আসন্ন ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে নিরাপদ, স্বাচ্ছন্দ্যময় ও হয়রানিমুক্ত
যাত্রা নিশ্চিত করতে পরিবহন মালিক, শ্রমিক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়
জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন বিভিন্ন সভা ও আলোচনায় অংশ নেওয়া বক্তারা।
ঈদের সময় ঢাকাসহ বিভিন্ন বিভাগীয় শহর থেকে প্রায় দেড় কোটি মানুষ নিজ
গ্রামে যান। এই বিপুল যাত্রী চাপ সামলাতে সড়ক, রেল ও নৌপথে সমন্বিত
ব্যবস্থা গ্রহণ অপরিহার্য বলে মত দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

## সরকারি প্রস্তুতি
সড়ক পরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানিয়েছেন, ঈদযাত্রা নিরাপদ ও
নির্বিঘ্ন করতে প্রশাসন, পুলিশ, পরিবহন মালিক ও শ্রমিকরা সর্বোচ্চ
সতর্কতায় থাকবেন। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশন (বিআরটিসি) ১৬ মার্চ
থেকে ঈদ স্পেশাল বাস সার্ভিস চালু করবে। এছাড়া টোল প্লাজায় ইটিসি বুথ
চব্বিশ ঘণ্টা খোলা রাখা, যানজট এড়াতে মহাসড়ক সংস্কার কাজ ঈদের অন্তত দশ
দিন আগে শেষ করা, পোশাক কারখানার ছুটি ধাপে ধাপে দেওয়া এবং একটি
কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল রুম চালুর পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে। কন্ট্রোল রুমের
হটলাইন নম্বর হবে ১৬১০৭।

## নিরাপত্তা ও সুপারিশ
ঢাকা আহছানিয়া মিশনসহ যাত্রী অধিকারসংক্রান্ত সংগঠনগুলো সড়ক দুর্ঘটনা
কমাতে বেশ কিছু সুপারিশ তুলে ধরেছে। গত বছরের ঈদে আট দিনে ১৩২ জনের
মৃত্যু হয়েছিল, যা গভীর উদ্বেগের। তাই ফিটনেসবিহীন যান বন্ধ, মহাসড়কে
ধীরগতির যানবাহন নিয়ন্ত্রণ এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায় রোধে কঠোর
ব্যবস্থার দাবি জানানো হয়েছে। হাইওয়ে পুলিশ জানিয়েছে, মহাসড়কে ডাকাতি
ও ছিনতাইয়ে জড়িত ১,৪৪৩ জনকে চিহ্নিত করে অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















