নববর্ষের আনন্দের দিনেও স্বস্তি মেলেনি জ্বালানি পাম্পে। মজুদ পরিস্থিতি সামান্য উন্নতি হলেও সারা দেশে ফিলিং স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ লাইন থামছে না, বরং কিছু জায়গায় গত সপ্তাহের চেয়েও বেশি ভিড় দেখা গেছে।
পহেলা বৈশাখের দিনও একই চিত্র
মধ্যপ্রাচ্যে ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে বাংলাদেশে জ্বালানি সংকট শুরু হয়েছে। বাংলাদেশ তার জ্বালানির ৯৫ শতাংশই আমদানি করে, যার একটি বড় অংশ আসে হরমুজ প্রণালি দিয়ে। সেই প্রণালিতে যুদ্ধের কারণে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় সরবরাহ সংকট তৈরি হয়েছে।

হোর্ডিং ও আতঙ্কের কেনাকাটাও সমস্যা বাড়াচ্ছে
জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, সরবরাহ সংকটের পাশাপাশি ভোক্তাদের আতঙ্কে কেনাকাটা এবং অবৈধ মজুদদারিও পরিস্থিতি আরও কঠিন করে তুলছে। সরকার ৩১ মার্চ ৬৪ জেলায় ৩৯১টি অভিযান পরিচালনা করে ৮৭,৭০০ লিটার অবৈধভাবে মজুদ করা জ্বালানি উদ্ধার করে এবং ১৯১টি মামলা দায়ের করে।
কৃষকরা বিপাকে
দেশের উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের ১৬টি জেলায় তীব্র সংকটের কারণে বোরো মৌসুমের সেচকাজে প্রতিদিন ১৩ লিটার ডিজেলের প্রয়োজন এমন কৃষকরা মাত্র দুই লিটার পাচ্ছেন বলে জানা গেছে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, বোরো উৎপাদন ২০ শতাংশ কমলে খাদ্য সংকট দেখা দিতে পারে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















