০৭:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬
১৩০ বছরের ঐতিহাসিক ঘড়ির নতুন জীবন, যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০ বছর উদযাপনে বিশেষ আয়োজন তুরস্ককে ৭০ কোটি ডলারের জেট ইঞ্জিন বিক্রিতে এগোচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র দুর্যোগের দিনে টিকে থাকার পাঠ: কেন বাড়ছে জরুরি প্রস্তুতির গুরুত্ব বিশ্বকাপের বল নিয়ে গোলরক্ষকদের দুশ্চিন্তা, প্রশ্নের উত্তর দিলেন জো হার্ট ২০৩৮ বিশ্বকাপ আয়োজনেও আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র, জানালেন ট্রাম্পের উপদেষ্টা সিয়াটলে ইরান-মিসর ম্যাচ ঘিরে বিতর্ক, রংধনু পতাকা নিয়ে ফিফার সিদ্ধান্তে উত্তেজনা মোজার্টের অজানা সুরের খাতা আবিষ্কার, মিলল সাতটি নতুন সংগীতকর্ম ত্যাগ চাই মর্সিয়া ক্রন্দন চাই না টেনেসি উইলিয়ামসের নাটক থেকে অপেরা: পাখি, অন্ধকার রহস্য আর গথিক আবহে নতুন রূপ ইউরোপে রেকর্ডভাঙা তাপপ্রবাহ, জলবায়ু পরিবর্তন ছাড়া ‘প্রায় অসম্ভব’ বলছেন বিজ্ঞানীরা

ভারতে ধরা পড়ল হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম

রাজনৈতিক কর্মী শরীফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগীকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সীমান্ত এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির বিশেষ পুলিশ দল। সীমান্ত পেরিয়ে পালিয়ে যাওয়ার পর গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তাদের আটক করা হয় বলে জানা গেছে।

পশ্চিমবঙ্গে অভিযান, দুই বাংলাদেশি গ্রেপ্তার

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ সীমান্ত এলাকা থেকে ফয়সাল করিম মাসুদ ও আলমগীর হোসেন নামে দুই বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ফয়সাল করিম মাসুদ পটুয়াখালীর বাসিন্দা এবং আলমগীর হোসেন ঢাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।

ভারতের বিশেষ পুলিশ দল জানায়, গুরুতর অপরাধে জড়িত দুই বাংলাদেশি সীমান্ত পেরিয়ে অবৈধভাবে ভারতে ঢুকেছে—এমন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। রোববার ভোরে তাদের আটক করা হয়।

জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে আসে হত্যার তথ্য

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, ফয়সাল করিম মাসুদ, যিনি রাহুল নামেও পরিচিত, তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে নিয়ে রাজনৈতিক কর্মী শরীফ ওসমান বিন হাদিকে হত্যা করেন। ঘটনার পর তারা বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে যায়।

তারা মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করে বিভিন্ন স্থানে অবস্থান পরিবর্তন করে পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ এলাকায় পৌঁছায়। পরে আবার বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল বলেও জানানো হয়েছে।

ভারতে মামলা, পুলিশের হেফাজতে আসামি

এই ঘটনায় ভারতে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। রোববার গ্রেপ্তার দুইজনকে আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাদের পুলিশ হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এ ঘটনায় আরও তদন্ত চলছে।

ঢাকায় গুলিবিদ্ধ হয়ে পরে মৃত্যু

গত ১২ ডিসেম্বর ঢাকার পল্টন মডেল থানার বক্স কালভার্ট সড়কে শরীফ ওসমান বিন হাদিকে গুলি করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়।

চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর রাতে সিঙ্গাপুরের একটি হাসপাতালে তিনি মারা যান।

ঘটনার পর ১৪ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের পল্টন থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা করেন। পরে তা হত্যা মামলায় রূপান্তর করা হয়।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

১৩০ বছরের ঐতিহাসিক ঘড়ির নতুন জীবন, যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০ বছর উদযাপনে বিশেষ আয়োজন

ভারতে ধরা পড়ল হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম

১০:৪৯:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬

রাজনৈতিক কর্মী শরীফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগীকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সীমান্ত এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির বিশেষ পুলিশ দল। সীমান্ত পেরিয়ে পালিয়ে যাওয়ার পর গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তাদের আটক করা হয় বলে জানা গেছে।

পশ্চিমবঙ্গে অভিযান, দুই বাংলাদেশি গ্রেপ্তার

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ সীমান্ত এলাকা থেকে ফয়সাল করিম মাসুদ ও আলমগীর হোসেন নামে দুই বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ফয়সাল করিম মাসুদ পটুয়াখালীর বাসিন্দা এবং আলমগীর হোসেন ঢাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।

ভারতের বিশেষ পুলিশ দল জানায়, গুরুতর অপরাধে জড়িত দুই বাংলাদেশি সীমান্ত পেরিয়ে অবৈধভাবে ভারতে ঢুকেছে—এমন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। রোববার ভোরে তাদের আটক করা হয়।

জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে আসে হত্যার তথ্য

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, ফয়সাল করিম মাসুদ, যিনি রাহুল নামেও পরিচিত, তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে নিয়ে রাজনৈতিক কর্মী শরীফ ওসমান বিন হাদিকে হত্যা করেন। ঘটনার পর তারা বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে যায়।

তারা মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করে বিভিন্ন স্থানে অবস্থান পরিবর্তন করে পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ এলাকায় পৌঁছায়। পরে আবার বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল বলেও জানানো হয়েছে।

ভারতে মামলা, পুলিশের হেফাজতে আসামি

এই ঘটনায় ভারতে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। রোববার গ্রেপ্তার দুইজনকে আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাদের পুলিশ হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এ ঘটনায় আরও তদন্ত চলছে।

ঢাকায় গুলিবিদ্ধ হয়ে পরে মৃত্যু

গত ১২ ডিসেম্বর ঢাকার পল্টন মডেল থানার বক্স কালভার্ট সড়কে শরীফ ওসমান বিন হাদিকে গুলি করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়।

চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর রাতে সিঙ্গাপুরের একটি হাসপাতালে তিনি মারা যান।

ঘটনার পর ১৪ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের পল্টন থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা করেন। পরে তা হত্যা মামলায় রূপান্তর করা হয়।