০৫:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
“আমি এ বছরই দেশে ফিরব” – শেখ হাসিনা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার চাহিদায় উড়ছে সিঙ্গাপুরের কারখানা উৎপাদন, টানা নয় মাস প্রবৃদ্ধি নামমাত্র পরিচালক হয়ে বিপাকে সিঙ্গাপুরের নারী, চাকরি হারিয়ে এখনও ১৫ প্রতিষ্ঠানের পরিচালক! নতুন শ্রবণ পরীক্ষা বুথে অপেক্ষার সময় অর্ধেক, দ্রুত সেবা পাচ্ছেন রোগীরা সিঙ্গাপুরে দুই মসজিদের সাবেক চেয়ারম্যানের কারাদণ্ড, ঠিকাদারি কাজ পাইয়ে দিতে দুর্নীতির প্রমাণ এয়ারএশিয়ার বড় সিদ্ধান্ত: ১ জুলাই থেকে বন্ধ সিঙ্গাপুর-জাকার্তা সরাসরি ফ্লাইট, বাড়বে যাত্রার সময় স্থানীয় নির্বাচনে একক প্রার্থী দিতে বহু কৌশল বিএনপির নেশার বিরুদ্ধে বড় অভিযান: ৬৮০ মিলিয়ন ডলারের মাদক আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করল মিয়ানমার পেন্টাগনের নতুন নীতি: যুদ্ধক্ষেত্রে লক্ষ্য নির্ধারণে বাড়ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভূমিকা ইসরায়েল-লেবানন সমঝোতার পথে নতুন উদ্যোগ, দক্ষিণ লেবাননে ‘হিজবুল্লাহমুক্ত অঞ্চল’ নিয়ে আলোচনা

ইসরায়েলের অস্ত্র আমদানি বৃদ্ধি

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত বৈশ্বিক অস্ত্র বাণিজ্যের ধরণ বদলে দিচ্ছে। নতুন এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ২০২১ সালের পর থেকে ইসরায়েল অস্ত্র আমদানি ও রপ্তানি—দুটিই উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যে অস্ত্র বাণিজ্যের নতুন চিত্র
স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট (সিপরি) প্রকাশিত নতুন তথ্য অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন সংঘাত আন্তর্জাতিক অস্ত্র সরবরাহের প্রবাহে বড় ধরনের প্রভাব ফেলেছে। এই সময়ে ইসরায়েল তাদের অস্ত্র আমদানি ও রপ্তানি উভয় ক্ষেত্রেই বৃদ্ধি ঘটিয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২১ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বড় ধরনের অস্ত্র স্থানান্তরের মোট ২৬ শতাংশই গেছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর কাছে। এর ফলে অঞ্চলটি ইউরোপ, এশিয়া ও ওশেনিয়ার পর বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অস্ত্রগ্রহীতা অঞ্চলে পরিণত হয়েছে।

ইসরায়েলের অস্ত্র আমদানি বৃদ্ধি

সিপরির তথ্য বলছে, ২০১৬-২০২০ সময়কালের তুলনায় ইসরায়েলের অস্ত্র আমদানি প্রায় ১২ শতাংশ বেড়েছে। এই সময়ে দেশটিতে সরবরাহ করা প্রধান সামরিক সরঞ্জামের মধ্যে রয়েছে নির্দেশিত বোমা, বিভিন্ন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র, সাঁজোয়া যান এবং যুদ্ধবিমান।

বিশেষ করে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী সাম্প্রতিক সময়ে নতুন যুদ্ধবিমানসহ বিভিন্ন উন্নত অস্ত্র ব্যবস্থা যুক্ত করেছে, যা তাদের সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক হিসেবে দেখা হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র প্রধান সরবরাহকারী
প্রতিবেদন অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর অস্ত্র আমদানির অর্ধেকেরও বেশি, অর্থাৎ প্রায় ৫৪ শতাংশ এসেছে যুক্তরাষ্ট্র থেকে। এরপর অস্ত্র সরবরাহকারী দেশের তালিকায় রয়েছে ইতালি, ফ্রান্স এবং জার্মানি।

বিশ্লেষকদের মতে, আঞ্চলিক সংঘাত ও নিরাপত্তা উদ্বেগ বৃদ্ধির ফলে মধ্যপ্রাচ্যে অস্ত্রের চাহিদা ক্রমেই বাড়ছে। এর ফলে বৈশ্বিক অস্ত্র বাজারেও বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

“আমি এ বছরই দেশে ফিরব” – শেখ হাসিনা

ইসরায়েলের অস্ত্র আমদানি বৃদ্ধি

০৪:২১:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত বৈশ্বিক অস্ত্র বাণিজ্যের ধরণ বদলে দিচ্ছে। নতুন এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ২০২১ সালের পর থেকে ইসরায়েল অস্ত্র আমদানি ও রপ্তানি—দুটিই উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যে অস্ত্র বাণিজ্যের নতুন চিত্র
স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট (সিপরি) প্রকাশিত নতুন তথ্য অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন সংঘাত আন্তর্জাতিক অস্ত্র সরবরাহের প্রবাহে বড় ধরনের প্রভাব ফেলেছে। এই সময়ে ইসরায়েল তাদের অস্ত্র আমদানি ও রপ্তানি উভয় ক্ষেত্রেই বৃদ্ধি ঘটিয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২১ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বড় ধরনের অস্ত্র স্থানান্তরের মোট ২৬ শতাংশই গেছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর কাছে। এর ফলে অঞ্চলটি ইউরোপ, এশিয়া ও ওশেনিয়ার পর বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অস্ত্রগ্রহীতা অঞ্চলে পরিণত হয়েছে।

ইসরায়েলের অস্ত্র আমদানি বৃদ্ধি

সিপরির তথ্য বলছে, ২০১৬-২০২০ সময়কালের তুলনায় ইসরায়েলের অস্ত্র আমদানি প্রায় ১২ শতাংশ বেড়েছে। এই সময়ে দেশটিতে সরবরাহ করা প্রধান সামরিক সরঞ্জামের মধ্যে রয়েছে নির্দেশিত বোমা, বিভিন্ন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র, সাঁজোয়া যান এবং যুদ্ধবিমান।

বিশেষ করে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী সাম্প্রতিক সময়ে নতুন যুদ্ধবিমানসহ বিভিন্ন উন্নত অস্ত্র ব্যবস্থা যুক্ত করেছে, যা তাদের সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক হিসেবে দেখা হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র প্রধান সরবরাহকারী
প্রতিবেদন অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর অস্ত্র আমদানির অর্ধেকেরও বেশি, অর্থাৎ প্রায় ৫৪ শতাংশ এসেছে যুক্তরাষ্ট্র থেকে। এরপর অস্ত্র সরবরাহকারী দেশের তালিকায় রয়েছে ইতালি, ফ্রান্স এবং জার্মানি।

বিশ্লেষকদের মতে, আঞ্চলিক সংঘাত ও নিরাপত্তা উদ্বেগ বৃদ্ধির ফলে মধ্যপ্রাচ্যে অস্ত্রের চাহিদা ক্রমেই বাড়ছে। এর ফলে বৈশ্বিক অস্ত্র বাজারেও বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে।