০৬:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬
সস্তা ড্রোনে বদলে যাচ্ছে যুদ্ধের নিয়ম, ইরান–মার্কিন পাল্টা আঘাতে নতুন বাস্তবতা সংকটের ছায়ায় সবজির দাম বাড়লেও আশ্বস্ত করছে কর্তৃপক্ষ, বাজারে সরবরাহ বাড়ছে দ্রুত জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন ঘিরে বৃহস্পতিবার ঢাকার কয়েক এলাকায় ট্রাফিক পরিবর্তন রান্নাঘরের ফল-সবজি নষ্ট হওয়ার আগে কীভাবে রাখবেন তাজা: অপচয় কমানোর সহজ উপায় জ্বালানি সরবরাহে নতুন নির্দেশনা, বিভাগীয় শহরে কাটছাঁট কমাল বিপিসি প্রথম ধাপে পাচার হওয়া অর্থ ফেরাতে ৬ বড় ব্যবসায়ী গোষ্ঠীকে লক্ষ্য করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক ভারতে গ্যাস সংকটের ধাক্কা: এলপিজি সরবরাহ কমে বন্ধের মুখে বহু রেস্তোরাঁ কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্রথমবার ওষুধ-প্রতিরোধী ম্যালেরিয়া শনাক্তে গবেষণা শুরু মুসলিম বিশ্বকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ঘাঁটির তথ্য দিতে আহ্বান ইরানের ইসরায়েলে ফিলিস্তিনি নাগরিকদের রক্তাক্ত বাস্তবতা: অপরাধের ঢেউয়ে নিরাপত্তাহীন এক সম্প্রদায়

বাংলাদেশের অর্থনীতি এক সংকটময় পর্যায়ে

বাংলাদেশের অর্থনীতি বর্তমানে একটি সংকটময় সময় পার করছে। দীর্ঘদিনের ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধির পর সাম্প্রতিক বছরগুলোতে প্রবৃদ্ধির গতি কমে গেছে, মূল্যস্ফীতি বেড়েছে এবং বেসরকারি বিনিয়োগে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, অর্থনীতিকে আবার গতিশীল করতে হলে বেসরকারি খাতনির্ভর প্রবৃদ্ধি পুনরুজ্জীবিত করা এবং দ্রুত কাঠামোগত সংস্কার বাস্তবায়ন করা জরুরি।

প্রতিবেদন প্রকাশ ও উপস্থাপনা
মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ‘বাংলাদেশে বেসরকারি খাতনির্ভর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি পুনরুজ্জীবন: নতুন সরকারের সামনে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ও অগ্রাধিকার’ শীর্ষক একটি নীতিগত প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়।

পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এম মাসরুর রিয়াজ এই প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন। এতে তথ্যভিত্তিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতা তুলে ধরা হয়েছে এবং অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের জন্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার প্রস্তাব করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা, বিনিয়োগের পরিবেশ উন্নত করা এবং বেসরকারি খাতকে প্রবৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে শক্তিশালী করা এখন সময়ের দাবি।

বিএসইসির নতুন চেয়ারম্যান এম মাসরুর রিয়াজ | FT বাংলা | FT | The National  Financial Portal

প্রবৃদ্ধির গতি কমার কারণ
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত কয়েক দশক ধরে বাংলাদেশে গড়ে প্রায় ৬ থেকে ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি ছিল। তবে ২০২২ সালের পর থেকে বৈশ্বিক ধাক্কা, নীতিগত দুর্বলতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক সমস্যার কারণে অর্থনৈতিক গতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।

২০২৫ অর্থবছরে দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৪ শতাংশের নিচে নেমে এসেছে। একই সঙ্গে উচ্চ মূল্যস্ফীতি, বেসরকারি বিনিয়োগের পতন এবং ঋণপ্রাপ্তির কঠোর শর্ত ব্যবসায়িক আস্থা ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে দুর্বল করে দিয়েছে।

কাঠামোগত দুর্বলতা বড় বাধা
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সরকারি অর্থ ব্যবস্থাপনা, ব্যাংকিং খাত, রপ্তানি প্রতিযোগিতা এবং বিনিয়োগ পরিবেশের বিভিন্ন কাঠামোগত দুর্বলতা দেশের প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনাকে বাধাগ্রস্ত করছে।

যদি দ্রুত ও সমন্বিত সংস্কার না আনা হয়, তবে এসব সমস্যা দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতিকে স্থবিরতার দিকে ঠেলে দিতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে বৈদেশিক বিনিয়োগ

সংস্কারের অগ্রাধিকার
বেসরকারি খাতনির্ভর প্রবৃদ্ধি পুনরুজ্জীবিত করতে প্রতিবেদনে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত অগ্রাধিকার তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা, আর্থিক ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করা, ব্যাংকিং খাত সংস্কার, রপ্তানি বৈচিত্র্য বাড়ানো, বেসরকারি বিনিয়োগ উৎসাহিত করা, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নীতিনির্ধারকদের প্রথম কাজ হওয়া উচিত সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা। এজন্য মুদ্রানীতি ও রাজস্বনীতির মধ্যে সমন্বয় জোরদার করা, রাজস্ব আহরণ বাড়ানো এবং আরও নমনীয় বিনিময় হার ব্যবস্থা চালুর সুপারিশ করা হয়েছে। এতে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করা সম্ভব হতে পারে।

ব্যাংকিং খাত ও রপ্তানির চ্যালেঞ্জ
আর্থিক খাতে বাড়তে থাকা খেলাপি ঋণ এবং দুর্বল শাসনব্যবস্থার বিষয়টি প্রতিবেদনে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। এসব সমস্যার কারণে ব্যাংকিং খাত থেকে ঋণের প্রবাহ কমছে এবং বেসরকারি বিনিয়োগে বাধা তৈরি হচ্ছে।

এ ছাড়া দেশের রপ্তানি খাত এখনও অনেকাংশে তৈরি পোশাক শিল্পের ওপর নির্ভরশীল। তাই নতুন সম্ভাবনাময় খাত গড়ে তোলা এবং বৈশ্বিক মূল্য শৃঙ্খলে আরও শক্তভাবে যুক্ত হওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

ব্যাংক খাত ও অর্থনীতির ভবিষ্যৎ

বিনিয়োগ ও দক্ষ জনশক্তি উন্নয়ন
বিনিয়োগ বাড়াতে ব্যবসা-সংক্রান্ত আইন আধুনিকায়ন, নীতিগত স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগ উন্নয়ন কাঠামো শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তার কথা বলা হয়েছে প্রতিবেদনে। এতে দেশি ও বিদেশি উভয় বিনিয়োগকারীর আস্থা বাড়তে পারে।

একই সঙ্গে নিরবচ্ছিন্ন ও সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে জ্বালানি খাতে সংস্কারের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি উৎপাদনশীলতা বাড়ানো এবং নতুন কর্মসংস্থান তৈরির জন্য দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সংস্কারের রূপরেখা
এমসিসিআই নেতাদের মতে, এই প্রতিবেদনটি নীতিনির্ধারকদের জন্য একটি সুস্পষ্ট সংস্কার রূপরেখা তুলে ধরেছে। এর লক্ষ্য হলো অর্থনীতিতে আস্থা পুনর্গঠন করা এবং বাংলাদেশকে আরও শক্তিশালী ও প্রতিযোগিতামূলক প্রবৃদ্ধির পথে এগিয়ে নেওয়া।

জনপ্রিয় সংবাদ

সস্তা ড্রোনে বদলে যাচ্ছে যুদ্ধের নিয়ম, ইরান–মার্কিন পাল্টা আঘাতে নতুন বাস্তবতা

বাংলাদেশের অর্থনীতি এক সংকটময় পর্যায়ে

০১:৫৮:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

বাংলাদেশের অর্থনীতি বর্তমানে একটি সংকটময় সময় পার করছে। দীর্ঘদিনের ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধির পর সাম্প্রতিক বছরগুলোতে প্রবৃদ্ধির গতি কমে গেছে, মূল্যস্ফীতি বেড়েছে এবং বেসরকারি বিনিয়োগে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, অর্থনীতিকে আবার গতিশীল করতে হলে বেসরকারি খাতনির্ভর প্রবৃদ্ধি পুনরুজ্জীবিত করা এবং দ্রুত কাঠামোগত সংস্কার বাস্তবায়ন করা জরুরি।

প্রতিবেদন প্রকাশ ও উপস্থাপনা
মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ‘বাংলাদেশে বেসরকারি খাতনির্ভর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি পুনরুজ্জীবন: নতুন সরকারের সামনে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ও অগ্রাধিকার’ শীর্ষক একটি নীতিগত প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়।

পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এম মাসরুর রিয়াজ এই প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন। এতে তথ্যভিত্তিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতা তুলে ধরা হয়েছে এবং অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের জন্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার প্রস্তাব করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা, বিনিয়োগের পরিবেশ উন্নত করা এবং বেসরকারি খাতকে প্রবৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে শক্তিশালী করা এখন সময়ের দাবি।

বিএসইসির নতুন চেয়ারম্যান এম মাসরুর রিয়াজ | FT বাংলা | FT | The National  Financial Portal

প্রবৃদ্ধির গতি কমার কারণ
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত কয়েক দশক ধরে বাংলাদেশে গড়ে প্রায় ৬ থেকে ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি ছিল। তবে ২০২২ সালের পর থেকে বৈশ্বিক ধাক্কা, নীতিগত দুর্বলতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক সমস্যার কারণে অর্থনৈতিক গতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।

২০২৫ অর্থবছরে দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৪ শতাংশের নিচে নেমে এসেছে। একই সঙ্গে উচ্চ মূল্যস্ফীতি, বেসরকারি বিনিয়োগের পতন এবং ঋণপ্রাপ্তির কঠোর শর্ত ব্যবসায়িক আস্থা ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে দুর্বল করে দিয়েছে।

কাঠামোগত দুর্বলতা বড় বাধা
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সরকারি অর্থ ব্যবস্থাপনা, ব্যাংকিং খাত, রপ্তানি প্রতিযোগিতা এবং বিনিয়োগ পরিবেশের বিভিন্ন কাঠামোগত দুর্বলতা দেশের প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনাকে বাধাগ্রস্ত করছে।

যদি দ্রুত ও সমন্বিত সংস্কার না আনা হয়, তবে এসব সমস্যা দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতিকে স্থবিরতার দিকে ঠেলে দিতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে বৈদেশিক বিনিয়োগ

সংস্কারের অগ্রাধিকার
বেসরকারি খাতনির্ভর প্রবৃদ্ধি পুনরুজ্জীবিত করতে প্রতিবেদনে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত অগ্রাধিকার তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা, আর্থিক ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করা, ব্যাংকিং খাত সংস্কার, রপ্তানি বৈচিত্র্য বাড়ানো, বেসরকারি বিনিয়োগ উৎসাহিত করা, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নীতিনির্ধারকদের প্রথম কাজ হওয়া উচিত সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা। এজন্য মুদ্রানীতি ও রাজস্বনীতির মধ্যে সমন্বয় জোরদার করা, রাজস্ব আহরণ বাড়ানো এবং আরও নমনীয় বিনিময় হার ব্যবস্থা চালুর সুপারিশ করা হয়েছে। এতে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করা সম্ভব হতে পারে।

ব্যাংকিং খাত ও রপ্তানির চ্যালেঞ্জ
আর্থিক খাতে বাড়তে থাকা খেলাপি ঋণ এবং দুর্বল শাসনব্যবস্থার বিষয়টি প্রতিবেদনে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। এসব সমস্যার কারণে ব্যাংকিং খাত থেকে ঋণের প্রবাহ কমছে এবং বেসরকারি বিনিয়োগে বাধা তৈরি হচ্ছে।

এ ছাড়া দেশের রপ্তানি খাত এখনও অনেকাংশে তৈরি পোশাক শিল্পের ওপর নির্ভরশীল। তাই নতুন সম্ভাবনাময় খাত গড়ে তোলা এবং বৈশ্বিক মূল্য শৃঙ্খলে আরও শক্তভাবে যুক্ত হওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

ব্যাংক খাত ও অর্থনীতির ভবিষ্যৎ

বিনিয়োগ ও দক্ষ জনশক্তি উন্নয়ন
বিনিয়োগ বাড়াতে ব্যবসা-সংক্রান্ত আইন আধুনিকায়ন, নীতিগত স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগ উন্নয়ন কাঠামো শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তার কথা বলা হয়েছে প্রতিবেদনে। এতে দেশি ও বিদেশি উভয় বিনিয়োগকারীর আস্থা বাড়তে পারে।

একই সঙ্গে নিরবচ্ছিন্ন ও সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে জ্বালানি খাতে সংস্কারের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি উৎপাদনশীলতা বাড়ানো এবং নতুন কর্মসংস্থান তৈরির জন্য দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সংস্কারের রূপরেখা
এমসিসিআই নেতাদের মতে, এই প্রতিবেদনটি নীতিনির্ধারকদের জন্য একটি সুস্পষ্ট সংস্কার রূপরেখা তুলে ধরেছে। এর লক্ষ্য হলো অর্থনীতিতে আস্থা পুনর্গঠন করা এবং বাংলাদেশকে আরও শক্তিশালী ও প্রতিযোগিতামূলক প্রবৃদ্ধির পথে এগিয়ে নেওয়া।