০৭:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক ক্যানসারে আক্রান্ত ‘ইভিল ডেড’ তারকা ব্রুস ক্যাম্পবেল, বললেন বাঁচার সময় পাঁচ বছর

ঢাকা-দিল্লির ভৌগোলিক নৈকট্য নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনায় রূপ নিতে পারে: প্রণয় ভার্মা

ঢাকা ও দিল্লির ভৌগোলিক নৈকট্যকে কাজে লাগিয়ে নতুন অর্থনৈতিক সুযোগ সৃষ্টি করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা। তিনি বলেছেন, ভবিষ্যতমুখী এবং জনগণকেন্দ্রিক কর্মসূচি গ্রহণ করলে দুই দেশ এই সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে পারবে।

রবিবার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

আর্থিক খাতে সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা

বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে আর্থিক খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়টি গুরুত্ব পায়। পাশাপাশি ডিজিটাল অর্থনীতি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো নতুন ক্ষেত্রেও সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়।

এছাড়া ব্যবসা পরিচালনা আরও সহজ করার উপায় নিয়েও কথা হয়, যাতে দুই দেশের মধ্যে বিনিয়োগ বৃদ্ধি পায় এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও গভীর হয়।

বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের উদ্যোগ

বৈঠকে দুই প্রতিবেশী দেশের বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার বিভিন্ন উপায় নিয়ে আলোচনা করা হয়। একই সঙ্গে দুই দেশের ব্যবসায়িক যোগাযোগকে আরও সহজ ও কার্যকর করার দিকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

প্রণয় ভার্মা বলেন, বর্তমানে বিভিন্ন মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য চলছে। তবে ব্যবসা পরিচালনা সহজ করার মাধ্যমে এই বাণিজ্য আরও সম্প্রসারণ করা সম্ভব।

তিনি বলেন, “আমাদের মূল লক্ষ্য হলো কীভাবে দুই দেশের বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করা যায়, অর্থনৈতিক যোগাযোগ বাড়ানো যায় এবং সহযোগিতা আরও বিস্তৃত করা যায়।”

প্রযুক্তি ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তির গুরুত্ব

বৈঠকে আর্থিক খাতে সহযোগিতা, কর সংস্কার এবং প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। এর মাধ্যমে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে আরও বেশি মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

প্রণয় ভার্মা ভারতের আর্থিক অন্তর্ভুক্তির সফল অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন এবং আলোচনাকে অত্যন্ত ইতিবাচক ও ভবিষ্যতমুখী বলে উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত—উভয় দেশই বড় অর্থনীতির দেশ এবং ভবিষ্যতকেন্দ্রিক সমাজ। তাই পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করার বড় সুযোগ রয়েছে।

ইফতার অনুষ্ঠানে নতুন ভবিষ্যতের কথা

এর আগে এক ইফতার অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে প্রণয় ভার্মা বলেন, উন্নয়নমুখী দুটি সমাজ হিসেবে ভারত ও বাংলাদেশ এমন এক নতুন সময়ের সামনে দাঁড়িয়ে আছে, যেখানে পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে তারা একে অপরকে এবং পুরো অঞ্চলে যৌথ সমৃদ্ধি উপহার দিতে পারে।

তিনি আরও বলেন, একটি গণতান্ত্রিক, স্থিতিশীল, শান্তিপূর্ণ, প্রগতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের প্রতি ভারতের সমর্থন রয়েছে।

ইফতার অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিপুলসংখ্যক মানুষের উপস্থিতিকে তিনি দুই দেশের বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার যৌথ অঙ্গীকারের প্রতিফলন বলে উল্লেখ করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব

ঢাকা-দিল্লির ভৌগোলিক নৈকট্য নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনায় রূপ নিতে পারে: প্রণয় ভার্মা

০৭:২৫:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬

ঢাকা ও দিল্লির ভৌগোলিক নৈকট্যকে কাজে লাগিয়ে নতুন অর্থনৈতিক সুযোগ সৃষ্টি করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা। তিনি বলেছেন, ভবিষ্যতমুখী এবং জনগণকেন্দ্রিক কর্মসূচি গ্রহণ করলে দুই দেশ এই সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে পারবে।

রবিবার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

আর্থিক খাতে সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা

বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে আর্থিক খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়টি গুরুত্ব পায়। পাশাপাশি ডিজিটাল অর্থনীতি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো নতুন ক্ষেত্রেও সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়।

এছাড়া ব্যবসা পরিচালনা আরও সহজ করার উপায় নিয়েও কথা হয়, যাতে দুই দেশের মধ্যে বিনিয়োগ বৃদ্ধি পায় এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও গভীর হয়।

বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের উদ্যোগ

বৈঠকে দুই প্রতিবেশী দেশের বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার বিভিন্ন উপায় নিয়ে আলোচনা করা হয়। একই সঙ্গে দুই দেশের ব্যবসায়িক যোগাযোগকে আরও সহজ ও কার্যকর করার দিকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

প্রণয় ভার্মা বলেন, বর্তমানে বিভিন্ন মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য চলছে। তবে ব্যবসা পরিচালনা সহজ করার মাধ্যমে এই বাণিজ্য আরও সম্প্রসারণ করা সম্ভব।

তিনি বলেন, “আমাদের মূল লক্ষ্য হলো কীভাবে দুই দেশের বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করা যায়, অর্থনৈতিক যোগাযোগ বাড়ানো যায় এবং সহযোগিতা আরও বিস্তৃত করা যায়।”

প্রযুক্তি ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তির গুরুত্ব

বৈঠকে আর্থিক খাতে সহযোগিতা, কর সংস্কার এবং প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। এর মাধ্যমে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে আরও বেশি মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

প্রণয় ভার্মা ভারতের আর্থিক অন্তর্ভুক্তির সফল অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন এবং আলোচনাকে অত্যন্ত ইতিবাচক ও ভবিষ্যতমুখী বলে উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত—উভয় দেশই বড় অর্থনীতির দেশ এবং ভবিষ্যতকেন্দ্রিক সমাজ। তাই পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করার বড় সুযোগ রয়েছে।

ইফতার অনুষ্ঠানে নতুন ভবিষ্যতের কথা

এর আগে এক ইফতার অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে প্রণয় ভার্মা বলেন, উন্নয়নমুখী দুটি সমাজ হিসেবে ভারত ও বাংলাদেশ এমন এক নতুন সময়ের সামনে দাঁড়িয়ে আছে, যেখানে পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে তারা একে অপরকে এবং পুরো অঞ্চলে যৌথ সমৃদ্ধি উপহার দিতে পারে।

তিনি আরও বলেন, একটি গণতান্ত্রিক, স্থিতিশীল, শান্তিপূর্ণ, প্রগতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের প্রতি ভারতের সমর্থন রয়েছে।

ইফতার অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিপুলসংখ্যক মানুষের উপস্থিতিকে তিনি দুই দেশের বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার যৌথ অঙ্গীকারের প্রতিফলন বলে উল্লেখ করেন।