০১:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের ধাক্কা: সার-সংকটের শঙ্কায় বৈশ্বিক খাদ্য সরবরাহ, ক্ষুধার ঝুঁকিতে দরিদ্র দেশ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জোয়ারে ওরাকলের বড় উত্থান, ২০২৭ সালের আগেই আয়ে নতুন রেকর্ডের ইঙ্গিত পিরিয়ড ট্যাক্সের বিরুদ্ধে তরুণ আইনজীবী মাহনূর ওমরের লড়াই, পাকিস্তানে শুরু নতুন জাতীয় বিতর্ক ১.৭৫ ট্রিলিয়ন ডলারের লক্ষ্য: বিশ্বের বৃহত্তম শেয়ার বাজারে নামতে প্রস্তুত ইলন মাস্কের স্পেসএক্স ক্রিপ্টো দুনিয়ায় দ্রুত উত্থান ‘স্টেবলকয়েন’-এর, ডলার নির্ভর এই মুদ্রা ঘিরে বাড়ছে ঝুঁকি ও সম্ভাবনার বিতর্ক ইরানপন্থী সমাবেশের আশঙ্কা, লন্ডনে ফিলিস্তিনপন্থী মিছিল নিষিদ্ধ করলেন ব্রিটেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রোমানিয়ায় মার্কিন সেনা উপস্থিতি বাড়ানোর অনুমোদন হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ; তেল ছাড়তে প্রস্তুত জাপান ও জার্মানি সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকের জামিন, মুক্তিতে বাধা নেই থাইল্যান্ডের জাহাজে হরমুজ প্রণালীতে অজ্ঞাত হামলা, নিখোঁজ তিন নাবিক

হরমুজ প্রণালি বন্ধের পর তেলের বিকল্প পথ খুঁজছে পাকিস্তান, সৌদি লোহিত সাগর রুটে নজর

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর ইরানের সঙ্গে উত্তেজনা বাড়তে থাকায় হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলে বড় ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে পাকিস্তান এখন সৌদি আরবের লোহিত সাগর রুট ব্যবহার করে তেল আমদানির বিকল্প পথ খুঁজছে। একই সঙ্গে দেশজুড়ে জ্বালানি ব্যবহার কমাতে সরকার অস্বাভাবিক ও কঠোর সংরক্ষণমূলক পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

বুধবার পাকিস্তানের জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী আলি পারভেজ মালিক ইসলামাবাদে নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূত নওয়াফ বিন সাঈদ আল-মালকির সঙ্গে বৈঠকে সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর দিয়ে বিকল্প তেল সরবরাহের ব্যবস্থা করতে অনুরোধ জানান। ইরান মঙ্গলবার ঘোষণা করে যে তারা হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিয়েছে।

হরমুজ প্রণালি বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের একটি গুরুত্বপূর্ণ পথ। সবচেয়ে সরু স্থানে এর প্রস্থ প্রায় ৩৩ কিলোমিটার। প্রতিদিন বিশ্বের মোট তেল ব্যবহারের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়।

Pakistan seeks Saudi Red Sea route for oil after Iran closes Hormuz - Nikkei Asia

পাকিস্তানের জ্বালানি নির্ভরতা ও ঝুঁকি

বিশ্বের তুলনায় পাকিস্তানের জন্য হরমুজ প্রণালির গুরুত্ব আরও বেশি। ২০২৪ সালের জুলাই থেকে ২০২৫ সালের মার্চ পর্যন্ত দেশটি প্রায় ১৩.২ মিলিয়ন মেট্রিক টন পেট্রোলিয়াম পণ্য ব্যবহার করেছে, যার মধ্যে ৮০ শতাংশেরও বেশি আমদানি করা।

জেএস গ্লোবাল ক্যাপিটালের গবেষণা প্রধান ওয়াকাস গনি জানিয়েছেন, পাকিস্তানের প্রায় ৮০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল হরমুজ প্রণালি দিয়েই আসে। তার মতে, যদি দীর্ঘ সময় এই পথ বন্ধ থাকে তবে তেলবাহী জাহাজ বিলম্বিত হবে, পরিবহন ও বীমা ব্যয় বেড়ে যাবে এবং দ্রুতই পাকিস্তানের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা সংকটে পড়বে।

প্রাকৃতিক গ্যাসের ক্ষেত্রেও পাকিস্তান আংশিকভাবে আমদানির ওপর নির্ভরশীল। বছরে প্রায় ১.১৫ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস ব্যবহার হয়, যার প্রায় এক-চতুর্থাংশ তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস হিসেবে আমদানি করা হয়। এই এলএনজির প্রধান সরবরাহকারী দেশ কাতার।

জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা

দেশটিতে ইতোমধ্যে জ্বালানি সংকটের ইঙ্গিত দেখা যাচ্ছে। পাকিস্তান পেট্রোলিয়াম ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশন বৃহস্পতিবার অভিযোগ করেছে, তেল কোম্পানিগুলো সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে। তারা সতর্ক করে বলেছে, দ্রুত সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে কয়েক দিনের মধ্যেই অনেক পেট্রোল পাম্প বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

Pakistan holds adequate petrol, diesel stocks, OGRA says - Profit by Pakistan Today

পাকিস্তানের তেল ও গ্যাস নিয়ন্ত্রক সংস্থা জানিয়েছে, দেশে বর্তমানে পর্যাপ্ত তেলের মজুত রয়েছে। তবে তারা স্বীকার করেছে, এই মজুত দিয়ে সর্বোচ্চ ২৮ দিনের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব।

জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারের জরুরি পরিকল্পনা

সরকার পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিভিন্ন কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার পরিকল্পনা করছে। এর মধ্যে রয়েছে প্রতি সপ্তাহে জ্বালানির দাম সমন্বয় করা, যাতে আন্তর্জাতিক বাজারে আমদানি ব্যয় বেড়ে গেলে তেল কোম্পানিগুলো ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।

এ ছাড়া অফিসে বাসা থেকে কাজ এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইন শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনাও রয়েছে, যাতে যাতায়াত কমে এবং জ্বালানি খরচ হ্রাস পায়। প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের অনুমোদন পেলেই এসব ব্যবস্থা কার্যকর করা হবে।

এরই মধ্যে শুক্রবার গভীর রাতে সরকার পেট্রোল ও ডিজেলের দাম ৫৫ রুপি বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে।

মুদ্রাস্ফীতি বাড়ার আশঙ্কা

Energy Levels Dropping: Why Pakistan's Implosion Might Be Closer Than You Think

অর্থনীতিবিদরা আশঙ্কা করছেন, দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি সংকট পাকিস্তানে নতুন করে উচ্চ মুদ্রাস্ফীতির চাপ তৈরি করবে।

ইসলামাবাদভিত্তিক অর্থনীতিবিদ ভাকার আহমেদের মতে, যদি হরমুজ প্রণালি দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকে তবে তেলের দাম দ্রুত বাড়বে এবং সরকারকে প্রতি সপ্তাহে লিটারপ্রতি ২৫ থেকে ৫০ রুপি পর্যন্ত দাম বাড়াতে হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, শিল্প খাতে এলএনজি সরবরাহ কমে গেলে বিদ্যুৎ বিভ্রাট বাড়তে পারে। এতে পাকিস্তানের গুরুত্বপূর্ণ টেক্সটাইল রপ্তানি শিল্প বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হবে, যা দেশটির বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের প্রধান উৎস।

ওয়াকাস গনির হিসাব অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম প্রতি ব্যারেল ১০ ডলার বাড়লে পাকিস্তানের মুদ্রাস্ফীতি প্রায় ০.৫ থেকে ০.৬ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। চলতি বছরের জানুয়ারিতে দেশটির খুচরা মুদ্রাস্ফীতি ছিল ৫.৮ শতাংশ।

এলএনজি সরবরাহ নিয়ে নতুন উদ্বেগ

গবেষক উমের করিম জানিয়েছেন, সৌদি আরবের লোহিত সাগর উপকূল থেকে তেল পরিবহন করা সম্ভব হলেও এলএনজি সরবরাহ নিয়ে বড় ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

Pakistan seeks Saudi Red Sea route for oil after Iran closes Hormuz - Nikkei Asia

ইরানের হামলার পর কাতার গ্যাস রপ্তানিতে ‘ফোর্স মেজর’ ঘোষণা করেছে এবং তরলীকরণ কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ করেছে। ফলে হরমুজ প্রণালি বন্ধের পাশাপাশি কাতারের এলএনজি অবকাঠামোও অচল হয়ে পড়ায় নতুন গ্যাসবাহী জাহাজ পাঠানো সম্ভব হবে কি না, তা অনিশ্চিত হয়ে গেছে।

বিকল্প জ্বালানি উৎস খুঁজছে পাকিস্তান

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু উপসাগরীয় অঞ্চলের ওপ%A

জনপ্রিয় সংবাদ

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের ধাক্কা: সার-সংকটের শঙ্কায় বৈশ্বিক খাদ্য সরবরাহ, ক্ষুধার ঝুঁকিতে দরিদ্র দেশ

হরমুজ প্রণালি বন্ধের পর তেলের বিকল্প পথ খুঁজছে পাকিস্তান, সৌদি লোহিত সাগর রুটে নজর

০৪:৫৭:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর ইরানের সঙ্গে উত্তেজনা বাড়তে থাকায় হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলে বড় ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে পাকিস্তান এখন সৌদি আরবের লোহিত সাগর রুট ব্যবহার করে তেল আমদানির বিকল্প পথ খুঁজছে। একই সঙ্গে দেশজুড়ে জ্বালানি ব্যবহার কমাতে সরকার অস্বাভাবিক ও কঠোর সংরক্ষণমূলক পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

বুধবার পাকিস্তানের জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী আলি পারভেজ মালিক ইসলামাবাদে নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূত নওয়াফ বিন সাঈদ আল-মালকির সঙ্গে বৈঠকে সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর দিয়ে বিকল্প তেল সরবরাহের ব্যবস্থা করতে অনুরোধ জানান। ইরান মঙ্গলবার ঘোষণা করে যে তারা হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিয়েছে।

হরমুজ প্রণালি বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের একটি গুরুত্বপূর্ণ পথ। সবচেয়ে সরু স্থানে এর প্রস্থ প্রায় ৩৩ কিলোমিটার। প্রতিদিন বিশ্বের মোট তেল ব্যবহারের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়।

Pakistan seeks Saudi Red Sea route for oil after Iran closes Hormuz - Nikkei Asia

পাকিস্তানের জ্বালানি নির্ভরতা ও ঝুঁকি

বিশ্বের তুলনায় পাকিস্তানের জন্য হরমুজ প্রণালির গুরুত্ব আরও বেশি। ২০২৪ সালের জুলাই থেকে ২০২৫ সালের মার্চ পর্যন্ত দেশটি প্রায় ১৩.২ মিলিয়ন মেট্রিক টন পেট্রোলিয়াম পণ্য ব্যবহার করেছে, যার মধ্যে ৮০ শতাংশেরও বেশি আমদানি করা।

জেএস গ্লোবাল ক্যাপিটালের গবেষণা প্রধান ওয়াকাস গনি জানিয়েছেন, পাকিস্তানের প্রায় ৮০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল হরমুজ প্রণালি দিয়েই আসে। তার মতে, যদি দীর্ঘ সময় এই পথ বন্ধ থাকে তবে তেলবাহী জাহাজ বিলম্বিত হবে, পরিবহন ও বীমা ব্যয় বেড়ে যাবে এবং দ্রুতই পাকিস্তানের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা সংকটে পড়বে।

প্রাকৃতিক গ্যাসের ক্ষেত্রেও পাকিস্তান আংশিকভাবে আমদানির ওপর নির্ভরশীল। বছরে প্রায় ১.১৫ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস ব্যবহার হয়, যার প্রায় এক-চতুর্থাংশ তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস হিসেবে আমদানি করা হয়। এই এলএনজির প্রধান সরবরাহকারী দেশ কাতার।

জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা

দেশটিতে ইতোমধ্যে জ্বালানি সংকটের ইঙ্গিত দেখা যাচ্ছে। পাকিস্তান পেট্রোলিয়াম ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশন বৃহস্পতিবার অভিযোগ করেছে, তেল কোম্পানিগুলো সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে। তারা সতর্ক করে বলেছে, দ্রুত সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে কয়েক দিনের মধ্যেই অনেক পেট্রোল পাম্প বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

Pakistan holds adequate petrol, diesel stocks, OGRA says - Profit by Pakistan Today

পাকিস্তানের তেল ও গ্যাস নিয়ন্ত্রক সংস্থা জানিয়েছে, দেশে বর্তমানে পর্যাপ্ত তেলের মজুত রয়েছে। তবে তারা স্বীকার করেছে, এই মজুত দিয়ে সর্বোচ্চ ২৮ দিনের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব।

জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারের জরুরি পরিকল্পনা

সরকার পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিভিন্ন কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার পরিকল্পনা করছে। এর মধ্যে রয়েছে প্রতি সপ্তাহে জ্বালানির দাম সমন্বয় করা, যাতে আন্তর্জাতিক বাজারে আমদানি ব্যয় বেড়ে গেলে তেল কোম্পানিগুলো ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।

এ ছাড়া অফিসে বাসা থেকে কাজ এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইন শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনাও রয়েছে, যাতে যাতায়াত কমে এবং জ্বালানি খরচ হ্রাস পায়। প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের অনুমোদন পেলেই এসব ব্যবস্থা কার্যকর করা হবে।

এরই মধ্যে শুক্রবার গভীর রাতে সরকার পেট্রোল ও ডিজেলের দাম ৫৫ রুপি বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে।

মুদ্রাস্ফীতি বাড়ার আশঙ্কা

Energy Levels Dropping: Why Pakistan's Implosion Might Be Closer Than You Think

অর্থনীতিবিদরা আশঙ্কা করছেন, দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি সংকট পাকিস্তানে নতুন করে উচ্চ মুদ্রাস্ফীতির চাপ তৈরি করবে।

ইসলামাবাদভিত্তিক অর্থনীতিবিদ ভাকার আহমেদের মতে, যদি হরমুজ প্রণালি দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকে তবে তেলের দাম দ্রুত বাড়বে এবং সরকারকে প্রতি সপ্তাহে লিটারপ্রতি ২৫ থেকে ৫০ রুপি পর্যন্ত দাম বাড়াতে হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, শিল্প খাতে এলএনজি সরবরাহ কমে গেলে বিদ্যুৎ বিভ্রাট বাড়তে পারে। এতে পাকিস্তানের গুরুত্বপূর্ণ টেক্সটাইল রপ্তানি শিল্প বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হবে, যা দেশটির বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের প্রধান উৎস।

ওয়াকাস গনির হিসাব অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম প্রতি ব্যারেল ১০ ডলার বাড়লে পাকিস্তানের মুদ্রাস্ফীতি প্রায় ০.৫ থেকে ০.৬ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। চলতি বছরের জানুয়ারিতে দেশটির খুচরা মুদ্রাস্ফীতি ছিল ৫.৮ শতাংশ।

এলএনজি সরবরাহ নিয়ে নতুন উদ্বেগ

গবেষক উমের করিম জানিয়েছেন, সৌদি আরবের লোহিত সাগর উপকূল থেকে তেল পরিবহন করা সম্ভব হলেও এলএনজি সরবরাহ নিয়ে বড় ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

Pakistan seeks Saudi Red Sea route for oil after Iran closes Hormuz - Nikkei Asia

ইরানের হামলার পর কাতার গ্যাস রপ্তানিতে ‘ফোর্স মেজর’ ঘোষণা করেছে এবং তরলীকরণ কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ করেছে। ফলে হরমুজ প্রণালি বন্ধের পাশাপাশি কাতারের এলএনজি অবকাঠামোও অচল হয়ে পড়ায় নতুন গ্যাসবাহী জাহাজ পাঠানো সম্ভব হবে কি না, তা অনিশ্চিত হয়ে গেছে।

বিকল্প জ্বালানি উৎস খুঁজছে পাকিস্তান

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু উপসাগরীয় অঞ্চলের ওপ%A