০২:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
ইন্দোনেশিয়ার বন্যায় বিলুপ্তির ঝুঁকি বেড়েছে তাপানুলি ওরাংওটাংয়ের, এক বছরে হারিয়েছে অন্তত ৭ শতাংশ  কাপ্তাই হ্রদের পানি কমে বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধের শঙ্কা, বিপাকে পাহাড়ি জনপদ পাকিস্তান সেনাবাহিনীর এমআই-১৭ হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, নিহত সবাই পাকিস্তানের বিমান হামলায় আফগানিস্তানে নিহত ১৩, নিহতদের মধ্যে ১১ শিশু অঘোষিত সম্পদ বৈধ করার নতুন সুযোগ, অতিরিক্ত ২০ শতাংশ করের প্রস্তাব শ্বেতাঙ্গ ত্রাণকর্তার মঞ্চ নাকি জাতির আত্মসমালোচনার সময়? বগুড়ায় এসআইকে কুপিয়ে মামলার নথি ছিনতাই, তদন্তে পুলিশ মে মাসে মূল্যস্ফীতি ৪.২ শতাংশে, ইরান যুদ্ধের জ্বালানি ধাক্কায় বাড়ছে মার্কিন অর্থনীতির চাপ ওমানকে ঘিরে ট্রাম্পের হুমকি, মধ্যপ্রাচ্যের নতুন কূটনৈতিক টানাপোড়েন শক্তির সংজ্ঞা যদি পুরুষতন্ত্র লিখে দেয়, তবে নারীরা জিতবে কীভাবে?

রানা প্লাজা ধসের ১৩ বছর: এখনো অসম্পূর্ণ বিচার, স্মৃতি যেন এখন “অস্বস্তি”

আগামী ২৪ এপ্রিল রানা প্লাজা ধসের ১৩তম বার্ষিকী। ২০১৩ সালের সেই দিনে ঢাকার সাভারে ৯তলা ভবনটি ধসে পড়ে এক হাজার ১৩৬ জন পোশাক শ্রমিক মারা গিয়েছিলেন এবং দুই হাজার পাঁচ শতাধিক আহত হয়েছিলেন। এটি ছিল বিশ্বের ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ শিল্প দুর্ঘটনাগুলোর একটি। কিন্তু ১৩ বছর পরেও বিচার শেষ হয়নি এবং অনেক বেঁচে যাওয়া শ্রমিক আজও জীবিকা সংকটে রয়েছেন।

বিচার যেখানে আটকে আছে

ভবন মালিক সোহেল রানাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা ২০১৬ সালে ঢাকার একটি আদালতে শুরু হয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘ আট বছরেও বিচার নিষ্পত্তি হয়নি। ডেইলি স্টার লিখেছে, রানা প্লাজার কথা উঠলেই এখন অনেক মহলে “অস্বস্তি” তৈরি হয়। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) ও অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বারবার বিচার ত্বরান্বিত করার আহ্বান জানিয়ে আসছে।

শ্রমিকদের জীবন এখনো সংগ্রামময়

রানা প্লাজার একটি কারখানায় কর্মরত শ্রমিক রোজিনা বেগম বলেন, ঘটনার পরে পোশাক খাতের কারখানায় নিরাপত্তা অনেকটা উন্নত হয়েছে ঠিকই, কিন্তু মজুরি এখনো অপ্রতুল। জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির কারণে অনেক শ্রমিক এখনো প্রতিদিনের খরচ মেটাতে হিমশিম খাচ্ছেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ক্ষতিপূরণের প্রশ্নটি আজও নিষ্পত্তি হয়নি এবং শ্রম আইনে ক্ষতিপূরণের সীমা এখনো অপর্যাপ্ত।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইন্দোনেশিয়ার বন্যায় বিলুপ্তির ঝুঁকি বেড়েছে তাপানুলি ওরাংওটাংয়ের, এক বছরে হারিয়েছে অন্তত ৭ শতাংশ 

রানা প্লাজা ধসের ১৩ বছর: এখনো অসম্পূর্ণ বিচার, স্মৃতি যেন এখন “অস্বস্তি”

০৬:২২:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

আগামী ২৪ এপ্রিল রানা প্লাজা ধসের ১৩তম বার্ষিকী। ২০১৩ সালের সেই দিনে ঢাকার সাভারে ৯তলা ভবনটি ধসে পড়ে এক হাজার ১৩৬ জন পোশাক শ্রমিক মারা গিয়েছিলেন এবং দুই হাজার পাঁচ শতাধিক আহত হয়েছিলেন। এটি ছিল বিশ্বের ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ শিল্প দুর্ঘটনাগুলোর একটি। কিন্তু ১৩ বছর পরেও বিচার শেষ হয়নি এবং অনেক বেঁচে যাওয়া শ্রমিক আজও জীবিকা সংকটে রয়েছেন।

বিচার যেখানে আটকে আছে

ভবন মালিক সোহেল রানাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা ২০১৬ সালে ঢাকার একটি আদালতে শুরু হয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘ আট বছরেও বিচার নিষ্পত্তি হয়নি। ডেইলি স্টার লিখেছে, রানা প্লাজার কথা উঠলেই এখন অনেক মহলে “অস্বস্তি” তৈরি হয়। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) ও অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বারবার বিচার ত্বরান্বিত করার আহ্বান জানিয়ে আসছে।

শ্রমিকদের জীবন এখনো সংগ্রামময়

রানা প্লাজার একটি কারখানায় কর্মরত শ্রমিক রোজিনা বেগম বলেন, ঘটনার পরে পোশাক খাতের কারখানায় নিরাপত্তা অনেকটা উন্নত হয়েছে ঠিকই, কিন্তু মজুরি এখনো অপ্রতুল। জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির কারণে অনেক শ্রমিক এখনো প্রতিদিনের খরচ মেটাতে হিমশিম খাচ্ছেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ক্ষতিপূরণের প্রশ্নটি আজও নিষ্পত্তি হয়নি এবং শ্রম আইনে ক্ষতিপূরণের সীমা এখনো অপর্যাপ্ত।