুঝে পাওয়ার আগেই ‘চাঁদা’ অভিযোগে ক্ষোভ দুই বছর পর বাংলাদেশিদের জন্য ফের ট্যুরিস্ট ভিসা চালু করল ভারত নতুন ভারতীয় হাইকমিশনারকে মন্ত্রিসভার মর্যাদা, শুধুই আনুষ্ঠানিক প্রোটোকলের জন্য এবার হামে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু, মৃতের সংখ্যা ৭০০ ছুঁইছুঁই শীর্ষ উদ্ভাবন খাতে চীনের উত্থান, ডালিয়ানে শেষ হলো সামার ডাভোস ২০২৬ গ্লোবাল টাইমস প্রতিবেদন: বাংলাদেশের জে-১০সিই কেনার খবর, এখনো কিছু জানায়নি চীন

বিদ্যুৎ–জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারি দপ্তরে কঠোর নির্দেশনা, ১১ দফা নির্দেশ জারি

দেশে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ পরিস্থিতি চাপের মুখে থাকায় সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত সব দপ্তরে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহারে কৃচ্ছ্রসাধনের নির্দেশ দিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে ১১ দফা নির্দেশনা জারি করে সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ, সংস্থা ও করপোরেট প্রতিষ্ঠানে তা কার্যকর করার কথা বলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে পাঠানো এক চিঠিতে কর্মকর্তাদের আরও দায়িত্বশীল ও সাশ্রয়ী আচরণের আহ্বান জানানো হয়। সেখানে বলা হয়েছে, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহারে অপ্রয়োজনীয় অপচয় বন্ধ করতে হবে এবং সরকারি দপ্তরগুলোকে আরও সচেতনভাবে কাজ করতে হবে।

দিনের আলো থাকলে বাতি বন্ধ রাখার নির্দেশ

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, দিনের বেলায় পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আলো থাকলে বিদ্যুৎবাতি ব্যবহার না করার জন্য দপ্তরগুলোকে বলা হয়েছে। কক্ষের জানালা, দরজা বা পর্দা খোলা রেখে যেন ভেতরে প্রাকৃতিক আলো প্রবেশ করতে পারে সে বিষয়েও গুরুত্ব দিতে বলা হয়েছে।

প্রয়োজন অনুযায়ী অর্ধেক বাতি ব্যবহার করা এবং অপ্রয়োজনীয় আলোর ব্যবহার বন্ধ রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অপ্রয়োজনীয় বৈদ্যুতিক যন্ত্র বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে

দপ্তরের কাজের সময় প্রয়োজনের অতিরিক্ত বাতি, পাখা, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রসহ অন্য সব বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র চালু করলে তাপমাত্রা কমপক্ষে ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে রাখার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিজ নিজ কক্ষ ছাড়ার আগে বাতি, পাখা ও শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রসহ সব বৈদ্যুতিক যন্ত্র বন্ধ করে যাওয়ার বিষয়েও নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে।

করিডর ও সিঁড়িতে অপ্রয়োজনীয় আলো বন্ধ

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, করিডর, সিঁড়ি ও ধোয়ার ঘরের মতো স্থানে অপ্রয়োজনীয় আলো ব্যবহার বন্ধ রাখতে হবে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী যন্ত্রপাতি ব্যবহারে উৎসাহ দেওয়া হয়েছে।

দপ্তরের কাজ শেষ হওয়ার পর কম্পিউটার, প্রিন্টার, স্ক্যানার, বাতি, পাখা ও শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রসহ সব বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে।

যানবাহন ব্যবহারে সংযম

সরকারি নির্দেশনায় বলা হয়েছে, অপ্রয়োজনীয় সাজসজ্জার আলোকসজ্জা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রাখতে হবে। পাশাপাশি সরকারি যানবাহনের ব্যবহার সীমিত রেখে জ্বালানি খরচ কমানোর ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে।

এই নির্দেশনাগুলো কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করলে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

লক্ষ্মীপুরে একই পরিবারের তিনজনকে গলা কেটে হত্যা, আশঙ্কাজনক অবস্থায় আরেকজন

বিদ্যুৎ–জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারি দপ্তরে কঠোর নির্দেশনা, ১১ দফা নির্দেশ জারি

০৭:৫৫:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬

দেশে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ পরিস্থিতি চাপের মুখে থাকায় সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত সব দপ্তরে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহারে কৃচ্ছ্রসাধনের নির্দেশ দিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে ১১ দফা নির্দেশনা জারি করে সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ, সংস্থা ও করপোরেট প্রতিষ্ঠানে তা কার্যকর করার কথা বলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে পাঠানো এক চিঠিতে কর্মকর্তাদের আরও দায়িত্বশীল ও সাশ্রয়ী আচরণের আহ্বান জানানো হয়। সেখানে বলা হয়েছে, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহারে অপ্রয়োজনীয় অপচয় বন্ধ করতে হবে এবং সরকারি দপ্তরগুলোকে আরও সচেতনভাবে কাজ করতে হবে।

দিনের আলো থাকলে বাতি বন্ধ রাখার নির্দেশ

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, দিনের বেলায় পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আলো থাকলে বিদ্যুৎবাতি ব্যবহার না করার জন্য দপ্তরগুলোকে বলা হয়েছে। কক্ষের জানালা, দরজা বা পর্দা খোলা রেখে যেন ভেতরে প্রাকৃতিক আলো প্রবেশ করতে পারে সে বিষয়েও গুরুত্ব দিতে বলা হয়েছে।

প্রয়োজন অনুযায়ী অর্ধেক বাতি ব্যবহার করা এবং অপ্রয়োজনীয় আলোর ব্যবহার বন্ধ রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অপ্রয়োজনীয় বৈদ্যুতিক যন্ত্র বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে

দপ্তরের কাজের সময় প্রয়োজনের অতিরিক্ত বাতি, পাখা, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রসহ অন্য সব বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র চালু করলে তাপমাত্রা কমপক্ষে ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে রাখার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিজ নিজ কক্ষ ছাড়ার আগে বাতি, পাখা ও শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রসহ সব বৈদ্যুতিক যন্ত্র বন্ধ করে যাওয়ার বিষয়েও নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে।

করিডর ও সিঁড়িতে অপ্রয়োজনীয় আলো বন্ধ

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, করিডর, সিঁড়ি ও ধোয়ার ঘরের মতো স্থানে অপ্রয়োজনীয় আলো ব্যবহার বন্ধ রাখতে হবে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী যন্ত্রপাতি ব্যবহারে উৎসাহ দেওয়া হয়েছে।

দপ্তরের কাজ শেষ হওয়ার পর কম্পিউটার, প্রিন্টার, স্ক্যানার, বাতি, পাখা ও শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রসহ সব বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে।

যানবাহন ব্যবহারে সংযম

সরকারি নির্দেশনায় বলা হয়েছে, অপ্রয়োজনীয় সাজসজ্জার আলোকসজ্জা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রাখতে হবে। পাশাপাশি সরকারি যানবাহনের ব্যবহার সীমিত রেখে জ্বালানি খরচ কমানোর ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে।

এই নির্দেশনাগুলো কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করলে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।