০১:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম নেপালের জেন-জি আন্দোলনের এক বছর: বদলেছে সরকার, বদলায়নি আহতদের জীবন ১৮৮ কর্মকর্তার বদলিতে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান ইরান যুদ্ধের সমীকরণ বদলে আঞ্চলিক পর্যায়ে নিয়ে গেছে: সেনা উপপ্রধান সার দিতে দেরি, ডিলারের গুদাম ভেঙে শতাধিক বস্তা সার লুট আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট গর্ভনিরোধক সরবরাহ স্বাভাবিক হবে ২-৩ মাসের মধ্যে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী হামে মৃত্যু ৯৯৭, গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৪ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৩১৪ জন পাবনায় বিএনপি নেতাকে গুলি করে কুপিয়ে হত্যা

একই ব্যক্তিকে দ্বিতীয়বার স্বাধীনতা পুরস্কার? জাফরুল্লাহ চৌধুরীর নাম ঘিরে নতুন বিতর্ক

বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য ২০২৬ সালের তালিকায় আবারও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর নাম। তবে বিষয়টি সামনে আসতেই প্রশ্ন উঠেছে—একই ব্যক্তিকে কি দ্বিতীয়বার এই সম্মাননা দেওয়া সম্ভব?

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, সমাজসেবা ও জনসেবায় অবদানের জন্য মরহুম ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীকে মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়েছে। কিন্তু সরকারি নথি বলছে, স্বাধীনতা পুরস্কার চালু হওয়ার বছর ১৯৭৭ সালেই তিনি এই সম্মাননা পেয়েছিলেন।

স্বাধীনতা পুরস্কারের ইতিহাস ও নিয়ম

স্বাধীনতা পুরস্কার বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক রাষ্ট্রীয় সম্মাননা। দেশের জন্য অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে সাধারণত একবারই এই পুরস্কার দেওয়া হয়।

সরকারি নথি অনুযায়ী, ১৯৭৭ সালে স্বাধীনতা পুরস্কারের প্রথম তালিকায় ছিলেন ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। তখন জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে বিশেষ অবদানের জন্য তাকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছিল।

এ কারণে এবার তার নাম আবার তালিকায় আসায় নীতি পরিবর্তন হয়েছে কি না, নাকি এটি কোনো প্রশাসনিক ভুল—তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

Zafrullah: Tribute to a freedom fighter and revolutionary | The Daily Star

আগের এক সিদ্ধান্তের নজির

গত বছরও একই ধরনের একটি প্রস্তাব নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক জেনারেল এম এ জি ওসমানীকে দ্বিতীয়বার স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়ার প্রস্তাব উঠেছিল।

তখন প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় এক বিবৃতিতে জানায়, বাংলাদেশের ইতিহাসে কোনো ব্যক্তি দুইবার দেশের সর্বোচ্চ এই রাষ্ট্রীয় সম্মাননা পাননি। ঐতিহ্য বজায় রাখতে সেই প্রস্তাব শেষ পর্যন্ত বাতিল করা হয়।

২০২৬ সালের তালিকায় কারা

এ বছর স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য সরকার মোট ১৫ জন ব্যক্তিকে মনোনীত করেছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াও। এছাড়া পাঁচটি প্রতিষ্ঠানও এই পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হয়েছে।

ব্যক্তিগতভাবে যাদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে, তাদের মধ্যে সাতজনকে মরণোত্তর সম্মাননা দেওয়া হচ্ছে।

তবে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর নাম দ্বিতীয়বার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে জনমনে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্ত এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।

জনপ্রিয় সংবাদ

তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম

একই ব্যক্তিকে দ্বিতীয়বার স্বাধীনতা পুরস্কার? জাফরুল্লাহ চৌধুরীর নাম ঘিরে নতুন বিতর্ক

০৩:০৭:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬

বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য ২০২৬ সালের তালিকায় আবারও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর নাম। তবে বিষয়টি সামনে আসতেই প্রশ্ন উঠেছে—একই ব্যক্তিকে কি দ্বিতীয়বার এই সম্মাননা দেওয়া সম্ভব?

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, সমাজসেবা ও জনসেবায় অবদানের জন্য মরহুম ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীকে মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়েছে। কিন্তু সরকারি নথি বলছে, স্বাধীনতা পুরস্কার চালু হওয়ার বছর ১৯৭৭ সালেই তিনি এই সম্মাননা পেয়েছিলেন।

স্বাধীনতা পুরস্কারের ইতিহাস ও নিয়ম

স্বাধীনতা পুরস্কার বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক রাষ্ট্রীয় সম্মাননা। দেশের জন্য অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে সাধারণত একবারই এই পুরস্কার দেওয়া হয়।

সরকারি নথি অনুযায়ী, ১৯৭৭ সালে স্বাধীনতা পুরস্কারের প্রথম তালিকায় ছিলেন ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। তখন জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে বিশেষ অবদানের জন্য তাকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছিল।

এ কারণে এবার তার নাম আবার তালিকায় আসায় নীতি পরিবর্তন হয়েছে কি না, নাকি এটি কোনো প্রশাসনিক ভুল—তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

Zafrullah: Tribute to a freedom fighter and revolutionary | The Daily Star

আগের এক সিদ্ধান্তের নজির

গত বছরও একই ধরনের একটি প্রস্তাব নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক জেনারেল এম এ জি ওসমানীকে দ্বিতীয়বার স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়ার প্রস্তাব উঠেছিল।

তখন প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় এক বিবৃতিতে জানায়, বাংলাদেশের ইতিহাসে কোনো ব্যক্তি দুইবার দেশের সর্বোচ্চ এই রাষ্ট্রীয় সম্মাননা পাননি। ঐতিহ্য বজায় রাখতে সেই প্রস্তাব শেষ পর্যন্ত বাতিল করা হয়।

২০২৬ সালের তালিকায় কারা

এ বছর স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য সরকার মোট ১৫ জন ব্যক্তিকে মনোনীত করেছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াও। এছাড়া পাঁচটি প্রতিষ্ঠানও এই পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হয়েছে।

ব্যক্তিগতভাবে যাদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে, তাদের মধ্যে সাতজনকে মরণোত্তর সম্মাননা দেওয়া হচ্ছে।

তবে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর নাম দ্বিতীয়বার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে জনমনে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্ত এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।