০৬:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬
ভারত-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্তের পথে, তবে কিছু মতপার্থক্য এখনো রয়ে গেছে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ, ট্রাইব্যুনালে যাওয়ার ঘোষণা অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির হরমুজ বন্ধ, বিশ্ব বাণিজ্যের ঝুঁকির নতুন মানচিত্র স্বাধীনতা দিবসে নওগাঁয় ১৭৫ শিল্পীর একমঞ্চে নজির, সাংস্কৃতিক উচ্ছ্বাসে মুখর শহর হবিগঞ্জে তাহেরীর মাহফিল ঘিরে উত্তেজনা, ১৪৪ ধারা জারি বৈদ্যুতিক বাসে রূপান্তর, চাকরি হারানোর আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন এপিএসআরটিসি কর্মীরা সংবিধান লঙ্ঘনের অভিযোগে নতুন বিতর্ক, জিয়াউর রহমান প্রসঙ্গে আসিফ মাহমুদের বক্তব্যে রাজনৈতিক উত্তাপ বাণিজ্যিক এলপিজি বরাদ্দ ৭০ শতাংশে উন্নীত, অগ্রাধিকার পাবে শিল্প খাত বাসের তেল ফুরিয়ে থামা, রেললাইনে বসে প্রাণ গেল ৫ জনের—কালিহাতীতে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬ একতরফা হবে না, হবে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই

যুক্তরাষ্ট্রে ‘অত্যন্ত বিপজ্জনক’ অপরাধী হিসেবে ১০ বাংলাদেশির পরিচয় প্রকাশ

যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ (ডিএইচএস) দেশটিতে গ্রেপ্তার হওয়া ১০ জন বাংলাদেশি নাগরিকের নাম ও ছবি প্রকাশ করেছে, যাদের “অত্যন্ত বিপজ্জনক অপরাধী” হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

ব্যাপক অভিযান ও গ্রেপ্তার

ডিএইচএস জানায়, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী গত এক বছরে ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) প্রায় ৪ লাখ অনিবন্ধিত অভিবাসীকে গ্রেপ্তার করেছে।

এই গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ৫৬ হাজারের বিরুদ্ধে আগে থেকেই গুরুতর অপরাধের রেকর্ড ছিল এবং তারা সাজা ভোগের পর মুক্তি পেয়েছিল।

আমরা এই যুদ্ধে জিতে গেছি: ট্রাম্প

গুরুতর অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

ডিএইচএসের তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক এই অভিযানে যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ, যৌন নিপীড়ন, মাদক পাচার, প্রতারণা, ক্রেডিট কার্ড জালিয়াতি, সশস্ত্র ডাকাতি এবং হামলার মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে।

ডিএইচএসের উপ-সচিব লরেন বেস বলেন, সাম্প্রতিক অভিযানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হাজার হাজার অনিবন্ধিত অভিবাসীকে গ্রেপ্তার করেছে, যারা গুরুতর অপরাধের সঙ্গে জড়িত।

তিনি বলেন, যারা শিশুদের ওপর হামলা চালায় বা নিরীহ মানুষের ক্ষতি করে, তাদের যুক্তরাষ্ট্রে থাকার কোনো অধিকার নেই। তারা সমাজের জন্য বড় হুমকি।

‘সবচেয়ে ভয়ংকর’ হিসেবে চিহ্নিত ১০ বাংলাদেশি

ডিএইচএস যাদের “সবচেয়ে ভয়ংকর” হিসেবে চিহ্নিত করেছে, তারা হলেন—

কাজী আবু সাঈদ: ফোর্ট স্কট, কানসাস; অভিযোগ—অপ্রাপ্তবয়স্ককে শোষণ, অবৈধ জুয়া পরিচালনা ও সংশ্লিষ্ট অপরাধ

শাহিদ হাসান: র‍্যালি, নর্থ ক্যারোলাইনা; অভিযোগ—গোপনে অস্ত্র বহন, দোকান থেকে চুরি

মোহাম্মদ আহমেদ: বাফেলো, নিউইয়র্ক; অভিযোগ—যৌন নিপীড়ন

এমডি হোসেন: কুইন্স, নিউইয়র্ক সিটি; অভিযোগ—যৌন নিপীড়ন

মাহতাবউদ্দিন আহমেদ: চ্যান্টিলি, ভার্জিনিয়া; অভিযোগ—গাঁজা ও হ্যালুসিনোজেনিক মাদক বিক্রি

নওয়াজ খান: মার্লিন, টেক্সাস; অভিযোগ—গুরুতর মাদক-সংক্রান্ত অপরাধ

শাহরিয়ার আবির: পেনসাকোলা, ফ্লোরিডা; অভিযোগ—চুরি

আলমগীর চৌধুরী: মাউন্ট ক্লেমেন্স, মিশিগান; অভিযোগ—ক্রেডিট কার্ড জালিয়াতি

ইশতিয়াক রফিক: মানাসাস, ভার্জিনিয়া; অভিযোগ—অস্ত্র আইন লঙ্ঘন, সিনথেটিক মাদক রাখা

কনক পারভেজ: ফিনিক্স, অ্যারিজোনা; অভিযোগ—প্রতারণা-সংক্রান্ত অপরাধ

জিরো টলারেন্স নীতি

ডিএইচএস জোর দিয়ে বলেছে, এই অভিযান মূলত তাদের বিরুদ্ধে পরিচালিত হয়েছে যারা জননিরাপত্তার জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি। সহিংস ও শোষণমূলক অপরাধের ক্ষেত্রে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির প্রতিফলন এই পদক্ষেপ।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারত-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্তের পথে, তবে কিছু মতপার্থক্য এখনো রয়ে গেছে

যুক্তরাষ্ট্রে ‘অত্যন্ত বিপজ্জনক’ অপরাধী হিসেবে ১০ বাংলাদেশির পরিচয় প্রকাশ

০৪:৫৩:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ (ডিএইচএস) দেশটিতে গ্রেপ্তার হওয়া ১০ জন বাংলাদেশি নাগরিকের নাম ও ছবি প্রকাশ করেছে, যাদের “অত্যন্ত বিপজ্জনক অপরাধী” হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

ব্যাপক অভিযান ও গ্রেপ্তার

ডিএইচএস জানায়, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী গত এক বছরে ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) প্রায় ৪ লাখ অনিবন্ধিত অভিবাসীকে গ্রেপ্তার করেছে।

এই গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ৫৬ হাজারের বিরুদ্ধে আগে থেকেই গুরুতর অপরাধের রেকর্ড ছিল এবং তারা সাজা ভোগের পর মুক্তি পেয়েছিল।

আমরা এই যুদ্ধে জিতে গেছি: ট্রাম্প

গুরুতর অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

ডিএইচএসের তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক এই অভিযানে যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ, যৌন নিপীড়ন, মাদক পাচার, প্রতারণা, ক্রেডিট কার্ড জালিয়াতি, সশস্ত্র ডাকাতি এবং হামলার মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে।

ডিএইচএসের উপ-সচিব লরেন বেস বলেন, সাম্প্রতিক অভিযানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হাজার হাজার অনিবন্ধিত অভিবাসীকে গ্রেপ্তার করেছে, যারা গুরুতর অপরাধের সঙ্গে জড়িত।

তিনি বলেন, যারা শিশুদের ওপর হামলা চালায় বা নিরীহ মানুষের ক্ষতি করে, তাদের যুক্তরাষ্ট্রে থাকার কোনো অধিকার নেই। তারা সমাজের জন্য বড় হুমকি।

‘সবচেয়ে ভয়ংকর’ হিসেবে চিহ্নিত ১০ বাংলাদেশি

ডিএইচএস যাদের “সবচেয়ে ভয়ংকর” হিসেবে চিহ্নিত করেছে, তারা হলেন—

কাজী আবু সাঈদ: ফোর্ট স্কট, কানসাস; অভিযোগ—অপ্রাপ্তবয়স্ককে শোষণ, অবৈধ জুয়া পরিচালনা ও সংশ্লিষ্ট অপরাধ

শাহিদ হাসান: র‍্যালি, নর্থ ক্যারোলাইনা; অভিযোগ—গোপনে অস্ত্র বহন, দোকান থেকে চুরি

মোহাম্মদ আহমেদ: বাফেলো, নিউইয়র্ক; অভিযোগ—যৌন নিপীড়ন

এমডি হোসেন: কুইন্স, নিউইয়র্ক সিটি; অভিযোগ—যৌন নিপীড়ন

মাহতাবউদ্দিন আহমেদ: চ্যান্টিলি, ভার্জিনিয়া; অভিযোগ—গাঁজা ও হ্যালুসিনোজেনিক মাদক বিক্রি

নওয়াজ খান: মার্লিন, টেক্সাস; অভিযোগ—গুরুতর মাদক-সংক্রান্ত অপরাধ

শাহরিয়ার আবির: পেনসাকোলা, ফ্লোরিডা; অভিযোগ—চুরি

আলমগীর চৌধুরী: মাউন্ট ক্লেমেন্স, মিশিগান; অভিযোগ—ক্রেডিট কার্ড জালিয়াতি

ইশতিয়াক রফিক: মানাসাস, ভার্জিনিয়া; অভিযোগ—অস্ত্র আইন লঙ্ঘন, সিনথেটিক মাদক রাখা

কনক পারভেজ: ফিনিক্স, অ্যারিজোনা; অভিযোগ—প্রতারণা-সংক্রান্ত অপরাধ

জিরো টলারেন্স নীতি

ডিএইচএস জোর দিয়ে বলেছে, এই অভিযান মূলত তাদের বিরুদ্ধে পরিচালিত হয়েছে যারা জননিরাপত্তার জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি। সহিংস ও শোষণমূলক অপরাধের ক্ষেত্রে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির প্রতিফলন এই পদক্ষেপ।