০৯:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬
চার রাজ্য, চার মুখ্যমন্ত্রী—২০২৬ সালের নির্বাচনে ‘মুখ’ই শেষ কথা মুসলিম অধ্যুষিত মুর্শিদাবাদ ও মালদায় ভোটার তালিকা থেকে ব্যাপক নাম বাদ রাশিয়ায় নোবেলজয়ী মানবাধিকার সংগঠন ‘মেমোরিয়াল’কে ‘চরমপন্থী’ ঘোষণা “চাবিটি হারিয়ে গেছে” হরমুজ প্রণালিতে ইরানের নিয়ন্ত্রণ: যুদ্ধবিরতির পরও থামেনি কৌশলগত চাপ ইরান যুদ্ধের ধাক্কা: সামনে আরও বাড়তে পারে তেলের দাম পোপাইসের বেইজিংয়ে প্রত্যাবর্তন, ২৪ বছর পর নতুন করে চীনা বাজারে জোরালো উপস্থিতি ট্রাম্পের ‘আনুগত্য পরীক্ষা’ কি ন্যাটোর ঐক্যে ফাটল ধরাচ্ছে? কুষ্টিয়ার স্কুলে অচেতন অবস্থায় ছাত্রী উদ্ধার, যৌন নির্যাতনের আশঙ্কা শি–চেং বৈঠকে নতুন সমীকরণ, তাইওয়ান প্রণালীতে উত্তেজনা কমার ইঙ্গিত

যুদ্ধবিরতির পর জেরুজালেমের পবিত্র স্থানে ফিরলেন উপাসনাকারীরা

ইসরায়েল ও ইরানের সংঘাত ঘিরে প্রায় ছয় সপ্তাহ ধরে জেরুজালেমের গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় স্থাপনাগুলোতে জনসমাগমে কড়াকড়ি ছিল। সেই বিধিনিষেধ শিথিল করার পর আবারও আল-আকসা মসজিদ, ওয়েস্টার্ন ওয়াল এবং চার্চ অব দ্য হলি সেপালকারে প্রার্থনায় ফিরেছেন মুসলিম, ইহুদি ও খ্রিস্টান উপাসনাকারীরা। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস জানায়, নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে ধর্মীয় পালা-পার্বণও বিঘ্নিত হয়েছিল। এখন পুনরায় প্রবেশের সুযোগ মিলায় উপাসনাকারীদের মধ্যে স্বস্তি ও আবেগঘন প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।

ধর্মীয় স্বাভাবিকতায় ছোট কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ প্রত্যাবর্তন
জেরুজালেমের এই স্থানগুলো কেবল উপাসনার জায়গা নয়; এগুলো ইতিহাস, পরিচয়, ক্ষমতা ও আবেগেরও কেন্দ্র। তাই সেগুলো খুলে দেওয়া নিছক প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নয়, বরং সংঘাত-পরবর্তী পরিবেশে কিছুটা ধর্মীয় স্বাভাবিকতা ফেরার ইঙ্গিত। ঘটনাটি এসেছে এমন এক সময়ে, যখন পবিত্র সময়গুলিতে প্রবেশাধিকার নিয়ে আগেও বিতর্ক তৈরি হয়েছিল।

সংঘাতের মাঝেও ধর্মের জায়গা
মধ্যপ্রাচ্যের বাস্তবতায় পবিত্র স্থানগুলো প্রায়ই নিরাপত্তা ও রাজনীতির টানাপোড়েনের মধ্যে পড়ে। এই পুনরায় উন্মুক্ত হওয়া দেখাচ্ছে, যুদ্ধের ছায়া কিছুটা সরলেই ধর্মীয় জীবন আবার কেন্দ্রে ফিরে আসে। তবে পরিস্থিতি যে এখনও ভঙ্গুর, সেটিও পরিষ্কার।

জনপ্রিয় সংবাদ

চার রাজ্য, চার মুখ্যমন্ত্রী—২০২৬ সালের নির্বাচনে ‘মুখ’ই শেষ কথা

যুদ্ধবিরতির পর জেরুজালেমের পবিত্র স্থানে ফিরলেন উপাসনাকারীরা

০৭:০৮:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

ইসরায়েল ও ইরানের সংঘাত ঘিরে প্রায় ছয় সপ্তাহ ধরে জেরুজালেমের গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় স্থাপনাগুলোতে জনসমাগমে কড়াকড়ি ছিল। সেই বিধিনিষেধ শিথিল করার পর আবারও আল-আকসা মসজিদ, ওয়েস্টার্ন ওয়াল এবং চার্চ অব দ্য হলি সেপালকারে প্রার্থনায় ফিরেছেন মুসলিম, ইহুদি ও খ্রিস্টান উপাসনাকারীরা। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস জানায়, নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে ধর্মীয় পালা-পার্বণও বিঘ্নিত হয়েছিল। এখন পুনরায় প্রবেশের সুযোগ মিলায় উপাসনাকারীদের মধ্যে স্বস্তি ও আবেগঘন প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।

ধর্মীয় স্বাভাবিকতায় ছোট কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ প্রত্যাবর্তন
জেরুজালেমের এই স্থানগুলো কেবল উপাসনার জায়গা নয়; এগুলো ইতিহাস, পরিচয়, ক্ষমতা ও আবেগেরও কেন্দ্র। তাই সেগুলো খুলে দেওয়া নিছক প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নয়, বরং সংঘাত-পরবর্তী পরিবেশে কিছুটা ধর্মীয় স্বাভাবিকতা ফেরার ইঙ্গিত। ঘটনাটি এসেছে এমন এক সময়ে, যখন পবিত্র সময়গুলিতে প্রবেশাধিকার নিয়ে আগেও বিতর্ক তৈরি হয়েছিল।

সংঘাতের মাঝেও ধর্মের জায়গা
মধ্যপ্রাচ্যের বাস্তবতায় পবিত্র স্থানগুলো প্রায়ই নিরাপত্তা ও রাজনীতির টানাপোড়েনের মধ্যে পড়ে। এই পুনরায় উন্মুক্ত হওয়া দেখাচ্ছে, যুদ্ধের ছায়া কিছুটা সরলেই ধর্মীয় জীবন আবার কেন্দ্রে ফিরে আসে। তবে পরিস্থিতি যে এখনও ভঙ্গুর, সেটিও পরিষ্কার।