০৬:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬
বিশ্বজুড়ে বড় বড় বিমান সংস্থাগুলো টিকিটের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তানের বিপক্ষে বিধ্বংসী বোলিং, নাহিদ রানার প্রথম ওয়ানডে পাঁচ উইকেট ড্রোন হামলার পর সংযুক্ত আরব আমিরাত তাদের বৃহত্তম তেল শোধনাগার বন্ধ করে দিয়েছে সস্তা ড্রোনে বদলে যাচ্ছে যুদ্ধের নিয়ম, ইরান–মার্কিন পাল্টা আঘাতে নতুন বাস্তবতা সংকটের ছায়ায় সবজির দাম বাড়লেও আশ্বস্ত করছে কর্তৃপক্ষ, বাজারে সরবরাহ বাড়ছে দ্রুত জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন ঘিরে বৃহস্পতিবার ঢাকার কয়েক এলাকায় ট্রাফিক পরিবর্তন রান্নাঘরের ফল-সবজি নষ্ট হওয়ার আগে কীভাবে রাখবেন তাজা: অপচয় কমানোর সহজ উপায় জ্বালানি সরবরাহে নতুন নির্দেশনা, বিভাগীয় শহরে কাটছাঁট কমাল বিপিসি প্রথম ধাপে পাচার হওয়া অর্থ ফেরাতে ৬ বড় ব্যবসায়ী গোষ্ঠীকে লক্ষ্য করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক ভারতে গ্যাস সংকটের ধাক্কা: এলপিজি সরবরাহ কমে বন্ধের মুখে বহু রেস্তোরাঁ

সিএসআর তহবিল নিয়ে বিতর্কে সাবেক গভর্নর আহসান এইচ মনসুর

দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকের ইতিহাসে ১৯৭২ সালের ১৮ জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট ১২ জন গভর্নর দায়িত্ব পালন করেছেন। এই সময়ের মধ্যে সবচেয়ে কম সময় দায়িত্বে ছিলেন ড. আহসান এইচ মনসুর। তাঁর দায়িত্বকাল ছিল মাত্র ১ বছর ৬ মাস ১৭ দিন। তবে স্বল্প সময় দায়িত্ব পালন করলেও বিভিন্ন বিতর্কিত সিদ্ধান্তের কারণে তিনি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ইতিহাসে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসেন।

সরকার তাঁর মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রায় আড়াই বছর আগেই দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেয়। বিশেষ করে বাংলাদেশ ব্যাংকের করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা বা সিএসআর তহবিল ব্যবহারের বিষয়ে তাঁর নেওয়া কয়েকটি সিদ্ধান্ত নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভেতরেই প্রশ্ন ওঠে।

সিএসআর তহবিল ব্যবহারের প্রচলিত ধারা

বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অতীতে সিএসআর তহবিল সাধারণত শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজে ব্যয় করা হয়েছে। বিভিন্ন বেসরকারি ও এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনসহ নানা উন্নয়নমূলক প্রকল্পে এই তহবিল ব্যবহারের নজির রয়েছে।

তবে আহসান এইচ মনসুরের দায়িত্বকালে তাঁর ব্যক্তিগতভাবে পরিচিত বা সংশ্লিষ্ট কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে অনুদান দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

খলিল-মালিক ফাউন্ডেশনে অনুদান নিয়ে প্রশ্ন

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নথি ও সংশ্লিষ্ট সূত্র অনুযায়ী, চুয়াডাঙ্গায় গভর্নরের ঘনিষ্ঠ এক বন্ধুর উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত খলিল-মালিক ফাউন্ডেশনকে সিএসআর তহবিল থেকে ২ কোটি ৯৭ লাখ টাকা অনুদান দেওয়া হয়। ক্যানসার ও কিডনি রোগীদের সহায়তার উদ্দেশ্যে গঠিত এই প্রতিষ্ঠানটিকে অনুদান দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সক্ষমতা যাচাইয়ের জন্য পর্যাপ্ত সময় দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কয়েকজন কর্মকর্তা জানান, দ্রুত অনুদান ছাড় করার জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর ওপর চাপ সৃষ্টি করা হয়েছিল।

চুয়াডাঙ্গা উচ্চবিদ্যালয়ের কম্পিউটার ল্যাব প্রকল্প

সিএসআর তহবিল থেকে চুয়াডাঙ্গা উচ্চবিদ্যালয়ে একটি কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের জন্য ২৫ লাখ টাকা অনুদান দেওয়া হয়। এই প্রকল্পের উদ্বোধনে গভর্নর আহসান এইচ মনসুর নিজে এবং তাঁর স্ত্রী উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের মতে, সাধারণত সিএসআর প্রকল্পে গভর্নরের সরাসরি অংশগ্রহণ খুবই বিরল। ফলে এই ঘটনাটি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভেতরে আলোচনার জন্ম দেয়।

করটিয়ার বিদ্যালয়কে অনুদান নিয়ে স্বার্থের সংঘাতের অভিযোগ

টাঙ্গাইলের করটিয়ায় অবস্থিত মার্থা লিন্ডস্ট্রম নূরজাহান বেগম বালিকা উচ্চবিদ্যালয়কে সিএসআর তহবিল থেকে ২৫ লাখ টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, ওই বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন আহসান এইচ মনসুর নিজেই। একই সময়ে তাঁর নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ ব্যাংক থেকেই ওই প্রতিষ্ঠানে অনুদান দেওয়া হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদের প্রধান থাকা অবস্থায় সেই প্রতিষ্ঠানে অনুদান অনুমোদন করা হলে তা সরাসরি স্বার্থের সংঘাত হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

রিসোর্ট ও বিদ্যালয় ঘিরে স্থানীয় বিতর্ক

স্থানীয় সূত্র জানায়, টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার ওই বিদ্যালয়ের পাশেই রয়েছে গভর্নরের মালিকানাধীন ওয়াটার গার্ডেন রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা সেন্টার। এই রিসোর্টকে ঘিরে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে আগে থেকেই বিতর্ক ছিল।

২০২২ সালের ২৩ আগস্ট জেলা প্রশাসনের একটি তদন্ত কমিটি সরেজমিনে গিয়ে রিসোর্টের একটি গেট অপসারণের জন্য ১৫ দিনের সময়সীমা নির্ধারণ করে। পরে আহসান এইচ মনসুর ওই বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি হন। এরপর বিদ্যালয়টিকে সিএসআর তহবিল থেকে অনুদান দেওয়ার বিষয়টি নতুন করে প্রশ্নের জন্ম দেয়।

সরকারি বিদ্যালয়ে অনুদান নিয়ে ব্যতিক্রম

বাংলাদেশ ব্যাংকের সিএসআর তহবিল সাধারণত বেসরকারি ও এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দেওয়া হয়। সরকারি বিদ্যালয়ে এ ধরনের অনুদান দেওয়ার নজির খুবই কম।

এই প্রেক্ষাপটে নীলফামারী সরকারি উচ্চবিদ্যালয়কে সিএসআর তহবিল থেকে অনুদান দেওয়ার সিদ্ধান্তকে ব্যতিক্রম হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। অভিযোগ রয়েছে, এটি গভর্নর আহসান এইচ মনসুরের শৈশবের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হওয়ায় সংশ্লিষ্ট বিভাগকে অনুদান অনুমোদনের জন্য চাপ দেওয়া হয়েছিল।

স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিয়ে প্রশ্ন

বাংলাদেশ ব্যাংকের কয়েকজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ইতিহাসে অন্য কোনো গভর্নরের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগতভাবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোতে সিএসআর তহবিল বরাদ্দ দেওয়ার অভিযোগ আগে ওঠেনি।

তাদের মতে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে সিএসআর তহবিল ব্যবহারের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।

সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বজুড়ে বড় বড় বিমান সংস্থাগুলো টিকিটের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে

সিএসআর তহবিল নিয়ে বিতর্কে সাবেক গভর্নর আহসান এইচ মনসুর

০৫:২৯:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকের ইতিহাসে ১৯৭২ সালের ১৮ জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট ১২ জন গভর্নর দায়িত্ব পালন করেছেন। এই সময়ের মধ্যে সবচেয়ে কম সময় দায়িত্বে ছিলেন ড. আহসান এইচ মনসুর। তাঁর দায়িত্বকাল ছিল মাত্র ১ বছর ৬ মাস ১৭ দিন। তবে স্বল্প সময় দায়িত্ব পালন করলেও বিভিন্ন বিতর্কিত সিদ্ধান্তের কারণে তিনি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ইতিহাসে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসেন।

সরকার তাঁর মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রায় আড়াই বছর আগেই দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেয়। বিশেষ করে বাংলাদেশ ব্যাংকের করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা বা সিএসআর তহবিল ব্যবহারের বিষয়ে তাঁর নেওয়া কয়েকটি সিদ্ধান্ত নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভেতরেই প্রশ্ন ওঠে।

সিএসআর তহবিল ব্যবহারের প্রচলিত ধারা

বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অতীতে সিএসআর তহবিল সাধারণত শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজে ব্যয় করা হয়েছে। বিভিন্ন বেসরকারি ও এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনসহ নানা উন্নয়নমূলক প্রকল্পে এই তহবিল ব্যবহারের নজির রয়েছে।

তবে আহসান এইচ মনসুরের দায়িত্বকালে তাঁর ব্যক্তিগতভাবে পরিচিত বা সংশ্লিষ্ট কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে অনুদান দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

খলিল-মালিক ফাউন্ডেশনে অনুদান নিয়ে প্রশ্ন

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নথি ও সংশ্লিষ্ট সূত্র অনুযায়ী, চুয়াডাঙ্গায় গভর্নরের ঘনিষ্ঠ এক বন্ধুর উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত খলিল-মালিক ফাউন্ডেশনকে সিএসআর তহবিল থেকে ২ কোটি ৯৭ লাখ টাকা অনুদান দেওয়া হয়। ক্যানসার ও কিডনি রোগীদের সহায়তার উদ্দেশ্যে গঠিত এই প্রতিষ্ঠানটিকে অনুদান দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সক্ষমতা যাচাইয়ের জন্য পর্যাপ্ত সময় দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কয়েকজন কর্মকর্তা জানান, দ্রুত অনুদান ছাড় করার জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর ওপর চাপ সৃষ্টি করা হয়েছিল।

চুয়াডাঙ্গা উচ্চবিদ্যালয়ের কম্পিউটার ল্যাব প্রকল্প

সিএসআর তহবিল থেকে চুয়াডাঙ্গা উচ্চবিদ্যালয়ে একটি কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের জন্য ২৫ লাখ টাকা অনুদান দেওয়া হয়। এই প্রকল্পের উদ্বোধনে গভর্নর আহসান এইচ মনসুর নিজে এবং তাঁর স্ত্রী উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের মতে, সাধারণত সিএসআর প্রকল্পে গভর্নরের সরাসরি অংশগ্রহণ খুবই বিরল। ফলে এই ঘটনাটি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভেতরে আলোচনার জন্ম দেয়।

করটিয়ার বিদ্যালয়কে অনুদান নিয়ে স্বার্থের সংঘাতের অভিযোগ

টাঙ্গাইলের করটিয়ায় অবস্থিত মার্থা লিন্ডস্ট্রম নূরজাহান বেগম বালিকা উচ্চবিদ্যালয়কে সিএসআর তহবিল থেকে ২৫ লাখ টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, ওই বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন আহসান এইচ মনসুর নিজেই। একই সময়ে তাঁর নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ ব্যাংক থেকেই ওই প্রতিষ্ঠানে অনুদান দেওয়া হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদের প্রধান থাকা অবস্থায় সেই প্রতিষ্ঠানে অনুদান অনুমোদন করা হলে তা সরাসরি স্বার্থের সংঘাত হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

রিসোর্ট ও বিদ্যালয় ঘিরে স্থানীয় বিতর্ক

স্থানীয় সূত্র জানায়, টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার ওই বিদ্যালয়ের পাশেই রয়েছে গভর্নরের মালিকানাধীন ওয়াটার গার্ডেন রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা সেন্টার। এই রিসোর্টকে ঘিরে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে আগে থেকেই বিতর্ক ছিল।

২০২২ সালের ২৩ আগস্ট জেলা প্রশাসনের একটি তদন্ত কমিটি সরেজমিনে গিয়ে রিসোর্টের একটি গেট অপসারণের জন্য ১৫ দিনের সময়সীমা নির্ধারণ করে। পরে আহসান এইচ মনসুর ওই বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি হন। এরপর বিদ্যালয়টিকে সিএসআর তহবিল থেকে অনুদান দেওয়ার বিষয়টি নতুন করে প্রশ্নের জন্ম দেয়।

সরকারি বিদ্যালয়ে অনুদান নিয়ে ব্যতিক্রম

বাংলাদেশ ব্যাংকের সিএসআর তহবিল সাধারণত বেসরকারি ও এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দেওয়া হয়। সরকারি বিদ্যালয়ে এ ধরনের অনুদান দেওয়ার নজির খুবই কম।

এই প্রেক্ষাপটে নীলফামারী সরকারি উচ্চবিদ্যালয়কে সিএসআর তহবিল থেকে অনুদান দেওয়ার সিদ্ধান্তকে ব্যতিক্রম হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। অভিযোগ রয়েছে, এটি গভর্নর আহসান এইচ মনসুরের শৈশবের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হওয়ায় সংশ্লিষ্ট বিভাগকে অনুদান অনুমোদনের জন্য চাপ দেওয়া হয়েছিল।

স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিয়ে প্রশ্ন

বাংলাদেশ ব্যাংকের কয়েকজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ইতিহাসে অন্য কোনো গভর্নরের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগতভাবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোতে সিএসআর তহবিল বরাদ্দ দেওয়ার অভিযোগ আগে ওঠেনি।

তাদের মতে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে সিএসআর তহবিল ব্যবহারের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।

সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন