০৩:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬
কিয়ের স্টারমারের নেতৃত্বে টালমাটাল লেবার, ওয়েস্টমিনস্টারে ফিরছেন অ্যান্ডি বার্নহ্যাম চীনের সামনে এখন সাম্রাজ্যের সেই পুরোনো ফাঁদ দক্ষিণ চীন সাগরে যুক্তরাষ্ট্রের ‘সবচেয়ে বড় উসকানি’, টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণে ক্ষুব্ধ বেইজিং মধ্যপ্রাচ্যের কূটনীতির নতুন প্রতিযোগিতা: ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতার মধ্যস্থতাকারী কে? বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন শিথিলতা: বাণিজ্য অর্থায়নে বাড়ল ঋণসীমা কেরালার নতুন মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন ভি ডি সতীশন, ১৮ মে শপথের সম্ভাবনা পাকিস্তানের নতুন ক্ষেপণাস্ত্র ‘ফাতাহ-৪’ সফল পরীক্ষা, পাল্লা ও নিখুঁত আঘাতের সক্ষমতার দাবি বেইজিং বৈঠকে ইরান ইস্যু, মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ বন্ধে ব্রিকসের জোরালো অবস্থান চাইল তেহরান মিয়ানমার নিয়ে বর্ণনার লড়াই: রাষ্ট্র, বৈধতা ও সংবাদমাধ্যমের দায় এল নিনোর শঙ্কায় ফের গম কেনায় ঝুঁকছে এশিয়া, বাড়ছে বৈশ্বিক সরবরাহ সংকটের আশঙ্কা

৭৯ বছর পর ফিরে এলো হিরোশিমার কিশোরীর দেহাবশেষ, ডিএনএ বিশ্লেষণে মিললো পরিচয়

  • Sarakhon Report
  • ০৫:০০:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬
  • 26

ˆâ‘°‚çi¶j‚Ɉø‚«“n‚³‚ê‚銁ŽR‰Ž}‚³‚ñ‚̈⍜‚Q‚Q“úŒß‘OAL“‡Žs’†‹æ

দীর্ঘ ৭৯ বছর পর অবশেষে পরিবারের কাছে ফিরে এলো হিরোশিমার পারমাণবিক বোমা হামলায় নিহত এক কিশোরীর দেহাবশেষ। আবেগঘন এই ঘটনার মধ্য দিয়ে আবারও সামনে এলো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের নির্মম স্মৃতি এবং মানবিক ক্ষতির গভীরতা।

ডিএনএ বিশ্লেষণে পরিচয় নিশ্চিত

হিরোশিমা শহর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ১৩ বছর বয়সী হাতসুয়ে কাজিয়ামার দেহাবশেষ শনাক্ত করা হয়েছে চুলের নমুনা থেকে ডিএনএ বিশ্লেষণের মাধ্যমে। ১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট পারমাণবিক বোমা হামলায় তার মৃত্যু হয়েছিল। দীর্ঘদিন ধরে তার দেহাবশেষ শহরের শান্তি স্মারক পার্কে সংরক্ষিত ছিল।

পরিবারের এক সদস্য গত বছর স্মারক তালিকায় নাম দেখে সন্দেহ প্রকাশ করলে বিষয়টি নতুন করে তদন্তে আসে। এরপর বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে পরীক্ষা চালিয়ে অবশেষে পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের কাছে আবেগঘন প্রত্যাবর্তন

রবিবার আনুষ্ঠানিকভাবে দেহাবশেষ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়, যা ২০২৩ সালের পর এই প্রথম এমন ঘটনা। কাজিয়ামার ভাতিজা আবেগাপ্লুত হয়ে জানান, এতদিন পর তাকে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে আনার অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন।

এখনো অজানা হাজারো পরিচয়

হিরোশিমা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, স্মারক স্থানে প্রায় ৭০ হাজার ভুক্তভোগীর দেহাবশেষ সংরক্ষিত রয়েছে। এর মধ্যে অনেকের পরিচয় জানা থাকলেও জীবিত আত্মীয়দের খোঁজ পাওয়া যায়নি। ইতিমধ্যে শতাধিক সংরক্ষিত পাত্র পরীক্ষা করে কিছু নমুনায় চুল পাওয়া গেছে, যা ভবিষ্যতে শনাক্তকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ইতিহাসের ক্ষত এখনো জীবন্ত

এই ঘটনাটি আবারও মনে করিয়ে দেয়, যুদ্ধ শেষ হলেও তার ক্ষত থেকে যায় প্রজন্মের পর প্রজন্ম। প্রযুক্তির অগ্রগতির ফলে এখনো সেই হারিয়ে যাওয়া মানুষদের পরিচয় ফিরে আসছে, আর পরিবারের কাছে ফিরছে তাদের প্রিয়জনের শেষ স্মৃতি।

জনপ্রিয় সংবাদ

কিয়ের স্টারমারের নেতৃত্বে টালমাটাল লেবার, ওয়েস্টমিনস্টারে ফিরছেন অ্যান্ডি বার্নহ্যাম

৭৯ বছর পর ফিরে এলো হিরোশিমার কিশোরীর দেহাবশেষ, ডিএনএ বিশ্লেষণে মিললো পরিচয়

০৫:০০:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬

দীর্ঘ ৭৯ বছর পর অবশেষে পরিবারের কাছে ফিরে এলো হিরোশিমার পারমাণবিক বোমা হামলায় নিহত এক কিশোরীর দেহাবশেষ। আবেগঘন এই ঘটনার মধ্য দিয়ে আবারও সামনে এলো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের নির্মম স্মৃতি এবং মানবিক ক্ষতির গভীরতা।

ডিএনএ বিশ্লেষণে পরিচয় নিশ্চিত

হিরোশিমা শহর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ১৩ বছর বয়সী হাতসুয়ে কাজিয়ামার দেহাবশেষ শনাক্ত করা হয়েছে চুলের নমুনা থেকে ডিএনএ বিশ্লেষণের মাধ্যমে। ১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট পারমাণবিক বোমা হামলায় তার মৃত্যু হয়েছিল। দীর্ঘদিন ধরে তার দেহাবশেষ শহরের শান্তি স্মারক পার্কে সংরক্ষিত ছিল।

পরিবারের এক সদস্য গত বছর স্মারক তালিকায় নাম দেখে সন্দেহ প্রকাশ করলে বিষয়টি নতুন করে তদন্তে আসে। এরপর বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে পরীক্ষা চালিয়ে অবশেষে পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের কাছে আবেগঘন প্রত্যাবর্তন

রবিবার আনুষ্ঠানিকভাবে দেহাবশেষ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়, যা ২০২৩ সালের পর এই প্রথম এমন ঘটনা। কাজিয়ামার ভাতিজা আবেগাপ্লুত হয়ে জানান, এতদিন পর তাকে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে আনার অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন।

এখনো অজানা হাজারো পরিচয়

হিরোশিমা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, স্মারক স্থানে প্রায় ৭০ হাজার ভুক্তভোগীর দেহাবশেষ সংরক্ষিত রয়েছে। এর মধ্যে অনেকের পরিচয় জানা থাকলেও জীবিত আত্মীয়দের খোঁজ পাওয়া যায়নি। ইতিমধ্যে শতাধিক সংরক্ষিত পাত্র পরীক্ষা করে কিছু নমুনায় চুল পাওয়া গেছে, যা ভবিষ্যতে শনাক্তকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ইতিহাসের ক্ষত এখনো জীবন্ত

এই ঘটনাটি আবারও মনে করিয়ে দেয়, যুদ্ধ শেষ হলেও তার ক্ষত থেকে যায় প্রজন্মের পর প্রজন্ম। প্রযুক্তির অগ্রগতির ফলে এখনো সেই হারিয়ে যাওয়া মানুষদের পরিচয় ফিরে আসছে, আর পরিবারের কাছে ফিরছে তাদের প্রিয়জনের শেষ স্মৃতি।