০৬:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬
কলকাতাজুড়ে মিশ্র জনমত, গণনার দিনে এগিয়ে বিজেপি—তবু এলাকায় এলাকায় ভিন্ন চিত্র ইরানের হুশিয়ারি, হরমুজ প্রণালীতে কোন বিদেশী বাহিনী এলেই হামলা চালানো হবে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে উৎপাদনে ধস, এপ্রিলেই সংকোচনে শিল্পখাত আল কাদসিয়ার ধাক্কায় থামল আল নাসরের জয়ের ধারা, শিরোপা দৌড়ে অনিশ্চয়তা রোনালদোর দুঃসাহসিক অভিযাত্রীদের জন্য এক দ্বীপ: সেন্ট হেলেনা আবিষ্কার পাঁচ রাজ্যের ভোটে নাটকীয় পালাবদল: বাংলায় বিজেপির ঝড়, তামিলনাড়ুতে বিজয়ের চমক, কেরালায় কংগ্রেসের প্রত্যাবর্তন টোকিওর লক্ষ্য: এআইকে কাজে লাগিয়ে স্টার্টআপ শক্তিতে বিশ্বনেতা হওয়ার দৌড় ১০০ কেন্দ্রে ভোট গণনা বন্ধের অভিযোগ, কর্মীদের কেন্দ্রে থাকার আহ্বান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আসছে মূল্যস্ফীতির নতুন ঢেউ গ্রামীণ ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্তদের অবস্থান কর্মসূচী: পেনশন পুনঃস্থাপনসহ ভাতার দাবিতে ঢাকায় সমাবেশ

ঈদের ছুটিতেও সীমিত পরিসরে চালু থাকবে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম

ঈদুল ফিতরের ছুটির সময় আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে দেশের সব কাস্টমস হাউস ও কাস্টমস স্টেশনে সীমিত পরিসরে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম চালু রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, ঈদের দিন ছাড়া আগামী ১৭ মার্চ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত কাস্টমস হাউস ও স্টেশনগুলোতে আমদানি ও রপ্তানি–সংক্রান্ত কাজ চলবে।

বিজিএমইএর অনুরোধে সিদ্ধান্ত
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ) সরকারের কাছে ঈদের ছুটির সময়েও কাস্টমস কার্যক্রম চালু রাখার অনুরোধ জানায়। বিশেষ করে দেশের রপ্তানিমুখী শিল্পখাতের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য যেন ব্যাহত না হয়, সে বিষয়টি বিবেচনায় রেখে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বাণিজ্য ও সরবরাহ ব্যবস্থা সচল রাখতে উদ্যোগ
কর্মকর্তারা জানান, দীর্ঘ ছুটির সময় যাতে বাণিজ্য কার্যক্রমে কোনো বিঘ্ন না ঘটে এবং সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক থাকে, সে লক্ষ্যেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে জারি করা নির্দেশনায় সংশ্লিষ্ট কাস্টমস কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সরকারি ও সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলোতেও যেন আমদানি-রপ্তানি সংক্রান্ত সেবা চালু থাকে, তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রপ্তানিকারক ও আমদানিকারকদের জন্য স্বস্তি
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ছুটির সময়েও কাস্টমস সেবা চালু থাকলে রপ্তানিকারক ও আমদানিকারকেরা পণ্য চালান প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন, পণ্য খালাস করতে পারবেন এবং উৎপাদন কার্যক্রম বিলম্ব ছাড়াই চালিয়ে যেতে পারবেন।

এ উদ্যোগের ফলে ঈদের ছুটির সময়েও কার্গো হ্যান্ডলিং, নথিপত্র প্রক্রিয়াকরণ এবং পণ্য খালাসের কাজ চলমান থাকবে। এতে বিশেষ করে রপ্তানিকারকদের জন্য বড় ধরনের স্বস্তি তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

কলকাতাজুড়ে মিশ্র জনমত, গণনার দিনে এগিয়ে বিজেপি—তবু এলাকায় এলাকায় ভিন্ন চিত্র

ঈদের ছুটিতেও সীমিত পরিসরে চালু থাকবে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম

০৫:৫৯:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

ঈদুল ফিতরের ছুটির সময় আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে দেশের সব কাস্টমস হাউস ও কাস্টমস স্টেশনে সীমিত পরিসরে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম চালু রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, ঈদের দিন ছাড়া আগামী ১৭ মার্চ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত কাস্টমস হাউস ও স্টেশনগুলোতে আমদানি ও রপ্তানি–সংক্রান্ত কাজ চলবে।

বিজিএমইএর অনুরোধে সিদ্ধান্ত
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ) সরকারের কাছে ঈদের ছুটির সময়েও কাস্টমস কার্যক্রম চালু রাখার অনুরোধ জানায়। বিশেষ করে দেশের রপ্তানিমুখী শিল্পখাতের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য যেন ব্যাহত না হয়, সে বিষয়টি বিবেচনায় রেখে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বাণিজ্য ও সরবরাহ ব্যবস্থা সচল রাখতে উদ্যোগ
কর্মকর্তারা জানান, দীর্ঘ ছুটির সময় যাতে বাণিজ্য কার্যক্রমে কোনো বিঘ্ন না ঘটে এবং সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক থাকে, সে লক্ষ্যেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে জারি করা নির্দেশনায় সংশ্লিষ্ট কাস্টমস কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সরকারি ও সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলোতেও যেন আমদানি-রপ্তানি সংক্রান্ত সেবা চালু থাকে, তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রপ্তানিকারক ও আমদানিকারকদের জন্য স্বস্তি
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ছুটির সময়েও কাস্টমস সেবা চালু থাকলে রপ্তানিকারক ও আমদানিকারকেরা পণ্য চালান প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন, পণ্য খালাস করতে পারবেন এবং উৎপাদন কার্যক্রম বিলম্ব ছাড়াই চালিয়ে যেতে পারবেন।

এ উদ্যোগের ফলে ঈদের ছুটির সময়েও কার্গো হ্যান্ডলিং, নথিপত্র প্রক্রিয়াকরণ এবং পণ্য খালাসের কাজ চলমান থাকবে। এতে বিশেষ করে রপ্তানিকারকদের জন্য বড় ধরনের স্বস্তি তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।