০৯:১৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬
বাহরাইনে মার্কিন নৌঘাঁটির ধ্বংস: যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তায় বড় সতর্কবার্তা কিশোরদের মানসিক আশ্রয় যখন এআই: সহায়ক প্রযুক্তি নাকি নতুন ঝুঁকি? নেপালের মরদেহ শনাক্ত সংকট: এখনো নিখোঁজ ২,৪২৬ জন; ৫১৭ বিদেশি নাগরিক রাজধানীতে গ্যাস সংকট তীব্র, ৪০-৫০ টাকার গ্যাসের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা রংপুরে অটোরিকশাচালককে গলা কেটে হত্যা, নিখোঁজ গাড়ি উদ্ধারে অভিযান ঢাকার যানজট কমাতে ৪ মাসের সময়সীমা, করওয়ান বাজারের কাঁচাবাজার যাবে গাবতলীতে ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে এখন থেকেই মানুন ৫টি সহজ অভ্যাস নিজ দলের কর্মীর সঙ্গে বিরোধ, মারধরের পর যুবদল নেতার মৃত্যু একই দিনে মনপুরার ৩ শিশু নিখোঁজ, উৎকণ্ঠায় পরিবার সেমিফাইনালে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ চূড়ান্ত, লড়াই হবে ভিক্টোরিয়ার সঙ্গে

গ্রিস উপকূলে মৃত্যুমিছিল, ২২ জনের প্রাণহানি—২১ বাংলাদেশিসহ ২৬ জন উদ্ধার

গ্রিসের উপকূলে ইউরোপে পৌঁছানোর স্বপ্নভঙ্গ হয়ে ভয়াবহ এক মানবিক বিপর্যয়ের ঘটনা সামনে এসেছে। উত্তর আফ্রিকা থেকে রাবার বোটে করে যাত্রা করা অভিবাসনপ্রত্যাশীদের মধ্যে অন্তত ২২ জন প্রাণ হারিয়েছেন। একই ঘটনায় ২১ জন বাংলাদেশিসহ মোট ২৬ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।

উদ্ধার অভিযানে যা জানা গেল

গ্রিস কোস্টগার্ড জানিয়েছে, ক্রিট দ্বীপের কাছাকাছি সমুদ্র এলাকায় একটি জাহাজ থেকে এক নারী ও এক শিশুসহ মোট ২৬ জনকে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়াদের মধ্যে ২১ জন বাংলাদেশি, চারজন সুদানি এবং একজন চাদের নাগরিক রয়েছেন। তাদের মধ্যে দুজনকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

গ্রিস উপকূলে ২১ বাংলাদেশিসহ ২৬ অভিবাসনপ্রত্যাশী উদ্ধার | Greece Migrant  Rescue

মৃত্যুর ভয়াবহতা ও সমুদ্রে লাশ ফেলা

উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, দীর্ঘ সমুদ্রযাত্রায় খাবার ও পানির অভাবে একে একে মানুষ মারা যেতে থাকেন। পরে পাচারকারীদের নির্দেশে মৃতদেহগুলো সমুদ্রে ফেলে দেওয়া হয়। এই নির্মম ঘটনার বর্ণনায় উঠে এসেছে অভিবাসনপথের ভয়াবহ বাস্তবতা।

ছয় দিনের দুঃসহ ভাসমান যাত্রা

জানা গেছে, নৌকাটি গত ২১ মার্চ লিবিয়ার তুবারুক এলাকা থেকে গ্রিসের উদ্দেশে রওনা দেয়। যাত্রাপথে দিক হারিয়ে ফেলে নৌকাটি এবং টানা ছয় দিন খাবার ও পানি ছাড়া সমুদ্রে ভাসতে থাকে। এই সময়েই ঘটে মৃত্যুর মিছিল।

গ্রিস উপকূলে ২২ অভিবাসনপ্রত্যাশীর মৃত্যু, জীবিত উদ্ধার ২১ বাংলাদেশি

পাচারচক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে গ্রিক কর্তৃপক্ষ। তাদের বয়স ১৯ ও ২২ বছর। ধারণা করা হচ্ছে, তারা মানবপাচার চক্রের সঙ্গে যুক্ত। অবৈধ প্রবেশ ও হত্যার অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে।

অভিবাসনপথে ঝুঁকির বাস্তবতা

এই ঘটনা আবারও প্রমাণ করল, ইউরোপমুখী অবৈধ সমুদ্রপথ কতটা ঝুঁকিপূর্ণ। উন্নত জীবনের আশায় যাত্রা করা মানুষদের অনেকেই এমন বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে পড়ছেন, যা শেষ পর্যন্ত প্রাণহানির কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

বাহরাইনে মার্কিন নৌঘাঁটির ধ্বংস: যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তায় বড় সতর্কবার্তা

গ্রিস উপকূলে মৃত্যুমিছিল, ২২ জনের প্রাণহানি—২১ বাংলাদেশিসহ ২৬ জন উদ্ধার

১২:৫৩:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

গ্রিসের উপকূলে ইউরোপে পৌঁছানোর স্বপ্নভঙ্গ হয়ে ভয়াবহ এক মানবিক বিপর্যয়ের ঘটনা সামনে এসেছে। উত্তর আফ্রিকা থেকে রাবার বোটে করে যাত্রা করা অভিবাসনপ্রত্যাশীদের মধ্যে অন্তত ২২ জন প্রাণ হারিয়েছেন। একই ঘটনায় ২১ জন বাংলাদেশিসহ মোট ২৬ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।

উদ্ধার অভিযানে যা জানা গেল

গ্রিস কোস্টগার্ড জানিয়েছে, ক্রিট দ্বীপের কাছাকাছি সমুদ্র এলাকায় একটি জাহাজ থেকে এক নারী ও এক শিশুসহ মোট ২৬ জনকে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়াদের মধ্যে ২১ জন বাংলাদেশি, চারজন সুদানি এবং একজন চাদের নাগরিক রয়েছেন। তাদের মধ্যে দুজনকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

গ্রিস উপকূলে ২১ বাংলাদেশিসহ ২৬ অভিবাসনপ্রত্যাশী উদ্ধার | Greece Migrant  Rescue

মৃত্যুর ভয়াবহতা ও সমুদ্রে লাশ ফেলা

উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, দীর্ঘ সমুদ্রযাত্রায় খাবার ও পানির অভাবে একে একে মানুষ মারা যেতে থাকেন। পরে পাচারকারীদের নির্দেশে মৃতদেহগুলো সমুদ্রে ফেলে দেওয়া হয়। এই নির্মম ঘটনার বর্ণনায় উঠে এসেছে অভিবাসনপথের ভয়াবহ বাস্তবতা।

ছয় দিনের দুঃসহ ভাসমান যাত্রা

জানা গেছে, নৌকাটি গত ২১ মার্চ লিবিয়ার তুবারুক এলাকা থেকে গ্রিসের উদ্দেশে রওনা দেয়। যাত্রাপথে দিক হারিয়ে ফেলে নৌকাটি এবং টানা ছয় দিন খাবার ও পানি ছাড়া সমুদ্রে ভাসতে থাকে। এই সময়েই ঘটে মৃত্যুর মিছিল।

গ্রিস উপকূলে ২২ অভিবাসনপ্রত্যাশীর মৃত্যু, জীবিত উদ্ধার ২১ বাংলাদেশি

পাচারচক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে গ্রিক কর্তৃপক্ষ। তাদের বয়স ১৯ ও ২২ বছর। ধারণা করা হচ্ছে, তারা মানবপাচার চক্রের সঙ্গে যুক্ত। অবৈধ প্রবেশ ও হত্যার অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে।

অভিবাসনপথে ঝুঁকির বাস্তবতা

এই ঘটনা আবারও প্রমাণ করল, ইউরোপমুখী অবৈধ সমুদ্রপথ কতটা ঝুঁকিপূর্ণ। উন্নত জীবনের আশায় যাত্রা করা মানুষদের অনেকেই এমন বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে পড়ছেন, যা শেষ পর্যন্ত প্রাণহানির কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।