১১:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

উত্তরাখণ্ডে ভাঙন, ছয় নেতা বিজেপি ছেড়ে কংগ্রেসে

নয়াদিল্লিতে এক নাটকীয় রাজনৈতিক পালাবদলে উত্তরাখণ্ডের ছয়জন গুরুত্বপূর্ণ বিজেপি নেতা কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হচ্ছে এবং ধামি সরকারের ওপর চাপ আরও বেড়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

দলবদলে চমক
শনিবার নয়াদিল্লিতে কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই যোগদান সম্পন্ন হয়। যোগদানকারী ছয় নেতার মধ্যে তিনজন সাবেক বিধায়ক রয়েছেন। তারা হলেন রাজকুমার ঠুকরাল, নারায়ণ পাল ও ভীমলাল আর্য। বাকি তিনজন হলেন গৌরব গোয়েল, লক্ষণ সিং এবং অনুজ গুপ্ত।
এই দলবদলকে কংগ্রেস বড় রাজনৈতিক বার্তা হিসেবে দেখছে, যা আসন্ন সময়ে রাজ্যের রাজনীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে।

কংগ্রেসের দাবি, জনসমর্থন বাড়ছে
কংগ্রেসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই নেতারা দলের শীর্ষ নেতৃত্বের প্রতি আস্থা রেখেই যোগ দিয়েছেন। দলের দাবি, রাজ্যে বিজেপি সরকারের প্রতি মানুষের অসন্তোষ বাড়ছে এবং সেই সুযোগে কংগ্রেসের প্রতি জনসমর্থন ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে।


কংগ্রেস নেতারা মনে করছেন, এই প্রবণতা ভবিষ্যৎ নির্বাচনে ইতিবাচক ফল বয়ে আনতে পারে।

দুর্নীতির অভিযোগে চাপে সরকার
কংগ্রেসের অভিযোগ, বর্তমান রাজ্য সরকার ব্যাপক দুর্নীতিতে জড়িত এবং এই ইস্যুতে তারা ইতিমধ্যেই জনসমর্থন পেয়েছে। দলের কর্মীদের প্রতিবাদ আন্দোলনও মানুষের সমর্থন অর্জন করেছে বলে দাবি করা হয়েছে।
এছাড়া মুখ্যমন্ত্রীর ভাবমূর্তি উন্নত করার প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে বলেও কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, যা জনমনে সরকারের প্রতি আস্থাহীনতা বাড়িয়েছে।

রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মোড়
এই যোগদান অনুষ্ঠানে রাজ্যের কংগ্রেসের শীর্ষ নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। তাদের মতে, এই দলবদল শুধু প্রতীকী নয়, বরং এটি রাজ্যের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনায় বিজেপির ভেতরে চাপ বাড়তে পারে এবং আগামী নির্বাচনে এর প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

উত্তরাখণ্ডে ভাঙন, ছয় নেতা বিজেপি ছেড়ে কংগ্রেসে

০৮:১৭:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

নয়াদিল্লিতে এক নাটকীয় রাজনৈতিক পালাবদলে উত্তরাখণ্ডের ছয়জন গুরুত্বপূর্ণ বিজেপি নেতা কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হচ্ছে এবং ধামি সরকারের ওপর চাপ আরও বেড়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

দলবদলে চমক
শনিবার নয়াদিল্লিতে কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই যোগদান সম্পন্ন হয়। যোগদানকারী ছয় নেতার মধ্যে তিনজন সাবেক বিধায়ক রয়েছেন। তারা হলেন রাজকুমার ঠুকরাল, নারায়ণ পাল ও ভীমলাল আর্য। বাকি তিনজন হলেন গৌরব গোয়েল, লক্ষণ সিং এবং অনুজ গুপ্ত।
এই দলবদলকে কংগ্রেস বড় রাজনৈতিক বার্তা হিসেবে দেখছে, যা আসন্ন সময়ে রাজ্যের রাজনীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে।

কংগ্রেসের দাবি, জনসমর্থন বাড়ছে
কংগ্রেসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই নেতারা দলের শীর্ষ নেতৃত্বের প্রতি আস্থা রেখেই যোগ দিয়েছেন। দলের দাবি, রাজ্যে বিজেপি সরকারের প্রতি মানুষের অসন্তোষ বাড়ছে এবং সেই সুযোগে কংগ্রেসের প্রতি জনসমর্থন ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে।


কংগ্রেস নেতারা মনে করছেন, এই প্রবণতা ভবিষ্যৎ নির্বাচনে ইতিবাচক ফল বয়ে আনতে পারে।

দুর্নীতির অভিযোগে চাপে সরকার
কংগ্রেসের অভিযোগ, বর্তমান রাজ্য সরকার ব্যাপক দুর্নীতিতে জড়িত এবং এই ইস্যুতে তারা ইতিমধ্যেই জনসমর্থন পেয়েছে। দলের কর্মীদের প্রতিবাদ আন্দোলনও মানুষের সমর্থন অর্জন করেছে বলে দাবি করা হয়েছে।
এছাড়া মুখ্যমন্ত্রীর ভাবমূর্তি উন্নত করার প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে বলেও কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, যা জনমনে সরকারের প্রতি আস্থাহীনতা বাড়িয়েছে।

রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মোড়
এই যোগদান অনুষ্ঠানে রাজ্যের কংগ্রেসের শীর্ষ নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। তাদের মতে, এই দলবদল শুধু প্রতীকী নয়, বরং এটি রাজ্যের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনায় বিজেপির ভেতরে চাপ বাড়তে পারে এবং আগামী নির্বাচনে এর প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।