০৪:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬
কলকাতাজুড়ে মিশ্র জনমত, গণনার দিনে এগিয়ে বিজেপি—তবু এলাকায় এলাকায় ভিন্ন চিত্র ইরানের হুশিয়ারি, হরমুজ প্রণালীতে কোন বিদেশী বাহিনী এলেই হামলা চালানো হবে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে উৎপাদনে ধস, এপ্রিলেই সংকোচনে শিল্পখাত আল কাদসিয়ার ধাক্কায় থামল আল নাসরের জয়ের ধারা, শিরোপা দৌড়ে অনিশ্চয়তা রোনালদোর দুঃসাহসিক অভিযাত্রীদের জন্য এক দ্বীপ: সেন্ট হেলেনা আবিষ্কার পাঁচ রাজ্যের ভোটে নাটকীয় পালাবদল: বাংলায় বিজেপির ঝড়, তামিলনাড়ুতে বিজয়ের চমক, কেরালায় কংগ্রেসের প্রত্যাবর্তন টোকিওর লক্ষ্য: এআইকে কাজে লাগিয়ে স্টার্টআপ শক্তিতে বিশ্বনেতা হওয়ার দৌড় ১০০ কেন্দ্রে ভোট গণনা বন্ধের অভিযোগ, কর্মীদের কেন্দ্রে থাকার আহ্বান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আসছে মূল্যস্ফীতির নতুন ঢেউ গ্রামীণ ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্তদের অবস্থান কর্মসূচী: পেনশন পুনঃস্থাপনসহ ভাতার দাবিতে ঢাকায় সমাবেশ

সিলেটে জ্বালানি সরবরাহে নতুন সংকট, ডিপো থেকে তেল উত্তোলন বন্ধের ঘোষণা

সিলেটে পেট্রোল পাম্প মালিকরা ধর্মঘট প্রত্যাহার করলেও জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি এখনো স্বাভাবিক হয়নি। বিপিসির রেশনিং নীতিমালার প্রতিবাদে তারা ডিপো থেকে নতুন করে তেল উত্তোলন না করার ঘোষণা দিয়েছেন। ফলে বিভাগজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

সিলেটে ভিন্ন পরিস্থিতি
সিলেটে পেট্রোল পাম্প মালিকরা আনুষ্ঠানিক ধর্মঘট প্রত্যাহার করলেও বাস্তবে জ্বালানি উত্তোলন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। পাম্প মালিকদের মতে, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের রেশনিং পদ্ধতি এবং দৈনিক ক্রয়সীমা নির্ধারণের নীতিমালায় বড় ধরনের ত্রুটি রয়েছে।

সিলেট পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতির সভাপতি রিয়াশদ আজিম জানান, বর্তমান নীতিমালার কারণে পাম্পগুলোর জন্য পর্যাপ্ত জ্বালানি সংগ্রহ করা সম্ভব হচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে তারা ডিপো থেকে নতুন করে জ্বালানি উত্তোলন না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

তিনি বলেন, বর্তমানে পাম্পগুলোতে যে পরিমাণ জ্বালানি মজুত রয়েছে তা শেষ হওয়া পর্যন্ত বিক্রি চলবে। তবে সেই মজুত শেষ হয়ে গেলে নতুন করে ডিপো থেকে তেল উত্তোলন করা হবে না।

সিলেটে ফিলিং স্টেশনে ধর্মঘট প্রত্যাহার, তবে ডিপো থেকে তেল উত্তোলন বন্ধের  ঘোষণা | প্রথম আলো

সরবরাহ ও চাহিদার বড় ব্যবধান
সিলেট বিভাগে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ জ্বালানির প্রয়োজন হয়। হিসাব অনুযায়ী, প্রতিদিন প্রায় ৮ থেকে ১০ লাখ লিটার ডিজেলের চাহিদা রয়েছে। পাশাপাশি প্রায় দুই লাখ লিটার পেট্রোল এবং দেড় লাখ লিটার অকটেনের প্রয়োজন হয়।

কিন্তু বর্তমানে পাম্পগুলোতে সরবরাহ দেওয়া হচ্ছে মাত্র প্রায় এক লাখ লিটার জ্বালানি। এই সীমিত সরবরাহে স্থানীয় চাহিদা পূরণ করা তো দূরের কথা, পাম্প মালিকদের পরিবহন ব্যয়ও ওঠে না বলে দাবি করেছেন মালিক সমিতির নেতারা।

নীতিমালা নিয়ে অসন্তোষ
পাম্প মালিকদের অভিযোগ, বিপিসির রেশনিং নীতিমালা বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এতে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের ভারসাম্যহীনতা তৈরি হয়েছে। তাদের মতে, দ্রুত এই নীতিমালার সংশোধন না হলে সিলেট অঞ্চলে জ্বালানি সংকট আরও তীব্র হতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

কলকাতাজুড়ে মিশ্র জনমত, গণনার দিনে এগিয়ে বিজেপি—তবু এলাকায় এলাকায় ভিন্ন চিত্র

সিলেটে জ্বালানি সরবরাহে নতুন সংকট, ডিপো থেকে তেল উত্তোলন বন্ধের ঘোষণা

১২:২৪:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

সিলেটে পেট্রোল পাম্প মালিকরা ধর্মঘট প্রত্যাহার করলেও জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি এখনো স্বাভাবিক হয়নি। বিপিসির রেশনিং নীতিমালার প্রতিবাদে তারা ডিপো থেকে নতুন করে তেল উত্তোলন না করার ঘোষণা দিয়েছেন। ফলে বিভাগজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

সিলেটে ভিন্ন পরিস্থিতি
সিলেটে পেট্রোল পাম্প মালিকরা আনুষ্ঠানিক ধর্মঘট প্রত্যাহার করলেও বাস্তবে জ্বালানি উত্তোলন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। পাম্প মালিকদের মতে, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের রেশনিং পদ্ধতি এবং দৈনিক ক্রয়সীমা নির্ধারণের নীতিমালায় বড় ধরনের ত্রুটি রয়েছে।

সিলেট পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতির সভাপতি রিয়াশদ আজিম জানান, বর্তমান নীতিমালার কারণে পাম্পগুলোর জন্য পর্যাপ্ত জ্বালানি সংগ্রহ করা সম্ভব হচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে তারা ডিপো থেকে নতুন করে জ্বালানি উত্তোলন না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

তিনি বলেন, বর্তমানে পাম্পগুলোতে যে পরিমাণ জ্বালানি মজুত রয়েছে তা শেষ হওয়া পর্যন্ত বিক্রি চলবে। তবে সেই মজুত শেষ হয়ে গেলে নতুন করে ডিপো থেকে তেল উত্তোলন করা হবে না।

সিলেটে ফিলিং স্টেশনে ধর্মঘট প্রত্যাহার, তবে ডিপো থেকে তেল উত্তোলন বন্ধের  ঘোষণা | প্রথম আলো

সরবরাহ ও চাহিদার বড় ব্যবধান
সিলেট বিভাগে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ জ্বালানির প্রয়োজন হয়। হিসাব অনুযায়ী, প্রতিদিন প্রায় ৮ থেকে ১০ লাখ লিটার ডিজেলের চাহিদা রয়েছে। পাশাপাশি প্রায় দুই লাখ লিটার পেট্রোল এবং দেড় লাখ লিটার অকটেনের প্রয়োজন হয়।

কিন্তু বর্তমানে পাম্পগুলোতে সরবরাহ দেওয়া হচ্ছে মাত্র প্রায় এক লাখ লিটার জ্বালানি। এই সীমিত সরবরাহে স্থানীয় চাহিদা পূরণ করা তো দূরের কথা, পাম্প মালিকদের পরিবহন ব্যয়ও ওঠে না বলে দাবি করেছেন মালিক সমিতির নেতারা।

নীতিমালা নিয়ে অসন্তোষ
পাম্প মালিকদের অভিযোগ, বিপিসির রেশনিং নীতিমালা বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এতে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের ভারসাম্যহীনতা তৈরি হয়েছে। তাদের মতে, দ্রুত এই নীতিমালার সংশোধন না হলে সিলেট অঞ্চলে জ্বালানি সংকট আরও তীব্র হতে পারে।