০৭:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় অনিয়ম সংশোধনে কাজ করছে সরকার: মন্ত্রী আজম মধ্যপ্রাচ্য সংকটেও মিড-জুলাই পর্যন্ত ইউরিয়া সারের মজুদ নিরাপদ: কৃষিমন্ত্রী সারা দেশে ২৪ ঘণ্টায় ৮৭,৭০০ লিটার অবৈধ জ্বালানি জব্দ, ৩৯১টি অভিযান পরিচালিত ইরান যুদ্ধ কেন দেশগুলোকে প্রাকৃতিক গ্যাসের ওপর নির্ভরতা কমাতে বাধ্য করতে পারে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ইরান যুদ্ধের প্রভাব: বাড়ছে খরচ, চাপে সাধারণ মানুষ ইরান যুদ্ধ ঘিরে তেলের বাজারে বড় ধাক্কা জ্বালানি সংকটে লড়াই: রেশনিং, ডিজিটাল নজরদারি ও কঠোর নীতির নতুন বাস্তবতা ইইউতে পোশাক রপ্তানিতে ৫% কার্বন ট্যাক্সের শঙ্কা, প্রস্তুত হচ্ছে বাংলাদেশ বিদেশি ঋণ প্রবাহে ধাক্কা: নির্বাচন, অস্থিরতা আর আস্থাহীনতায় চাপে অর্থনীতি মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি সংকট: বাংলাদেশে অফিসে বিদ্যুৎ সাশ্রয় নির্দেশ, নরওয়ে-অস্ট্রেলিয়ায় জ্বালানি কর কমানো

ফিলিপাইনে বাংলাদেশের জাতীয় দিবস উদযাপন: কূটনৈতিক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নেওয়ার আহ্বান

ফিলিপাইনে অবস্থানরত বিদেশি কূটনীতিকদের সম্মানে যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে বাংলাদেশের জাতীয় দিবস উদযাপন করেছে বাংলাদেশ দূতাবাস। আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আন্ডারসেক্রেটারি মারিয়া থেরেসা বি. ডিজন-ডে ভেগা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

কূটনৈতিক মহলের উপস্থিতিতে জমকালো আয়োজন

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, কূটনৈতিক কর্পসের সদস্য, ফিলিপাইনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা, সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিনিধি, শিক্ষাবিদ, গণমাধ্যমকর্মী, ব্যবসায়ী এবং প্রবাসী বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের সদস্যরা অংশ নেন।

জাতীয় সংগীত দিয়ে সূচনা

সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় অনুষ্ঠানের সূচনা হয় ফিলিপাইনের জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে। এরপর বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশন করে অ্যাডামসন বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়ার দল।

দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারের আহ্বান

বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ সারওয়ার মাহমুদ তাঁর বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশ ও ফিলিপাইনের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্ক পারস্পরিক আস্থা, অভিন্ন মূল্যবোধ এবং যৌথ স্বপ্নের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। তিনি দুই দেশের অপ্রয়োগিত সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে কাঠামোবদ্ধ সহযোগিতা, উচ্চ পর্যায়ের সফর এবং বিভিন্ন খাতে যৌথ উদ্যোগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে তিনি ফিলিপাইনে বসবাসরত বাংলাদেশিদের ভূমিকার প্রশংসা করেন, যারা দুই দেশের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করছে।

বাণিজ্য ও সংস্কৃতিতে নতুন সম্ভাবনা

প্রধান অতিথি মারিয়া থেরেসা বি. ডিজন-ডে ভেগা তাঁর বক্তব্যে কৃষি, স্বাস্থ্য, সুস্থতা, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিনিময়সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের ক্রমবর্ধমান সহযোগিতার কথা তুলে ধরেন। তিনি বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের বিস্তৃত সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেন এবং ভবিষ্যতে এই অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

সংস্কৃতি ও ভোজে সমাপ্তি

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে কেক কাটা হয় এবং অ্যাডামসন বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়ার দলের পরিবেশনায় বাংলা লোকসংগীত পরিবেশিত হয়। এ সময় অতিথিরা উপভোগ করেন বৈচিত্র্যময় ও সুস্বাদু নৈশভোজ।

জনপ্রিয় সংবাদ

মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় অনিয়ম সংশোধনে কাজ করছে সরকার: মন্ত্রী আজম

ফিলিপাইনে বাংলাদেশের জাতীয় দিবস উদযাপন: কূটনৈতিক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নেওয়ার আহ্বান

০৬:১৬:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

ফিলিপাইনে অবস্থানরত বিদেশি কূটনীতিকদের সম্মানে যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে বাংলাদেশের জাতীয় দিবস উদযাপন করেছে বাংলাদেশ দূতাবাস। আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আন্ডারসেক্রেটারি মারিয়া থেরেসা বি. ডিজন-ডে ভেগা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

কূটনৈতিক মহলের উপস্থিতিতে জমকালো আয়োজন

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, কূটনৈতিক কর্পসের সদস্য, ফিলিপাইনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা, সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিনিধি, শিক্ষাবিদ, গণমাধ্যমকর্মী, ব্যবসায়ী এবং প্রবাসী বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের সদস্যরা অংশ নেন।

জাতীয় সংগীত দিয়ে সূচনা

সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় অনুষ্ঠানের সূচনা হয় ফিলিপাইনের জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে। এরপর বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশন করে অ্যাডামসন বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়ার দল।

দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারের আহ্বান

বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ সারওয়ার মাহমুদ তাঁর বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশ ও ফিলিপাইনের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্ক পারস্পরিক আস্থা, অভিন্ন মূল্যবোধ এবং যৌথ স্বপ্নের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। তিনি দুই দেশের অপ্রয়োগিত সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে কাঠামোবদ্ধ সহযোগিতা, উচ্চ পর্যায়ের সফর এবং বিভিন্ন খাতে যৌথ উদ্যোগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে তিনি ফিলিপাইনে বসবাসরত বাংলাদেশিদের ভূমিকার প্রশংসা করেন, যারা দুই দেশের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করছে।

বাণিজ্য ও সংস্কৃতিতে নতুন সম্ভাবনা

প্রধান অতিথি মারিয়া থেরেসা বি. ডিজন-ডে ভেগা তাঁর বক্তব্যে কৃষি, স্বাস্থ্য, সুস্থতা, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিনিময়সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের ক্রমবর্ধমান সহযোগিতার কথা তুলে ধরেন। তিনি বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের বিস্তৃত সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেন এবং ভবিষ্যতে এই অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

সংস্কৃতি ও ভোজে সমাপ্তি

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে কেক কাটা হয় এবং অ্যাডামসন বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়ার দলের পরিবেশনায় বাংলা লোকসংগীত পরিবেশিত হয়। এ সময় অতিথিরা উপভোগ করেন বৈচিত্র্যময় ও সুস্বাদু নৈশভোজ।