০৪:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬
কর্নেল ওসমানী যেভাবে মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি হয়ে উঠেছিলেন আফগান নীতি ভাঙনের মুখে পাকিস্তান, ইতিহাসের কঠিন শিক্ষা সামনে জারার বিলাসী রূপান্তর: সস্তা ফ্যাশন থেকে প্রিমিয়াম সাম্রাজ্যে উত্থান ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত: বিশ্ব নেতৃত্বের পরীক্ষায় আমেরিকা, ব্যর্থ হলে কাঁপবে বৈশ্বিক শক্তির ভারসাম্য আসামে জঙ্গি হামলা: গ্রেনেড বিস্ফোরণ ও গুলিবর্ষণে আহত ৪, পালিয়ে গেল হামলাকারীরা শিশুদের ক্ষতির দায়ে প্রযুক্তি জায়ান্টদের বিরুদ্ধে রায়, সামাজিক মাধ্যম নিয়ে নতুন দিগন্তের সূচনা মঙ্গালুরু বন্দরে জ্বালানির জোয়ার, রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে তেল-গ্যাস আনলো জাহাজ ডিজেলের সিন্ডিকেটে জিম্মি ঝিনাইদহ, চাষাবাদে বাড়ছে খরচে কৃষকের দিশেহারা অবস্থা চাল-গম সংগ্রহে বড় ঘাটতি, সংসদীয় কমিটির সতর্কবার্তা—পরিকল্পনা জোরদারের তাগিদ রানের জাদুতে নতুন নায়ক স্মরণ, রঞ্জি ট্রফিতে ঝড় তুলে আইপিএল স্বপ্নে চোখ

৭৯ বছর পর ফিরে এলো হিরোশিমার কিশোরীর দেহাবশেষ, ডিএনএ বিশ্লেষণে মিললো পরিচয়

  • Sarakhon Report
  • ০৫:০০:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬
  • 9

ˆâ‘°‚çi¶j‚Ɉø‚«“n‚³‚ê‚銁ŽR‰Ž}‚³‚ñ‚̈⍜‚Q‚Q“úŒß‘OAL“‡Žs’†‹æ

দীর্ঘ ৭৯ বছর পর অবশেষে পরিবারের কাছে ফিরে এলো হিরোশিমার পারমাণবিক বোমা হামলায় নিহত এক কিশোরীর দেহাবশেষ। আবেগঘন এই ঘটনার মধ্য দিয়ে আবারও সামনে এলো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের নির্মম স্মৃতি এবং মানবিক ক্ষতির গভীরতা।

ডিএনএ বিশ্লেষণে পরিচয় নিশ্চিত

হিরোশিমা শহর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ১৩ বছর বয়সী হাতসুয়ে কাজিয়ামার দেহাবশেষ শনাক্ত করা হয়েছে চুলের নমুনা থেকে ডিএনএ বিশ্লেষণের মাধ্যমে। ১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট পারমাণবিক বোমা হামলায় তার মৃত্যু হয়েছিল। দীর্ঘদিন ধরে তার দেহাবশেষ শহরের শান্তি স্মারক পার্কে সংরক্ষিত ছিল।

পরিবারের এক সদস্য গত বছর স্মারক তালিকায় নাম দেখে সন্দেহ প্রকাশ করলে বিষয়টি নতুন করে তদন্তে আসে। এরপর বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে পরীক্ষা চালিয়ে অবশেষে পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের কাছে আবেগঘন প্রত্যাবর্তন

রবিবার আনুষ্ঠানিকভাবে দেহাবশেষ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়, যা ২০২৩ সালের পর এই প্রথম এমন ঘটনা। কাজিয়ামার ভাতিজা আবেগাপ্লুত হয়ে জানান, এতদিন পর তাকে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে আনার অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন।

এখনো অজানা হাজারো পরিচয়

হিরোশিমা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, স্মারক স্থানে প্রায় ৭০ হাজার ভুক্তভোগীর দেহাবশেষ সংরক্ষিত রয়েছে। এর মধ্যে অনেকের পরিচয় জানা থাকলেও জীবিত আত্মীয়দের খোঁজ পাওয়া যায়নি। ইতিমধ্যে শতাধিক সংরক্ষিত পাত্র পরীক্ষা করে কিছু নমুনায় চুল পাওয়া গেছে, যা ভবিষ্যতে শনাক্তকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ইতিহাসের ক্ষত এখনো জীবন্ত

এই ঘটনাটি আবারও মনে করিয়ে দেয়, যুদ্ধ শেষ হলেও তার ক্ষত থেকে যায় প্রজন্মের পর প্রজন্ম। প্রযুক্তির অগ্রগতির ফলে এখনো সেই হারিয়ে যাওয়া মানুষদের পরিচয় ফিরে আসছে, আর পরিবারের কাছে ফিরছে তাদের প্রিয়জনের শেষ স্মৃতি।

জনপ্রিয় সংবাদ

কর্নেল ওসমানী যেভাবে মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি হয়ে উঠেছিলেন

৭৯ বছর পর ফিরে এলো হিরোশিমার কিশোরীর দেহাবশেষ, ডিএনএ বিশ্লেষণে মিললো পরিচয়

০৫:০০:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬

দীর্ঘ ৭৯ বছর পর অবশেষে পরিবারের কাছে ফিরে এলো হিরোশিমার পারমাণবিক বোমা হামলায় নিহত এক কিশোরীর দেহাবশেষ। আবেগঘন এই ঘটনার মধ্য দিয়ে আবারও সামনে এলো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের নির্মম স্মৃতি এবং মানবিক ক্ষতির গভীরতা।

ডিএনএ বিশ্লেষণে পরিচয় নিশ্চিত

হিরোশিমা শহর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ১৩ বছর বয়সী হাতসুয়ে কাজিয়ামার দেহাবশেষ শনাক্ত করা হয়েছে চুলের নমুনা থেকে ডিএনএ বিশ্লেষণের মাধ্যমে। ১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট পারমাণবিক বোমা হামলায় তার মৃত্যু হয়েছিল। দীর্ঘদিন ধরে তার দেহাবশেষ শহরের শান্তি স্মারক পার্কে সংরক্ষিত ছিল।

পরিবারের এক সদস্য গত বছর স্মারক তালিকায় নাম দেখে সন্দেহ প্রকাশ করলে বিষয়টি নতুন করে তদন্তে আসে। এরপর বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে পরীক্ষা চালিয়ে অবশেষে পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের কাছে আবেগঘন প্রত্যাবর্তন

রবিবার আনুষ্ঠানিকভাবে দেহাবশেষ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়, যা ২০২৩ সালের পর এই প্রথম এমন ঘটনা। কাজিয়ামার ভাতিজা আবেগাপ্লুত হয়ে জানান, এতদিন পর তাকে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে আনার অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন।

এখনো অজানা হাজারো পরিচয়

হিরোশিমা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, স্মারক স্থানে প্রায় ৭০ হাজার ভুক্তভোগীর দেহাবশেষ সংরক্ষিত রয়েছে। এর মধ্যে অনেকের পরিচয় জানা থাকলেও জীবিত আত্মীয়দের খোঁজ পাওয়া যায়নি। ইতিমধ্যে শতাধিক সংরক্ষিত পাত্র পরীক্ষা করে কিছু নমুনায় চুল পাওয়া গেছে, যা ভবিষ্যতে শনাক্তকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ইতিহাসের ক্ষত এখনো জীবন্ত

এই ঘটনাটি আবারও মনে করিয়ে দেয়, যুদ্ধ শেষ হলেও তার ক্ষত থেকে যায় প্রজন্মের পর প্রজন্ম। প্রযুক্তির অগ্রগতির ফলে এখনো সেই হারিয়ে যাওয়া মানুষদের পরিচয় ফিরে আসছে, আর পরিবারের কাছে ফিরছে তাদের প্রিয়জনের শেষ স্মৃতি।