ইরান দাবি করেছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় আরও একটি মার্কিন উন্নত যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হয়েছে। এই ঘটনার পরই পাইলটদের ভাগ্য নিয়ে তৈরি হয়েছে গভীর অনিশ্চয়তা, আর একই সঙ্গে অঞ্চলজুড়ে বেড়েছে উত্তেজনা।
ভূপাতিত যুদ্ধবিমান ও পাইলটের খোঁজে অভিযান
ইরানের আকাশসীমায় একটি মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হয়েছে বলে স্বীকার করেছে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা। জানা গেছে, ওই বিমানে দুইজন ক্রু সদস্য ছিলেন এবং তাদের উদ্ধারে অভিযান শুরু হয়েছে। তবে এই উদ্ধার প্রচেষ্টার মধ্যেই ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হামলা চালিয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে দাবি করা হয়েছে, ফলে অভিযান আরও জটিল হয়ে উঠেছে।

ইরানের দাবি ও বিতর্ক
ইরানের বিভিন্ন রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত গণমাধ্যম বলছে, ভূপাতিত উন্নত যুদ্ধবিমানের পাইলট হয় নিহত হয়েছেন, নয়তো ইতোমধ্যে আটক হয়েছেন। কিছু প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বিমানের বিস্ফোরণ এতটাই তীব্র ছিল যে পাইলটের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা খুবই কম।
একই সঙ্গে দেশটির সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, তাদের নতুন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে এই হামলা সফলভাবে চালানো হয়েছে। এমনকি সাধারণ জনগণকে পাইলটদের ধরতে উৎসাহ দেওয়ার কথাও প্রচার করা হয়েছে, যা পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।
উদ্ধার অভিযানে বাধা ও বাড়তি ঝুঁকি
মার্কিন বাহিনী পাইলটদের খুঁজে বের করতে আকাশপথে অভিযান চালালেও সেই প্রচেষ্টাও বাধার মুখে পড়েছে বলে জানা যাচ্ছে। আঞ্চলিক আকাশসীমায় সামরিক উপস্থিতি বাড়ায় পরিস্থিতি দ্রুত জটিল হয়ে উঠছে। ফলে পাইলটদের নিরাপত্তা এবং উদ্ধার অভিযান—দুইই এখন অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে।

আগের ঘটনার পুনরাবৃত্তি?
এর আগে মার্চ মাসেও ইরান একই ধরনের একটি উন্নত যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবি করেছিল। তখন যুক্তরাষ্ট্র জানায়, একটি বিমান জরুরি অবতরণ করলেও পাইলট নিরাপদ ছিলেন। তবে নতুন এই ঘটনার ক্ষেত্রে পরিস্থিতি অনেক বেশি গুরুতর বলে মনে করা হচ্ছে।
উত্তেজনা বাড়ছে মধ্যপ্রাচ্যে
বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে। দুই দেশের মধ্যে সরাসরি সংঘর্ষের ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক মহলেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















