১০:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬
ব্রাজিলের বায়োফুয়েল শক্তি: জ্বালানি সংকটে এক গোপন ঢাল হার্ট অ্যাটাকে দেরি মানেই মৃত্যু ঝুঁকি, চিকিৎসা ব্যবস্থার দুর্বলতায় বাড়ছে বিপদ আখচাষিদের বকেয়া ৩২ গুণ বৃদ্ধি, কোটি কোটি টাকা আটকে—চাপ বাড়ছে কৃষকের জীবনে উত্তরাখণ্ডে ভাঙন, ছয় নেতা বিজেপি ছেড়ে কংগ্রেসে ৮ জেলায় তেল সংকট: শ্রমিকদের কর্মবিরতিতে জ্বালানি সরবরাহ থমকে গেছে জনসংখ্যা বদল থামাতে বিজেপিই শেষ ভরসা, তৃণমূলকে ঘিরে শাহের বিস্ফোরক চার্জশিট থাইল্যান্ডে নতুন জীবন খুঁজছেন মিয়ানমারের লাখো মানুষ, নিরাপত্তা ও স্বপ্নের লড়াই তীব্রতর ইরান যুদ্ধের ছায়ায় তাইওয়ান সংকট: চীনের হামলার ঝুঁকি কি বাড়ছে? চীনের রাজনীতিতে জিয়াং শেংনানের দৃপ্ত কণ্ঠ, নারীর অধিকারের নতুন অধ্যায় শুরু ২৪ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও মানবপাচার মামলায় সাবেক এমপি মাসুদ উদ্দিনের ৬ দিনের নতুন রিমান্ড

উত্তরাখণ্ডে ভাঙন, ছয় নেতা বিজেপি ছেড়ে কংগ্রেসে

নয়াদিল্লিতে এক নাটকীয় রাজনৈতিক পালাবদলে উত্তরাখণ্ডের ছয়জন গুরুত্বপূর্ণ বিজেপি নেতা কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হচ্ছে এবং ধামি সরকারের ওপর চাপ আরও বেড়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

দলবদলে চমক
শনিবার নয়াদিল্লিতে কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই যোগদান সম্পন্ন হয়। যোগদানকারী ছয় নেতার মধ্যে তিনজন সাবেক বিধায়ক রয়েছেন। তারা হলেন রাজকুমার ঠুকরাল, নারায়ণ পাল ও ভীমলাল আর্য। বাকি তিনজন হলেন গৌরব গোয়েল, লক্ষণ সিং এবং অনুজ গুপ্ত।
এই দলবদলকে কংগ্রেস বড় রাজনৈতিক বার্তা হিসেবে দেখছে, যা আসন্ন সময়ে রাজ্যের রাজনীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে।

কংগ্রেসের দাবি, জনসমর্থন বাড়ছে
কংগ্রেসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই নেতারা দলের শীর্ষ নেতৃত্বের প্রতি আস্থা রেখেই যোগ দিয়েছেন। দলের দাবি, রাজ্যে বিজেপি সরকারের প্রতি মানুষের অসন্তোষ বাড়ছে এবং সেই সুযোগে কংগ্রেসের প্রতি জনসমর্থন ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে।


কংগ্রেস নেতারা মনে করছেন, এই প্রবণতা ভবিষ্যৎ নির্বাচনে ইতিবাচক ফল বয়ে আনতে পারে।

দুর্নীতির অভিযোগে চাপে সরকার
কংগ্রেসের অভিযোগ, বর্তমান রাজ্য সরকার ব্যাপক দুর্নীতিতে জড়িত এবং এই ইস্যুতে তারা ইতিমধ্যেই জনসমর্থন পেয়েছে। দলের কর্মীদের প্রতিবাদ আন্দোলনও মানুষের সমর্থন অর্জন করেছে বলে দাবি করা হয়েছে।
এছাড়া মুখ্যমন্ত্রীর ভাবমূর্তি উন্নত করার প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে বলেও কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, যা জনমনে সরকারের প্রতি আস্থাহীনতা বাড়িয়েছে।

রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মোড়
এই যোগদান অনুষ্ঠানে রাজ্যের কংগ্রেসের শীর্ষ নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। তাদের মতে, এই দলবদল শুধু প্রতীকী নয়, বরং এটি রাজ্যের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনায় বিজেপির ভেতরে চাপ বাড়তে পারে এবং আগামী নির্বাচনে এর প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ব্রাজিলের বায়োফুয়েল শক্তি: জ্বালানি সংকটে এক গোপন ঢাল

উত্তরাখণ্ডে ভাঙন, ছয় নেতা বিজেপি ছেড়ে কংগ্রেসে

০৮:১৭:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

নয়াদিল্লিতে এক নাটকীয় রাজনৈতিক পালাবদলে উত্তরাখণ্ডের ছয়জন গুরুত্বপূর্ণ বিজেপি নেতা কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হচ্ছে এবং ধামি সরকারের ওপর চাপ আরও বেড়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

দলবদলে চমক
শনিবার নয়াদিল্লিতে কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই যোগদান সম্পন্ন হয়। যোগদানকারী ছয় নেতার মধ্যে তিনজন সাবেক বিধায়ক রয়েছেন। তারা হলেন রাজকুমার ঠুকরাল, নারায়ণ পাল ও ভীমলাল আর্য। বাকি তিনজন হলেন গৌরব গোয়েল, লক্ষণ সিং এবং অনুজ গুপ্ত।
এই দলবদলকে কংগ্রেস বড় রাজনৈতিক বার্তা হিসেবে দেখছে, যা আসন্ন সময়ে রাজ্যের রাজনীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে।

কংগ্রেসের দাবি, জনসমর্থন বাড়ছে
কংগ্রেসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই নেতারা দলের শীর্ষ নেতৃত্বের প্রতি আস্থা রেখেই যোগ দিয়েছেন। দলের দাবি, রাজ্যে বিজেপি সরকারের প্রতি মানুষের অসন্তোষ বাড়ছে এবং সেই সুযোগে কংগ্রেসের প্রতি জনসমর্থন ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে।


কংগ্রেস নেতারা মনে করছেন, এই প্রবণতা ভবিষ্যৎ নির্বাচনে ইতিবাচক ফল বয়ে আনতে পারে।

দুর্নীতির অভিযোগে চাপে সরকার
কংগ্রেসের অভিযোগ, বর্তমান রাজ্য সরকার ব্যাপক দুর্নীতিতে জড়িত এবং এই ইস্যুতে তারা ইতিমধ্যেই জনসমর্থন পেয়েছে। দলের কর্মীদের প্রতিবাদ আন্দোলনও মানুষের সমর্থন অর্জন করেছে বলে দাবি করা হয়েছে।
এছাড়া মুখ্যমন্ত্রীর ভাবমূর্তি উন্নত করার প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে বলেও কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, যা জনমনে সরকারের প্রতি আস্থাহীনতা বাড়িয়েছে।

রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মোড়
এই যোগদান অনুষ্ঠানে রাজ্যের কংগ্রেসের শীর্ষ নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। তাদের মতে, এই দলবদল শুধু প্রতীকী নয়, বরং এটি রাজ্যের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনায় বিজেপির ভেতরে চাপ বাড়তে পারে এবং আগামী নির্বাচনে এর প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।