১২:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
মধ্যবর্তী নির্বাচন ও গণতন্ত্রের সূক্ষ্ম সংকট: প্রতিষ্ঠান ভেঙে পড়ে কীভাবে ইউক্রেনের লক্ষ্য ২০২৭ সালের মধ্যেই ইউরোপীয় ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার পরীক্ষামূলক মডেল প্রকৃতি ও পাখির টানে মানুষের হৃদয়ে বেঁচে থাকবেন বিল অডি খোলা পানিতে সাঁতার কতটা নিরাপদ, বৃষ্টির পর বাড়ে যে ভয় রাশিয়ার বেটিং প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পর্কের বিতর্কে ইতালির কোচের দৌড় থেকে ছিটকে পিরলো আঠা-লেবেল ছাড়াই কাগজের প্যাকেজিং, বদলে যেতে পারে পুনর্ব্যবহারের ভবিষ্যৎ বালিতে বিদেশিদের দৌড় ক্লাবে স্থানীয়দের বাদ দেওয়ার অভিযোগ, দুই ডাচ নাগরিক নিষিদ্ধ আসামে ভয়াবহ বন্যা, ছয় দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ বিপর্যয়ে ৬ লাখের বেশি মানুষ জাপানে প্রথম মসজিদ নির্মাণ ঘিরে তীব্র বিতর্ক, পরিচয় সংকটে ফুজিসাওয়া আয়ারল্যান্ডের উপকূলে বিশাল হাঙরের অবিশ্বাস্য কাছাকাছি দেখা মিলছে

ফিলিপাইনে বাংলাদেশের জাতীয় দিবস উদযাপন: কূটনৈতিক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নেওয়ার আহ্বান

ফিলিপাইনে অবস্থানরত বিদেশি কূটনীতিকদের সম্মানে যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে বাংলাদেশের জাতীয় দিবস উদযাপন করেছে বাংলাদেশ দূতাবাস। আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আন্ডারসেক্রেটারি মারিয়া থেরেসা বি. ডিজন-ডে ভেগা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

কূটনৈতিক মহলের উপস্থিতিতে জমকালো আয়োজন

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, কূটনৈতিক কর্পসের সদস্য, ফিলিপাইনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা, সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিনিধি, শিক্ষাবিদ, গণমাধ্যমকর্মী, ব্যবসায়ী এবং প্রবাসী বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের সদস্যরা অংশ নেন।

জাতীয় সংগীত দিয়ে সূচনা

সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় অনুষ্ঠানের সূচনা হয় ফিলিপাইনের জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে। এরপর বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশন করে অ্যাডামসন বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়ার দল।

দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারের আহ্বান

বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ সারওয়ার মাহমুদ তাঁর বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশ ও ফিলিপাইনের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্ক পারস্পরিক আস্থা, অভিন্ন মূল্যবোধ এবং যৌথ স্বপ্নের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। তিনি দুই দেশের অপ্রয়োগিত সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে কাঠামোবদ্ধ সহযোগিতা, উচ্চ পর্যায়ের সফর এবং বিভিন্ন খাতে যৌথ উদ্যোগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে তিনি ফিলিপাইনে বসবাসরত বাংলাদেশিদের ভূমিকার প্রশংসা করেন, যারা দুই দেশের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করছে।

বাণিজ্য ও সংস্কৃতিতে নতুন সম্ভাবনা

প্রধান অতিথি মারিয়া থেরেসা বি. ডিজন-ডে ভেগা তাঁর বক্তব্যে কৃষি, স্বাস্থ্য, সুস্থতা, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিনিময়সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের ক্রমবর্ধমান সহযোগিতার কথা তুলে ধরেন। তিনি বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের বিস্তৃত সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেন এবং ভবিষ্যতে এই অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

সংস্কৃতি ও ভোজে সমাপ্তি

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে কেক কাটা হয় এবং অ্যাডামসন বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়ার দলের পরিবেশনায় বাংলা লোকসংগীত পরিবেশিত হয়। এ সময় অতিথিরা উপভোগ করেন বৈচিত্র্যময় ও সুস্বাদু নৈশভোজ।

জনপ্রিয় সংবাদ

মধ্যবর্তী নির্বাচন ও গণতন্ত্রের সূক্ষ্ম সংকট: প্রতিষ্ঠান ভেঙে পড়ে কীভাবে

ফিলিপাইনে বাংলাদেশের জাতীয় দিবস উদযাপন: কূটনৈতিক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নেওয়ার আহ্বান

০৬:১৬:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

ফিলিপাইনে অবস্থানরত বিদেশি কূটনীতিকদের সম্মানে যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে বাংলাদেশের জাতীয় দিবস উদযাপন করেছে বাংলাদেশ দূতাবাস। আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আন্ডারসেক্রেটারি মারিয়া থেরেসা বি. ডিজন-ডে ভেগা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

কূটনৈতিক মহলের উপস্থিতিতে জমকালো আয়োজন

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, কূটনৈতিক কর্পসের সদস্য, ফিলিপাইনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা, সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিনিধি, শিক্ষাবিদ, গণমাধ্যমকর্মী, ব্যবসায়ী এবং প্রবাসী বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের সদস্যরা অংশ নেন।

জাতীয় সংগীত দিয়ে সূচনা

সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় অনুষ্ঠানের সূচনা হয় ফিলিপাইনের জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে। এরপর বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশন করে অ্যাডামসন বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়ার দল।

দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারের আহ্বান

বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ সারওয়ার মাহমুদ তাঁর বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশ ও ফিলিপাইনের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্ক পারস্পরিক আস্থা, অভিন্ন মূল্যবোধ এবং যৌথ স্বপ্নের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। তিনি দুই দেশের অপ্রয়োগিত সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে কাঠামোবদ্ধ সহযোগিতা, উচ্চ পর্যায়ের সফর এবং বিভিন্ন খাতে যৌথ উদ্যোগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে তিনি ফিলিপাইনে বসবাসরত বাংলাদেশিদের ভূমিকার প্রশংসা করেন, যারা দুই দেশের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করছে।

বাণিজ্য ও সংস্কৃতিতে নতুন সম্ভাবনা

প্রধান অতিথি মারিয়া থেরেসা বি. ডিজন-ডে ভেগা তাঁর বক্তব্যে কৃষি, স্বাস্থ্য, সুস্থতা, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিনিময়সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের ক্রমবর্ধমান সহযোগিতার কথা তুলে ধরেন। তিনি বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের বিস্তৃত সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেন এবং ভবিষ্যতে এই অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

সংস্কৃতি ও ভোজে সমাপ্তি

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে কেক কাটা হয় এবং অ্যাডামসন বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়ার দলের পরিবেশনায় বাংলা লোকসংগীত পরিবেশিত হয়। এ সময় অতিথিরা উপভোগ করেন বৈচিত্র্যময় ও সুস্বাদু নৈশভোজ।