১১:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬
স্বাস্থ্যকর খাদ্য কেন এখনও নাগালের বাইরে? যুক্তরাষ্ট্রে আফগান অভিবাসীদের তথ্য সংগ্রহ ঘিরে নতুন উদ্বেগ, জোরালো হচ্ছে বিতর্ক যুক্তরাষ্ট্রে কমছে সহিংস অপরাধ, স্বস্তি ফিরছে শহরগুলোতে সাবেক রাষ্ট্রপতি হামিদ ও সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রে সুপারমার্কেটের সামনে গাড়িচাপায় ৮২ বছরের নারী নিহত, বিচারের দাবিতে পরিবার ডেঙ্গুতে আরও ৩ মৃত্যু, দেশে প্রাণহানি বেড়ে ৪৩ সিলেটে গাছ থেকে তরুণের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, মৃত্যুর কারণ নিয়ে তদন্ত মুম্বাইয়ের গল্পে গুলজারের ৭৬ বছর: যে শহর এক কিশোর অভিবাসীকে কবি বানিয়েছে পাঁচ বইয়ে পাঁচ ভুবনের যাত্রা, ইতিহাস থেকে ভবিষ্যৎ—পাঠকের জন্য নতুন পাঁচ ঠিকানা সৌদি আরবকে পরমাণু জ্বালানি সমৃদ্ধকরণে ছাড়, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রশ্ন—‘আমাদের নয় কেন?’

৭৯ বছর পর ফিরে এলো হিরোশিমার কিশোরীর দেহাবশেষ, ডিএনএ বিশ্লেষণে মিললো পরিচয়

  • Sarakhon Report
  • ০৫:০০:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬
  • 43

ˆâ‘°‚çi¶j‚Ɉø‚«“n‚³‚ê‚銁ŽR‰Ž}‚³‚ñ‚̈⍜‚Q‚Q“úŒß‘OAL“‡Žs’†‹æ

দীর্ঘ ৭৯ বছর পর অবশেষে পরিবারের কাছে ফিরে এলো হিরোশিমার পারমাণবিক বোমা হামলায় নিহত এক কিশোরীর দেহাবশেষ। আবেগঘন এই ঘটনার মধ্য দিয়ে আবারও সামনে এলো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের নির্মম স্মৃতি এবং মানবিক ক্ষতির গভীরতা।

ডিএনএ বিশ্লেষণে পরিচয় নিশ্চিত

হিরোশিমা শহর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ১৩ বছর বয়সী হাতসুয়ে কাজিয়ামার দেহাবশেষ শনাক্ত করা হয়েছে চুলের নমুনা থেকে ডিএনএ বিশ্লেষণের মাধ্যমে। ১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট পারমাণবিক বোমা হামলায় তার মৃত্যু হয়েছিল। দীর্ঘদিন ধরে তার দেহাবশেষ শহরের শান্তি স্মারক পার্কে সংরক্ষিত ছিল।

পরিবারের এক সদস্য গত বছর স্মারক তালিকায় নাম দেখে সন্দেহ প্রকাশ করলে বিষয়টি নতুন করে তদন্তে আসে। এরপর বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে পরীক্ষা চালিয়ে অবশেষে পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের কাছে আবেগঘন প্রত্যাবর্তন

রবিবার আনুষ্ঠানিকভাবে দেহাবশেষ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়, যা ২০২৩ সালের পর এই প্রথম এমন ঘটনা। কাজিয়ামার ভাতিজা আবেগাপ্লুত হয়ে জানান, এতদিন পর তাকে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে আনার অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন।

এখনো অজানা হাজারো পরিচয়

হিরোশিমা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, স্মারক স্থানে প্রায় ৭০ হাজার ভুক্তভোগীর দেহাবশেষ সংরক্ষিত রয়েছে। এর মধ্যে অনেকের পরিচয় জানা থাকলেও জীবিত আত্মীয়দের খোঁজ পাওয়া যায়নি। ইতিমধ্যে শতাধিক সংরক্ষিত পাত্র পরীক্ষা করে কিছু নমুনায় চুল পাওয়া গেছে, যা ভবিষ্যতে শনাক্তকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ইতিহাসের ক্ষত এখনো জীবন্ত

এই ঘটনাটি আবারও মনে করিয়ে দেয়, যুদ্ধ শেষ হলেও তার ক্ষত থেকে যায় প্রজন্মের পর প্রজন্ম। প্রযুক্তির অগ্রগতির ফলে এখনো সেই হারিয়ে যাওয়া মানুষদের পরিচয় ফিরে আসছে, আর পরিবারের কাছে ফিরছে তাদের প্রিয়জনের শেষ স্মৃতি।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্বাস্থ্যকর খাদ্য কেন এখনও নাগালের বাইরে?

৭৯ বছর পর ফিরে এলো হিরোশিমার কিশোরীর দেহাবশেষ, ডিএনএ বিশ্লেষণে মিললো পরিচয়

০৫:০০:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬

দীর্ঘ ৭৯ বছর পর অবশেষে পরিবারের কাছে ফিরে এলো হিরোশিমার পারমাণবিক বোমা হামলায় নিহত এক কিশোরীর দেহাবশেষ। আবেগঘন এই ঘটনার মধ্য দিয়ে আবারও সামনে এলো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের নির্মম স্মৃতি এবং মানবিক ক্ষতির গভীরতা।

ডিএনএ বিশ্লেষণে পরিচয় নিশ্চিত

হিরোশিমা শহর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ১৩ বছর বয়সী হাতসুয়ে কাজিয়ামার দেহাবশেষ শনাক্ত করা হয়েছে চুলের নমুনা থেকে ডিএনএ বিশ্লেষণের মাধ্যমে। ১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট পারমাণবিক বোমা হামলায় তার মৃত্যু হয়েছিল। দীর্ঘদিন ধরে তার দেহাবশেষ শহরের শান্তি স্মারক পার্কে সংরক্ষিত ছিল।

পরিবারের এক সদস্য গত বছর স্মারক তালিকায় নাম দেখে সন্দেহ প্রকাশ করলে বিষয়টি নতুন করে তদন্তে আসে। এরপর বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে পরীক্ষা চালিয়ে অবশেষে পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের কাছে আবেগঘন প্রত্যাবর্তন

রবিবার আনুষ্ঠানিকভাবে দেহাবশেষ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়, যা ২০২৩ সালের পর এই প্রথম এমন ঘটনা। কাজিয়ামার ভাতিজা আবেগাপ্লুত হয়ে জানান, এতদিন পর তাকে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে আনার অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন।

এখনো অজানা হাজারো পরিচয়

হিরোশিমা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, স্মারক স্থানে প্রায় ৭০ হাজার ভুক্তভোগীর দেহাবশেষ সংরক্ষিত রয়েছে। এর মধ্যে অনেকের পরিচয় জানা থাকলেও জীবিত আত্মীয়দের খোঁজ পাওয়া যায়নি। ইতিমধ্যে শতাধিক সংরক্ষিত পাত্র পরীক্ষা করে কিছু নমুনায় চুল পাওয়া গেছে, যা ভবিষ্যতে শনাক্তকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ইতিহাসের ক্ষত এখনো জীবন্ত

এই ঘটনাটি আবারও মনে করিয়ে দেয়, যুদ্ধ শেষ হলেও তার ক্ষত থেকে যায় প্রজন্মের পর প্রজন্ম। প্রযুক্তির অগ্রগতির ফলে এখনো সেই হারিয়ে যাওয়া মানুষদের পরিচয় ফিরে আসছে, আর পরিবারের কাছে ফিরছে তাদের প্রিয়জনের শেষ স্মৃতি।