দেশের সবচেয়ে বড় স্থলবন্দর বেনাপোল কাস্টমস হাউসে চলতি ২০২৫-২৬
অর্থবছরের প্রথম আট মাসে ১ হাজার ৬৫০ কোটি টাকার রাজস্ব ঘাটতি দেখা
দিয়েছে। আমদানি কমে যাওয়া, বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা এবং শুল্ক ফাঁকির ঘটনা
বৃদ্ধি এই ঘাটতির মূল কারণ বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এই অর্থবছরে বেনাপোল কাস্টমস হাউসের জন্য
মোট ৮ হাজার ৩৭০ কোটি টাকা রাজস্ব সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ
করেছিল। তবে প্রথম আট মাসে প্রকৃত আদায় লক্ষ্যমাত্রার তুলনায়
উল্লেখযোগ্যভাবে পিছিয়ে পড়েছে।
কেন কমছে আমদানি?
২০২৪ সালের আগস্টে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য
সম্পর্কে যে টানাপড়েন তৈরি হয়েছে, তার সরাসরি প্রভাব পড়েছে বেনাপোলে।
ভারত একাধিকবার বাংলাদেশ থেকে আমদানি নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে, যার ফলে দৈনিক
আমদানি ট্রাকের সংখ্যা আগের ৬০০-৭০০ থেকে প্রায় ২৫০-এ নেমে এসেছে।
এ ছাড়া আমদানিকারকরা অনুযোগ করছেন যে হয়রানি ও দীর্ঘ পরিদর্শন
প্রক্রিয়ার কারণে অনেক ব্যবসায়ী চট্টগ্রাম বন্দরের দিকে সরে যাচ্ছেন।
শুল্ক ফাঁকির ঘটনাও উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে বলে জানান কর্মকর্তারা।
স্থানীয় অর্থনীতিতে প্রভাব
আমদানি কমে যাওয়ায় বন্দর-সংলগ্ন শ্রমিক, পরিবহন ও বাণিজ্য সংশ্লিষ্ট
স্থানীয় মানুষদের আয়ও কমেছে। বেনাপোল কাস্টমস কমিশনার জানিয়েছেন,
ডিজিটাল পেমেন্ট এবং অনলাইন ক্লিয়ারেন্স ব্যবস্থার আওতা বাড়িয়ে
ব্যবসায়ীদের সুবিধা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















