০৭:৩০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬
১৩০ বছরের ঐতিহাসিক ঘড়ির নতুন জীবন, যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০ বছর উদযাপনে বিশেষ আয়োজন তুরস্ককে ৭০ কোটি ডলারের জেট ইঞ্জিন বিক্রিতে এগোচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র দুর্যোগের দিনে টিকে থাকার পাঠ: কেন বাড়ছে জরুরি প্রস্তুতির গুরুত্ব বিশ্বকাপের বল নিয়ে গোলরক্ষকদের দুশ্চিন্তা, প্রশ্নের উত্তর দিলেন জো হার্ট ২০৩৮ বিশ্বকাপ আয়োজনেও আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র, জানালেন ট্রাম্পের উপদেষ্টা সিয়াটলে ইরান-মিসর ম্যাচ ঘিরে বিতর্ক, রংধনু পতাকা নিয়ে ফিফার সিদ্ধান্তে উত্তেজনা মোজার্টের অজানা সুরের খাতা আবিষ্কার, মিলল সাতটি নতুন সংগীতকর্ম ত্যাগ চাই মর্সিয়া ক্রন্দন চাই না টেনেসি উইলিয়ামসের নাটক থেকে অপেরা: পাখি, অন্ধকার রহস্য আর গথিক আবহে নতুন রূপ ইউরোপে রেকর্ডভাঙা তাপপ্রবাহ, জলবায়ু পরিবর্তন ছাড়া ‘প্রায় অসম্ভব’ বলছেন বিজ্ঞানীরা

বেসরকারি খাতই প্রবৃদ্ধির মূল চালিকা শক্তি, বিনিয়োগে সর্বোচ্চ গুরুত্ব সরকারের

দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির প্রধান শক্তি হিসেবে বেসরকারি খাতকে উল্লেখ করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, বাণিজ্য, শিল্প ও বিনিয়োগকে এগিয়ে নিতে সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে এবং এ লক্ষ্যে নানা উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

রোববার সচিবালয়ে নিজের কার্যালয়ে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি তাসকীন আহমেদের সঙ্গে এক বৈঠকে এসব কথা বলেন তিনি।

বেসরকারি খাতকে ঘিরে সরকারের অগ্রাধিকার

অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী ও টেকসই করতে বেসরকারি খাতের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নত করা, বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং শিল্পখাতকে গতিশীল করার দিকেই সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।

তিনি জানান, পুঁজিবাজারকে আরও প্রাণবন্ত করা এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংককে বেসরকারি খাতবান্ধব করে গড়ে তুলতে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করছে।

ঋণপ্রবাহ বাড়াতে উদ্যোগ

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, বিনিয়োগ বাড়াতে বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ বৃদ্ধি এবং ঋণ পাওয়ার শর্ত সহজ করার বিষয়টিও সরকারের অগ্রাধিকারের তালিকায় রয়েছে। এর মাধ্যমে উদ্যোক্তারা আরও সহজে অর্থায়ন পাবে এবং নতুন বিনিয়োগ বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরানোর প্রস্তাব

বৈঠকে ঢাকা চেম্বারের সভাপতি তাসকীন আহমেদ বলেন, দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে আর্থিক খাতকে আরও শক্তিশালী করা জরুরি। একই সঙ্গে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য নীতিগত সহায়তা প্রয়োজন।

তিনি নীতিগত সুদের হার ধীরে ধীরে কমানোর প্রস্তাব দেন, যাতে ঋণের সুদের হার কমে এবং বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ বাড়ে।

ঋণখেলাপিদের বিষয়ে পুনর্বিবেচনার আহ্বান

তাসকীন বলেন, প্রকৃত বা অনিচ্ছাকৃত ঋণখেলাপিদের ক্ষেত্রে ঋণ পুনঃতফসিল সুবিধা নতুনভাবে বিবেচনা করা যেতে পারে। ঋণ শ্রেণিকরণের সময়সীমা বাড়ালে অনেক উদ্যোক্তা নতুন করে ব্যবসা চালিয়ে যেতে পারবেন।

তিনি আরও বলেন, আর্থিক নীতি, রাজস্ব নীতি ও কাঠামোগত সংস্কার সমন্বয়ের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনা, আর্থিক স্থিতিশীলতা শক্তিশালী করা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা সম্ভব।

বৈঠকে ঢাকা চেম্বারের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি রাজীব এইচ চৌধুরী ও সহসভাপতি মোহাম্মদ সালেম সোলাইমান উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

১৩০ বছরের ঐতিহাসিক ঘড়ির নতুন জীবন, যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০ বছর উদযাপনে বিশেষ আয়োজন

বেসরকারি খাতই প্রবৃদ্ধির মূল চালিকা শক্তি, বিনিয়োগে সর্বোচ্চ গুরুত্ব সরকারের

১১:২৯:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬

দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির প্রধান শক্তি হিসেবে বেসরকারি খাতকে উল্লেখ করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, বাণিজ্য, শিল্প ও বিনিয়োগকে এগিয়ে নিতে সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে এবং এ লক্ষ্যে নানা উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

রোববার সচিবালয়ে নিজের কার্যালয়ে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি তাসকীন আহমেদের সঙ্গে এক বৈঠকে এসব কথা বলেন তিনি।

বেসরকারি খাতকে ঘিরে সরকারের অগ্রাধিকার

অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী ও টেকসই করতে বেসরকারি খাতের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নত করা, বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং শিল্পখাতকে গতিশীল করার দিকেই সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।

তিনি জানান, পুঁজিবাজারকে আরও প্রাণবন্ত করা এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংককে বেসরকারি খাতবান্ধব করে গড়ে তুলতে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করছে।

ঋণপ্রবাহ বাড়াতে উদ্যোগ

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, বিনিয়োগ বাড়াতে বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ বৃদ্ধি এবং ঋণ পাওয়ার শর্ত সহজ করার বিষয়টিও সরকারের অগ্রাধিকারের তালিকায় রয়েছে। এর মাধ্যমে উদ্যোক্তারা আরও সহজে অর্থায়ন পাবে এবং নতুন বিনিয়োগ বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরানোর প্রস্তাব

বৈঠকে ঢাকা চেম্বারের সভাপতি তাসকীন আহমেদ বলেন, দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে আর্থিক খাতকে আরও শক্তিশালী করা জরুরি। একই সঙ্গে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য নীতিগত সহায়তা প্রয়োজন।

তিনি নীতিগত সুদের হার ধীরে ধীরে কমানোর প্রস্তাব দেন, যাতে ঋণের সুদের হার কমে এবং বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ বাড়ে।

ঋণখেলাপিদের বিষয়ে পুনর্বিবেচনার আহ্বান

তাসকীন বলেন, প্রকৃত বা অনিচ্ছাকৃত ঋণখেলাপিদের ক্ষেত্রে ঋণ পুনঃতফসিল সুবিধা নতুনভাবে বিবেচনা করা যেতে পারে। ঋণ শ্রেণিকরণের সময়সীমা বাড়ালে অনেক উদ্যোক্তা নতুন করে ব্যবসা চালিয়ে যেতে পারবেন।

তিনি আরও বলেন, আর্থিক নীতি, রাজস্ব নীতি ও কাঠামোগত সংস্কার সমন্বয়ের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনা, আর্থিক স্থিতিশীলতা শক্তিশালী করা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা সম্ভব।

বৈঠকে ঢাকা চেম্বারের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি রাজীব এইচ চৌধুরী ও সহসভাপতি মোহাম্মদ সালেম সোলাইমান উপস্থিত ছিলেন।